Explore our Specialist

Rest easy knowing your health is our top priority. Our advanced medical services offer optimal care, ensuring your well-being without compromising safety or quality.

Our expert doctors

Welcome to Doctor Service BD, here you can find a gather of best doctors. With leading experts in every medical field, we ensure unparalleled service and care for all our patients.

doctor
Medicine Specialist
Dr. SK. Md. Afzal Uddin
Internal Medicine Specialist

MBBS,MD(Internal Medicine)FRCP(Glasgow,UK)FCCP(USA)FACG(USA)FACG(USA)MRSM,FRSPH(UK) Honorary professor,Queensland university Australia

doctor
Medicine Specialist
Dr. Md. Mojibul Haque (Sobuj)
Medicine specialist and diabetologist

MBBS, BCS (Health), MD (Internal Medicine) BSMMU

doctor
Pulmonology,Asthma, Chest Medicine Specialist
Dr. Ahmad Zainuddin Sani
Chest Diseases & Respiratory Medicine Specialist

MBBS, BCS (Health), MD (Chest Medicine)

doctor
ENT -Ear Nose Throat specialist
Dr. Md. Khaled Shahrear
Ear, Nose, Throat Specialist & Head Neck Surgeon

MBBS, BCS (Health), DLO, FCPS (ENT)

doctor
ENT -Ear Nose Throat specialist
Dr. Muhammad Mahmudul Haque Anik
Ear, Nose, Throat Specialist & Head Neck Specialist Surgeon

MBBS, BCS (Health), FCPS (ENT), Advanced Clinical Fellow in Otology(BSMMU)

doctor
Nephrology Specialist
Dr. Md. Safayet Hossain Pramanik
Nephrology & Kidney Specialist

MBBS, BCS (Health),MD (Nephrology) Bangabandhu Sheikh Mujib Medical University (PG Hospital), Member, International Society Of Nephrology (ISN),MACP (America)

Explore our Diagonostic

Meet with the best diagnostics represented across each medical specialty. With the best medical services.

doctor-image
Al Arafa Clinic & Diagnostic Center Rajshahi

Al-Arafah Clinic, Bir Sreshtho Shaheed Captain Mohiuddin Jahangir Smarani, Rajshahi, Bangladesh


doctor-image
Islami Bank Hospital Rajshahi

CJ65+J96 Islami Bank Medical College Hospital, Rajshahi, air, port road, Rajshahi 6203



Latest Blogs Articles

Read top articles from health experts.

blog-image

ডাঃ এস. এম. মাহবুবুর রহমান (লেমন) | মেডিসিন বিশেষজ্ঞ রাজশাহী

রাজশাহীর অভিজ্ঞ মেডিসিন ও ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ এস এম মাহবুবুর রহমান (লেমন)। ১৭ বছরের অভিজ্ঞতায় ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, বাত, রক্তশূন্যতা, হাঁপানি ও জ্বরের চিকিৎসা।ডাঃ এস এম মাহবুবুর রহমান (লেমন)এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)এমডি (ইন্টারনাল মেডিসিন)বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা (সাবেক পিজি হাসপাতাল)মেডিসিন বিশেষজ্ঞসহকারী অধ্যাপক (মেডিসিন)রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ডাঃ এস এম মাহবুবুর রহমান (লেমন) — মেডিসিন ও ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহীদীর্ঘদিনের জ্বর, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, বাতের ব্যথা, রক্তশূন্যতা, হাঁপানি বা উচ্চ রক্তচাপে ভুগছেন? এ ধরনের সমস্যায় সঠিক কারণ নির্ণয় ও পরিকল্পিত চিকিৎসা খুবই জরুরি। তাই সঠিক সময়ে একজন অভিজ্ঞ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ এর কাছে পরামর্শ নেওয়া উচিত। ডাঃ এস এম মাহবুবুর রহমান (লেমন) রাজশাহীর একজন সুনামধন্য, অভিজ্ঞ ও বিশ্বস্ত মেডিসিন ডাক্তার রাজশাহী। তিনি প্রায় ১৭ বছরের চিকিৎসা অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন মেডিসিন ও ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে সহকারী অধ্যাপক।ডাঃ এস এম মাহবুবুর রহমান (লেমন) এর পরিচিতি ও যোগ্যতাডাঃ এস এম মাহবুবুর রহমান (লেমন) ইন্টারনাল মেডিসিনে উচ্চতর ডিগ্রিধারী একজন বিশেষজ্ঞ। তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা (সাবেক পিজি হাসপাতাল) থেকে এমডি (ইন্টারনাল মেডিসিন) সম্পন্ন করেছেন এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে সহকারী অধ্যাপক।তাঁর শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ্যতা:এমবিবিএস (MBBS)বিসিএস (স্বাস্থ্য)এমডি (ইন্টারনাল মেডিসিন), বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা (সাবেক পিজি হাসপাতাল)মেডিসিন বিশেষজ্ঞসহকারী অধ্যাপক, মেডিসিন বিভাগরাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহীপ্রায় ১৭ বছরের চিকিৎসা অভিজ্ঞতাদীর্ঘদিনের সরকারি হাসপাতালভিত্তিক অভিজ্ঞতা এবং ইন্টারনাল মেডিসিনে উচ্চতর প্রশিক্ষণ তাঁকে রাজশাহীতে একজন নির্ভরযোগ্য মেডিসিন ও ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।ডাঃ এস এম মাহবুবুর রহমান (লেমন) কোন রোগের চিকিৎসা দেন?ডাঃ এস এম মাহবুবুর রহমান (লেমন) মেডিসিন ও ইন্টারনাল মেডিসিন বিষয়ে বিস্তৃত চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকেন। তাঁর চিকিৎসার প্রধান ক্ষেত্রগুলো হলো:ডায়াবেটিস: রক্তে শর্করা বেড়ে যাওয়া; দীর্ঘমেয়াদে হার্ট, কিডনি, চোখ ও স্নায়ুর জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।থাইরয়েড ও অন্যান্য হরমোনজনিত রোগ: থাইরয়েডের অতিরিক্ত বা কম কাজ, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ও মেটাবলিক সমস্যা।বাত-ব্যথা ও রিউমাটোলজি: জোড়ায় জোড়ায় ব্যথা, শরীর ম্যাজম্যাজ লাগা, গেঁটে বাত বা অটোইমিউন রোগের চিকিৎসা।রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া: রক্তে হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়া; দুর্বলতা, ক্লান্তি ও মাথা ঘোরা হয়।থ্যালাসেমিয়া ও অন্যান্য রক্তের রোগ: জন্মগত রক্তের রোগ বা রক্তের অন্যান্য সমস্যার পরামর্শ ও চিকিৎসা।জ্বর ও ইনফেকশন: সাধারণ জ্বর, ভাইরাল জ্বর, টাইফয়েড, ডেঙ্গু, ম্যালেরিয়া বা অন্যান্য সংক্রমণের চিকিৎসা।অ্যাজমা বা হাঁপানি: শ্বাসনালী সংকুচিত হয়ে শ্বাসকষ্ট, কাশি ও বুকে চাপ লাগা।যক্ষ্মা বা টিবি: যক্ষ্মা ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ; দীর্ঘদিন কাশি, রাতে ঘাম, ওজন কমা ও জ্বর হতে পারে।অন্যান্য বক্ষব্যাধি: নিউমোনিয়া, ব্রংকাইটিস বা ফুসফুসের অন্যান্য সমস্যা।গ্যাস্ট্রো-লিভার রোগ: গ্যাস্ট্রিক, আলসার, লিভারের সমস্যা বা হজমের জটিলতা।নার্ভ-ব্রেন-প্যারালাইসিস-স্ট্রোক: মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা, হাত-পায়ে অবশতা বা স্ট্রোক-পরবর্তী চিকিৎসা।উচ্চ রক্তচাপ ও হৃদরোগ: রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ এবং হার্টের ঝুঁকি কমানোর পরামর্শ ও চিকিৎসা।কখন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখাবেন?সাময়িক সর্দি-কাশি বা সামান্য ক্লান্তি সাধারণ কারণে হতে পারে। তবে নিচের উপসর্গগুলো থাকলে দেরি না করে একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ রাজশাহী-র কাছে যাওয়া উচিত:৭ দিনের বেশি জ্বর থাকা বা বারবার জ্বর ফিরে আসারক্তে শর্করা বা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না থাকাথাইরয়েডজনিত সমস্যা, যেমন ওজন বৃদ্ধি বা কমে যাওয়া, ঘাড় ফুলে যাওয়া, অস্থিরতা বা অতিরিক্ত ক্লান্তিদীর্ঘদিন দুর্বলতা, মাথা ঘোরা, শরীর ব্যথা বা অজানা কারণে ওজন কমে যাওয়াজোড়ায় জোড়ায় ব্যথা, শরীর ম্যাজম্যাজ লাগা বা সকালে শরীর শক্ত লাগাদীর্ঘদিন কাশি, শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি বা বারবার ঠান্ডা-জ্বরপেটে ব্যথা, বুক জ্বালা, বমিভাব বা হজমের সমস্যারক্তশূন্যতা, অতিরিক্ত ক্লান্তি বা মুখ ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়াহাত-পায়ে ঝিনঝিন ভাব, অবশতা বা শক্তি কমে যাওয়াউচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগের ঝুঁকি থাকাএকাধিক রোগ একসঙ্গে থাকা বা বহু পরীক্ষার পরও সঠিক কারণ না পাওয়াজরুরি অবস্থায়—যেমন হঠাৎ স্ট্রোকের লক্ষণ, তীব্র শ্বাসকষ্ট, বুকে তীব্র ব্যথা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা খিঁচুনি—দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি সেবা নিন।কেন ডাঃ এস এম মাহবুবুর রহমান (লেমন)-কে দেখাবেন?রাজশাহীতে মেডিসিন ও বাতের চিকিৎসার জন্য ডাঃ এস এম মাহবুবুর রহমান (লেমন)-কে বেছে নেওয়ার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে:প্রায় ১৭ বছরের চিকিৎসা অভিজ্ঞতা: দীর্ঘদিনের হাসপাতালভিত্তিক অভিজ্ঞতা তাঁকে বিভিন্ন জটিল রোগীর চিকিৎসায় দক্ষ করে তুলেছে।উচ্চতর শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ: তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমডি (ইন্টারনাল মেডিসিন) ডিগ্রিধারী।সরকারি হাসপাতালের অভিজ্ঞতা: তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে সহকারী অধ্যাপক।বহুমুখী চিকিৎসা সেবা: ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, বাত, রক্তশূন্যতা, হাঁপানি, জ্বর ও উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসায় অভিজ্ঞ।রোগীবান্ধব পরামর্শ: রোগের কারণ, পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা, ওষুধ ব্যবহার এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন সহজভাবে বোঝান।রাজশাহীতে সহজলভ্য চেম্বার: পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ ভবন-২, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহীতে নিয়মিত রোগী দেখেন।ডাঃ এস এম মাহবুবুর রহমান (লেমন) চেম্বারের তথ্যচেম্বারঃ পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ, ভবন নং-২, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহীরুম নং: ১০২ (নিচতলা)ঠিকানা: চৌধুরী টাওয়ার, বি-৪৭৪, শেরশাহ রোড, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী।রোগী দেখার সময়: বিকাল ৩টা থেকে রাত ৯টা (শুক্রবার বন্ধ)চেম্বারে যাওয়ার আগে সিরিয়াল বা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিশ্চিত করে নিন।ডাঃ এস এম মাহবুবুর রহমান (লেমন) সম্পর্কে সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ১. ডাঃ এস এম মাহবুবুর রহমান (লেমন) কোন বিষয়ের বিশেষজ্ঞ?তিনি মেডিসিন ও ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। তিনি ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, বাত, রক্তশূন্যতা, হাঁপানি, জ্বর ও উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।২. ডাঃ মাহবুবুর রহমানের কত বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে?তাঁর প্রায় ২৮ বছরের চিকিৎসা অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে সহকারী অধ্যাপক।৩. থাইরয়েডের সমস্যা কখন ডাক্তার দেখাব?ওজন বৃদ্ধি বা কমে যাওয়া, ঘাড় ফুলে যাওয়া, অস্থিরতা, অতিরিক্ত ক্লান্তি, চুল পড়া বা মাসিক অনিয়ম থাকলে থাইরয়েড পরীক্ষা ও পরামর্শের জন্য ডাক্তারকে দেখান।৪. বাতের ব্যথা কখন বিশেষজ্ঞকে দেখাব?জোড়ায় জোড়ায় ব্যথা, সকালে শরীর শক্ত লাগা, গেঁটে বাতের তীব্র ব্যথা বা শরীর ম্যাজম্যাজ লাগা দীর্ঘদিন থাকলে মেডিসিন ও বাত ব্যথা বিশেষজ্ঞকে দেখান।৫. রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া কী এবং কীভাবে বোঝা যায়?রক্তে হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়াকে রক্তশূন্যতা বলে। এতে দুর্বলতা, ক্লান্তি, মাথা ঘোরা, মুখ ফ্যাকাশে হওয়া বা শ্বাসকষ্ট হতে পারে। সিবিসি পরীক্ষা করে সঠিক কারণ নির্ণয় করা জরুরি।৬. হাঁপানি বা অ্যাজমা কি সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আসে?হ্যাঁ, সঠিক ওষুধ, ট্রিগার এড়ানো এবং নিয়মিত ফলোআপে অনেক রোগীর হাঁপানি নিয়ন্ত্রণে আসে। তবে ওষুধ হঠাৎ বন্ধ করা যাবে না।৭. ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ একসঙ্গে থাকলে কী করব?ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ একসঙ্গে থাকলে হার্ট, কিডনি ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই নিয়মিত পরীক্ষা, ওষুধ ব্যবহার, খাবার নিয়ন্ত্রণ এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন জরুরি।৮. ডাঃ মাহবুবুর রহমানের চেম্বার কোথায়?তাঁর চেম্বার পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিঃ, ভবন-২, রুম ১০২ (নিচতলা), লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী।৯. চেম্বারে দেখার সময় কী?তিনি বিকাল ৩টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত রোগী দেখেন (শুক্রবার বন্ধ)।আপনি যদি রাজশাহীতে অভিজ্ঞ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ রাজশাহী ও ইন্টারনাল মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহী খুঁজছেন তাহলে ডাঃ এস এম মাহবুবুর রহমান (লেমন) একজন নির্ভরযোগ্য পছন্দ হতে পারেন। তাঁর প্রায় ১৭ বছরের অভিজ্ঞতা, উচ্চতর যোগ্যতা এবং ইন্টারনাল মেডিসিনে বিশেষজ্ঞতা রোগীদের জন্য আশ্বস্ত ও পরিকল্পিত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করে।রাজশাহীতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন Doctor Service BD এর মাধ্যমে।হটলাইন নম্বরঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪

blog-image

ডাঃ মুহাঃ আলমগীর রেজা | চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ রাজশাহী

রাজশাহীর অভিজ্ঞ চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ মুহাঃ আলমগীর রেজা। একজিমা, সোরিয়াসিস, অ্যালার্জি, দাদ, চুল পড়া, সিফিলিস ও যৌনবাহিত রোগের চিকিৎসার জন্য পরামর্শ নিন।ডাঃ মুহাঃ আলমগীর রেজাএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য),ডিডিভি (চর্ম ও যৌন রোগ),এমএসিপি (আমেরিকা)ফেলো ইন ডার্মাটো সার্জারীএ্যাডভান্স ট্রেনিং ইন সেক্সুয়াল মেডিসিন (SAASM)মেম্বার সোরিয়াসিস এওয়ারনেস ক্লাবসহকারী অধ্যাপক, চর্ম ও যৌন বিভাগরাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালডাঃ মুহাঃ আলমগীর রেজা — চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ রাজশাহীত্বকে দীর্ঘদিনের চুলকানি, ব্রণ, দাগ, দাদ, অ্যালার্জি বা অতিরিক্ত চুল পড়ায় ভুগছেন? অথবা যৌনাঙ্গে ঘা, র‍্যাশ, চুলকানি বা অস্বাভাবিক স্রাবের সমস্যা হচ্ছে? এ ধরনের সমস্যায় লজ্জা বা দেরি না করে একজন অভিজ্ঞ চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ রাজশাহী-র কাছে পরামর্শ নেওয়া জরুরি।ডাঃ মুহাঃ আলমগীর রেজা রাজশাহীর একজন সুনামধন্য, অভিজ্ঞ ও বিশ্বস্ত চর্ম রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহী। তিনি চর্মরোগ, অ্যালার্জি, যৌনরোগ এবং ডার্মাটো সার্জারিতে উচ্চতর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এবং রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চর্ম ও যৌন বিভাগে সহকারী অধ্যাপক।ডাঃ মুহাঃ আলমগীর রেজার পরিচিতি ও যোগ্যতাডাঃ মুহাঃ আলমগীর রেজা চর্মরোগ, অ্যালার্জি ও যৌনরোগের চিকিৎসায় অভিজ্ঞ একজন বিশেষজ্ঞ। তিনি চর্ম ও যৌন রোগে ডিডিভি ডিগ্রিধারী, ডার্মাটো সার্জারিতে ফেলো এবং সেক্সুয়াল মেডিসিনে অ্যাডভান্স ট্রেনিংপ্রাপ্ত। তিনি সোরিয়াসিস অ্যাওয়ারনেস ক্লাবের সদস্যও।তাঁর শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ্যতা:এমবিবিএস (MBBS)বিসিএস (স্বাস্থ্য)ডিডিভি (চর্ম ও যৌন রোগ)এমএসিপি (আমেরিকা)ফেলো ইন ডার্মাটো সার্জারিঅ্যাডভান্স ট্রেনিং ইন সেক্সুয়াল মেডিসিন (SAASM)মেম্বার, সোরিয়াসিস অ্যাওয়ারনেস ক্লাবসহকারী অধ্যাপক, চর্ম ও যৌন বিভাগ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসরকারি হাসপাতালে চর্ম ও যৌন বিভাগে কর্মরত থাকা, ডার্মাটো সার্জারিতে দক্ষতা এবং যৌন স্বাস্থ্যে বিশেষ প্রশিক্ষণ তাঁকে রাজশাহীতে একজন নির্ভরযোগ্য যৌনরোগ ডাক্তার রাজশাহী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।ডাঃ মুহাঃ আলমগীর রেজা কোন রোগের চিকিৎসা দেন?ডাঃ মুহাঃ আলমগীর রেজা চর্ম, অ্যালার্জি ও যৌনরোগ বিষয়ে বিস্তৃত চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকেন। তাঁর চিকিৎসার প্রধান ক্ষেত্রগুলো হলো:একজিমা বা একজিমাটাস ডার্মাটাইটিস: ত্বক শুকিয়ে যাওয়া, লাল হওয়া, চুলকানি ও র‍্যাশ; অ্যালার্জি বা ত্বকের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সমস্যায় হতে পারে।সোরিয়াসিস: ত্বকে শক্ত, লালচে ও সাদা আঁশযুক্ত দাগ হওয়া; এটি একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহজনিত ত্বকের রোগ।অ্যালার্জি ও চুলকানি: ধুলা, খাবার, ওষুধ, পোকা বা অন্য কোনো অ্যালার্জেনের কারণে ত্বকে র‍্যাশ, চুলকানি বা ফোলা।ফাঙ্গাল ইনফেকশন: দাদ, ছুলি বা নখের ফাঙ্গাস; এতে ত্বক লাল হয়, চুলকানি হয় এবং নখ ভাঙতে বা মোটা হতে পারে।স্ক্যাবিস বা খোসপাঁচড়া: মাইট সংক্রমণের কারণে তীব্র চুলকানি, বিশেষ করে রাতে বেশি হয় এবং পরিবারের সদস্যদের মধ্যে ছড়াতে পারে।ভাইরাসজনিত ত্বকের রোগ: ওয়ার্ট, হারপিস বা অন্যান্য ভাইরাসজনিত সংক্রমণ; এতে ত্বকে ছোট উঁচু দানা, ঘা বা পানি ভরা র‍্যাশ হতে পারে।অ্যালোপেসিয়া বা চুল পড়া: বিভিন্ন কারণে মাথার চুল বা শরীরের চুল পড়ে যাওয়া; হরমোন, অ্যালার্জি, পুষ্টি ঘাটতি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সমস্যায় হতে পারে।অতিরিক্ত চুল পড়া: মানসিক চাপ, পুষ্টি ঘাটতি, থাইরয়েড, হরমোনজনিত সমস্যা বা অন্য কারণে চুল পড়া।সিফিলিস: যৌনবাহিত একটি ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ; প্রাথমিক পর্যায়ে যৌনাঙ্গে ব্যথাহীন ঘা হতে পারে এবং চিকিৎসা না করলে শরীরের অন্যান্য অঙ্গে জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।গনোরিয়া: যৌনবাহিত ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণ; প্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, স্রাব বা যৌনাঙ্গে প্রদাহ হতে পারে।যৌনবাহিত অন্যান্য সংক্রমণ (STIs/STDs): ক্ল্যামাইডিয়া, হারপিস, ওয়ার্ট, ট্রাইকোমোনিয়াসিস বা অন্যান্য যৌনবাহিত সংক্রমণের নির্ণয় ও চিকিৎসা।মেছতা ও ত্বকের কালো দাগ: সূর্যের আলো, হরমোনজনিত পরিবর্তন, ব্রণ বা প্রদাহের কারণে ত্বকে কালচে দাগ বা অসমান রঙ হওয়া।কখন চর্ম ও যৌন বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হবেন?সাময়িক ব্রণ বা সামান্য চুলকানি সাধারণ কারণে হতে পারে। তবে নিচের সমস্যাগুলো থাকলে দেরি না করে একজন চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ রাজশাহী-র কাছে যাওয়া উচিত:৭ দিনের বেশি চুলকানি, র‍্যাশ বা ত্বকের সমস্যা থাকাব্রণ বা ত্বকের দাগ বারবার হওয়াত্বকে লালচে দাগ, আঁশ, ফোসকা বা ক্ষত সৃষ্টি হওয়াদাদ, ছুলি বা নখের ফাঙ্গাস বারবার হওয়াঅতিরিক্ত চুল পড়া বা মাথায় টুপির মতো ফাঁকা জায়গা তৈরি হওয়ামেছতা বা ত্বকের কালো দাগ বেড়ে যাওয়াযৌনাঙ্গে ঘা, চুলকানি, র‍্যাশ, ফোসকা বা অস্বাভাবিক স্রাব হওয়াপ্রস্রাবে জ্বালাপোড়া, যৌনাঙ্গে ব্যথা বা প্রদাহযৌনবাহিত রোগের সন্দেহ হওয়া বা ঝুঁকিপূর্ণ যৌন সংস্পর্শের পরপারিবারিক ইতিহাসে সোরিয়াসিস, একজিমা বা অন্য ত্বকের রোগ থাকাত্বকের কোনো ক্ষত বা দাগ দীর্ঘদিন না শুকানো বা বাড়তে থাকাজরুরি অবস্থায়—যেমন মুখ বা গলা ফুলে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট, তীব্র অ্যালার্জি বা দ্রুত ছড়িয়ে পড়া ক্ষত—দ্রুত হাসপাতালের ইমার্জেন্সি সেবা নিন।