Explore our Specialist

Rest easy knowing your health is our top priority. Our advanced medical services offer optimal care, ensuring your well-being without compromising safety or quality.

Our expert doctors

Welcome to Doctor Service BD, here you can find a gather of best doctors. With leading experts in every medical field, we ensure unparalleled service and care for all our patients.

doctor
Medicine Specialist
Dr. Md. Mojibul Haque (Sobuj)
Medicine specialist and diabetologist

MBBS, BCS (Health), MD (Internal Medicine) BSMMU

doctor
Medicine Specialist
Dr. SK. Md. Afzal Uddin
Internal Medicine Specialist

MBBS, BCS (Health), MD(Internal Medicine),FACP(Glasgow,UK),FCCP(USA),MRSM(London),FRSPH(UK), Honorary Professor,Queensland university, Australia.FACG (USA)

doctor
Pulmonology,Asthma, Chest Medicine Specialist
Dr. Ahmad Zainuddin Sani
Chest Diseases & Respiratory Medicine Specialist

MBBS, BCS (Health), MD (Chest Medicine)

doctor
ENT -Ear Nose Throat specialist
Dr. Muhammad Mahmudul Haque Anik
Ear, Nose, Throat Specialist & Head Neck Specialist Surgeon

MBBS, BCS (Health), FCPS (ENT), Advanced Clinical Fellow in Otology(BSMMU)

doctor
Gastroenterology Specialist
doctor
Nephrology Specialist
Dr. Md. Safayet Hossain Pramanik
Nephrology & Kidney Specialist

MBBS, BCS (Health),MD (Nephrology) Bangabandhu Sheikh Mujib Medical University (PG Hospital), Member, International Society Of Nephrology (ISN),MACP (America)

Explore our Diagonostic

Meet with the best diagnostics represented across each medical specialty. With the best medical services.

doctor-image
Al Arafa Clinic & Diagnostic Center Rajshahi

Al-Arafah Clinic, Bir Sreshtho Shaheed Captain Mohiuddin Jahangir Smarani, Rajshahi, Bangladesh


doctor-image
Islami Bank Hospital Rajshahi

CJ65+J96 Islami Bank Medical College Hospital, Rajshahi, air, port road, Rajshahi 6203



Latest Blogs Articles

Read top articles from health experts.

