ডাঃ এস. এম. মাহবুবুর রহমান (লেমন) | মেডিসিন বিশেষজ্ঞ রাজশাহী
রাজশাহীর অভিজ্ঞ মেডিসিন ও ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ এস এম মাহবুবুর রহমান (লেমন)। ১৭ বছরের অভিজ্ঞতায় ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, বাত, রক্তশূন্যতা, হাঁপানি ও জ্বরের চিকিৎসা।ডাঃ এস এম মাহবুবুর রহমান (লেমন)এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)এমডি (ইন্টারনাল মেডিসিন)বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা (সাবেক পিজি হাসপাতাল)মেডিসিন বিশেষজ্ঞসহকারী অধ্যাপক (মেডিসিন)রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ডাঃ এস এম মাহবুবুর রহমান (লেমন) — মেডিসিন ও ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহীদীর্ঘদিনের জ্বর, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, বাতের ব্যথা, রক্তশূন্যতা, হাঁপানি বা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন? এ ধরনের সমস্যায় সঠিক কারণ নির্ণয় ও পরিকল্পিত চিকিৎসা খুবই জরুরি। তাই সঠিক সময়ে একজন অভিজ্ঞ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ এর কাছে পরামর্শ নেওয়া উচিত। ডাঃ এস এম মাহবুবুর রহমান (লেমন) রাজশাহীর একজন সুনামধন্য, অভিজ্ঞ ও বিশ্বস্ত মেডিসিন ডাক্তার রাজশাহী। তিনি প্রায় ১৭ বছরের চিকিৎসা অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন মেডিসিন ও ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে সহকারী অধ্যাপক।ডাঃ এস এম মাহবুবুর রহমান (লেমন) এর পরিচিতি ও যোগ্যতাডাঃ এস এম মাহবুবুর রহমান (লেমন) ইন্টারনাল মেডিসিনে উচ্চতর ডিগ্রিধারী একজন বিশেষজ্ঞ। তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা (সাবেক পিজি হাসপাতাল) থেকে এমডি (ইন্টারনাল মেডিসিন) সম্পন্ন করেছেন এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে সহকারী অধ্যাপক।তাঁর শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ্যতা:এমবিবিএস (MBBS)বিসিএস (স্বাস্থ্য)এমডি (ইন্টারনাল মেডিসিন), বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা (সাবেক পিজি হাসপাতাল)মেডিসিন বিশেষজ্ঞসহকারী অধ্যাপক, মেডিসিন বিভাগরাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহীপ্রায় ১৭ বছরের চিকিৎসা অভিজ্ঞতাদীর্ঘদিনের সরকারি হাসপাতালভিত্তিক অভিজ্ঞতা এবং ইন্টারনাল মেডিসিনে উচ্চতর প্রশিক্ষণ তাঁকে রাজশাহীতে একজন নির্ভরযোগ্য মেডিসিন ও ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।ডাঃ এস এম মাহবুবুর রহমান (লেমন) কোন রোগের চিকিৎসা দেন?ডাঃ এস এম মাহবুবুর রহমান (লেমন) মেডিসিন ও ইন্টারনাল মেডিসিন বিষয়ে বিস্তৃত চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকেন। তাঁর চিকিৎসার প্রধান ক্ষেত্রগুলো হলো:ডায়াবেটিস: রক্তে শর্করা বেড়ে যাওয়া; দীর্ঘমেয়াদে হার্ট, কিডনি, চোখ ও স্নায়ুর জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।থাইরয়েড ও অন্যান্য হরমোনজনিত রোগ: থাইরয়েডের অতিরিক্ত বা কম কাজ, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ও মেটাবলিক সমস্যা।বাত-ব্যথা ও রিউমাটোলজি: জোড়ায় জোড়ায় ব্যথা, শরীর ম্যাজম্যাজ লাগা, গেঁটে বাত বা অটোইমিউন রোগের চিকিৎসা।রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া: রক্তে হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়া; দুর্বলতা, ক্লান্তি ও মাথা ঘোরা হয়।থ্যালাসেমিয়া ও অন্যান্য রক্তের রোগ: জন্মগত রক্তের রোগ বা রক্তের অন্যান্য সমস্যার পরামর্শ ও চিকিৎসা।