কেন ডাঃ মুহাঃ আলমগীর রেজা-কে দেখাবেন?রাজশাহীতে চর্ম ও যৌনরোগের চিকিৎসার জন্য ডাঃ মুহাঃ আলমগীর রেজা-কে বেছে নেওয়ার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে:উচ্চতর শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ: তিনি ডিডিভি (চর্ম ও যৌন রোগ), এমএসিপি (আমেরিকা) এবং ডার্মাটো সার্জারিতে ফেলোশিপ সম্পন্ন করেছেন।যৌন স্বাস্থ্যে বিশেষ প্রশিক্ষণ: তিনি সেক্সুয়াল মেডিসিনে অ্যাডভান্স ট্রেনিংপ্রাপ্ত, যা যৌনরোগ ও যৌন স্বাস্থ্য সংক্রান্ত সমস্যায় বিশেষ সুবিধা দেয়।সরকারি হাসপাতালের অভিজ্ঞতা: তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের চর্ম ও যৌন বিভাগে সহকারী অধ্যাপক।চর্মরোগ ও অ্যালার্জির সমন্বিত চিকিৎসা: একজিমা, সোরিয়াসিস, অ্যালার্জি, ফাঙ্গাল ইনফেকশন ও চুল পড়ার চিকিৎসায় অভিজ্ঞ।যৌনরোগে গোপনীয় ও সংবেদনশীল পরামর্শ: রোগীর গোপনীয়তা রক্ষা করে সঠিক পরীক্ষা ও চিকিৎসা পরামর্শ দেন।রোগীবান্ধব পরামর্শ: রোগের কারণ, পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা, ওষুধ ব্যবহার এবং ত্বকের যত্ন সহজভাবে বোঝান।রাজশাহীতে সহজলভ্য চেম্বার: রাজশাহী জেনারেল হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়মিত রোগী দেখেন।চেম্বারের তথ্যচেম্বার: রাজশাহী জেনারেল হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারঠিকানা: শেরশাহ রোড, লক্ষ্মীপুর, রাজপাড়া, রাজশাহী।দেখার সময়: প্রতিদিন বিকাল ৩:৩০টা থেকে রাত ৯টাচেম্বারে যাওয়ার আগে সিরিয়াল বা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিশ্চিত করে নেওয়া ভালো, কারণ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের চেম্বারে রোগীর সংখ্যা বেশি হতে পারে।চেম্বারে যাওয়ার আগে প্রস্তুতিভালো পরামর্শ পেতে চেম্বারে যাওয়ার আগে নিচের বিষয়গুলো প্রস্তুত রাখুন:পূর্বের প্রেসক্রিপশন ও সব মেডিকেল রিপোর্টত্বকের সমস্যার ছবি বা পূর্বের পরীক্ষার রিপোর্টবর্তমানে খাচ্ছেন এমন সব ওষুধ বা ক্রিমের তালিকাঅ্যালার্জি, খাবার, ওষুধ বা পরিবেশগত কারণের তথ্যযৌনাঙ্গের সমস্যা হলে কখন শুরু, কোন উপসর্গ এবং যৌন সংস্পর্শের ইতিহাসচুল পড়া বা ত্বকের দাগের ক্ষেত্রে কতদিন ধরে সমস্যা এবং পূর্বের চিকিৎসার তথ্যসঠিক তথ্য ও প্রয়োজনীয় রিপোর্ট সঙ্গে নিয়ে গেলে ডাক্তার দ্রুত ও নির্ভুলভাবে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা পরিকল্পনা করতে পারেন।সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্নঃ ১. ডাঃ মুহাঃ আলমগীর রেজা কোন বিষয়ের বিশেষজ্ঞ?তিনি চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ। তিনি একজিমা, সোরিয়াসিস, অ্যালার্জি, ফাঙ্গাল ইনফেকশন, চুল পড়া, সিফিলিস, গনোরিয়া ও অন্যান্য যৌনবাহিত রোগের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।২. ব্রণ বা ত্বকের দাগ বারবার হলে কী করব?ব্রণ বা দাগ বারবার হলে নিজে থেকে ক্রিম বা ওষুধ ব্যবহার না করে চর্ম বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন। সঠিক কারণ নির্ণয় করে ওষুধ, ত্বকের যত্ন ও প্রয়োজনে ডার্মাটো সার্জারির পরামর্শ দেওয়া হয়।৩. একজিমা ও সোরিয়াসিস কি একই রোগ?না। একজিমা সাধারণত অ্যালার্জি বা ত্বকের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার সমস্যায় হয় এবং ত্বক শুকিয়ে চুলকানি করে। সোরিয়াসিস একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহজনিত রোগ, যাতে ত্বকে শক্ত, লালচে ও সাদা আঁশযুক্ত দাগ হয়।৪. দাদ বা ফাঙ্গাল ইনফেকশন কি ছড়ায়?হ্যাঁ, দাদ বা ফাঙ্গাল ইনফেকশন স্পর্শ, পোশাক, তোয়ালে বা ব্যক্তিগত জিনিস ব্যবহারের মাধ্যমে ছড়াতে পারে। তাই ব্যক্তিগত জিনিস আলাদা রাখা এবং সঠিক চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।৫. যৌনাঙ্গে ঘা বা র‍্যাশ হলে কী করব?যৌনাঙ্গে ঘা, চুলকানি, র‍্যাশ বা অস্বাভাবিক স্রাব হলে লজ্জা বা দেরি না করে একজন যৌনরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে যান। সঠিক পরীক্ষা ছাড়া নিজে থেকে ওষুধ ব্যবহার করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।৬. যৌনবাহিত রোগ কি সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য?অনেক যৌনবাহিত রোগ, যেমন সিফিলিস বা গনোরিয়া, সঠিক ও সময়মতো চিকিৎসায় নিরাময়যোগ্য। তবে কিছু ভাইরাসজনিত সংক্রমণ দীর্ঘমেয়াদি নিয়ন্ত্রণের প্রয়োজন হতে পারে। তাই সঠিক নির্ণয় ও চিকিৎসা জরুরি।৭. চুল পড়ার কারণ কী এবং কখন ডাক্তার দেখাব?চাপ, পুষ্টি ঘাটতি, হরমোনের সমস্যা, থাইরয়েড, অ্যালার্জি বা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সমস্যায় চুল পড়তে পারে। ৩ মাসের বেশি চুল পড়া বা মাথায় ফাঁকা জায়গা তৈরি হলে চর্ম বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিন।৮. মেছতা বা ত্বকের কালো দাগ কি চিকিৎসায় কমানো যায়?হ্যাঁ, সূর্যের আলো থেকে সুরক্ষা, সঠিক স্কিন কেয়ার এবং চর্ম বিশেষজ্ঞের পরামর্শে ওষুধ বা প্রসাধনী চিকিৎসায় মেছতা ও কালো দাগ কমানো সম্ভব। তবে সঠিক কারণ নির্ণয় করা জরুরি।৯. ডাঃ মুহাঃ আলমগীর রেজার চেম্বার কোথায়?তাঁর চেম্বার রাজশাহী জেনারেল হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শেরশাহ রোড, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী।১০. চেম্বারে দেখার সময় কী?তিনি প্রতিদিন বিকাল ৩:৩০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত রোগী দেখেন।রাজশাহীতে অভিজ্ঞ চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ রাজশাহী খুঁজছেন হলে ডাঃ মুহাঃ আলমগীর রেজা একজন নির্ভরযোগ্য পছন্দ হতে পারেন। তাঁর উচ্চতর যোগ্যতা, ডার্মাটো সার্জারিতে দক্ষতা এবং যৌন স্বাস্থ্যে বিশেষ প্রশিক্ষণ রোগীদের জন্য আশ্বস্ত ও পরিকল্পিত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করে।রাজশাহীতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন Doctor Service BD এর মাধ্যমে।হটলাইন নম্বরঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪

blog-image

ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম | সার্জারি বিশেষজ্ঞ রাজশাহী

রাজশাহীতে জেনারেল সার্জারি, হার্নিয়া ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলামের যোগ্যতা, চিকিৎসাসেবা, অভিজ্ঞতা ও চেম্বারের ঠিকানা জানুন।ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলামএমবিবিএস (আরএমসিএইচ), বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (সার্জারি)জেনারেল, হার্নিয়া ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি বিশেষজ্ঞজেনারেল সার্জারি বিশেষজ্ঞসহকারী অধ্যাপক, সার্জারিরাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন নম্বর : এ-৪২০০৯ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম - জেনারেল, হার্নিয়া ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহীশরীরের বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে এমন কিছু রোগ রয়েছে, যেগুলোর চিকিৎসায় ওষুধের পাশাপাশি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে। হার্নিয়া, পিত্তথলির পাথর, অ্যাপেন্ডিসাইটিস, পেটের বিভিন্ন জটিলতা এবং শরীরের কিছু অংশে অস্বাভাবিক গাঁট বা পিণ্ডের মতো সমস্যায় কখনো সার্জনের পরামর্শ নিতে হয়। এসব ক্ষেত্রে সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা শুরু করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।রাজশাহীতে জেনারেল সার্জারি, হার্নিয়া ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি বিষয়ে পরামর্শ নেওয়ার জন্য যেসব চিকিৎসকের তথ্য রোগীদের কাছে আসে, তাঁদের মধ্যে ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম অভিজ্ঞ ও দক্ষ একজন। তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।এই ব্লগে ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলামের শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশাগত পরিচয়, জেনারেল সার্জারি ও হার্নিয়া সংক্রান্ত চিকিৎসাসেবা এবং রাজশাহীতে তাঁর চেম্বারের তথ্য তুলে ধরা হলো।ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলামের পরিচিতি ও শিক্ষাগত যোগ্যতাডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম জেনারেল সার্জারি, হার্নিয়া এবং ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারিতে অভিজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞ। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতার মধ্যে রয়েছে এমবিবিএস (রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল), বিসিএস (স্বাস্থ্য) এবং এফসিপিএস (সার্জারি)।তিনি ২০২০ সালে এফসিপিএস (সার্জারি) ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন । তাঁর পেশাগত জীবনে ২০০৬ সাল থেকে সার্জারি বিষয়ে চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। তিনি প্রায় ২০ বছর ধরে সার্জারি পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন।বর্তমানে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একাডেমিক দায়িত্বের পাশাপাশি রোগীদের সার্জারিসংক্রান্ত সমস্যা মূল্যায়ন, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরামর্শ এবং চিকিৎসার উপযুক্ত পদ্ধতি নির্ধারণে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলামের বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন নম্বর এ-৪২০০৯।ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম কোন কোন রোগের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন?ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম নিচে বর্নিত রোগের সু-চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।১. হার্নিয়া বা অঙ্গের অংশবিশেষ বাইরে বেরিয়ে আসাহার্নিয়া এমন একটি সমস্যা, যেখানে পেটের দেয়ালের দুর্বল অংশ দিয়ে ভেতরের চর্বি বা অন্ত্রের কোনো অংশ বাইরে দিকে বেরিয়ে আসতে পারে। সাধারণত পেট, কুঁচকি বা নাভির আশপাশে ফোলা দেখা যায়। দাঁড়ালে, কাশলে বা ভারী কিছু তুললে ফোলাটি বেশি স্পষ্ট হতে পারে।অনেক রোগীর ক্ষেত্রে প্রথম দিকে ব্যথা কম থাকে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে ফোলা বাড়তে পারে অথবা অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। কিছু হার্নিয়ার ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়।বিশেষ করে ফোলা অংশ হঠাৎ তীব্র ব্যথাযুক্ত হয়ে গেলে, শক্ত হয়ে গেলে, ভেতরে প্রবেশ না করলে, সঙ্গে বমি বা পেট ফাঁপার সমস্যা দেখা দিলে জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন। এগুলো অন্ত্র আটকে যাওয়া বা রক্ত সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার লক্ষণ হতে পারে।২. ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারিল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি হলো আধুনিক অস্ত্রোপচার পদ্ধতির একটি ধরন। এতে সাধারণত পেটে কয়েকটি ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে ক্যামেরা ও বিশেষ যন্ত্র প্রবেশ করিয়ে অপারেশন করা হয়।রোগ ও অস্ত্রোপচারের ধরন অনুযায়ী এই পদ্ধতিতে বড় কাটার প্রয়োজন কম হতে পারে। ফলে অনেক ক্ষেত্রে অপারেশনের পর ব্যথা তুলনামূলক কম হয়, ক্ষত ছোট থাকে এবং স্বাভাবিক কাজে ফিরতে কম সময় লাগতে পারে। তবে সব রোগীর ক্ষেত্রে ল্যাপারোস্কোপিক পদ্ধতি উপযুক্ত নয়।কোন পদ্ধতিতে অপারেশন করা হবে, তা নির্ভর করে রোগের জটিলতা, পূর্ববর্তী অস্ত্রোপচারের ইতিহাস, রোগীর সামগ্রিক স্বাস্থ্য এবং সার্জনের মূল্যায়নের ওপর।৩. পিত্তথলির পাথরপিত্তথলিতে পাথর হলে অনেকের কোনো উপসর্গ নাও থাকতে পারে। আবার কারও ডান দিকের ওপরের পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব কিংবা খাবার খাওয়ার পর অস্বস্তি হতে পারে।পাথর পিত্তনালিতে বাধা সৃষ্টি করলে জন্ডিস, জ্বর বা তীব্র ব্যথার মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে। উপসর্গযুক্ত পিত্তথলির পাথরের ক্ষেত্রে অনেক সময় অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়। রোগীর অবস্থা অনুযায়ী ল্যাপারোস্কোপিক পদ্ধতিতে পিত্তথলি অপসারণের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।তবে পেটব্যথা হলেই যে পিত্তথলিতে পাথর রয়েছে, তা নয়। সঠিক কারণ জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা জরুরি।৪. অ্যাপেন্ডিসাইটিসঅ্যাপেন্ডিক্সে প্রদাহ হলে তাকে অ্যাপেন্ডিসাইটিস বলা হয়। সাধারণত নাভির আশপাশে ব্যথা শুরু হয়ে পরে পেটের ডানদিকের নিচের অংশে অনুভূত হতে পারে। এর সঙ্গে বমি বমি ভাব, ক্ষুধামন্দা বা জ্বর থাকতে পারে।অ্যাপেন্ডিসাইটিস সন্দেহ হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কারণ চিকিৎসায় দেরি হলে অ্যাপেন্ডিক্স ফেটে গিয়ে পেটের ভেতরে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে।রোগীর শারীরিক পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষার ভিত্তিতে চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেন অস্ত্রোপচার প্রয়োজন কি না এবং কোন পদ্ধতিতে তা করা হবে।৫. পেটের বিভিন্ন সার্জারিসংক্রান্ত সমস্যাপেটের বিভিন্ন অংশে ব্যথা, ফোলা, অস্বাভাবিক গাঁট বা অন্য কোনো সমস্যা দেখা দিলে তার কারণ নির্ণয় করা জরুরি। এসব সমস্যার পেছনে সাধারণ হজমজনিত অসুবিধা থেকে শুরু করে সার্জারিসংক্রান্ত রোগও থাকতে পারে।চিকিৎসক রোগীর উপসর্গ, শারীরিক পরীক্ষা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আল্ট্রাসনোগ্রাম, রক্ত পরীক্ষা বা অন্যান্য পরীক্ষা বিবেচনা করতে পারেন। রোগ শনাক্ত হওয়ার পরই উপযুক্ত চিকিৎসাপদ্ধতি নির্বাচন করা সম্ভব।৬. শরীরের অস্বাভাবিক গাঁট বা পিণ্ডশরীরের বিভিন্ন স্থানে গাঁট বা পিণ্ড তৈরি হলে অনেকেই দুশ্চিন্তায় পড়েন। এগুলোর কিছু নিরীহ হতে পারে, আবার কিছু ক্ষেত্রে বিস্তারিত পরীক্ষা প্রয়োজন হয়।গাঁট দ্রুত বড় হলে, ব্যথা হলে, শক্ত হয়ে গেলে বা দীর্ঘদিন ধরে থেকে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রয়োজন অনুযায়ী সার্জন পরীক্ষা করে পর্যবেক্ষণ, ওষুধ, বায়োপসি বা অস্ত্রোপচারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।কখন জেনারেল সার্জারি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেবেন?শরীরে এমন কোনো সমস্যা দেখা দিলে, যার জন্য অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে বলে সন্দেহ হয়, তখন জেনারেল সার্জনের পরামর্শ নেওয়া যুক্তিযুক্ত। তবে সব ক্ষেত্রে অপারেশন করাতে হবে—এমন ধারণা ঠিক নয়। অনেক সময় পর্যবেক্ষণ, ওষুধ বা অন্য চিকিৎসার মাধ্যমেও সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।নিচের পরিস্থিতিগুলোতে সার্জনের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে:পেট, নাভি বা কুঁচকিতে ফোলা দেখা দিলেহার্নিয়ার মতো ফোলা বা ভারী অনুভূতি হলেপেটের কোনো অংশে বারবার ব্যথা হলেপিত্তথলির পাথর শনাক্ত হলেঅ্যাপেন্ডিসাইটিসের সন্দেহ হলেশরীরে অস্বাভাবিক গাঁট বা পিণ্ড তৈরি হলেচিকিৎসক অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দিলেআগের অপারেশনের ক্ষত বা সংশ্লিষ্ট স্থানে সমস্যা দেখা দিলেজরুরি সতর্কতা: হঠাৎ তীব্র পেটব্যথা, পেট শক্ত হয়ে যাওয়া, বারবার বমি, মল বা গ্যাস বন্ধ হয়ে যাওয়া, অথবা হার্নিয়ার ফোলা অংশে তীব্র ব্যথা ও রং পরিবর্তন হলে দ্রুত জরুরি বিভাগে যেতে হবে। নিয়মিত চেম্বারের সময়ের জন্য অপেক্ষা করা উচিত নয়।ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলামের চেম্বার ও রোগী দেখার সময়রাজশাহীতে ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলামের পরামর্শ নিতে চাইলে নিচের চেম্বারের তথ্য অনুসরণ করতে পারেন।চেম্বারঃ-১দী অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার, রাজশাহীরোগী দেখার সময়: দুপুর ২টা–৩টাকক্ষ নম্বর ২০২চেম্বারঃ-২রাজশাহী রয়্যাল হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারলক্ষ্মীপুর মোড়, রাজশাহীরোগী দেখার সময়: বিকেল ৩টা–রাত ৮টাকক্ষ নম্বর ১০৩ডাক্তারের ডিগ্রি: এমবিবিএস (আরএমসিএইচ), বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (সার্জারি)বিশেষজ্ঞতা: জেনারেল, হার্নিয়া ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারিপদবি: সহকারী অধ্যাপক, সার্জারিপ্রতিষ্ঠান: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালবিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন: এ-৪২০০৯ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম সম্পর্কে সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ১. ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম কোন রোগের বিশেষজ্ঞ?তিনি জেনারেল সার্জারি, হার্নিয়া ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ। তাঁর কাছে সার্জারিসংক্রান্ত সমস্যার মূল্যায়ন ও পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।২. ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম কোথায় কর্মরত?তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।৩. ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলামের শিক্ষাগত যোগ্যতা কী?তাঁর যোগ্যতা হলো এমবিবিএস (আরএমসিএইচ), বিসিএস (স্বাস্থ্য) এবং এফসিপিএস (সার্জারি)।৪. রাজশাহীতে হার্নিয়ার চিকিৎসার জন্য তাঁর পরামর্শ নেওয়া যাবে কি?তিনি হার্নিয়া সার্জারি বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত। হার্নিয়ার ধরন ও অবস্থা মূল্যায়নের জন্য তাঁর পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।৫. ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি কী?এটি ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে ক্যামেরা ও বিশেষ যন্ত্র ব্যবহার করে অস্ত্রোপচারের একটি পদ্ধতি। সব রোগীর জন্য এটি উপযুক্ত নয়; সার্জন রোগীর অবস্থা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেন।৬. ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম কোথায় রোগী দেখেন?প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, তিনি দ্য অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার এবং রাজশাহী রয়্যাল হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখেন।৭. রাজশাহী রয়্যাল হাসপাতালে তাঁর চেম্বারের সময় কখন?প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। তবে যাওয়ার আগে সময়সূচি নিশ্চিত করা উচিত।৮. ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলামের বিএমডিসি নম্বর কত?প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, তাঁর বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন নম্বর এ-৪২০০৯।৯. হার্নিয়া হলে কি সবসময় অপারেশন করতে হয়?না। হার্নিয়ার ধরন, উপসর্গ এবং জটিলতার ঝুঁকির ওপর চিকিৎসা নির্ভর করে। তবে অনেক ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হতে পারে।১০. পেটব্যথা হলেই কি সার্জন দেখাতে হবে?সব পেটব্যথার কারণ সার্জারিসংক্রান্ত নয়। তবে ব্যথা তীব্র হলে, বারবার হলে বা সঙ্গে জ্বর, বমি, পেট ফুলে যাওয়া কিংবা মল-গ্যাস বন্ধ হওয়ার মতো লক্ষণ থাকলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।রাজশাহীতে জেনারেল সার্জারি বিশেষজ্ঞ খুঁজছেন? ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম হতে পরে আপনার জন্য সঠিক ডাক্তার নির্বাচনরাজশাহীতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন Doctor Service BD এর মাধ্যমে।হটলাইন নম্বরঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪

blog-image

সাদা স্রাবের সাথে হালকা রক্ত যায় কেন

 সাদা স্রাবের সাথে হালকা রক্ত যায় কেন? মাসিকের পরিবর্তন, ডিম্বস্ফোটন, সংক্রমণ, জরায়ুমুখের সমস্যা ও গর্ভাবস্থাসহ সম্ভাব্য কারণগুলো এবং কখন গাইনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিতে হবে তা বিস্তারিত জানুন।সাদা স্রাবের সাথে হালকা রক্ত যায় কেননারীদের অনেকেরই কোনো কোনো সময় সাদা স্রাবের সঙ্গে সামান্য রক্ত বা রক্তের দাগ দেখা যায়। বিষয়টি প্রথমবার হলে স্বাভাবিকভাবেই দুশ্চিন্তা হতে পারে। বিশেষ করে মাসিকের সময় না থাকা অবস্থায় সাদা স্রাবের সঙ্গে গোলাপি, লালচে বা বাদামি রঙের কিছু দেখা গেলে অনেকেই বুঝতে পারেন না এর কারণ কী।আসলে সাদা স্রাবের সাথে হালকা রক্ত যাওয়ার একাধিক কারণ থাকতে পারে। কখনো এটি মাসিকের আগে-পরে স্বাভাবিক হরমোন পরিবর্তনের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। আবার কখনো যোনিপথ বা জরায়ুমুখের সংক্রমণ, প্রদাহ, পলিপ, হরমোনের সমস্যা কিংবা গর্ভাবস্থার মতো বিষয়ও এর পেছনে থাকতে পারে।তাই শুধু স্রাবের সঙ্গে অল্প রক্ত দেখেই আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই। একই সঙ্গে বিষয়টিকে একেবারে উপেক্ষাও করা ঠিক নয়। রক্ত কখন যাচ্ছে, কতটা যাচ্ছে, স্রাবের ধরন কেমন এবং সঙ্গে অন্য কোনো উপসর্গ আছে কি না—এসব তথ্য কারণ বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ।স্বাভাবিক সাদা স্রাব কেমননারীদের যোনিপথ থেকে কিছু পরিমাণ সাদা বা স্বচ্ছ স্রাব বের হওয়া স্বাভাবিক। এটি যোনিপথকে আর্দ্র ও পরিষ্কার রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। মাসিক চক্রের বিভিন্ন সময়ে এই স্রাবের পরিমাণ, ঘনত্ব ও রং কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে।সাধারণত স্বাভাবিক স্রাব খুব বেশি দুর্গন্ধযুক্ত হয় না এবং এর সঙ্গে তীব্র চুলকানি, জ্বালাপোড়া বা ব্যথা থাকার কথা নয়।তবে স্রাবের সঙ্গে রক্ত মিশে গেলে বিষয়টি একটু ভিন্নভাবে দেখতে হয়। বিশেষ করে এটি যদি বারবার হয় বা মাসিকের সময়ের বাইরে ঘটে, তাহলে কারণটি খুঁজে দেখা প্রয়োজন।সাদা স্রাবের সাথে হালকা রক্ত যাওয়ার কারণ১. মাসিকের আগে বা পরে পুরোনো রক্ত বের হওয়াসাদা স্রাবের সঙ্গে হালকা রক্ত যাওয়ার একটি সাধারণ কারণ হলো মাসিকের সময়ের কাছাকাছি হওয়া। মাসিক শুরু হওয়ার আগে সামান্য রক্তপাত হতে পারে এবং সেই রক্ত সাদা স্রাবের সঙ্গে মিশে গোলাপি বা হালকা লালচে স্রাবের মতো দেখা যায়।আবার মাসিক শেষ হওয়ার পর জরায়ু থেকে অল্প পরিমাণ পুরোনো রক্ত বের হতে পারে। তখন সাদা স্রাবের সঙ্গে বাদামি বা লালচে দাগ দেখা যেতে পারে।এ ধরনের রক্তপাত সাধারণত অল্প পরিমাণে হয় এবং কয়েকদিনের মধ্যে বন্ধ হয়ে যায়।২. ডিম্বস্ফোটনের সময় হালকা রক্তপাতমাসিক চক্রের মাঝামাঝি সময়ে ডিম্বস্ফোটন বা ovulation হয়। এই সময় হরমোনের স্বাভাবিক পরিবর্তনের কারণে কিছু নারীর সামান্য spotting হতে পারে।তখন সাধারণত স্বচ্ছ বা সাদা স্রাবের পরিমাণও কিছুটা বাড়তে পারে। এর সঙ্গে সামান্য রক্ত মিশে গেলে স্রাব গোলাপি বা হালকা লালচে দেখাতে পারে।যদি এটি মাসিক চক্রের মাঝামাঝি সময়ে অল্প পরিমাণে হয় এবং অন্য কোনো সমস্যা না থাকে, তাহলে সবসময় গুরুতর রোগের কারণে এমন হচ্ছে—এমনটা ধরে নেওয়া ঠিক নয়।৩. যোনিপথে সংক্রমণসাদা স্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়ার আরেকটি কারণ হতে পারে যোনিপথের সংক্রমণ। বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণের কারণে যোনিপথের টিস্যুতে প্রদাহ বা জ্বালা তৈরি হতে পারে। এতে কখনো কখনো সামান্য রক্তপাত হতে পারে।সংক্রমণ থাকলে শুধু রক্ত নয়, আরও কিছু লক্ষণ দেখা দিতে পারে। যেমন—স্রাবের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়াদুর্গন্ধযুক্ত স্রাবস্রাবের রং হলুদ, সবুজ বা ধূসর হওয়াযোনিপথে চুলকানিজ্বালাপোড়াপ্রস্রাবের সময় জ্বালাতলপেটে অস্বস্তি বা ব্যথাএসব লক্ষণ থাকলে নিজে থেকে কোনো অ্যান্টিবায়োটিক বা অন্য ওষুধ শুরু না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।৪. জরায়ুমুখে প্রদাহ বা সংক্রমণজরায়ুর নিচের অংশকে জরায়ুমুখ বা cervix বলা হয়। সেখানে প্রদাহ বা সংক্রমণ হলে অস্বাভাবিক স্রাবের পাশাপাশি হালকা রক্তপাত হতে পারে।বিশেষ করে সহবাসের পর সাদা স্রাবের সঙ্গে রক্ত বা রক্তের দাগ দেখা গেলে জরায়ুমুখের সমস্যা আছে কি না তা পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে।এ ধরনের সমস্যার সঙ্গে তলপেটে ব্যথা, অস্বাভাবিক স্রাব বা সহবাসের সময় অস্বস্তিও থাকতে পারে।৫. সহবাসের পর সামান্য রক্তপাতসহবাসের পর সাদা স্রাবের সঙ্গে অল্প রক্ত দেখা গেলে এর পেছনে একাধিক কারণ থাকতে পারে। যোনিপথে শুষ্কতা বা ঘর্ষণের কারণে সামান্য ক্ষত তৈরি হলেও অল্প রক্তপাত হতে পারে।তবে এটি যদি বারবার ঘটে, তাহলে শুধু ঘর্ষণকে কারণ ধরে নেওয়া উচিত নয়। জরায়ুমুখের প্রদাহ, পলিপ বা অন্যান্য গাইনোকোলজিক্যাল কারণও থাকতে পারে।তাই বারবার সহবাসের পর রক্তপাত হলে একজন গাইনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।৬. হরমোনের ভারসাম্যহীনতানারীর মাসিক চক্র মূলত বিভিন্ন হরমোনের সূক্ষ্ম ভারসাম্যের ওপর নির্ভর করে। হরমোনের ওঠানামা হলে মাসিকের সময় পরিবর্তিত হতে পারে এবং মাঝখানে spotting বা অল্প রক্তপাত হতে পারে।যাদের মাসিক নিয়মিত নয়, দীর্ঘদিন ধরে অনিয়মিত মাসিক হচ্ছে বা হঠাৎ মাসিকের ধরনে পরিবর্তন এসেছে, তাদের ক্ষেত্রে হরমোনজনিত কারণও বিবেচনা করা হয়।PCOS, থাইরয়েডের কিছু সমস্যা, অতিরিক্ত মানসিক চাপ, ওজনের বড় পরিবর্তন কিংবা কিছু হরমোনাল ওষুধের কারণেও মাসিক চক্রে পরিবর্তন দেখা দিতে পারে।গর্ভাবস্থায় সাদা স্রাবের সাথে হালকা রক্ত গেলে কী করবেন?গর্ভাবস্থায় যেকোনো ধরনের রক্তপাতকে একটু বেশি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন। গর্ভাবস্থার শুরুতে অল্প spotting বিভিন্ন কারণে হতে পারে, কিন্তু শুধুমাত্র সাদা স্রাবের সঙ্গে রক্ত দেখা গেছে বলেই এর কারণ নিশ্চিতভাবে বলা যায় না।বিশেষ করে গর্ভাবস্থার সঙ্গে যদি—তলপেটে বা একপাশে ব্যথা,কোমরে ব্যথা,বেশি রক্তপাত,মাথা ঘোরা বা দুর্বল লাগা,কাঁধে ব্যথা,জ্বর,ইত্যাদি থাকে, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন।গর্ভবতী অবস্থায় রক্তপাত হলে নিজের মতো করে ওষুধ খাওয়া বা অপেক্ষা না করে চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করাই নিরাপদ।সাদা স্রাবের সাথে বাদামি রক্ত গেলে কী বোঝায়অনেক সময় সাদা স্রাবের সঙ্গে বাদামি বা কালচে রক্ত দেখা যায়। বাদামি রং সাধারণত পুরোনো রক্তের কারণে হতে পারে। জরায়ু থেকে রক্ত বের হতে কিছুটা সময় লাগলে রক্তের রং পরিবর্তিত হয়ে বাদামি দেখাতে পারে।মাসিকের আগে বা পরে এমনটা দেখা যেতে পারে। তবে যদি মাসিকের সময়ের বাইরে নিয়মিত বাদামি স্রাব হতে থাকে, তাহলে এর কারণ চিকিৎসকের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন।সাদা স্রাবের সাথে রক্ত এবং তলপেটে ব্যথা হলে কী করবেনসাদা স্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়ার পাশাপাশি তলপেটে ব্যথা থাকলে বিষয়টি অবহেলা করা উচিত নয়। সংক্রমণ, জরায়ুমুখের প্রদাহ, জরায়ু বা ডিম্বাশয়সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা কিংবা গর্ভাবস্থার কিছু জটিলতার সঙ্গে এ ধরনের লক্ষণ দেখা যেতে পারে।ব্যথা যদি তীব্র হয়, হঠাৎ শুরু হয়, একপাশে বেশি থাকে অথবা রক্তপাত বাড়তে থাকে, তাহলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।