blog-image

সাদা স্রাবের সাথে হালকা রক্ত যায় কেন

 সাদা স্রাবের সাথে হালকা রক্ত যায় কেন? মাসিকের পরিবর্তন, ডিম্বস্ফোটন, সংক্রমণ, জরায়ুমুখের সমস্যা ও গর্ভাবস্থাসহ সম্ভাব্য কারণগুলো এবং কখন গাইনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে তা বিস্তারিত জানুন।সাদা স্রাবের সাথে হালকা রক্ত যায় কেননারীদের অনেকেরই কোনো কোনো সময় সাদা স্রাবের সঙ্গে সামান্য রক্ত বা রক্তের দাগ দেখা যায়। বিষয়টি প্রথমবার হলে স্বাভাবিকভাবেই দুশ্চিন্তা হতে পারে। বিশেষ করে মাসিকের সময় না থাকা অবস্থায় সাদা স্রাবের সঙ্গে গোলাপি, লালচে বা বাদামি রঙের কিছু দেখা গেলে অনেকেই বুঝতে পারেন না এর কারণ কী।আসলে সাদা স্রাবের সাথে হালকা রক্ত যাওয়ার একাধিক কারণ থাকতে পারে। কখনো এটি মাসিকের আগে-পরে স্বাভাবিক হরমোন পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। আবার কখনো যোনিপথ বা জরায়ুমুখের সংক্রমণ, প্রদাহ, পলিপ, হরমোনের সমস্যা কিংবা গর্ভাবস্থার মতো বিষয়ও এর পেছনে থাকতে পারে।তাই শুধু স্রাবের সঙ্গে অল্প রক্ত দেখেই আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। একই সঙ্গে বিষয়টিকে একেবারে উপেক্ষাও করা ঠিক নয়। রক্ত কখন যাচ্ছে, কতটা যাচ্ছে, স্রাবের ধরন কেমন এবং সঙ্গে অন্য কোনো উপসর্গ আছে কি না—এসব তথ্য কারণ বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।স্বাভাবিক সাদা স্রাব কেমননারীদের যোনিপথ থেকে কিছু পরিমাণ সাদা বা স্বচ্ছ স্রাব বের হওয়া স্বাভাবিক। এটি যোনিপথকে আর্দ্র ও পরিষ্কার রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মাসিক চক্রের বিভিন্ন সময়ে এই স্রাবের পরিমাণ, ঘনত্ব ও রং কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে।সাধারণত স্বাভাবিক স্রাব খুব বেশি দুর্গন্ধযুক্ত হয় না এবং এর সঙ্গে তীব্র চুলকানি, জ্বালাপোড়া বা ব্যথা থাকার কথা নয়।তবে স্রাবের সঙ্গে রক্ত মিশে গেলে বিষয়টি একটু ভিন্নভাবে দেখতে হয়। বিশেষ করে এটি যদি বারবার হয় বা মাসিকের সময়ের বাইরে ঘটে, তাহলে কারণটি খুঁজে দেখা প্রয়োজন।সাদা স্রাবের সাথে হালকা রক্ত যাওয়ার কারণ১. মাসিকের আগে বা পরে পুরোনো রক্ত বের হওয়াসাদা স্রাবের সঙ্গে হালকা রক্ত যাওয়ার একটি সাধারণ কারণ হলো মাসিকের সময়ের কাছাকাছি হওয়া। মাসিক শুরু হওয়ার আগে সামান্য রক্তপাত হতে পারে এবং সেই রক্ত সাদা স্রাবের সঙ্গে মিশে গোলাপি বা হালকা লালচে স্রাবের মতো দেখা যায়।আবার মাসিক শেষ হওয়ার পর জরায়ু থেকে অল্প পরিমাণ পুরোনো রক্ত বের হতে পারে। তখন সাদা স্রাবের সঙ্গে বাদামি বা লালচে দাগ দেখা যেতে পারে।এ ধরনের রক্তপাত সাধারণত অল্প পরিমাণে হয় এবং কয়েকদিনের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়।২. ডিম্বস্ফোটনের সময় হালকা রক্তপাতমাসিক চক্রের মাঝামাঝি সময়ে ডিম্বস্ফোটন বা ovulation হয়। এই সময় হরমোনের স্বাভাবিক পরিবর্তনের কারণে কিছু নারীর সামান্য spotting হতে পারে।তখন সাধারণত স্বচ্ছ বা সাদা স্রাবের পরিমাণও কিছুটা বাড়তে পারে। এর সঙ্গে সামান্য রক্ত মিশে গেলে স্রাব গোলাপি বা হালকা লালচে দেখাতে পারে।যদি এটি মাসিক চক্রের মাঝামাঝি সময়ে অল্প পরিমাণে হয় এবং অন্য কোনো সমস্যা না থাকে, তাহলে সবসময় গুরুতর রোগের কারণে এমন হচ্ছে—এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক নয়।৩. যোনিপথে সংক্রমণসাদা স্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়ার আরেকটি কারণ হতে পারে যোনিপথের সংক্রমণ। বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের কারণে যোনিপথের টিস্যুতে প্রদাহ বা জ্বালা তৈরি হতে পারে। এতে কখনো কখনো সামান্য রক্তপাত হতে পারে।সংক্রমণ থাকলে শুধু রক্ত নয়, আরও কিছু লক্ষণ দেখা দিতে পারে। যেমন—স্রাবের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়াদুর্গন্ধযুক্ত স্রাবস্রাবের রং হলুদ, সবুজ বা ধূসর হওয়াযোনিপথে চুলকানিজ্বালাপোড়াপ্রস্রাবের সময় জ্বালাতলপেটে অস্বস্তি বা ব্যথাএসব লক্ষণ থাকলে নিজে থেকে কোনো অ্যান্টিবায়োটিক বা অন্য ওষুধ শুরু না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।৪. জরায়ুমুখে প্রদাহ বা সংক্রমণজরায়ুর নিচের অংশকে জরায়ুমুখ বা cervix বলা হয়। সেখানে প্রদাহ বা সংক্রমণ হলে অস্বাভাবিক স্রাবের পাশাপাশি হালকা রক্তপাত হতে পারে।বিশেষ করে সহবাসের পর সাদা স্রাবের সঙ্গে রক্ত বা রক্তের দাগ দেখা গেলে জরায়ুমুখের সমস্যা আছে কি না তা পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে।এ ধরনের সমস্যার সঙ্গে তলপেটে ব্যথা, অস্বাভাবিক স্রাব বা সহবাসের সময় অস্বস্তিও থাকতে পারে।৫. সহবাসের পর সামান্য রক্তপাতসহবাসের পর সাদা স্রাবের সঙ্গে অল্প রক্ত দেখা গেলে এর পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। যোনিপথে শুষ্কতা বা ঘর্ষণের কারণে সামান্য ক্ষত তৈরি হলেও অল্প রক্তপাত হতে পারে।তবে এটি যদি বারবার ঘটে, তাহলে শুধু ঘর্ষণকে কারণ ধরে নেওয়া উচিত নয়। জরায়ুমুখের প্রদাহ, পলিপ বা অন্যান্য গাইনোকোলজিক্যাল কারণও থাকতে পারে।তাই বারবার সহবাসের পর রক্তপাত হলে একজন গাইনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।৬. হরমোনের ভারসাম্যহীনতানারীর মাসিক চক্র মূলত বিভিন্ন হরমোনের সূক্ষ্ম ভারসাম্যের ওপর নির্ভর করে। হরমোনের ওঠানামা হলে মাসিকের সময় পরিবর্তিত হতে পারে এবং মাঝখানে spotting বা অল্প রক্তপাত হতে পারে।যাদের মাসিক নিয়মিত নয়, দীর্ঘদিন ধরে অনিয়মিত মাসিক হচ্ছে বা হঠাৎ মাসিকের ধরনে পরিবর্তন এসেছে, তাদের ক্ষেত্রে হরমোনজনিত কারণও বিবেচনা করা হয়।PCOS, থাইরয়েডের কিছু সমস্যা, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, ওজনের বড় পরিবর্তন কিংবা কিছু হরমোনাল ওষুধের কারণেও মাসিক চক্রে পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।গর্ভাবস্থায় সাদা স্রাবের সাথে হালকা রক্ত গেলে কী করবেন?গর্ভাবস্থায় যেকোনো ধরনের রক্তপাতকে একটু বেশি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন। গর্ভাবস্থার শুরুতে অল্প spotting বিভিন্ন কারণে হতে পারে, কিন্তু শুধুমাত্র সাদা স্রাবের সঙ্গে রক্ত দেখা গেছে বলেই এর কারণ নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।বিশেষ করে গর্ভাবস্থার সঙ্গে যদি—তলপেটে বা একপাশে ব্যথা,কোমরে ব্যথা,বেশি রক্তপাত,মাথা ঘোরা বা দুর্বল লাগা,কাঁধে ব্যথা,জ্বর,ইত্যাদি থাকে, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।গর্ভবতী অবস্থায় রক্তপাত হলে নিজের মতো করে ওষুধ খাওয়া বা অপেক্ষা না করে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করাই নিরাপদ।সাদা স্রাবের সাথে বাদামি রক্ত গেলে কী বোঝায়অনেক সময় সাদা স্রাবের সঙ্গে বাদামি বা কালচে রক্ত দেখা যায়। বাদামি রং সাধারণত পুরোনো রক্তের কারণে হতে পারে। জরায়ু থেকে রক্ত বের হতে কিছুটা সময় লাগলে রক্তের রং পরিবর্তিত হয়ে বাদামি দেখাতে পারে।মাসিকের আগে বা পরে এমনটা দেখা যেতে পারে। তবে যদি মাসিকের সময়ের বাইরে নিয়মিত বাদামি স্রাব হতে থাকে, তাহলে এর কারণ চিকিৎসকের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।সাদা স্রাবের সাথে রক্ত এবং তলপেটে ব্যথা হলে কী করবেনসাদা স্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়ার পাশাপাশি তলপেটে ব্যথা থাকলে বিষয়টি অবহেলা করা উচিত নয়। সংক্রমণ, জরায়ুমুখের প্রদাহ, জরায়ু বা ডিম্বাশয়সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা কিংবা গর্ভাবস্থার কিছু জটিলতার সঙ্গে এ ধরনের লক্ষণ দেখা যেতে পারে।ব্যথা যদি তীব্র হয়, হঠাৎ শুরু হয়, একপাশে বেশি থাকে অথবা রক্তপাত বাড়তে থাকে, তাহলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।সাদা স্রাবের সাথে হালকা রক্ত গেলে কী কী পরীক্ষা করা হতে পারেপ্রতিটি রোগীর জন্য একই পরীক্ষা প্রয়োজন হয় না। চিকিৎসক প্রথমে মাসিকের ইতিহাস, রক্তপাত কখন হচ্ছে, স্রাবের ধরন, সহবাসের সঙ্গে সম্পর্ক আছে কি না এবং অন্যান্য উপসর্গ সম্পর্কে জানতে পারেন।প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু পরীক্ষা করা হতে পারে। যেমন—Pelvic examination: যোনিপথ ও জরায়ুমুখে কোনো প্রদাহ, ক্ষত বা অস্বাভাবিকতা আছে কি না দেখতে করা হতে পারে।Pregnancy test: গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকলে এটি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।Vaginal/cervical swab: সংক্রমণের সন্দেহ থাকলে কারণ শনাক্ত করতে নমুনা পরীক্ষা করা হতে পারে।Ultrasonography: জরায়ু, ডিম্বাশয় বা পেলভিক অঞ্চলের কিছু সমস্যা দেখতে আল্ট্রাসনোগ্রাম প্রয়োজন হতে পারে।Pap test বা HPV-related evaluation: বয়স, পূর্ববর্তী স্ক্রিনিং এবং উপসর্গ অনুযায়ী জরায়ুমুখের অস্বাভাবিকতা মূল্যায়নের প্রয়োজন হতে পারে।কোন পরীক্ষা লাগবে তা রোগীর বয়স, উপসর্গ ও চিকিৎসকের পরীক্ষার ফলাফলের ওপর নির্ভর করে।কখন সাদা স্রাবের সাথে রক্ত যাওয়াকে গুরুত্ব দিবেনএকবার সামান্য রক্ত দেখা গেলেই যে গুরুতর সমস্যা হয়েছে, তা নয়। কিন্তু নিচের পরিস্থিতিগুলো থাকলে গাইনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত—বারবার রক্ত গেলেমাসিকের সময়ের বাইরে বারবার সাদা স্রাবের সঙ্গে রক্ত গেলে কারণটি পরীক্ষা করা দরকার।সহবাসের পর রক্ত গেলেপ্রতিবার বা বারবার সহবাসের পর রক্তপাত হলে জরায়ুমুখসহ অন্যান্য কারণ পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে।দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব হলেদুর্গন্ধ, চুলকানি, জ্বালাপোড়া ও রক্তপাত একসঙ্গে থাকলে সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকতে পারে।তলপেটে ব্যথা থাকলেস্রাব ও রক্তপাতের সঙ্গে তলপেটে ব্যথা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।গর্ভাবস্থায় রক্ত গেলেগর্ভাবস্থায় রক্তপাত হলে কারণ জানার জন্য চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা গুরুত্বপূর্ণ।মেনোপজের পর রক্ত গেলেমাসিক স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর যেকোনো ধরনের যোনিপথের রক্তপাতকে চিকিৎসকের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা উচিত।সাদা স্রাবের সমস্যা হলে কোন ডাক্তার দেখাবেন?সাদা স্রাবের সঙ্গে বারবার রক্ত গেলে গাইনি ও প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ (Gynecologist/Obstetrician) দেখানো সবচেয়ে উপযুক্ত।চিকিৎসক আপনার মাসিকের ইতিহাস, স্রাবের ধরন, রক্তপাতের সময় ও অন্যান্য উপসর্গ মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা দিতে পারেন। কারণ অনুযায়ী সংক্রমণ, হরমোনজনিত সমস্যা, জরায়ুমুখের সমস্যা বা অন্য কোনো গাইনোকোলজিক্যাল সমস্যার চিকিৎসা করা হবে।বিশেষ করে গর্ভাবস্থা, তীব্র ব্যথা, বেশি রক্তপাত বা মেনোপজের পর রক্তপাত থাকলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।রাজশাহীতে গাইনি ও প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারডাঃ রাখি দেবীএমবিবিএস (ডিএমসি), এফসিপিএস (ওবজিওয়াইএন), বন্ধ্যাত্ব বিষয়ে প্রশিক্ষিতস্ত্রীরোগ, প্রসূতি, বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ এবং ল্যাপারোস্কোপিক সার্জনকনসালটেন্ট, স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যারাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালডাঃ নাহিদ সুলতানাএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ সার্জনসহকারী অধ্যাপক, স্ত্রীরোগ বিভাগরাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালডাঃ আরজুমান আরা (এলমিস)এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) এম এস ( অবস্ এন্ড গাইনী) বিএসএমএমইউজরায়ু ক্যান্সার স্তন রোগ ও বন্ধ্যাত্ব অভিজ্ঞ,ল্যাপোরোস্কপি এন্ড হিস্ট্রারোস্কপিক সার্জনপ্রসূতিবিদ্যা ও স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞসহকারী অধ্যাপকরাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালডাঃ খন্দকার সেহেলী নাসরিন লিনাএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য),এম এস(গাইনি এন্ড অবস)স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞসহযোগী অধ্যাপক (গাইনি এন্ড অবস বিভাগ)রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহীডাঃ মিসেস মোসফিকা কাউসারী লিসাএমবিবিএস, এফসিপিএস (ওবজিওয়াইএন)স্ত্রীরোগ, প্রসূতি, বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ এবং ল্যাপারোস্কোপিক সার্জনসহকারী অধ্যাপকরাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহীডাঃ মৌসুমী সরকারএমবিবিএস, এমএস (ওবজিওয়াইএন)স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞসহকারী অধ্যাপকরাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালডাঃ শারমিন সুলতানা সাথীএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)এমএস (গাইনী এন্ড অবস্), বিএমইউস্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞরাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালFrequently Asked Questions (FAQ)সাদা স্রাবের সাথে হালকা রক্ত যায় কেন?মাসিকের আগে-পরে হরমোনের পরিবর্তন, ডিম্বস্ফোটন, যোনিপথ বা জরায়ুমুখের সংক্রমণ, প্রদাহ, সহবাসের কারণে সামান্য আঘাত, হরমোনের সমস্যা বা গর্ভাবস্থাসহ বিভিন্ন কারণে এমন হতে পারে।সাদা স্রাবের সাথে একবার সামান্য রক্ত গেলে কি চিন্তার কারণ?একবার অল্প রক্ত যাওয়াই গুরুতর রোগের প্রমাণ নয়। মাসিকের আশেপাশে বা ডিম্বস্ফোটনের সময় এমন হতে পারে। তবে পুনরায় হলে বা অন্য উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।সাদা স্রাবের সাথে রক্ত ও দুর্গন্ধ থাকলে কী হতে পারে?দুর্গন্ধযুক্ত স্রাবের সঙ্গে রক্ত থাকলে যোনিপথ বা জরায়ুমুখের সংক্রমণসহ বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। সঠিক কারণ জানতে চিকিৎসকের পরীক্ষা প্রয়োজন হতে পারে।সহবাসের পর সাদা স্রাবের সঙ্গে রক্ত গেলে কী করা উচিত?একবার সামান্য রক্তপাত ঘর্ষণ বা শুষ্কতার কারণে হতে পারে। কিন্তু বারবার হলে জরায়ুমুখের প্রদাহ, পলিপ বা অন্যান্য কারণ পরীক্ষা করার জন্য গাইনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।গর্ভাবস্থায় সাদা স্রাবের সাথে রক্ত গেলে কী করবেন?গর্ভাবস্থায় যেকোনো রক্তপাত চিকিৎসককে জানানো উচিত। বিশেষ করে পেটব্যথা, বেশি রক্তপাত, মাথা ঘোরা বা দুর্বলতার মতো লক্ষণ থাকলে দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন।সাদা স্রাবের সাথে বাদামি রক্ত কেন যায়?বাদামি রক্ত অনেক সময় পুরোনো রক্তের কারণে হয়। মাসিকের আগে বা পরে এমন দেখা যেতে পারে। তবে নিয়মিত বা অস্বাভাবিক সময়ে হলে কারণটি পরীক্ষা করা দরকার।সাদা স্রাবের সঙ্গে রক্ত গেলে কি বন্ধ্যাত্ব হতে পারে?সাদা স্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া নিজে থেকে বন্ধ্যাত্বের প্রমাণ নয়। তবে এর পেছনে যদি কোনো সংক্রমণ বা প্রজনন অঙ্গের সমস্যা থাকে এবং তা চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে কিছু ক্ষেত্রে প্রজননস্বাস্থ্যে প্রভাব পড়তে পারে।সাদা স্রাবের সঙ্গে রক্ত গেলে কি নিজে থেকে ওষুধ খাওয়া যাবে?না। কারণ একই উপসর্গের বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। কারণ না জেনে অ্যান্টিবায়োটিক বা অন্য ওষুধ খাওয়া উচিত নয়।

blog-image

ডাঃ মোঃ খালেকুজ্জামান সরকার (কাজল)

