ডাঃ এম. এ. হাই
Child Doctor Rajshahi • 21 Sep,2026 • 👁 6 Views
Category: শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহী
ডাঃ এম. এ. হাই রাজশাহীর একজন অভিজ্ঞ নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা, শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে সেবার ক্ষেত্র এবং কখন শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন—জানুন বিস্তারিত।
ডাঃ এম. এ. হাই
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি পেডিয়াট্রিক্স, ফেলো চাইল্ড নিউট্রিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ
অধ্যাপক (শিশুরোগ)
রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
ডাঃ এম. এ. হাই — নবজাতক, শিশু ও কিশোর রোগ বিশেষজ্ঞ রাজশাহী
শিশুর অসুস্থতা নিয়ে বাবা-মায়ের দুশ্চিন্তা হওয়াটা খুব স্বাভাবিক। শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, পুষ্টি, সংক্রমণ, নবজাতকের বিভিন্ন সমস্যা এবং বয়সভেদে দেখা দেওয়া সাধারণ ও জটিল রোগের সঠিক মূল্যায়নের জন্য একজন শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ বা পেডিয়াট্রিশিয়ানের পরামর্শ গুরুত্বপূর্ণ।
ডাঃ এম. এ. হাই একজন নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ এবং অধ্যাপক (শিশুরোগ), রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। তিনি শিশুদের রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা, পুষ্টি ও বয়সভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চিকিৎসা ও পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
ডাঃ এম. এ. হাই-এর শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ্যতা
নাম: ডাঃ এম. এ. হাই
ডিগ্রি: এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি পেডিয়াট্রিক্স
অতিরিক্ত ফেলোশিপ: ফেলো চাইল্ড নিউট্রিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)
বিশেষত্ব: নবজাতক, শিশু ও কিশোর রোগ বিশেষজ্ঞ
পদবি: অধ্যাপক (শিশুরোগ)
প্রতিষ্ঠান: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল
চেম্বারঃ
রাজশাহী রয়েল হাসপাতাল প্রাইভেট লিমিটেড
সময়ঃ
বিকাল ৩টা - রাত ৮ টা
শিশুদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে পেডিয়াট্রিক্স একটি বিশেষায়িত চিকিৎসা শাখা। নবজাতক থেকে শুরু করে শিশু ও কিশোর বয়স পর্যন্ত বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা, সংক্রমণ, পুষ্টি ও বিকাশ-সংক্রান্ত বিষয় এই বিভাগের আওতায় আসে।
ডাঃ এম. এ. হাই-এর MD in Pediatrics ডিগ্রি এবং Child Nutrition বিষয়ে ফেলোশিপ থাকায় শিশুর রোগের পাশাপাশি তাদের পুষ্টি ও স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার বিষয়টিরও চিকিৎসা ও পরামর্শ দিয়ে থাকেন।
ডাঃ এম. এ. হাই কোন কোন বিষয়ে শিশুদের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন?