সাদা স্রাবের সাথে হালকা রক্ত গেলে কী কী পরীক্ষা করা হতে পারেপ্রতিটি রোগীর জন্য একই পরীক্ষা প্রয়োজন হয় না। চিকিৎসক প্রথমে মাসিকের ইতিহাস, রক্তপাত কখন হচ্ছে, স্রাবের ধরন, সহবাসের সঙ্গে সম্পর্ক আছে কি না এবং অন্যান্য উপসর্গ সম্পর্কে জানতে পারেন।প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু পরীক্ষা করা হতে পারে। যেমন—Pelvic examination: যোনিপথ ও জরায়ুমুখে কোনো প্রদাহ, ক্ষত বা অস্বাভাবিকতা আছে কি না দেখতে করা হতে পারে।Pregnancy test: গর্ভধারণের সম্ভাবনা থাকলে এটি গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।Vaginal/cervical swab: সংক্রমণের সন্দেহ থাকলে কারণ শনাক্ত করতে নমুনা পরীক্ষা করা হতে পারে।Ultrasonography: জরায়ু, ডিম্বাশয় বা পেলভিক অঞ্চলের কিছু সমস্যা দেখতে আল্ট্রাসনোগ্রাম প্রয়োজন হতে পারে।Pap test বা HPV-related evaluation: বয়স, পূর্ববর্তী স্ক্রিনিং এবং উপসর্গ অনুযায়ী জরায়ুমুখের অস্বাভাবিকতা মূল্যায়নের প্রয়োজন হতে পারে।কোন পরীক্ষা লাগবে তা রোগীর বয়স, উপসর্গ ও চিকিৎসকের পরীক্ষার ফলাফলের ওপর নির্ভর করে।কখন সাদা স্রাবের সাথে রক্ত যাওয়াকে গুরুত্ব দিবেনএকবার সামান্য রক্ত দেখা গেলেই যে গুরুতর সমস্যা হয়েছে, তা নয়। কিন্তু নিচের পরিস্থিতিগুলো থাকলে গাইনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত—বারবার রক্ত গেলেমাসিকের সময়ের বাইরে বারবার সাদা স্রাবের সঙ্গে রক্ত গেলে কারণটি পরীক্ষা করা দরকার।সহবাসের পর রক্ত গেলেপ্রতিবার বা বারবার সহবাসের পর রক্তপাত হলে জরায়ুমুখসহ অন্যান্য কারণ পরীক্ষা করা প্রয়োজন হতে পারে।দুর্গন্ধযুক্ত স্রাব হলেদুর্গন্ধ, চুলকানি, জ্বালাপোড়া ও রক্তপাত একসঙ্গে থাকলে সংক্রমণের সম্ভাবনা থাকতে পারে।তলপেটে ব্যথা থাকলেস্রাব ও রক্তপাতের সঙ্গে তলপেটে ব্যথা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।গর্ভাবস্থায় রক্ত গেলেগর্ভাবস্থায় রক্তপাত হলে কারণ জানার জন্য চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করা গুরুত্বপূর্ণ।মেনোপজের পর রক্ত গেলেমাসিক স্থায়ীভাবে বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর যেকোনো ধরনের যোনিপথের রক্তপাতকে চিকিৎসকের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা উচিত।সাদা স্রাবের সমস্যা হলে কোন ডাক্তার দেখাবেন?সাদা স্রাবের সঙ্গে বারবার রক্ত গেলে গাইনি ও প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ (Gynecologist/Obstetrician) দেখানো সবচেয়ে উপযুক্ত।চিকিৎসক আপনার মাসিকের ইতিহাস, স্রাবের ধরন, রক্তপাতের সময় ও অন্যান্য উপসর্গ মূল্যায়ন করে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা দিতে পারেন। কারণ অনুযায়ী সংক্রমণ, হরমোনজনিত সমস্যা, জরায়ুমুখের সমস্যা বা অন্য কোনো গাইনোকোলজিক্যাল সমস্যার চিকিৎসা করা হবে।বিশেষ করে গর্ভাবস্থা, তীব্র ব্যথা, বেশি রক্তপাত বা মেনোপজের পর রক্তপাত থাকলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।রাজশাহীতে গাইনি ও প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারডাঃ রাখি দেবীএমবিবিএস (ডিএমসি), এফসিপিএস (ওবজিওয়াইএন), বন্ধ্যাত্ব বিষয়ে প্রশিক্ষিতস্ত্রীরোগ, প্রসূতি, বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ এবং ল্যাপারোস্কোপিক সার্জনকনসালটেন্ট, স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যারাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালডাঃ নাহিদ সুলতানাএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ সার্জনসহকারী অধ্যাপক, স্ত্রীরোগ বিভাগরাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালডাঃ আরজুমান আরা (এলমিস)এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) এম এস ( অবস্ এন্ড গাইনী) বিএসএমএমইউজরায়ু ক্যান্সার স্তন রোগ ও বন্ধ্যাত্ব অভিজ্ঞ,ল্যাপোরোস্কপি এন্ড হিস্ট্রারোস্কপিক সার্জনপ্রসূতিবিদ্যা ও স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞসহকারী অধ্যাপকরাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালডাঃ খন্দকার সেহেলী নাসরিন লিনাএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য),এম এস(গাইনি এন্ড অবস)স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞসহযোগী অধ্যাপক (গাইনি এন্ড অবস বিভাগ)রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহীডাঃ মিসেস মোসফিকা কাউসারী লিসাএমবিবিএস, এফসিপিএস (ওবজিওয়াইএন)স্ত্রীরোগ, প্রসূতি, বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ এবং ল্যাপারোস্কোপিক সার্জনসহকারী অধ্যাপকরাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহীডাঃ মৌসুমী সরকারএমবিবিএস, এমএস (ওবজিওয়াইএন)স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞসহকারী অধ্যাপকরাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালডাঃ শারমিন সুলতানা সাথীএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)এমএস (গাইনী এন্ড অবস্), বিএমইউস্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞরাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালFrequently Asked Questions (FAQ)সাদা স্রাবের সাথে হালকা রক্ত যায় কেন?মাসিকের আগে-পরে হরমোনের পরিবর্তন, ডিম্বস্ফোটন, যোনিপথ বা জরায়ুমুখের সংক্রমণ, প্রদাহ, সহবাসের কারণে সামান্য আঘাত, হরমোনের সমস্যা বা গর্ভাবস্থাসহ বিভিন্ন কারণে এমন হতে পারে।সাদা স্রাবের সাথে একবার সামান্য রক্ত গেলে কি চিন্তার কারণ?একবার অল্প রক্ত যাওয়াই গুরুতর রোগের প্রমাণ নয়। মাসিকের আশেপাশে বা ডিম্বস্ফোটনের সময় এমন হতে পারে। তবে পুনরায় হলে বা অন্য উপসর্গ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।সাদা স্রাবের সাথে রক্ত ও দুর্গন্ধ থাকলে কী হতে পারে?দুর্গন্ধযুক্ত স্রাবের সঙ্গে রক্ত থাকলে যোনিপথ বা জরায়ুমুখের সংক্রমণসহ বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। সঠিক কারণ জানতে চিকিৎসকের পরীক্ষা প্রয়োজন হতে পারে।সহবাসের পর সাদা স্রাবের সঙ্গে রক্ত গেলে কী করা উচিত?একবার সামান্য রক্তপাত ঘর্ষণ বা শুষ্কতার কারণে হতে পারে। কিন্তু বারবার হলে জরায়ুমুখের প্রদাহ, পলিপ বা অন্যান্য কারণ পরীক্ষা করার জন্য গাইনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।গর্ভাবস্থায় সাদা স্রাবের সাথে রক্ত গেলে কী করবেন?গর্ভাবস্থায় যেকোনো রক্তপাত চিকিৎসককে জানানো উচিত। বিশেষ করে পেটব্যথা, বেশি রক্তপাত, মাথা ঘোরা বা দুর্বলতার মতো লক্ষণ থাকলে দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন।সাদা স্রাবের সাথে বাদামি রক্ত কেন যায়?বাদামি রক্ত অনেক সময় পুরোনো রক্তের কারণে হয়। মাসিকের আগে বা পরে এমন দেখা যেতে পারে। তবে নিয়মিত বা অস্বাভাবিক সময়ে হলে কারণটি পরীক্ষা করা দরকার।সাদা স্রাবের সঙ্গে রক্ত গেলে কি বন্ধ্যাত্ব হতে পারে?সাদা স্রাবের সঙ্গে রক্ত যাওয়া নিজে থেকে বন্ধ্যাত্বের প্রমাণ নয়। তবে এর পেছনে যদি কোনো সংক্রমণ বা প্রজনন অঙ্গের সমস্যা থাকে এবং তা চিকিৎসা না করা হয়, তাহলে কিছু ক্ষেত্রে প্রজননস্বাস্থ্যে প্রভাব পড়তে পারে।সাদা স্রাবের সঙ্গে রক্ত গেলে কি নিজে থেকে ওষুধ খাওয়া যাবে?না। কারণ একই উপসর্গের বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। কারণ না জেনে অ্যান্টিবায়োটিক বা অন্য ওষুধ খাওয়া উচিত নয়।