ডাঃ মোঃ খালেকুজ্জামান সরকার (কাজল) রাজশাহীর একজন পরিপাকতন্ত্র, লিভার, প্যানক্রিয়াস ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ এবং ইন্টারভেনশনাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ও হেপাটোলজিস্ট। তাঁর যোগ্যতা, চিকিৎসাসেবা, চেম্বার ও ভিজিট ফি সম্পর্কে জানুন।ডাঃ মোঃ খালেকুজ্জামান সরকার (কাজল)এমবিবিএস(ঢাকা মেডিকেল কলেজ), এমডি(গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজী),বিএসএমএমইউ(ঢাকা), এমএসিপি(আমেরিকা),এমএসিজি(আমেরিকা), পিএইচডি(ফেলো)পরিপাকতন্ত্র, লিভার, প্যানক্রিয়াস ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞইন্টারভেনশনাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিষ্ট এন্ড হেপাটোলজিষ্টসহযোগী অধ্যাপক (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজী বিভাগ)রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, রাজশাহীডাঃ মোঃ খালেকুজ্জামান সরকার (কাজল) — গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ও লিভার বিশেষজ্ঞ রাজশাহীপেটের সমস্যা, গ্যাস, অম্বল বা বদহজমকে অনেকেই খুব সাধারণ বিষয় মনে করে দীর্ঘদিন অবহেলা করেন। কিন্তু বারবার পেটব্যথা, দীর্ঘদিনের অম্বল, খাবার গিলতে সমস্যা, জন্ডিস, লিভারের সমস্যা, প্যানক্রিয়াসের রোগ, পেটে পানি জমা কিংবা মলত্যাগের পরিবর্তনের পেছনে কখনো কখনো এমন রোগ থাকতে পারে যার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।ডাঃ মোঃ খালেকুজ্জামান সরকার (কাজল) একজন পরিপাকতন্ত্র, লিভার, প্যানক্রিয়াস ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। তিনি একই সঙ্গে ইন্টারভেনশনাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ও হেপাটোলজিস্ট হিসেবে চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকেন। বর্তমানে তিনি সহযোগী অধ্যাপক, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, রাজশাহী-এ কর্মরত। চিকিৎসা সেবায় তার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার জন্য তিনি রাজশাহীতে সু-পরিচিত। ডাঃ মোঃ খালেকুজ্জামান সরকার (কাজল)-এর শিক্ষাগত যোগ্যতাডাঃ মোঃ খালেকুজ্জামান সরকার (কাজল)-এর শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ্যতার মধ্যে রয়েছে—এমবিবিএস — ঢাকা মেডিকেল কলেজএমডি (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজী) — বিএসএমএমইউ, ঢাকাএমএসিপি — আমেরিকাএমএসিজি — আমেরিকাপিএইচডি (ফেলো)তিনি বর্তমানে সহযোগী অধ্যাপক (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজী বিভাগ), রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, রাজশাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিষয়ে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ইন্টারভেনশনাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ও হেপাটোলজির সঙ্গে তাঁর পেশাগত সম্পৃক্ততা রয়েছে।ডাঃ মোঃ খালেকুজ্জামান সরকার (কাজল) কোন কোন রোগের চিকিৎসা করেন?একজন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিশেষজ্ঞের চিকিৎসার ক্ষেত্র বেশ বিস্তৃত। পরিপাকতন্ত্র, লিভার ও প্যানক্রিয়াসের বিভিন্ন সমস্যার পাশাপাশি কিছু মেডিসিন-সংক্রান্ত সমস্যার মূল্যায়ন ও চিকিৎসাও এই বিভাগের আওতায় পড়ে।১. গ্যাস্ট্রিক ও অম্বলখাবারের পর বুক জ্বালা, টক ঢেঁকুর, পেটে অস্বস্তি বা বারবার অম্বল হলে অনেকে নিজের মতো করে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেতে থাকেন। মাঝে মাঝে এমন সমস্যা হতে পারে, তবে দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকলে এর কারণ খুঁজে দেখা দরকার।গ্যাস্ট্রিক বা অম্বলের পেছনে Gastroesophageal Reflux Disease (GERD), গ্যাস্ট্রাইটিস, আলসারসহ বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে।২. পাকস্থলীর আলসারপাকস্থলী বা ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রথম অংশে আলসার হলে পেটে ব্যথা, জ্বালাপোড়া, বমি বমি ভাব বা খাবারের সঙ্গে ব্যথার সম্পর্ক দেখা দিতে পারে।কখনো আলসার থেকে রক্তপাতও হতে পারে। কালো পায়খানা বা রক্তবমির মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।৩. লিভারের বিভিন্ন রোগলিভার শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। হেপাটাইটিস, ফ্যাটি লিভার, লিভার সিরোসিসসহ বিভিন্ন রোগ লিভারের কার্যক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে।চোখ ও শরীর হলুদ হওয়া, পেট ফুলে যাওয়া, দুর্বলতা, ক্ষুধামন্দা বা দীর্ঘদিনের লিভার পরীক্ষায় অস্বাভাবিকতা থাকলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।৪. ফ্যাটি লিভারবর্তমানে অতিরিক্ত ওজন, ডায়াবেটিস, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক নিষ্ক্রিয়তার সঙ্গে ফ্যাটি লিভারের সম্পর্ক দেখা যায়।ফ্যাটি লিভার ধরা পড়লেই সব রোগীর অবস্থা একই রকম নয়। কারও ক্ষেত্রে শুধু জীবনযাত্রার পরিবর্তন যথেষ্ট হতে পারে, আবার কারও ক্ষেত্রে লিভারে প্রদাহ বা ক্ষতির ঝুঁকি মূল্যায়ন প্রয়োজন হতে পারে।৫. হেপাটাইটিসভাইরাসজনিত হেপাটাইটিস লিভারের প্রদাহের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। বিশেষ করে হেপাটাইটিস বি ও সি দীর্ঘদিন শরীরে থাকলে লিভারের জটিলতার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।তাই হেপাটাইটিস শনাক্ত হলে নিয়মিত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ফলোআপ গুরুত্বপূর্ণ।৬. লিভার সিরোসিসদীর্ঘদিনের বিভিন্ন লিভার রোগের ফলে লিভারে স্থায়ী ক্ষত বা দাগ তৈরি হয়ে সিরোসিস হতে পারে।সিরোসিসের ক্ষেত্রে পেটে পানি জমা, পা ফুলে যাওয়া, জন্ডিস, রক্তপাত, বিভ্রান্তি বা অন্যান্য জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই এ ধরনের রোগীদের নিয়মিত বিশেষজ্ঞ ফলোআপ প্রয়োজন।৭. প্যানক্রিয়াসের রোগপ্যানক্রিয়াস বা অগ্ন্যাশয় হজম প্রক্রিয়া এবং রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্যানক্রিয়াসে প্রদাহ, পাথরি-সম্পর্কিত সমস্যা বা অন্যান্য রোগের কারণে তীব্র পেটব্যথা, বমি ও হজমের সমস্যা হতে পারে।প্যানক্রিয়াসের রোগ সন্দেহ হলে চিকিৎসকের মূল্যায়ন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও ইমেজিং করা হয়।৮. আইবিএস বা Irritable Bowel Syndromeবারবার পেটে ব্যথা, পেট ফাঁপা, কখনো ডায়রিয়া আবার কখনো কোষ্ঠকাঠিন্য—এ ধরনের উপসর্গ অনেকের মধ্যে দেখা যায়।কিছু রোগীর ক্ষেত্রে এটি IBS-এর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। তবে একই ধরনের উপসর্গ অন্যান্য রোগেও হতে পারে। তাই দীর্ঘদিনের সমস্যা হলে সঠিক মূল্যায়ন গুরুত্বপূর্ণ।৯. দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্যঅনেকদিন ধরে পায়খানা শক্ত হওয়া, পায়খানা করতে অতিরিক্ত চাপ দিতে হওয়া বা নিয়মিত মলত্যাগ না হলে কারণটি খুঁজে দেখা দরকার।খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার পাশাপাশি কিছু ওষুধ বা অন্যান্য শারীরিক সমস্যাও কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ হতে পারে।১০. দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়াবারবার বা দীর্ঘদিন পাতলা পায়খানা হলে শরীরে পানি ও প্রয়োজনীয় লবণের ঘাটতি হতে পারে। সংক্রমণ, খাদ্য অসহিষ্ণুতা, অন্ত্রের প্রদাহজনিত রোগসহ বিভিন্ন কারণে দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া হতে পারে।এ ধরনের সমস্যায় কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা প্রয়োজন।কখন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেবেন?পেটের সমস্যা হলেই সবসময় গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না। কিন্তু কোনো উপসর্গ বারবার হলে বা দীর্ঘদিন স্থায়ী হলে বিষয়টি অবহেলা করা উচিত নয়।বিশেষ করে—দীর্ঘদিন ধরে অম্বল বা বুক জ্বালাপোড়া হলেবারবার পেটব্যথা হলেখাবার গিলতে সমস্যা হলেবারবার বমি হলেদীর্ঘদিনের ডায়রিয়া হলেদীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য হলেপায়খানার সঙ্গে রক্ত গেলেকালো পায়খানা হলেঅকারণে ওজন কমে গেলেচোখ বা শরীর হলুদ হলেপেট অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গেলেলিভার পরীক্ষায় অস্বাভাবিকতা পাওয়া গেলেপ্যানক্রিয়াস-সংক্রান্ত সমস্যা সন্দেহ হলেগ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।পেটের ব্যথা হলে কখন দ্রুত চিকিৎসা নেবেন?সব পেটব্যথা গুরুতর নয়। তবে কিছু লক্ষণ থাকলে দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন।যেমন—হঠাৎ অত্যন্ত তীব্র পেটব্যথা,রক্তবমি,কালো পায়খানা বা পায়খানায় বেশি রক্ত,তীব্র পেটব্যথার সঙ্গে বারবার বমি,জন্ডিসের সঙ্গে শারীরিক অবস্থা দ্রুত খারাপ হওয়া,পেট ফুলে যাওয়ার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট,অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো দুর্বলতা,ইত্যাদি থাকলে দ্রুত হাসপাতাল বা জরুরি চিকিৎসা কেন্দ্রে যেতে হবে।লিভারের সমস্যা হলে কী কী লক্ষণ দেখা দিতে পারে?লিভারের অনেক রোগ প্রাথমিক পর্যায়ে তেমন কোনো লক্ষণ তৈরি করে না। রোগ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু মানুষের মধ্যে—চোখ ও শরীর হলুদ হওয়াপ্রস্রাব গাঢ় হওয়াক্ষুধা কমে যাওয়াদুর্বলতাবমি বমি ভাবপেট ফুলে যাওয়াপা ফুলে যাওয়াসহজে রক্তপাত বা কালশিটে পড়াওজন কমে যাওয়াইত্যাদি দেখা দিতে পারে।তবে এসব লক্ষণ অন্য রোগেও হতে পারে। তাই শুধু লক্ষণ দেখে লিভারের রোগ নিশ্চিত করা যায় না।ইন্টারভেনশনাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি কী?গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজির একটি বিশেষায়িত ক্ষেত্র হলো ইন্টারভেনশনাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি। এতে নির্দিষ্ট কিছু রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য এন্ডোস্কোপি-ভিত্তিক বা অন্যান্য বিশেষায়িত পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।যেমন, প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্টের ভেতরের অংশ পরীক্ষা, বায়োপসি নেওয়া বা নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে চিকিৎসামূলক এন্ডোস্কোপিক প্রক্রিয়া করা হতে পারে।কোন রোগীর কোন প্রক্রিয়া প্রয়োজন হবে, তা তাঁর রোগের ধরন ও চিকিৎসকের মূল্যায়নের ওপর নির্ভর করে।ডাঃ মোঃ খালেকুজ্জামান সরকার (কাজল) লিভার ও পরিপাকতন্ত্র বিশেষজ্ঞ -এর চেম্বারপপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লি: রাজশাহীসময়: বিকাল ৩টা – ৬টাসরাসরি সিরিয়ালের জন্য কল করুন: 8809666787811ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল রাজশাহী, ভবন – ২সময়: বিকাল ৬টা – রাত ৯টাভিজিট ফিনতুন রোগী: ১,০০০ টাকাপুরাতন রোগী: ৮০০ টাকা (দুই মাসের মধ্যে)ডাঃ মোঃ খালেকুজ্জামান সরকার (কাজল) — Frequently Asked Questions১. ডাঃ মোঃ খালেকুজ্জামান সরকার (কাজল) কোন বিষয়ের ডাক্তার?তিনি পরিপাকতন্ত্র, লিভার, প্যানক্রিয়াস ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। পাশাপাশি তিনি ইন্টারভেনশনাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ও হেপাটোলজিস্ট হিসেবে চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকেন।২. তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা কী?তিনি এমবিবিএস (ঢাকা মেডিকেল কলেজ), এমডি (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজী), এমএসিপি (আমেরিকা), এমএসিজি (আমেরিকা) এবং পিএইচডি (ফেলো) ডিগ্রি/যোগ্যতা অর্জন করেছেন। তাঁর MD Gastroenterology শিক্ষা বিএসএমএমইউ, ঢাকা-এর সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে।৩. তিনি কোথায় কর্মরত?তিনি সহযোগী অধ্যাপক, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজী বিভাগ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, রাজশাহী।৪. লিভারের সমস্যার জন্য কি তাঁর পরামর্শ নেওয়া যায়?হ্যাঁ। তিনি লিভার বিশেষজ্ঞ ও হেপাটোলজিস্ট হিসেবে লিভারের বিভিন্ন রোগের মূল্যায়ন ও চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকেন।৫. প্যানক্রিয়াসের সমস্যার জন্য কি গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট দেখানো উচিত?প্যানক্রিয়াস পরিপাকতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। প্যানক্রিয়াসের বিভিন্ন রোগ ও জটিলতার ক্ষেত্রে গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।৬. দীর্ঘদিনের গ্যাস্ট্রিক বা অম্বল হলে কখন ডাক্তার দেখাব?বারবার অম্বল, বুক জ্বালাপোড়া, টক ঢেঁকুর বা পেটের অস্বস্তি দীর্ঘদিন থাকলে কারণ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো। বিশেষ করে ওজন কমে যাওয়া, গিলতে সমস্যা বা রক্তপাতের লক্ষণ থাকলে দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন।৭. ডাঃ খালেকুজ্জামান সরকার (কাজল) কোথায় রোগী দেখেন?তিনি পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লি: রাজশাহী এবং ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল রাজশাহী, ভবন–২-এ রোগী দেখেন।৮. পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে তাঁর চেম্বারের সময় কখন?প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী বিকাল ৩টা থেকে ৬টা পর্যন্ত। সরাসরি সিরিয়ালের জন্য 8809666787811 নম্বরে যোগাযোগ করা যেতে পারে।৯. ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে কখন রোগী দেখেন?প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী বিকাল ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত।১০. ডাঃ মোঃ খালেকুজ্জামান সরকার (কাজল) এর ভিজিট ফি কত?প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী নতুন রোগীর ভিজিট ফি ১,০০০ টাকা এবং দুই মাসের মধ্যে পুরাতন রোগীর ভিজিট ফি ৮০০ টাকা।রাজশাহীতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন Doctor Service BD এর মাধ্যমে।হটলাইন নম্বরঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪

blog-image

ডাঃ এম. এ. হাই

ডাঃ এম. এ. হাই রাজশাহীর একজন অভিজ্ঞ নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা, শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে সেবার ক্ষেত্র এবং কখন শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন—জানুন বিস্তারিত।ডাঃ এম. এ. হাইএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি পেডিয়াট্রিক্স, ফেলো চাইল্ড নিউট্রিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞঅধ্যাপক (শিশুরোগ)রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালডাঃ এম. এ. হাই — নবজাতক, শিশু ও কিশোর রোগ বিশেষজ্ঞ রাজশাহীশিশুর অসুস্থতা নিয়ে বাবা-মায়ের দুশ্চিন্তা হওয়াটা খুব স্বাভাবিক। শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, পুষ্টি, সংক্রমণ, নবজাতকের বিভিন্ন সমস্যা এবং বয়সভেদে দেখা দেওয়া সাধারণ ও জটিল রোগের সঠিক মূল্যায়নের জন্য একজন শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ বা পেডিয়াট্রিশিয়ানের পরামর্শ গুরুত্বপূর্ণ।ডাঃ এম. এ. হাই একজন নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ এবং অধ্যাপক (শিশুরোগ), রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। তিনি শিশুদের রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা, পুষ্টি ও বয়সভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চিকিৎসা ও পরামর্শ দিয়ে থাকেন।ডাঃ এম. এ. হাই-এর শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ্যতানাম: ডাঃ এম. এ. হাইডিগ্রি: এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি পেডিয়াট্রিক্সঅতিরিক্ত ফেলোশিপ: ফেলো চাইল্ড নিউট্রিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)বিশেষত্ব: নবজাতক, শিশু ও কিশোর রোগ বিশেষজ্ঞপদবি: অধ্যাপক (শিশুরোগ)প্রতিষ্ঠান: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালচেম্বারঃরাজশাহী রয়েল হাসপাতাল প্রাইভেট লিমিটেডসময়ঃবিকাল ৩টা - রাত ৮ টাশিশুদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে পেডিয়াট্রিক্স একটি বিশেষায়িত চিকিৎসা শাখা। নবজাতক থেকে শুরু করে শিশু ও কিশোর বয়স পর্যন্ত বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা, সংক্রমণ, পুষ্টি ও বিকাশ-সংক্রান্ত বিষয় এই বিভাগের আওতায় আসে।ডাঃ এম. এ. হাই-এর MD in Pediatrics ডিগ্রি এবং Child Nutrition বিষয়ে ফেলোশিপ থাকায় শিশুর রোগের পাশাপাশি তাদের পুষ্টি ও স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার বিষয়টিরও চিকিৎসা ও পরামর্শ দিয়ে থাকেন।ডাঃ এম. এ. হাই কোন কোন বিষয়ে শিশুদের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন?শিশুদের রোগের ধরন বয়স অনুযায়ী অনেকটাই পরিবর্তিত হয়। নবজাতকের সমস্যা যেমন আলাদা, তেমনি স্কুলগামী শিশুর রোগের ধরনও আলাদা হতে পারে। তাই শিশুর বয়স, শারীরিক অবস্থা, উপসর্গ ও পূর্বের চিকিৎসার ইতিহাস বিবেচনা করে চিকিৎসা দেওয়া প্রয়োজন।নবজাতকের বিভিন্ন সমস্যাজন্মের পর প্রথম কয়েক সপ্তাহ শিশুর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময়ে শিশুর দুধ খাওয়ার সমস্যা, জন্ডিস, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত ঘুম বা নিস্তেজভাব, জন্মের পর ওজন ঠিকমতো না বাড়া ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে।নবজাতকের কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে নিজের মতো করে ওষুধ না দিয়ে দ্রুত শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া নিরাপদ।শিশুর জ্বরশিশুদের জ্বর খুব সাধারণ একটি সমস্যা হলেও এর পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। ভাইরাসজনিত সংক্রমণ, ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনসহ বিভিন্ন কারণে জ্বর হতে পারে।বিশেষ করে খুব ছোট শিশুর জ্বর হলে বয়স ও অন্যান্য উপসর্গ বিবেচনা করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।সর্দি-কাশি ও শ্বাসতন্ত্রের সমস্যাশিশুদের সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা ও বিভিন্ন ধরনের শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ প্রায়ই দেখা যায়। কোনো কোনো শিশুর ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট, বুকে শব্দ হওয়া বা বারবার শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণও হতে পারে।শিশুর শ্বাস নিতে কষ্ট হলে বা ঠোঁট নীলচে হয়ে গেলে দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন।নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টশিশুদের নিউমোনিয়া দ্রুত জটিল আকার নিতে পারে। জ্বর, কাশি, দ্রুত শ্বাস নেওয়া, শ্বাস নিতে কষ্ট, খেতে না পারা বা অতিরিক্ত দুর্বলতা থাকলে শিশুকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া উচিত।ডায়রিয়া ও বমিশিশুদের ডায়রিয়া ও বমির অন্যতম বড় ঝুঁকি হলো ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা। বারবার পাতলা পায়খানা বা বমির কারণে শরীর থেকে পানি ও প্রয়োজনীয় লবণ বেরিয়ে যেতে পারে।শিশু স্বাভাবিকের তুলনায় কম প্রস্রাব করলে, মুখ শুকিয়ে গেলে, চোখ বসে গেলে বা অতিরিক্ত নিস্তেজ হয়ে গেলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।শিশুর পুষ্টি ও অপুষ্টিএকটি শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য সুষম পুষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিশুর বয়স অনুযায়ী সঠিক খাবার, পর্যাপ্ত প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেলের প্রয়োজন রয়েছে।শিশুর ওজন বয়স অনুযায়ী না বাড়লে, খেতে না চাইলে, অতিরিক্ত রোগাক্রান্ত হলে বা শারীরিক বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ থাকলে শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।Child Nutrition বিষয়ে তাঁর অতিরিক্ত ফেলোশিপ থাকায় শিশুর পুষ্টি ও খাদ্যাভ্যাস-সংক্রান্ত বিষয়ও তাঁর চিকিৎসা-সেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হতে পারে।কখন শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত?অনেক বাবা-মা মনে করেন, শিশু খুব বেশি অসুস্থ হলেই শুধু ডাক্তার দেখানো দরকার। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে রোগ শুরু হওয়ার আগেই নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা শিশুর সুস্থ বেড়ে ওঠার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।নিচের পরিস্থিতিতে শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে—নবজাতক ঠিকমতো দুধ না খেলেশিশুর ওজন বয়স অনুযায়ী না বাড়লেবারবার জ্বর হলেঘন ঘন সর্দি-কাশি হলেশ্বাস নিতে কষ্ট হলেবারবার বমি বা ডায়রিয়া হলেশিশুর খাওয়ার আগ্রহ কমে গেলেঅতিরিক্ত দুর্বল বা নিস্তেজ মনে হলেশিশুর বৃদ্ধি বা বিকাশ নিয়ে উদ্বেগ থাকলেশিশুর ঘুম বা আচরণে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলেদীর্ঘদিন ধরে কোনো শারীরিক সমস্যা থাকলেশিশুর পুষ্টি ও খাবার নিয়ে পরামর্শ প্রয়োজন হলেশিশুর ক্ষেত্রে কোন লক্ষণগুলো জরুরি?কিছু লক্ষণ দেখা দিলে নিয়মিত চেম্বারে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা না করে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।যেমন—শিশু শ্বাস নিতে খুব কষ্ট করলে,ঠোঁট বা মুখ নীলচে হয়ে গেলে,শিশু অস্বাভাবিকভাবে নিস্তেজ হয়ে গেলে,খিঁচুনি হলে,নবজাতক দুধ খেতে না চাইলে বা একেবারেই না খেলে,বারবার বমি করে পানি ধরে রাখতে না পারলে,গুরুতর পানিশূন্যতার লক্ষণ দেখা দিলে,অচেতন বা সাড়া কম পাওয়া গেলে।এ ধরনের পরিস্থিতিতে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতাল বা জরুরি চিকিৎসা কেন্দ্রে নেওয়া উচিত।শিশুর জন্য সঠিক পুষ্টি কেনো জরুরিশিশুর জীবনের প্রথম কয়েক বছর বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে পর্যাপ্ত পুষ্টি না পেলে শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও সামগ্রিক বিকাশে প্রভাব পড়তে পারে।তবে শিশুর খাবারের প্রয়োজন বয়স অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়। নবজাতক, ছয় মাসের শিশু এবং দুই-তিন বছরের শিশুর খাবারের প্রয়োজন এক নয়।তাই শিশুর বয়স, ওজন, বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যগত অবস্থা বিবেচনা করে খাবারের পরিকল্পনা করা উচিত। কোনো নির্দিষ্ট খাবার বা সাপ্লিমেন্ট নিজের মতো করে শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।রাজশাহীতে নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞরাজশাহীতে নবজাতক ও শিশু রোগের জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ খুঁজছেন তাদের জন্য ডাঃ এম. এ. হাই একটি বিশ্বস্ত নাম।তিনি এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি পেডিয়াট্রিক্স ডিগ্রিধারী এবং Child Nutrition (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) বিষয়ে ফেলোশিপ সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে তিনি অধ্যাপক (শিশুরোগ), রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।নবজাতক ও শিশুদের বিভিন্ন রোগ, শারীরিক বৃদ্ধি, পুষ্টি এবং শিশুরোগ-সংক্রান্ত সমস্যায় প্রয়োজন অনুযায়ী তাঁর পরামর্শ নিন ।কিছু  প্রশ্ন ও উত্তর১. ডাঃ এম. এ. হাই কোন বিষয়ের ডাক্তার?ডাঃ এম. এ. হাই একজন নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ। তিনি পেডিয়াট্রিক্স বিষয়ে বিশেষায়িত চিকিৎসা প্রদান করেন।২. ডাঃ এম. এ. হাই-এর শিক্ষাগত যোগ্যতা কী?তিনি এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি পেডিয়াট্রিক্স ডিগ্রিধারী। এছাড়া চাইল্ড নিউট্রিশন বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেলোশিপ করেছেন।৩. তিনি বর্তমানে কোথায় কর্মরত?তিনি অধ্যাপক (শিশুরোগ), রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।৪. শিশুর বারবার জ্বর হলে কি শিশু বিশেষজ্ঞ দেখানো উচিত?বারবার জ্বরের পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। জ্বরের পুনরাবৃত্তি হলে কারণ নির্ণয়ের জন্য শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো।৫. শিশুর ওজন বয়স অনুযায়ী না বাড়লে কী করবেন?শিশুর খাবার, বৃদ্ধি, শারীরিক সমস্যা ও পুষ্টিগত প্রয়োজন মূল্যায়নের জন্য শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।৬. নবজাতক দুধ কম খেলে কি চিন্তার বিষয়?নবজাতকের দুধ খাওয়ার পরিমাণে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। বিশেষ করে শিশু একেবারেই দুধ না খেলে, অতিরিক্ত নিস্তেজ থাকলে বা অন্য কোনো অসুস্থতার লক্ষণ থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।৭. শিশুর ডায়রিয়া হলে কখন ডাক্তার দেখাব?বারবার পাতলা পায়খানা, বমি, কম প্রস্রাব, অতিরিক্ত দুর্বলতা বা পানিশূন্যতার লক্ষণ থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।৮. শিশুর পুষ্টির জন্য কি আলাদা চিকিৎসকের প্রয়োজন হয়?শিশুর বয়স, ওজন, বৃদ্ধি এবং পুষ্টিগত অবস্থার ওপর নির্ভর করে শিশু বিশেষজ্ঞ পুষ্টি বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে পারেন।রাজশাহীতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন Doctor Service BD এর মাধ্যমে।হটলাইন নম্বরঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪

blog-image

ডাঃ রেহানা পারভীন । গাইনোকোলজিস্ট রাজশাহী

স্ত্রীরোগ,বন্ধ্যাত্ব, প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ ও সার্জন রাজশাহীডাঃ রেহানা পারভীনএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমএস (স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি), বিএমইউগাইনি, বন্ধ্যাত্ব, প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ ও সার্জন সহকারী অধ্যাপক (গাইনি বিভাগ)রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, রাজশাহীডাঃ রেহানা পারভীন – স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ ও সার্জনডাঃ রেহানা পারভীন  রাজশাহীর সু-পরিচিত, অভিজ্ঞ ও দক্ষ  স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ এবং সার্জন । তিনি  এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) এবং এমএস (স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি), বিএমইউ ডিগ্রিধারী একজন গাইনি ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ এবং সার্জন। তিনি বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের গাইনি বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত। নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্য, মাসিকের বিভিন্ন সমস্যা, গর্ভাবস্থার পরিচর্যা, প্রসবকালীন জটিলতা এবং বিভিন্ন স্ত্রীরোগের চিকিৎসায় তিনি পরামর্শ ও চিকিৎসা প্রদান করেন।তিনি রাজশাহীতে গর্ভধারণের আগে থেকে শুরু করে গর্ভাবস্থার বিভিন্ন পর্যায়, প্রসব এবং প্রসব-পরবর্তী সময় পর্যন্ত নারীর স্বাস্থ্যসেবায় নিয়মিত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দিয়ে আসছেন । ডাঃ রেহানা পারভীন রাজশাহীর রোগীদের কাছে এক বিশ্বস্ত নাম । ।যেসব রোগ ও সমস্যার চিকিৎসা প্রদান করেনঅনিয়মিত মাসিকমাসিক অনিয়মিত হওয়া, অতিরিক্ত বা কম রক্তপাত, দীর্ঘদিন মাসিক না হওয়া ইত্যাদি বিভিন্ন কারণে হতে পারে। হরমোনের সমস্যা, PCOS বা জরায়ুর সমস্যাসহ সম্ভাব্য কারণ নির্ণয় করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।অতিরিক্ত মাসিক রক্তপাতস্বাভাবিকের তুলনায় বেশি বা দীর্ঘদিন মাসিক চললে রক্তস্বল্পতা তৈরি হতে পারে। জরায়ুর ফাইব্রয়েড, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা বা অন্যান্য সমস্যার কারণে এটি হতে পারে।পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS)PCOS নারীদের একটি সাধারণ হরমোনজনিত সমস্যা, যার ফলে অনিয়মিত মাসিক, ওজন বৃদ্ধি, অতিরিক্ত লোম এবং গর্ভধারণে সমস্যা দেখা দিতে পারে। প্রয়োজন অনুযায়ী জীবনযাপন পরিবর্তন, পরীক্ষা ও চিকিৎসার মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণে রাখা হয়।গর্ভকালীন পরিচর্যাগর্ভধারণের পর মা ও শিশুর সুস্থতার জন্য নিয়মিত চেকআপ, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা এবং পুষ্টি ও জীবনযাপন সংক্রান্ত পরামর্শ গুরুত্বপূর্ণ। গর্ভাবস্থার বিভিন্ন পর্যায়ে প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা ও পর্যবেক্ষণ করা হয়।উচ্চঝুঁকির গর্ভাবস্থাডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, পূর্ববর্তী গর্ভাবস্থায় জটিলতা বা অন্যান্য শারীরিক সমস্যার কারণে কিছু গর্ভাবস্থা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এসব ক্ষেত্রে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।প্রসবকালীন সমস্যাস্বাভাবিক প্রসবের প্রস্তুতি, প্রসবের সময় বিভিন্ন জটিলতা এবং প্রসবের পর মায়ের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ও পরিচর্যায় পরামর্শ দেওয়া হয়।জরায়ুর ফাইব্রয়েডজরায়ুর পেশিতে তৈরি হওয়া একটি সাধারণ ধরনের টিউমারকে ফাইব্রয়েড বলা হয়। এর কারণে অতিরিক্ত মাসিক রক্তপাত, তলপেটে ব্যথা বা গর্ভধারণে সমস্যা হতে পারে। আকার ও উপসর্গ অনুযায়ী চিকিৎসা নির্ধারণ করা হয়।ডিম্বাশয়ের সিস্টডিম্বাশয়ে তরল বা অন্যান্য উপাদান দিয়ে তৈরি থলি বা সিস্ট হতে পারে। অনেক সিস্ট নিজে থেকেই ভালো হয়ে যায়, তবে বড় সিস্ট বা উপসর্গ থাকলে পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।জরায়ু ও জরায়ুমুখের বিভিন্ন সমস্যাজরায়ু বা জরায়ুমুখে সংক্রমণ, অস্বাভাবিক রক্তপাত, ব্যথা বা অন্যান্য সমস্যা দেখা দিতে পারে। উপসর্গ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করে চিকিৎসা দেওয়া হয়।বন্ধ্যত্ব বা গর্ভধারণে সমস্যানিয়মিত চেষ্টা করার পরও গর্ভধারণ না হলে নারী ও পুরুষ উভয়ের বিভিন্ন কারণ বিবেচনা করা প্রয়োজন। নারীর হরমোন, ডিম্বস্ফোটন, জরায়ু ও ডিম্বাশয়ের অবস্থা মূল্যায়নের মাধ্যমে চিকিৎসার পরামর্শ দেওয়া হয়।যোনিপথের সংক্রমণযোনিপথে অস্বাভাবিক স্রাব, চুলকানি, জ্বালাপোড়া বা দুর্গন্ধ বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের লক্ষণ হতে পারে। সংক্রমণের কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা প্রয়োজন।তলপেট ও পেলভিক ব্যথাতলপেট বা পেলভিক অঞ্চলে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা মাসিকের সমস্যা, সংক্রমণ, সিস্ট, এন্ডোমেট্রিওসিসসহ বিভিন্ন কারণে হতে পারে। কারণ নির্ণয় করে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দেওয়া হয়।এন্ডোমেট্রিওসিসজরায়ুর ভেতরের আস্তরণের মতো টিস্যু জরায়ুর বাইরে বৃদ্ধি পেলে এন্ডোমেট্রিওসিস হতে পারে। এতে তীব্র মাসিক ব্যথা, পেলভিক ব্যথা এবং কখনও গর্ভধারণে সমস্যা দেখা দিতে পারে।স্ত্রীরোগের বিভিন্ন সার্জিক্যাল সমস্যাজরায়ু, ডিম্বাশয় বা অন্যান্য গাইনি-সংক্রান্ত সমস্যায় যখন সার্জিক্যাল চিকিৎসার প্রয়োজন হয়, তখন রোগীর অবস্থা অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সার্জিক্যাল ব্যবস্থাপনা ও পরামর্শ দেওয়া হয়।ডাঃ রেহানা পারভীন এর শিক্ষাগত যোগ্যতাএমবিবিএসবিসিএস (স্বাস্থ্য)এমএস (স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি), বিএমইউবর্তমান পদবি ও কর্মস্থলসহকারী অধ্যাপক, গাইনি বিভাগরাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, রাজশাহীচেম্বারদি এ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টার, রাজশাহীরোগী দেখার সময়: বিকাল ৩টা থেকে রাত ৯টানারীদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা, গর্ভাবস্থার পরিচর্যা কিংবা কোনো অস্বাভাবিক উপসর্গ দেখা দিলে সময়মতো রাজশাহীতে ডাঃ রেহানা পারভীন  গাইনি ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে পারেন।রাজশাহীতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন Doctor Service BD তেহটলাইন নম্বরঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪

blog-image

কোমর ব্যথা হলে কোন ডাক্তার দেখাবেন? রাজশাহীতে কোমর ব্যথা বিশেষজ্ঞ ডাক্তার

কোমর ব্যথা হলে কোন ডাক্তার দেখাবেন, কোমর ব্যথার কারণ, ডিস্কের সমস্যা, সায়াটিকা, পায়ে ব্যথা বা ঝিনঝিনি হলে করণীয় এবং রাজশাহীতে কোমর ব্যথা বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর পরামর্শ নিন।কোমর ব্যথা হলে কোন ডাক্তার দেখাবেন?বর্তমানে সকলের মুখে শোনা যায় আমার কোমরে খুব ব্যথা। কোমরের ব্যথায় চলতে পারছিনা, তখন সকলের মনে একটাই প্রশ্ন জাগে কোন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখাবো ?কোমর ব্যথার চিকিৎসার জন্য প্রথমে একজন অর্থোপেডিক ও স্পাইন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখানো উচিত । বিশেষ করে যদি ব্যথাটি মেরুদণ্ড, কোমরের হাড়, ডিস্ক, জয়েন্ট, লিগামেন্ট বা আশপাশের মাংসপেশির সমস্যার সঙ্গে সম্পর্কিত বলে মনে হয়।তবে সব কোমর ব্যথা হাড়ের সমস্যার কারণে হয় না। যেমন কোমর থেকে পায়ের দিকে ব্যথা ছড়িয়ে গেলে বা পায়ে ঝিনঝিনি, অবশভাব কিংবা দুর্বলতা দেখা দিলে স্নায়ুতে চাপ পড়ার বিষয়টি বিবেচনা করতে হয়। এ ক্ষেত্রে নিউরোসার্জন বা নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ প্রয়োজন হতে পারে।আবার দীর্ঘদিনের কোমর ব্যথার সঙ্গে যদি শরীরের অন্যান্য জয়েন্টে ব্যথা, সকালে দীর্ঘসময় শরীর শক্ত হয়ে থাকা বা প্রদাহজনিত উপসর্গ থাকে, তাহলে রিউমাটোলজিস্ট দেখানোর প্রয়োজন হতে পারে।অর্থাৎ শুধু “কোমর ব্যথা” বলেই একজন নির্দিষ্ট বিশেষজ্ঞ সবার জন্য ঠিক করে দেওয়া যায় না। ব্যথার কারণ শনাক্ত করাই প্রথম কাজ।কোন ধরনের কোমর ব্যথায় কোন বিশেষজ্ঞ দেখাবেন?১. অর্থোপেডিক ও স্পাইন বিশেষজ্ঞকোমরের হাড়, মেরুদণ্ড, ডিস্ক, জয়েন্ট, লিগামেন্ট বা মাংসপেশি-সংক্রান্ত সমস্যার ক্ষেত্রে অর্থোপেডিক ও স্পাইন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।যেমন—দীর্ঘদিনের কোমর ব্যথাকোমরের মেরুদণ্ডের সমস্যাডিস্কের সমস্যাকোমরের হাড় বা জয়েন্টের সমস্যাআঘাতের পর কোমর ব্যথাবয়সজনিত মেরুদণ্ডের পরিবর্তনস্পাইনাল স্টেনোসিসের মতো সমস্যাএসব ক্ষেত্রে অর্থোপেডিক স্পাইন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।২. নিউরোসার্জনঅনেকেই মনে করেন নিউরোসার্জন মানেই শুধু ব্রেনের অপারেশনের ডাক্তার। আসলে নিউরোসার্জন মস্তিষ্কের পাশাপাশি মেরুদণ্ড ও স্নায়ুতন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যারও চিকিৎসা করেন।কোমরের ডিস্কের কারণে কোনো স্নায়ুতে চাপ পড়লে এবং তার ফলে পায়ে তীব্র ব্যথা, অবশভাব, ঝিনঝিনি বা দুর্বলতা দেখা দিলে নিউরোসার্জনের মূল্যায়ন প্রয়োজন হতে পারে।তবে নিউরোসার্জনের কাছে গেলেই যে অপারেশন করতে হবে—এমন ধারণা ঠিক নয়। অধিকাংশ কোমর ব্যথার ক্ষেত্রেই প্রথম ধাপে অপারেশন প্রয়োজন হয় না। চিকিৎসার পদ্ধতি নির্ভর করে রোগের কারণ ও তীব্রতার ওপর।৩. নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞকোমর থেকে পায়ের দিকে ব্যথা ছড়িয়ে পড়া, পায়ে ঝিনঝিনি বা অবশভাব, স্নায়ুর দুর্বলতা ইত্যাদি থাকলে নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞও রোগীকে মূল্যায়ন করতে পারেন।বিশেষ করে যখন ব্যথার সঙ্গে স্নায়বিক উপসর্গ বেশি থাকে, তখন চিকিৎসক পরীক্ষা করে বুঝতে পারেন সমস্যাটি কোন স্নায়ু বা মেরুদণ্ডের কোন অংশের সঙ্গে সম্পর্কিত।৪. ফিজিক্যাল মেডিসিন ও রিহ্যাবিলিটেশন বিশেষজ্ঞঅনেক কোমর ব্যথার ক্ষেত্রে শুধু ওষুধ নয়, বরং সঠিক ব্যায়াম, ফিজিওথেরাপি, শরীরের ভঙ্গি সংশোধন এবং দৈনন্দিন কাজের ধরন পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে।এ ধরনের ক্ষেত্রে ফিজিক্যাল মেডিসিন ও রিহ্যাবিলিটেশন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক চিকিৎসা পরিকল্পনা করতে পারেন। প্রয়োজন অনুযায়ী ফিজিওথেরাপিও দেওয়া হতে পারে।রাজশাহীতে কোমর ও মাংসপেশি-স্নায়ুজনিত সমস্যার জন্য বিভিন্ন ফিজিওথেরাপি ও রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টারও রয়েছে, যেমন Best physiotherapy and Pain Relief Center, Ideal Physiotherapy centre এবং RIPR -BD ( রিসার্চ ইনস্টিটিউট অব ফিজিওথেরাপি অ্যান্ড রিহ্যাবিলিটেশন )। তবে ফিজিওথেরাপি শুরু করার আগে রোগের কারণ ও প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পরিকল্পনা একজন যোগ্য চিকিৎসকের মাধ্যমে নির্ধারণ করা ভালো।৫. রিউমাটোলজিস্টযদি কোমর ব্যথার সঙ্গে অন্যান্য জয়েন্টে ব্যথা, দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ, সকালে শরীর বা কোমর শক্ত হয়ে থাকা কিংবা প্রদাহজনিত কোনো রোগের সন্দেহ থাকে, তাহলে রিউমাটোলজিস্টের পরামর্শ প্রয়োজন হতে পারে।কোমর ব্যথা কেন হয়?কোমর ব্যথার কারণ একাধিক। অনেক সময় মানুষ ধরে নেন যে কোমর ব্যথা মানেই “ডিস্ক নষ্ট” বা “হাড় ক্ষয় হয়েছে”। বাস্তবে বিষয়টি এত সরল নয়।সাধারণ কোমর ব্যথার একটি বড় কারণ হলো মাংসপেশি বা লিগামেন্টে টান পড়া। ভুলভাবে ভারী জিনিস তোলা, হঠাৎ বাঁকানো, দীর্ঘসময় একই ভঙ্গিতে বসে থাকা বা শরীরের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়লে এ ধরনের ব্যথা হতে পারে।এ ছাড়া—কোমরের ডিস্কে সমস্যাসায়াটিকামেরুদণ্ডের বয়সজনিত পরিবর্তনস্পাইনাল স্টেনোসিসমেরুদণ্ডে আঘাতঅস্টিওআর্থ্রাইটিসঅস্টিওপোরোসিসপ্রদাহজনিত রোগঅতিরিক্ত ওজনদীর্ঘসময় ভুল ভঙ্গিতে বসানিয়মিত শারীরিক পরিশ্রমের অভাবইত্যাদিও কোমর ব্যথার সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে কিডনির সমস্যা বা অন্য শারীরিক সমস্যাও কোমরের আশপাশে ব্যথা সৃষ্টি করতে পারে।কোমরের ডিস্কের সমস্যা কী ?আমাদের মেরুদণ্ডের প্রতিটি কশেরুকার মাঝখানে বিশেষ ধরনের ডিস্ক থাকে, যা চাপ শোষণ করতে সাহায্য করে। কোনো ডিস্ক ফুলে গেলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে আশপাশের স্নায়ুর ওপর চাপ তৈরি করলে কোমর ব্যথার পাশাপাশি পায়ে ব্যথা বা অন্যান্য স্নায়বিক উপসর্গ দেখা দিতে পারে।এ ধরনের ব্যথাকে অনেক সময় সাধারণভাবে সায়াটিকা বলা হয়, বিশেষ করে যখন কোমর বা নিতম্ব থেকে ব্যথা পায়ের দিকে ছড়িয়ে যায়।তবে শুধু পায়ে ব্যথা হলেই যে ডিস্কের সমস্যা হয়েছে, তা নিশ্চিত নয়। সঠিক কারণ জানতে চিকিৎসকের শারীরিক পরীক্ষা প্রয়োজন।কোমর থেকে পায়ে ব্যথা হলে কী বুঝবেন?কোমর ব্যথার সঙ্গে যদি নিতম্ব থেকে পায়ের দিকে ব্যথা নামে, বিশেষ করে হাঁটুর নিচ পর্যন্ত যায়, তাহলে স্নায়ুতে চাপ বা সায়াটিকার মতো সমস্যার সম্ভাবনা বিবেচনা করা হয়। এর সঙ্গে পায়ে ঝিনঝিনি, অবশভাব বা দুর্বলতাও থাকতে পারে।এ ধরনের উপসর্গ থাকলে শুধু ব্যথার ওষুধ খেয়ে দীর্ঘদিন অপেক্ষা না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।কোমর ব্যথার সঙ্গে কোন লক্ষণগুলো গুরুত্ব দিয়ে দেখবেন?সব কোমর ব্যথা জরুরি সমস্যা নয়। অনেক সাধারণ কোমর ব্যথা কয়েক সপ্তাহের মধ্যে ধীরে ধীরে কমে যেতে পারে। কিন্তু কিছু লক্ষণ থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।বিশেষ করে—কোমর ব্যথার সঙ্গে পায়ে দুর্বলতা বা অবশভাব,দুই পায়ে একসঙ্গে ঝিনঝিনি বা দুর্বলতা,প্রস্রাব বা পায়খানা নিয়ন্ত্রণে নতুন সমস্যা,যৌনাঙ্গ বা পায়ুপথের আশপাশে অনুভূতি কমে যাওয়া,জ্বরের সঙ্গে তীব্র কোমর ব্যথা,পড়ে যাওয়া বা দুর্ঘটনার পর কোমর ব্যথা,রাতে বা বিশ্রামের সময় তীব্র ব্যথা,অকারণে ওজন কমে যাওয়া,ইত্যাদি থাকলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া উচিত। কিছু লক্ষণ জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজনীয়তা নির্দেশ করতে পারে।কোমর ব্যথা হলে কি MRI করতে হবে?এটি একটি খুব সাধারণ প্রশ্ন। কোমর ব্যথা হলেই নিজের ইচ্ছায় MRI করানো প্রয়োজন হয় না।কারণ কোমর ব্যথার অনেক সাধারণ কারণ চিকিৎসকের ইতিহাস নেওয়া ও শারীরিক পরীক্ষার মাধ্যমেই প্রাথমিকভাবে বোঝা যায়। আবার MRI-তে কোনো পরিবর্তন দেখা গেলেই সেটিই যে ব্যথার কারণ—এমনটিও নয়।কোনো রোগীর ক্ষেত্রে MRI, X-ray, CT scan বা অন্য পরীক্ষা প্রয়োজন হবে কি না, তা নির্ভর করে উপসর্গ, শারীরিক পরীক্ষা, ব্যথার স্থায়িত্ব এবং গুরুতর কোনো সমস্যার সন্দেহ আছে কি না—এসব বিষয়ের ওপর।তাই “কোমর ব্যথা = MRI” এই ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে আগে একজন উপযুক্ত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।কোমর ব্যথার চিকিৎসা কীভাবে হয়?কোমর ব্যথার চিকিৎসা সবার জন্য একই নয়। কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা পরিবর্তিত হয়।সাধারণ ও তুলনামূলক কম গুরুতর কোমর ব্যথার ক্ষেত্রে চিকিৎসক প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যথা নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা, দৈনন্দিন কাজের পরিবর্তন, শারীরিক সক্রিয়তা বজায় রাখা এবং উপযুক্ত ব্যায়ামের পরামর্শ দিতে পারেন।কিছু রোগীর ক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপি প্রয়োজন হতে পারে। আবার ডিস্ক বা স্নায়ুর সমস্যার ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট চিকিৎসা পরিকল্পনা দরকার হতে পারে।গুরুতর সমস্যা থাকলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে আরও পরীক্ষা বা বিশেষায়িত চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে। অপারেশন সাধারণ কোমর ব্যথার প্রথম চিকিৎসা নয়; প্রয়োজন হলে রোগের নির্দিষ্ট কারণ ও অন্যান্য চিকিৎসার ফল বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।কোমর ব্যথা কমাতে দৈনন্দিন জীবনে করনীয়কোমর ভালো রাখতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোর একটি হলো দৈনন্দিন অভ্যাস।দীর্ঘসময় একই অবস্থায় বসে না থেকে মাঝে মাঝে উঠে হাঁটাচলা করা ভালো। বসার সময় শরীরের ভঙ্গির দিকে খেয়াল রাখতে হবে। ভারী জিনিস তুলতে হলে কোমর বাঁকিয়ে না তুলে সঠিক কৌশল ব্যবহার করা উচিত।নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম, শরীরের ওজন নিয়ন্ত্রণ এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ব্যায়াম অনেকের ক্ষেত্রে উপকারী হতে পারে।তবে তীব্র ব্যথা, আঘাত, পায়ে দুর্বলতা বা অন্যান্য সতর্কতামূলক লক্ষণ থাকলে নিজের মতো করে ব্যায়াম বা ম্যানুয়াল থেরাপি শুরু না করে আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।