জ্বর ও ইনফেকশন: সাধারণ জ্বর, ভাইরাল জ্বর, টাইফয়েড, ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া বা অন্যান্য সংক্রমণের চিকিৎসা।অ্যাজমা বা হাঁপানি: শ্বাসনালী সংকুচিত হয়ে শ্বাসকষ্ট, কাশি ও বুকে চাপ লাগা।যক্ষ্মা বা টিবি: যক্ষ্মা ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ; দীর্ঘদিন কাশি, রাতে ঘাম, ওজন কমা ও জ্বর হতে পারে।অন্যান্য বক্ষব্যাধি: নিউমোনিয়া, ব্রংকাইটিস বা ফুসফুসের অন্যান্য সমস্যা।গ্যাস্ট্রো-লিভার রোগ: গ্যাস্ট্রিক, আলসার, লিভারের সমস্যা বা হজমের জটিলতা।নার্ভ-ব্রেন-প্যারালাইসিস-স্ট্রোক: মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, হাত-পায়ে অবশতা বা স্ট্রোক-পরবর্তী চিকিৎসা।উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ: রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং হার্টের ঝুঁকি কমানোর পরামর্শ ও চিকিৎসা।কখন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখাবেন?সাময়িক সর্দি-কাশি বা সামান্য ক্লান্তি সাধারণ কারণে হতে পারে। তবে নিচের উপসর্গগুলো থাকলে দেরি না করে একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ রাজশাহী-র কাছে যাওয়া উচিত:৭ দিনের বেশি জ্বর থাকা বা বারবার জ্বর ফিরে আসারক্তে শর্করা বা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না থাকাথাইরয়েডজনিত সমস্যা, যেমন ওজন বৃদ্ধি বা কমে যাওয়া, ঘাড় ফুলে যাওয়া, অস্থিরতা বা অতিরিক্ত ক্লান্তিদীর্ঘদিন দুর্বলতা, মাথা ঘোরা, শরীর ব্যথা বা অজানা কারণে ওজন কমে যাওয়াজোড়ায় জোড়ায় ব্যথা, শরীর ম্যাজম্যাজ লাগা বা সকালে শরীর শক্ত লাগাদীর্ঘদিন কাশি, শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি বা বারবার ঠান্ডা-জ্বরপেটে ব্যথা, বুক জ্বালা, বমিভাব বা হজমের সমস্যারক্তশূন্যতা, অতিরিক্ত ক্লান্তি বা মুখ ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়াহাত-পায়ে ঝিনঝিন ভাব, অবশতা বা শক্তি কমে যাওয়াউচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগের ঝুঁকি থাকাএকাধিক রোগ একসঙ্গে থাকা বা বহু পরীক্ষার পরও সঠিক কারণ না পাওয়াজরুরি অবস্থায়—যেমন হঠাৎ স্ট্রোকের লক্ষণ, তীব্র শ্বাসকষ্ট, বুকে তীব্র ব্যথা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা খিঁচুনি—দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি সেবা নিন।কেন ডাঃ এস এম মাহবুবুর রহমান (লেমন)-কে দেখাবেন?রাজশাহীতে মেডিসিন ও বাতের চিকিৎসার জন্য ডাঃ এস এম মাহবুবুর রহমান (লেমন)-কে বেছে নেওয়ার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে:প্রায় ১৭ বছরের চিকিৎসা অভিজ্ঞতা: দীর্ঘদিনের হাসপাতালভিত্তিক অভিজ্ঞতা তাঁকে বিভিন্ন জটিল রোগীর চিকিৎসায় দক্ষ করে তুলেছে।উচ্চতর শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ: তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমডি (ইন্টারনাল মেডিসিন) ডিগ্রিধারী।সরকারি হাসপাতালের অভিজ্ঞতা: তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে সহকারী অধ্যাপক।বহুমুখী চিকিৎসা সেবা: ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, বাত, রক্তশূন্যতা, হাঁপানি, জ্বর ও উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসায় অভিজ্ঞ।রোগীবান্ধব পরামর্শ: রোগের কারণ, পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা, ওষুধ ব্যবহার এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন সহজভাবে বোঝান।রাজশাহীতে সহজলভ্য চেম্বার: পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ ভবন-২, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহীতে নিয়মিত রোগী দেখেন।ডাঃ এস এম মাহবুবুর রহমান (লেমন) চেম্বারের তথ্যচেম্বারঃ পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ, ভবন নং-২, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহীরুম নং: ১০২ (নিচতলা)ঠিকানা: চৌধুরী টাওয়ার, বি-৪৭৪, শেরশাহ রোড, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী।রোগী দেখার সময়: বিকাল ৩টা থেকে রাত ৯টা (শুক্রবার বন্ধ)চেম্বারে যাওয়ার আগে সিরিয়াল বা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিশ্চিত করে নিন।ডাঃ এস এম মাহবুবুর রহমান (লেমন) সম্পর্কে সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ১. ডাঃ এস এম মাহবুবুর রহমান (লেমন) কোন বিষয়ের বিশেষজ্ঞ?তিনি মেডিসিন ও ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। তিনি ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, বাত, রক্তশূন্যতা, হাঁপানি, জ্বর ও উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।২. ডাঃ মাহবুবুর রহমানের কত বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে?তাঁর প্রায় ২৮ বছরের চিকিৎসা অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে সহকারী অধ্যাপক।৩. থাইরয়েডের সমস্যা কখন ডাক্তার দেখাব?ওজন বৃদ্ধি বা কমে যাওয়া, ঘাড় ফুলে যাওয়া, অস্থিরতা, অতিরিক্ত ক্লান্তি, চুল পড়া বা মাসিক অনিয়ম থাকলে থাইরয়েড পরীক্ষা ও পরামর্শের জন্য ডাক্তারকে দেখান।৪. বাতের ব্যথা কখন বিশেষজ্ঞকে দেখাব?জোড়ায় জোড়ায় ব্যথা, সকালে শরীর শক্ত লাগা, গেঁটে বাতের তীব্র ব্যথা বা শরীর ম্যাজম্যাজ লাগা দীর্ঘদিন থাকলে মেডিসিন ও বাত ব্যথা বিশেষজ্ঞকে দেখান।৫. রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া কী এবং কীভাবে বোঝা যায়?রক্তে হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়াকে রক্তশূন্যতা বলে। এতে দুর্বলতা, ক্লান্তি, মাথা ঘোরা, মুখ ফ্যাকাশে হওয়া বা শ্বাসকষ্ট হতে পারে। সিবিসি পরীক্ষা করে সঠিক কারণ নির্ণয় করা জরুরি।৬. হাঁপানি বা অ্যাজমা কি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে?হ্যাঁ, সঠিক ওষুধ, ট্রিগার এড়ানো এবং নিয়মিত ফলোআপে অনেক রোগীর হাঁপানি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ওষুধ হঠাৎ বন্ধ করা যাবে না।৭. ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ একসঙ্গে থাকলে কী করব?ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ একসঙ্গে থাকলে হার্ট, কিডনি ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই নিয়মিত পরীক্ষা, ওষুধ ব্যবহার, খাবার নিয়ন্ত্রণ এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন জরুরি।৮. ডাঃ মাহবুবুর রহমানের চেম্বার কোথায়?তাঁর চেম্বার পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ, ভবন-২, রুম ১০২ (নিচতলা), লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী।৯. চেম্বারে দেখার সময় কী?তিনি বিকাল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত রোগী দেখেন (শুক্রবার বন্ধ)।আপনি যদি রাজশাহীতে অভিজ্ঞ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ রাজশাহী ও ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহী খুঁজছেন তাহলে ডাঃ এস এম মাহবুবুর রহমান (লেমন) একজন নির্ভরযোগ্য পছন্দ হতে পারেন। তাঁর প্রায় ১৭ বছরের অভিজ্ঞতা, উচ্চতর যোগ্যতা এবং ইন্টারনাল মেডিসিনে বিশেষজ্ঞতা রোগীদের জন্য আশ্বস্ত ও পরিকল্পিত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করে।রাজশাহীতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন Doctor Service BD এর মাধ্যমে।হটলাইন নম্বরঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