blog-image

ডাঃ মোঃ খালেকুজ্জামান সরকার (কাজল)

ডাঃ মোঃ খালেকুজ্জামান সরকার (কাজল) রাজশাহীর একজন পরিপাকতন্ত্র, লিভার, প্যানক্রিয়াস ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ এবং ইন্টারভেনশনাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ও হেপাটোলজিস্ট। তাঁর যোগ্যতা, চিকিৎসাসেবা, চেম্বার ও ভিজিট ফি সম্পর্কে জানুন।ডাঃ মোঃ খালেকুজ্জামান সরকার (কাজল)এমবিবিএস(ঢাকা মেডিকেল কলেজ), এমডি(গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজী),বিএসএমএমইউ(ঢাকা), এমএসিপি(আমেরিকা),এমএসিজি(আমেরিকা), পিএইচডি(ফেলো)পরিপাকতন্ত্র, লিভার, প্যানক্রিয়াস ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞইন্টারভেনশনাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিষ্ট এন্ড হেপাটোলজিষ্টসহযোগী অধ্যাপক (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজী বিভাগ)রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, রাজশাহীডাঃ মোঃ খালেকুজ্জামান সরকার (কাজল) — গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ও লিভার বিশেষজ্ঞ রাজশাহীপেটের সমস্যা, গ্যাস, অম্বল বা বদহজমকে অনেকেই খুব সাধারণ বিষয় মনে করে দীর্ঘদিন অবহেলা করেন। কিন্তু বারবার পেটব্যথা, দীর্ঘদিনের অম্বল, খাবার গিলতে সমস্যা, জন্ডিস, লিভারের সমস্যা, প্যানক্রিয়াসের রোগ, পেটে পানি জমা কিংবা মলত্যাগের পরিবর্তনের পেছনে কখনো কখনো এমন রোগ থাকতে পারে যার জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।ডাঃ মোঃ খালেকুজ্জামান সরকার (কাজল) একজন পরিপাকতন্ত্র, লিভার, প্যানক্রিয়াস ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। তিনি একই সঙ্গে ইন্টারভেনশনাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ও হেপাটোলজিস্ট হিসেবে চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকেন। বর্তমানে তিনি সহযোগী অধ্যাপক, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, রাজশাহী-এ কর্মরত। চিকিৎসা সেবায় তার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতার জন্য তিনি রাজশাহীতে সু-পরিচিত। ডাঃ মোঃ খালেকুজ্জামান সরকার (কাজল)-এর শিক্ষাগত যোগ্যতাডাঃ মোঃ খালেকুজ্জামান সরকার (কাজল)-এর শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ্যতার মধ্যে রয়েছে—এমবিবিএস — ঢাকা মেডিকেল কলেজএমডি (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজী) — বিএসএমএমইউ, ঢাকাএমএসিপি — আমেরিকাএমএসিজি — আমেরিকাপিএইচডি (ফেলো)তিনি বর্তমানে সহযোগী অধ্যাপক (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজী বিভাগ), রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, রাজশাহী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিষয়ে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণের পাশাপাশি ইন্টারভেনশনাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ও হেপাটোলজির সঙ্গে তাঁর পেশাগত সম্পৃক্ততা রয়েছে।ডাঃ মোঃ খালেকুজ্জামান সরকার (কাজল) কোন কোন রোগের চিকিৎসা করেন?একজন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিশেষজ্ঞের চিকিৎসার ক্ষেত্র বেশ বিস্তৃত। পরিপাকতন্ত্র, লিভার ও প্যানক্রিয়াসের বিভিন্ন সমস্যার পাশাপাশি কিছু মেডিসিন-সংক্রান্ত সমস্যার মূল্যায়ন ও চিকিৎসাও এই বিভাগের আওতায় পড়ে।১. গ্যাস্ট্রিক ও অম্বলখাবারের পর বুক জ্বালা, টক ঢেঁকুর, পেটে অস্বস্তি বা বারবার অম্বল হলে অনেকে নিজের মতো করে গ্যাস্ট্রিকের ওষুধ খেতে থাকেন। মাঝে মাঝে এমন সমস্যা হতে পারে, তবে দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকলে এর কারণ খুঁজে দেখা দরকার।গ্যাস্ট্রিক বা অম্বলের পেছনে Gastroesophageal Reflux Disease (GERD), গ্যাস্ট্রাইটিস, আলসারসহ বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে।২. পাকস্থলীর আলসারপাকস্থলী বা ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রথম অংশে আলসার হলে পেটে ব্যথা, জ্বালাপোড়া, বমি বমি ভাব বা খাবারের সঙ্গে ব্যথার সম্পর্ক দেখা দিতে পারে।কখনো আলসার থেকে রক্তপাতও হতে পারে। কালো পায়খানা বা রক্তবমির মতো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি।৩. লিভারের বিভিন্ন রোগলিভার শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। হেপাটাইটিস, ফ্যাটি লিভার, লিভার সিরোসিসসহ বিভিন্ন রোগ লিভারের কার্যক্ষমতাকে প্রভাবিত করতে পারে।চোখ ও শরীর হলুদ হওয়া, পেট ফুলে যাওয়া, দুর্বলতা, ক্ষুধামন্দা বা দীর্ঘদিনের লিভার পরীক্ষায় অস্বাভাবিকতা থাকলে বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে।৪. ফ্যাটি লিভারবর্তমানে অতিরিক্ত ওজন, ডায়াবেটিস, অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস ও শারীরিক নিষ্ক্রিয়তার সঙ্গে ফ্যাটি লিভারের সম্পর্ক দেখা যায়।ফ্যাটি লিভার ধরা পড়লেই সব রোগীর অবস্থা একই রকম নয়। কারও ক্ষেত্রে শুধু জীবনযাত্রার পরিবর্তন যথেষ্ট হতে পারে, আবার কারও ক্ষেত্রে লিভারে প্রদাহ বা ক্ষতির ঝুঁকি মূল্যায়ন প্রয়োজন হতে পারে।৫. হেপাটাইটিসভাইরাসজনিত হেপাটাইটিস লিভারের প্রদাহের একটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ। বিশেষ করে হেপাটাইটিস বি ও সি দীর্ঘদিন শরীরে থাকলে লিভারের জটিলতার ঝুঁকি তৈরি হতে পারে।তাই হেপাটাইটিস শনাক্ত হলে নিয়মিত চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ফলোআপ গুরুত্বপূর্ণ।৬. লিভার সিরোসিসদীর্ঘদিনের বিভিন্ন লিভার রোগের ফলে লিভারে স্থায়ী ক্ষত বা দাগ তৈরি হয়ে সিরোসিস হতে পারে।সিরোসিসের ক্ষেত্রে পেটে পানি জমা, পা ফুলে যাওয়া, জন্ডিস, রক্তপাত, বিভ্রান্তি বা অন্যান্য জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই এ ধরনের রোগীদের নিয়মিত বিশেষজ্ঞ ফলোআপ প্রয়োজন।৭. প্যানক্রিয়াসের রোগপ্যানক্রিয়াস বা অগ্ন্যাশয় হজম প্রক্রিয়া এবং রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্যানক্রিয়াসে প্রদাহ, পাথরি-সম্পর্কিত সমস্যা বা অন্যান্য রোগের কারণে তীব্র পেটব্যথা, বমি ও হজমের সমস্যা হতে পারে।প্যানক্রিয়াসের রোগ সন্দেহ হলে চিকিৎসকের মূল্যায়ন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও ইমেজিং করা হয়।৮. আইবিএস বা Irritable Bowel Syndromeবারবার পেটে ব্যথা, পেট ফাঁপা, কখনো ডায়রিয়া আবার কখনো কোষ্ঠকাঠিন্য—এ ধরনের উপসর্গ অনেকের মধ্যে দেখা যায়।কিছু রোগীর ক্ষেত্রে এটি IBS-এর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। তবে একই ধরনের উপসর্গ অন্যান্য রোগেও হতে পারে। তাই দীর্ঘদিনের সমস্যা হলে সঠিক মূল্যায়ন গুরুত্বপূর্ণ।৯. দীর্ঘদিনের কোষ্ঠকাঠিন্যঅনেকদিন ধরে পায়খানা শক্ত হওয়া, পায়খানা করতে অতিরিক্ত চাপ দিতে হওয়া বা নিয়মিত মলত্যাগ না হলে কারণটি খুঁজে দেখা দরকার।খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার পাশাপাশি কিছু ওষুধ বা অন্যান্য শারীরিক সমস্যাও কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণ হতে পারে।১০. দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়াবারবার বা দীর্ঘদিন পাতলা পায়খানা হলে শরীরে পানি ও প্রয়োজনীয় লবণের ঘাটতি হতে পারে। সংক্রমণ, খাদ্য অসহিষ্ণুতা, অন্ত্রের প্রদাহজনিত রোগসহ বিভিন্ন কারণে দীর্ঘস্থায়ী ডায়রিয়া হতে পারে।এ ধরনের সমস্যায় কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা প্রয়োজন।কখন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেবেন?পেটের সমস্যা হলেই সবসময় গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টের কাছে যাওয়ার প্রয়োজন হয় না। কিন্তু কোনো উপসর্গ বারবার হলে বা দীর্ঘদিন স্থায়ী হলে বিষয়টি অবহেলা করা উচিত নয়।বিশেষ করে—দীর্ঘদিন ধরে অম্বল বা বুক জ্বালাপোড়া হলেবারবার পেটব্যথা হলেখাবার গিলতে সমস্যা হলেবারবার বমি হলেদীর্ঘদিনের ডায়রিয়া হলেদীর্ঘস্থায়ী কোষ্ঠকাঠিন্য হলেপায়খানার সঙ্গে রক্ত গেলেকালো পায়খানা হলেঅকারণে ওজন কমে গেলেচোখ বা শরীর হলুদ হলেপেট অস্বাভাবিকভাবে ফুলে গেলেলিভার পরীক্ষায় অস্বাভাবিকতা পাওয়া গেলেপ্যানক্রিয়াস-সংক্রান্ত সমস্যা সন্দেহ হলেগ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।পেটের ব্যথা হলে কখন দ্রুত চিকিৎসা নেবেন?সব পেটব্যথা গুরুতর নয়। তবে কিছু লক্ষণ থাকলে দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন।যেমন—হঠাৎ অত্যন্ত তীব্র পেটব্যথা,রক্তবমি,কালো পায়খানা বা পায়খানায় বেশি রক্ত,তীব্র পেটব্যথার সঙ্গে বারবার বমি,জন্ডিসের সঙ্গে শারীরিক অবস্থা দ্রুত খারাপ হওয়া,পেট ফুলে যাওয়ার সঙ্গে শ্বাসকষ্ট,অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো দুর্বলতা,ইত্যাদি থাকলে দ্রুত হাসপাতাল বা জরুরি চিকিৎসা কেন্দ্রে যেতে হবে।লিভারের সমস্যা হলে কী কী লক্ষণ দেখা দিতে পারে?লিভারের অনেক রোগ প্রাথমিক পর্যায়ে তেমন কোনো লক্ষণ তৈরি করে না। রোগ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু মানুষের মধ্যে—চোখ ও শরীর হলুদ হওয়াপ্রস্রাব গাঢ় হওয়াক্ষুধা কমে যাওয়াদুর্বলতাবমি বমি ভাবপেট ফুলে যাওয়াপা ফুলে যাওয়াসহজে রক্তপাত বা কালশিটে পড়াওজন কমে যাওয়াইত্যাদি দেখা দিতে পারে।তবে এসব লক্ষণ অন্য রোগেও হতে পারে। তাই শুধু লক্ষণ দেখে লিভারের রোগ নিশ্চিত করা যায় না।ইন্টারভেনশনাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি কী?গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজির একটি বিশেষায়িত ক্ষেত্র হলো ইন্টারভেনশনাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি। এতে নির্দিষ্ট কিছু রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য এন্ডোস্কোপি-ভিত্তিক বা অন্যান্য বিশেষায়িত পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়।যেমন, প্রয়োজন অনুযায়ী গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্টের ভেতরের অংশ পরীক্ষা, বায়োপসি নেওয়া বা নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে চিকিৎসামূলক এন্ডোস্কোপিক প্রক্রিয়া করা হতে পারে।কোন রোগীর কোন প্রক্রিয়া প্রয়োজন হবে, তা তাঁর রোগের ধরন ও চিকিৎসকের মূল্যায়নের ওপর নির্ভর করে।ডাঃ মোঃ খালেকুজ্জামান সরকার (কাজল) লিভার ও পরিপাকতন্ত্র বিশেষজ্ঞ -এর চেম্বারপপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লি: রাজশাহীসময়: বিকাল ৩টা – ৬টাসরাসরি সিরিয়ালের জন্য কল করুন: 8809666787811ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল রাজশাহী, ভবন – ২সময়: বিকাল ৬টা – রাত ৯টাভিজিট ফিনতুন রোগী: ১,০০০ টাকাপুরাতন রোগী: ৮০০ টাকা (দুই মাসের মধ্যে)ডাঃ মোঃ খালেকুজ্জামান সরকার (কাজল) — Frequently Asked Questions১. ডাঃ মোঃ খালেকুজ্জামান সরকার (কাজল) কোন বিষয়ের ডাক্তার?তিনি পরিপাকতন্ত্র, লিভার, প্যানক্রিয়াস ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। পাশাপাশি তিনি ইন্টারভেনশনাল গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ও হেপাটোলজিস্ট হিসেবে চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকেন।২. তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা কী?তিনি এমবিবিএস (ঢাকা মেডিকেল কলেজ), এমডি (গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজী), এমএসিপি (আমেরিকা), এমএসিজি (আমেরিকা) এবং পিএইচডি (ফেলো) ডিগ্রি/যোগ্যতা অর্জন করেছেন। তাঁর MD Gastroenterology শিক্ষা বিএসএমএমইউ, ঢাকা-এর সঙ্গে উল্লেখ করা হয়েছে।৩. তিনি কোথায় কর্মরত?তিনি সহযোগী অধ্যাপক, গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজী বিভাগ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, রাজশাহী।৪. লিভারের সমস্যার জন্য কি তাঁর পরামর্শ নেওয়া যায়?হ্যাঁ। তিনি লিভার বিশেষজ্ঞ ও হেপাটোলজিস্ট হিসেবে লিভারের বিভিন্ন রোগের মূল্যায়ন ও চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকেন।৫. প্যানক্রিয়াসের সমস্যার জন্য কি গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট দেখানো উচিত?প্যানক্রিয়াস পরিপাকতন্ত্রের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ। প্যানক্রিয়াসের বিভিন্ন রোগ ও জটিলতার ক্ষেত্রে গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।৬. দীর্ঘদিনের গ্যাস্ট্রিক বা অম্বল হলে কখন ডাক্তার দেখাব?বারবার অম্বল, বুক জ্বালাপোড়া, টক ঢেঁকুর বা পেটের অস্বস্তি দীর্ঘদিন থাকলে কারণ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো। বিশেষ করে ওজন কমে যাওয়া, গিলতে সমস্যা বা রক্তপাতের লক্ষণ থাকলে দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন।৭. ডাঃ খালেকুজ্জামান সরকার (কাজল) কোথায় রোগী দেখেন?তিনি পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লি: রাজশাহী এবং ইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল রাজশাহী, ভবন–২-এ রোগী দেখেন।৮. পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে তাঁর চেম্বারের সময় কখন?প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী বিকাল ৩টা থেকে ৬টা পর্যন্ত। সরাসরি সিরিয়ালের জন্য 8809666787811 নম্বরে যোগাযোগ করা যেতে পারে।৯. ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে কখন রোগী দেখেন?প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী বিকাল ৬টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত।১০. ডাঃ মোঃ খালেকুজ্জামান সরকার (কাজল) এর ভিজিট ফি কত?প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী নতুন রোগীর ভিজিট ফি ১,০০০ টাকা এবং দুই মাসের মধ্যে পুরাতন রোগীর ভিজিট ফি ৮০০ টাকা।রাজশাহীতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন Doctor Service BD এর মাধ্যমে।হটলাইন নম্বরঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪

blog-image

ডাঃ এম. এ. হাই

ডাঃ এম. এ. হাই রাজশাহীর একজন অভিজ্ঞ নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা, শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে সেবার ক্ষেত্র এবং কখন শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন—জানুন বিস্তারিত।ডাঃ এম. এ. হাইএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি পেডিয়াট্রিক্স, ফেলো চাইল্ড নিউট্রিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞঅধ্যাপক (শিশুরোগ)রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালডাঃ এম. এ. হাই — নবজাতক, শিশু ও কিশোর রোগ বিশেষজ্ঞ রাজশাহীশিশুর অসুস্থতা নিয়ে বাবা-মায়ের দুশ্চিন্তা হওয়াটা খুব স্বাভাবিক। শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশ, পুষ্টি, সংক্রমণ, নবজাতকের বিভিন্ন সমস্যা এবং বয়সভেদে দেখা দেওয়া সাধারণ ও জটিল রোগের সঠিক মূল্যায়নের জন্য একজন শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ বা পেডিয়াট্রিশিয়ানের পরামর্শ গুরুত্বপূর্ণ।ডাঃ এম. এ. হাই একজন নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ এবং অধ্যাপক (শিশুরোগ), রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। তিনি শিশুদের রোগ নির্ণয়, চিকিৎসা, পুষ্টি ও বয়সভিত্তিক স্বাস্থ্যসেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে চিকিৎসা ও পরামর্শ দিয়ে থাকেন।ডাঃ এম. এ. হাই-এর শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ্যতানাম: ডাঃ এম. এ. হাইডিগ্রি: এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি পেডিয়াট্রিক্সঅতিরিক্ত ফেলোশিপ: ফেলো চাইল্ড নিউট্রিশন (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)বিশেষত্ব: নবজাতক, শিশু ও কিশোর রোগ বিশেষজ্ঞপদবি: অধ্যাপক (শিশুরোগ)প্রতিষ্ঠান: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালচেম্বারঃরাজশাহী রয়েল হাসপাতাল প্রাইভেট লিমিটেডসময়ঃবিকাল ৩টা - রাত ৮ টাশিশুদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে পেডিয়াট্রিক্স একটি বিশেষায়িত চিকিৎসা শাখা। নবজাতক থেকে শুরু করে শিশু ও কিশোর বয়স পর্যন্ত বিভিন্ন শারীরিক সমস্যা, সংক্রমণ, পুষ্টি ও বিকাশ-সংক্রান্ত বিষয় এই বিভাগের আওতায় আসে।ডাঃ এম. এ. হাই-এর MD in Pediatrics ডিগ্রি এবং Child Nutrition বিষয়ে ফেলোশিপ থাকায় শিশুর রোগের পাশাপাশি তাদের পুষ্টি ও স্বাভাবিক বেড়ে ওঠার বিষয়টিরও চিকিৎসা ও পরামর্শ দিয়ে থাকেন।ডাঃ এম. এ. হাই কোন কোন বিষয়ে শিশুদের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন?শিশুদের রোগের ধরন বয়স অনুযায়ী অনেকটাই পরিবর্তিত হয়। নবজাতকের সমস্যা যেমন আলাদা, তেমনি স্কুলগামী শিশুর রোগের ধরনও আলাদা হতে পারে। তাই শিশুর বয়স, শারীরিক অবস্থা, উপসর্গ ও পূর্বের চিকিৎসার ইতিহাস বিবেচনা করে চিকিৎসা দেওয়া প্রয়োজন।নবজাতকের বিভিন্ন সমস্যাজন্মের পর প্রথম কয়েক সপ্তাহ শিশুর জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়। এ সময়ে শিশুর দুধ খাওয়ার সমস্যা, জন্ডিস, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, অতিরিক্ত ঘুম বা নিস্তেজভাব, জন্মের পর ওজন ঠিকমতো না বাড়া ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে।নবজাতকের কোনো অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে নিজের মতো করে ওষুধ না দিয়ে দ্রুত শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া নিরাপদ।শিশুর জ্বরশিশুদের জ্বর খুব সাধারণ একটি সমস্যা হলেও এর পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। ভাইরাসজনিত সংক্রমণ, ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনসহ বিভিন্ন কারণে জ্বর হতে পারে।বিশেষ করে খুব ছোট শিশুর জ্বর হলে বয়স ও অন্যান্য উপসর্গ বিবেচনা করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।সর্দি-কাশি ও শ্বাসতন্ত্রের সমস্যাশিশুদের সর্দি, কাশি, গলা ব্যথা ও বিভিন্ন ধরনের শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণ প্রায়ই দেখা যায়। কোনো কোনো শিশুর ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্ট, বুকে শব্দ হওয়া বা বারবার শ্বাসতন্ত্রের সংক্রমণও হতে পারে।শিশুর শ্বাস নিতে কষ্ট হলে বা ঠোঁট নীলচে হয়ে গেলে দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন।নিউমোনিয়া ও শ্বাসকষ্টশিশুদের নিউমোনিয়া দ্রুত জটিল আকার নিতে পারে। জ্বর, কাশি, দ্রুত শ্বাস নেওয়া, শ্বাস নিতে কষ্ট, খেতে না পারা বা অতিরিক্ত দুর্বলতা থাকলে শিশুকে চিকিৎসকের কাছে নেওয়া উচিত।ডায়রিয়া ও বমিশিশুদের ডায়রিয়া ও বমির অন্যতম বড় ঝুঁকি হলো ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা। বারবার পাতলা পায়খানা বা বমির কারণে শরীর থেকে পানি ও প্রয়োজনীয় লবণ বেরিয়ে যেতে পারে।শিশু স্বাভাবিকের তুলনায় কম প্রস্রাব করলে, মুখ শুকিয়ে গেলে, চোখ বসে গেলে বা অতিরিক্ত নিস্তেজ হয়ে গেলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।শিশুর পুষ্টি ও অপুষ্টিএকটি শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য সুষম পুষ্টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিশুর বয়স অনুযায়ী সঠিক খাবার, পর্যাপ্ত প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেলের প্রয়োজন রয়েছে।শিশুর ওজন বয়স অনুযায়ী না বাড়লে, খেতে না চাইলে, অতিরিক্ত রোগাক্রান্ত হলে বা শারীরিক বৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ থাকলে শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।Child Nutrition বিষয়ে তাঁর অতিরিক্ত ফেলোশিপ থাকায় শিশুর পুষ্টি ও খাদ্যাভ্যাস-সংক্রান্ত বিষয়ও তাঁর চিকিৎসা-সেবার একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র হতে পারে।কখন শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত?অনেক বাবা-মা মনে করেন, শিশু খুব বেশি অসুস্থ হলেই শুধু ডাক্তার দেখানো দরকার। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে রোগ শুরু হওয়ার আগেই নিয়মিত স্বাস্থ্যপরীক্ষা শিশুর সুস্থ বেড়ে ওঠার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।নিচের পরিস্থিতিতে শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে—নবজাতক ঠিকমতো দুধ না খেলেশিশুর ওজন বয়স অনুযায়ী না বাড়লেবারবার জ্বর হলেঘন ঘন সর্দি-কাশি হলেশ্বাস নিতে কষ্ট হলেবারবার বমি বা ডায়রিয়া হলেশিশুর খাওয়ার আগ্রহ কমে গেলেঅতিরিক্ত দুর্বল বা নিস্তেজ মনে হলেশিশুর বৃদ্ধি বা বিকাশ নিয়ে উদ্বেগ থাকলেশিশুর ঘুম বা আচরণে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলেদীর্ঘদিন ধরে কোনো শারীরিক সমস্যা থাকলেশিশুর পুষ্টি ও খাবার নিয়ে পরামর্শ প্রয়োজন হলেশিশুর ক্ষেত্রে কোন লক্ষণগুলো জরুরি?কিছু লক্ষণ দেখা দিলে নিয়মিত চেম্বারে যাওয়ার জন্য অপেক্ষা না করে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।যেমন—শিশু শ্বাস নিতে খুব কষ্ট করলে,ঠোঁট বা মুখ নীলচে হয়ে গেলে,শিশু অস্বাভাবিকভাবে নিস্তেজ হয়ে গেলে,খিঁচুনি হলে,নবজাতক দুধ খেতে না চাইলে বা একেবারেই না খেলে,বারবার বমি করে পানি ধরে রাখতে না পারলে,গুরুতর পানিশূন্যতার লক্ষণ দেখা দিলে,অচেতন বা সাড়া কম পাওয়া গেলে।এ ধরনের পরিস্থিতিতে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতাল বা জরুরি চিকিৎসা কেন্দ্রে নেওয়া উচিত।শিশুর জন্য সঠিক পুষ্টি কেনো জরুরিশিশুর জীবনের প্রথম কয়েক বছর বৃদ্ধি ও বিকাশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে পর্যাপ্ত পুষ্টি না পেলে শিশুর শারীরিক বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ও সামগ্রিক বিকাশে প্রভাব পড়তে পারে।তবে শিশুর খাবারের প্রয়োজন বয়স অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়। নবজাতক, ছয় মাসের শিশু এবং দুই-তিন বছরের শিশুর খাবারের প্রয়োজন এক নয়।তাই শিশুর বয়স, ওজন, বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্যগত অবস্থা বিবেচনা করে খাবারের পরিকল্পনা করা উচিত। কোনো নির্দিষ্ট খাবার বা সাপ্লিমেন্ট নিজের মতো করে শুরু করার আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।রাজশাহীতে নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞরাজশাহীতে নবজাতক ও শিশু রোগের জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ খুঁজছেন তাদের জন্য ডাঃ এম. এ. হাই একটি বিশ্বস্ত নাম।তিনি এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি পেডিয়াট্রিক্স ডিগ্রিধারী এবং Child Nutrition (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র) বিষয়ে ফেলোশিপ সম্পন্ন করেছেন। বর্তমানে তিনি অধ্যাপক (শিশুরোগ), রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।নবজাতক ও শিশুদের বিভিন্ন রোগ, শারীরিক বৃদ্ধি, পুষ্টি এবং শিশুরোগ-সংক্রান্ত সমস্যায় প্রয়োজন অনুযায়ী তাঁর পরামর্শ নিন ।কিছু  প্রশ্ন ও উত্তর১. ডাঃ এম. এ. হাই কোন বিষয়ের ডাক্তার?ডাঃ এম. এ. হাই একজন নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ। তিনি পেডিয়াট্রিক্স বিষয়ে বিশেষায়িত চিকিৎসা প্রদান করেন।২. ডাঃ এম. এ. হাই-এর শিক্ষাগত যোগ্যতা কী?তিনি এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি পেডিয়াট্রিক্স ডিগ্রিধারী। এছাড়া চাইল্ড নিউট্রিশন বিষয়ে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র থেকে ফেলোশিপ করেছেন।৩. তিনি বর্তমানে কোথায় কর্মরত?তিনি অধ্যাপক (শিশুরোগ), রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।৪. শিশুর বারবার জ্বর হলে কি শিশু বিশেষজ্ঞ দেখানো উচিত?বারবার জ্বরের পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। জ্বরের পুনরাবৃত্তি হলে কারণ নির্ণয়ের জন্য শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া ভালো।৫. শিশুর ওজন বয়স অনুযায়ী না বাড়লে কী করবেন?শিশুর খাবার, বৃদ্ধি, শারীরিক সমস্যা ও পুষ্টিগত প্রয়োজন মূল্যায়নের জন্য শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।৬. নবজাতক দুধ কম খেলে কি চিন্তার বিষয়?নবজাতকের দুধ খাওয়ার পরিমাণে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা উচিত। বিশেষ করে শিশু একেবারেই দুধ না খেলে, অতিরিক্ত নিস্তেজ থাকলে বা অন্য কোনো অসুস্থতার লক্ষণ থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন।৭. শিশুর ডায়রিয়া হলে কখন ডাক্তার দেখাব?বারবার পাতলা পায়খানা, বমি, কম প্রস্রাব, অতিরিক্ত দুর্বলতা বা পানিশূন্যতার লক্ষণ থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।৮. শিশুর পুষ্টির জন্য কি আলাদা চিকিৎসকের প্রয়োজন হয়?শিশুর বয়স, ওজন, বৃদ্ধি এবং পুষ্টিগত অবস্থার ওপর নির্ভর করে শিশু বিশেষজ্ঞ পুষ্টি বিষয়ে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিতে পারেন।রাজশাহীতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন Doctor Service BD এর মাধ্যমে।হটলাইন নম্বরঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪

Emergency Contact

Emergency Call +880 1723-025514

Emergency E-mail

24/7 Email Support [email protected]

- OR -