রাজশাহীতে কোমর ব্যথা বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহীতে কোমর ব্যথা বিশেষজ্ঞ ডাক্তার খুঁজতে গিয়ে শুধু “কোমর ব্যথার ডাক্তার” লিখে কাউকে বেছে নেওয়ার পরিবর্তে আপনার সমস্যার ধরন অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ নির্বাচন করা ভালো।যদি হাড়, মেরুদণ্ড বা ডিস্কের সমস্যা সন্দেহ হয়, তাহলে অর্থোপেডিক ও স্পাইন বিশেষজ্ঞ খুঁজতে পারেন।যদি কোমর থেকে পায়ে ব্যথা, অবশভাব, ঝিনঝিনি বা দুর্বলতার মতো স্নায়বিক সমস্যা থাকে, তাহলে নিউরোসার্জন বা নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ প্রয়োজন হতে পারে।আর দীর্ঘদিনের ব্যথা নিয়ন্ত্রণ, পুনর্বাসন, ব্যায়াম ও ফিজিওথেরাপি-ভিত্তিক ব্যবস্থাপনার প্রয়োজন হলে ফিজিক্যাল মেডিসিন ও রিহ্যাবিলিটেশন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহীডাঃ মোহাঃ আলমগীর হোসেনএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য),এমএস (অর্থো-সার্জারী)হাড়-জোড়, বিকলাঙ্গ, এক্সিডেন্ট ও স্পাইন রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জনঅধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান অর্থোপেডিক সার্জারী বিভাগরাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালডাঃ মোঃ হাবিবুল হাসানএমবিবিএস, এমসিপিএস(সার্জারী),এফসিপিএস(অর্থো-সার্জারী)মেরুদন্ড, হাড়-জোড়, বাত, ব্যাথা বিশেষজ্ঞ ও সার্জনপঙ্গু হাসপাতাল, শেরে বাংলা নগর, ঢাকা(প্রাক্তন)সহকারী অধ্যাপকরাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালডাঃ মোঃ আব্দুল আওয়ালএমবিবিএস (আরএমসি), বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমএস-অর্থো সার্জারি (ডিএমসি), এফএসিএস (ইউএসএ), ফেলোশিপ ইন স্পাইন সার্জারি, কোরিয়ামেরুদণ্ড ও অর্থোপেডিক সার্জনঅর্থোপেডিক্স বিশেষজ্ঞসহযোগী অধ্যাপক, স্পাইন সার্জারিনওগা মেডিকেল কলেজ, নওগাবিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন নম্বরঃ এ-৪১৮৯৫ডাঃ মোঃ মুনজুর রহমান (শিমুল)এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এম.এস (অর্থোপেডিক- সার্জারি) বিএমইউঅর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞসহকারী অধ্যাপক, অর্থোপেডিকসরাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালডাঃ মোঃ মাহফুজুর রহমান (মাহফুজ)এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য),এমএস (অর্থো সার্জারী)অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জনহাড়-জোড়, বাতবাথা, মেরুদন্ড রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জনরাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালবিএমডিসি রেজিঃ নং-এ-৬৯৭০৯নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহীডাঃ মোঃ আমজাদ হোসেন প্রামাণিকনিউরোলজি (মস্তিষ্ক, স্ট্রোক, মাথাব্যথা, মৃগীরোগ, মাইগ্রেন) বিশেষজ্ঞএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (নিউরোলজি) নিউরোলজি (মস্তিষ্ক, স্ট্রোক, মাথাব্যথা, মৃগীরোগ, মাইগ্রেন) বিশেষজ্ঞ সহকারী অধ্যাপক, নিউরোলজি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালডাঃ মোঃ এমদাদুল হকএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (নিউরোমেডিসিন) নিউরোমেডিসিন (মস্তিষ্ক, স্ট্রোক, স্নায়ু, মেরুদণ্ড, মাথাব্যথা, মাইগ্রেন) বিশেষজ্ঞ সহকারী অধ্যাপক, নিউরোমেডিসিন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালডাঃ এবিএম মাহবুবুল হক (লিমন)এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (নিউরোমেডিসিন) নিউরোমেডিসিন (মস্তিষ্ক, স্নায়ু, মেরুদণ্ড, মাথাব্যথা, পিঠের ব্যথা) বিশেষজ্ঞ সহকারী অধ্যাপক, নিউরোলজি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালঅধ্যাপক ডাঃ মোঃ পারভেজ আমিনএমবিবিএস, এমডি(নিউরোলজী)ব্রেন,নার্ভ (স্নায়ু রোগ) ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞঅধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান (নিউরোলজি বিভাগ)রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল,রাজশাহীডাঃ মোহাঃ আহসান হাবীবএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য),এমডি (নিউরোমেডিসিন), NINS & H. Dhaka.এমএসিপি (আমেরিকা)নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞব্রেন, নার্ভ, স্পাইন, মাথাব্যথা/মাইগ্রেন, মৃগীস্মৃতিশক্তি লোপ, স্ট্রোক ও প্যারালাইসিস বিশেষজ্ঞ স্পেশাল ট্রেনিং ইন এনসিএস, ইএমজি, নার্ভ আল্ট্রাসাউন্ড (নিনস্, ঢাকা)সহকারী অধ্যাপক ( নিউরোমেডিসিন)রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালবিএমডিসি রেজি: নং এ-৬০৫৮৪ডাঃ প্রসাদ কুমার সরকারএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য),এমডি (নিউরোলজী) বিএসএমএমইউনিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞসহকারী অধ্যাপকরাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ফিজিক্যাল মেডিসিন ও রিহ্যাবিলিটেশন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহীডাঃ মোঃ  তারিকুল ইসলাম খান (তারেক)এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (ফিজিকাল মেডিসিন)বাত-ব্যাথা, প্যারালাইসিস, নিউরো ও স্পোর্টস ইনজুরি বিশেষজ্ঞসহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধানফিজিক্যাল মেডিসিন বিভাগরাজশাহী মেডিকেল কলেজ, রাজশাহীডাঃ মোঃ আব্দুস সবুরএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (ফিজিক্যাল মেডিসিন)ফিজিক্যাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞসহকারী অধ্যাপকরাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালবিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন নম্বর: এ-৬৩২৮১কখন দ্রুত ডাক্তার দেখাবেন?কোমর ব্যথা যদি কয়েকদিনের সাধারণ ব্যথা হয় এবং ধীরে ধীরে কমতে থাকে, তাহলে সবসময় জরুরি চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। কিন্তু ব্যথা যদি ক্রমেই বাড়তে থাকে, দীর্ঘদিন থাকে বা দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত করে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।বিশেষ করে নিচের যেকোনো একটি থাকলে দেরি না করে চিকিৎসা নিন:কোমর থেকে পায়ে তীব্র ব্যথা ছড়িয়ে পড়াপায়ে অবশভাব বা ঝিনঝিনিপায়ে দুর্বলতাদুই পায়ে একসঙ্গে দুর্বলতা বা অনুভূতি কমে যাওয়াপ্রস্রাব বা পায়খানা নিয়ন্ত্রণে নতুন সমস্যাযৌনাঙ্গ/পায়ুপথের আশপাশে অনুভূতি কমে যাওয়াজ্বরের সঙ্গে কোমর ব্যথাদুর্ঘটনা বা পড়ে যাওয়ার পর তীব্র ব্যথারাতে খুব বেশি ব্যথাঅকারণে ওজন কমে যাওয়াএর মধ্যে প্রস্রাব-পায়খানা নিয়ন্ত্রণের নতুন সমস্যা, যৌনাঙ্গ/পায়ুপথের আশপাশে অনুভূতি কমে যাওয়া বা দুই পায়ে গুরুতর দুর্বলতা থাকলে এটি জরুরি অবস্থা হতে পারে এবং দ্রুত হাসপাতালে মূল্যায়ন প্রয়োজন।কোমর ব্যথা নিয়ে সাধারণ কিছু প্রশ্ন১. কোমর ব্যথা হলে কোন ডাক্তার দেখাব?সাধারণভাবে অর্থোপেডিক ও স্পাইন বিশেষজ্ঞ দিয়ে মূল্যায়ন শুরু করা যেতে পারে। তবে উপসর্গ অনুযায়ী নিউরোসার্জন, নিউরোমেডিসিন, রিউমাটোলজি বা ফিজিক্যাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞের প্রয়োজন হতে পারে।২. কোমর থেকে পায়ে ব্যথা হলে কোন ডাক্তার দেখাব?কোমর থেকে পায়ে ব্যথা নামার সঙ্গে ঝিনঝিনি, অবশভাব বা দুর্বলতা থাকলে স্নায়ুতে চাপের বিষয়টি মূল্যায়ন করা দরকার। এ ক্ষেত্রে নিউরোসার্জন, নিউরোমেডিসিন বা স্পাইন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।৩. কোমর ব্যথা হলে কি সবসময় MRI করতে হয়?না। সব কোমর ব্যথায় MRI প্রয়োজন হয় না। চিকিৎসক উপসর্গ ও শারীরিক পরীক্ষা দেখে প্রয়োজন হলে MRI বা অন্য পরীক্ষা দিতে পারেন।৪. কোমর ব্যথা কি কিডনির সমস্যার কারণে হতে পারে?হ্যাঁ, কিছু কিডনি সমস্যা যেমন কিডনি স্টোন বা কিডনি ইনফেকশনের ক্ষেত্রেও কোমর বা পাশের দিকে ব্যথা হতে পারে। তাই ব্যথার ধরন এবং সঙ্গে থাকা অন্যান্য উপসর্গ বিবেচনা করা গুরুত্বপূর্ণ।৫. কোমর ব্যথায় ফিজিওথেরাপি কি উপকারী?কিছু ধরনের কোমর ব্যথায় ফিজিওথেরাপি ও পুনর্বাসনমূলক চিকিৎসা উপকারী হতে পারে। তবে ব্যথার কারণ বুঝে উপযুক্ত থেরাপি নির্বাচন করা উচিত।৬. কোমর ব্যথা কতদিন থাকলে ডাক্তার দেখাব?ব্যথা যদি কয়েক সপ্তাহেও না কমে, বারবার ফিরে আসে বা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।৭. কোমর ব্যথার সঙ্গে পা অবশ হলে কি চিন্তার বিষয়?হ্যাঁ। বিশেষ করে অবশভাবের সঙ্গে পায়ের শক্তি কমে গেলে দ্রুত চিকিৎসকের মূল্যায়ন প্রয়োজন।৮. কোমর ব্যথা হলে কি ব্যায়াম করা যাবে?সব ব্যথায় একই ব্যায়াম উপযুক্ত নয়। সাধারণ ব্যথায় চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সক্রিয় থাকা উপকারী হতে পারে, কিন্তু তীব্র ব্যথা বা স্নায়বিক উপসর্গ থাকলে আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।৯. কোমর ব্যথার জন্য রাজশাহীতে কোন বিশেষজ্ঞ খুঁজব?আপনার সমস্যার ধরন অনুযায়ী অর্থোপেডিক ও স্পাইন বিশেষজ্ঞ, নিউরোসার্জন, নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞ অথবা ফিজিক্যাল মেডিসিন ও রিহ্যাবিলিটেশন বিশেষজ্ঞ খুঁজতে পারেন।১০. কোমর ব্যথার চিকিৎসায় কি সবসময় অপারেশন লাগে?না। সাধারণ কোমর ব্যথার বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই অপারেশন প্রথম চিকিৎসা নয়। নির্দিষ্ট কিছু গুরুতর সমস্যা বা অন্যান্য চিকিৎসায় যথেষ্ট উপকার না হলে অপারেশন বিবেচনা করা হতে পারে।কোমর ব্যথা হলে কোন ডাক্তার দেখাবেন—এই প্রশ্নের উত্তর আসলে ব্যথার কারণের ওপর নির্ভর করে। হাড়, মেরুদণ্ড ও ডিস্কের সমস্যায় অর্থোপেডিক ও স্পাইন বিশেষজ্ঞ, স্নায়ু-সম্পর্কিত উপসর্গে নিউরোসার্জন বা নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞ এবং দীর্ঘমেয়াদি পুনর্বাসন ও ব্যায়ামভিত্তিক ব্যবস্থাপনায় ফিজিক্যাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞের প্রয়োজন হতে পারে।রাজশাহীতে কোমর ব্যথা বিশেষজ্ঞ ডাক্তার খুঁজতে হলে প্রথমে আপনার উপসর্গের ধরন অনুযায়ী সঠিক বিভাগের বিশেষজ্ঞ নির্বাচন করুন। সঠিক রোগ নির্ণয়ের পর কারণভিত্তিক চিকিৎসাই দীর্ঘমেয়াদে ভালো ফল পাওয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। অথবা বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ও তথ্যের জন্য যোগাযোগ করুন Doctor Service BD তে।