শিশুদের রোগের ধরন বয়স অনুযায়ী অনেকটাই পরিবর্তিত হয়। নবজাতকের সমস্যা যেমন আলাদা, তেমনি স্কুলগামী শিশুর রোগের ধরনও আলাদা হতে পারে। তাই শিশুর বয়স, শারীরিক অবস্থা, উপসর্গ ও পূর্বের চিকিৎসার ইতিহাস বিবেচনা করে চিকিৎসা দেওয়া প্রয়োজন।
নবজাতকের বিভিন্ন সমস্যা
জন্মের পর প্রথম কয়েক সপ্তাহ শিশুর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময়ে শিশুর দুধ খাওয়ার সমস্যা, জন্ডিস, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত ঘুম বা নিস্তেজভাব, জন্মের পর ওজন ঠিকমতো না বাড়া ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে।
নবজাতকের কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে নিজের মতো করে ওষুধ না দিয়ে দ্রুত শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া নিরাপদ।
শিশুর জ্বর
শিশুদের জ্বর খুব সাধারণ একটি সমস্যা হলেও এর পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। ভাইরাসজনিত সংক্রমণ, ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনসহ বিভিন্ন কারণে জ্বর হতে পারে।
বিশেষ করে খুব ছোট শিশুর জ্বর হলে বয়স ও অন্যান্য উপসর্গ বিবেচনা করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
সর্দি-কাশি ও শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা
শিশুদের সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা ও বিভিন্ন ধরনের শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ প্রায়ই দেখা যায়। কোনো কোনো শিশুর ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট, বুকে শব্দ হওয়া বা বারবার শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণও হতে পারে।
শিশুর শ্বাস নিতে কষ্ট হলে বা ঠোঁট নীলচে হয়ে গেলে দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন।
নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্ট
শিশুদের নিউমোনিয়া দ্রুত জটিল আকার নিতে পারে। জ্বর, কাশি, দ্রুত শ্বাস নেওয়া, শ্বাস নিতে কষ্ট, খেতে না পারা বা অতিরিক্ত দুর্বলতা থাকলে শিশুকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া উচিত।
ডায়রিয়া ও বমি
শিশুদের ডায়রিয়া ও বমির অন্যতম বড় ঝুঁকি হলো ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা। বারবার পাতলা পায়খানা বা বমির কারণে শরীর থেকে পানি ও প্রয়োজনীয় লবণ বেরিয়ে যেতে পারে।
শিশু স্বাভাবিকের তুলনায় কম প্রস্রাব করলে, মুখ শুকিয়ে গেলে, চোখ বসে গেলে বা অতিরিক্ত নিস্তেজ হয়ে গেলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।
শিশুর পুষ্টি ও অপুষ্টি
একটি শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য সুষম পুষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিশুর বয়স অনুযায়ী সঠিক খাবার, পর্যাপ্ত প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেলের প্রয়োজন রয়েছে।
শিশুর ওজন বয়স অনুযায়ী না বাড়লে, খেতে না চাইলে, অতিরিক্ত রোগাক্রান্ত হলে বা শারীরিক বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ থাকলে শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।
Child Nutrition বিষয়ে তাঁর অতিরিক্ত ফেলোশিপ থাকায় শিশুর পুষ্টি ও খাদ্যাভ্যাস-সংক্রান্ত বিষয়ও তাঁর চিকিৎসা-সেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হতে পারে।
কখন শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত?
অনেক বাবা-মা মনে করেন, শিশু খুব বেশি অসুস্থ হলেই শুধু ডাক্তার দেখানো দরকার। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে রোগ শুরু হওয়ার আগেই নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা শিশুর সুস্থ বেড়ে ওঠার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
নিচের পরিস্থিতিতে শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে—
নবজাতক ঠিকমতো দুধ না খেলে
শিশুর ওজন বয়স অনুযায়ী না বাড়লে
বারবার জ্বর হলে
ঘন ঘন সর্দি-কাশি হলে
শ্বাস নিতে কষ্ট হলে
বারবার বমি বা ডায়রিয়া হলে
শিশুর খাওয়ার আগ্রহ কমে গেলে
অতিরিক্ত দুর্বল বা নিস্তেজ মনে হলে
শিশুর বৃদ্ধি বা বিকাশ নিয়ে উদ্বেগ থাকলে
শিশুর ঘুম বা আচরণে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে
দীর্ঘদিন ধরে কোনো শারীরিক সমস্যা থাকলে
শিশুর পুষ্টি ও খাবার নিয়ে পরামর্শ প্রয়োজন হলে
শিশুর ক্ষেত্রে কোন লক্ষণগুলো জরুরি?