blog-image

ডাঃ সাইফুল ইসলাম

হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহীডাঃ সাইফুল ইসলাম এমবিবিএস, বিসিএস, এমডি(কার্ডিওলজী), সিসিডি (বারডেম) মেডিসিন, ডায়াবেটিস ও হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ সহকারী অধ্যাপক (কার্ডিওলজী বিভাগ) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহী ডাঃ সাইফুল ইসলাম / হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহীডাঃ সাইফুল ইসলাম একজন অভিজ্ঞ ও দক্ষ কার্ডিওলজি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার । তিনি এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (কার্ডিওলজি) এবং সিসিডি (বারডেম) ডিগ্রিধারী একজন অভিজ্ঞ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ। হৃদরোগের পাশাপাশি ডায়াবেটিস ও বিভিন্ন মেডিসিন-সংক্রান্ত রোগের সঠিক রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।তিনি বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের কার্ডিওলজি বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত আছেন। হৃদযন্ত্রের বিভিন্ন রোগ, উচ্চ রক্তচাপ, বুকব্যথা, হৃদস্পন্দনের অনিয়ম এবং ডায়াবেটিসসহ দীর্ঘমেয়াদি রোগে রোগীর শারীরিক অবস্থা ও প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা প্রদান করে থাকেন।ডাঃ সাইফুল ইসলাম যেসব রোগ ও সমস্যার চিকিৎসা প্রদান করেনডাঃ সাইফুল ইসলাম রাজশাহীতে নিয়মিত রোগী দেখছেন ও চিকিৎসা সেবা দিচ্ছেন। তিনি যেসকল রোগের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন তা নিচে দেওয়া হলো-হৃদরোগ ও হৃদযন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যা Heart Disease & Cardiovascular Problemsবুকব্যথা ও শ্বাসকষ্ট Chest Pain & Shortness of Breathউচ্চ রক্তচাপ Hypertension (High Blood Pressure)হৃদস্পন্দনের অনিয়ম Heart Rhythm Disorders (Arrhythmia)করোনারি আর্টারি ডিজিজ Coronary Artery Disease (CAD)হার্ট অ্যাটাক-পরবর্তী চিকিৎসা ও ফলোআপ Post-Heart Attack Care & Follow-upডায়াবেটিস ও এর বিভিন্ন জটিলতা Diabetes & Its Complicationsরক্তে কোলেস্টেরল বৃদ্ধি High Blood Cholesterol (Hypercholesterolemia)বিভিন্ন মেডিসিন-সংক্রান্ত জটিলতা Internal Medicine Problems & Medical Conditionsদীর্ঘমেয়াদি রোগের নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও চিকিৎসা Regular Monitoring & Management of Chronic Diseasesডাঃ সাইফুল ইসলাম এর শিক্ষাগত যোগ্যতাএমবিবিএসবিসিএস (স্বাস্থ্য)এমডি (কার্ডিওলজি)সিসিডি (বারডেম)বর্তমান পদবি ও কর্মস্থলসহকারী অধ্যাপক, কার্ডিওলজি বিভাগরাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহীহৃদরোগ, ডায়াবেটিস বা অন্যান্য মেডিসিন-সংক্রান্ত সমস্যার চিকিৎসায় রাজশাহীবাসীদের কাছে ডাঃ সাইফুল ইসলাম একটি বিশ্বস্ত নাম । চেম্বারঃদি এ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টার রাজশাহীসময়ঃ বিকাল ৩টা থেকে ৫ টাচেম্বারঃ পপুলার ডায়াগনস্টিক লিঃ রাজশাহীসময়ঃ বিকাল ৫ টা থেকে রাত ৯ টারাজশাহীতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন Doctor Service BD এর মাধ্যমেহটলাইন নম্বরঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪

Emergency Contact

Emergency Call +880 1723-025514

Emergency E-mail

24/7 Email Support [email protected]

- OR -