কিছু লক্ষণ দেখা দিলে নিয়মিত চেম্বারে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা না করে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।
যেমন—
শিশু শ্বাস নিতে খুব কষ্ট করলে,
ঠোঁট বা মুখ নীলচে হয়ে গেলে,
শিশু অস্বাভাবিকভাবে নিস্তেজ হয়ে গেলে,
খিঁচুনি হলে,
নবজাতক দুধ খেতে না চাইলে বা একেবারেই না খেলে,
বারবার বমি করে পানি ধরে রাখতে না পারলে,
গুরুতর পানিশূন্যতার লক্ষণ দেখা দিলে,
অচেতন বা সাড়া কম পাওয়া গেলে।
এ ধরনের পরিস্থিতিতে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতাল বা জরুরি চিকিৎসা কেন্দ্রে নেওয়া উচিত।
শিশুর জন্য সঠিক পুষ্টি কেনো জরুরি
শিশুর জীবনের প্রথম কয়েক বছর বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে পর্যাপ্ত পুষ্টি না পেলে শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও সামগ্রিক বিকাশে প্রভাব পড়তে পারে।
তবে শিশুর খাবারের প্রয়োজন বয়স অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়। নবজাতক, ছয় মাসের শিশু এবং দুই-তিন বছরের শিশুর খাবারের প্রয়োজন এক নয়।
তাই শিশুর বয়স, ওজন, বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যগত অবস্থা বিবেচনা করে খাবারের পরিকল্পনা করা উচিত। কোনো নির্দিষ্ট খাবার বা সাপ্লিমেন্ট নিজের মতো করে শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
রাজশাহীতে নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ
রাজশাহীতে নবজাতক ও শিশু রোগের জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ খুঁজছেন তাদের জন্য ডাঃ এম. এ. হাই একটি বিশ্বস্ত নাম।
তিনি এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি পেডিয়াট্রিক্স ডিগ্রিধারী এবং Child Nutrition (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) বিষয়ে ফেলোশিপ সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে তিনি অধ্যাপক (শিশুরোগ), রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
নবজাতক ও শিশুদের বিভিন্ন রোগ, শারীরিক বৃদ্ধি, পুষ্টি এবং শিশুরোগ-সংক্রান্ত সমস্যায় প্রয়োজন অনুযায়ী তাঁর পরামর্শ নিন ।
কিছু প্রশ্ন ও উত্তর
১. ডাঃ এম. এ. হাই কোন বিষয়ের ডাক্তার?
ডাঃ এম. এ. হাই একজন নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ। তিনি পেডিয়াট্রিক্স বিষয়ে বিশেষায়িত চিকিৎসা প্রদান করেন।
২. ডাঃ এম. এ. হাই-এর শিক্ষাগত যোগ্যতা কী?
তিনি এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি পেডিয়াট্রিক্স ডিগ্রিধারী। এছাড়া চাইল্ড নিউট্রিশন বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেলোশিপ করেছেন।
৩. তিনি বর্তমানে কোথায় কর্মরত?
তিনি অধ্যাপক (শিশুরোগ), রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
৪. শিশুর বারবার জ্বর হলে কি শিশু বিশেষজ্ঞ দেখানো উচিত?
বারবার জ্বরের পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। জ্বরের পুনরাবৃত্তি হলে কারণ নির্ণয়ের জন্য শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো।
৫. শিশুর ওজন বয়স অনুযায়ী না বাড়লে কী করবেন?
শিশুর খাবার, বৃদ্ধি, শারীরিক সমস্যা ও পুষ্টিগত প্রয়োজন মূল্যায়নের জন্য শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।
৬. নবজাতক দুধ কম খেলে কি চিন্তার বিষয়?
নবজাতকের দুধ খাওয়ার পরিমাণে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। বিশেষ করে শিশু একেবারেই দুধ না খেলে, অতিরিক্ত নিস্তেজ থাকলে বা অন্য কোনো অসুস্থতার লক্ষণ থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।
৭. শিশুর ডায়রিয়া হলে কখন ডাক্তার দেখাব?
বারবার পাতলা পায়খানা, বমি, কম প্রস্রাব, অতিরিক্ত দুর্বলতা বা পানিশূন্যতার লক্ষণ থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
৮. শিশুর পুষ্টির জন্য কি আলাদা চিকিৎসকের প্রয়োজন হয়?
শিশুর বয়স, ওজন, বৃদ্ধি এবং পুষ্টিগত অবস্থার ওপর নির্ভর করে শিশু বিশেষজ্ঞ পুষ্টি বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে পারেন।
রাজশাহীতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন Doctor Service BD এর মাধ্যমে।
হটলাইন নম্বরঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪
Related Articles
Continue reading in শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহী
শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহী
শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহী
শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহী
শিশু বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহী