ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম | সার্জারি বিশেষজ্ঞ রাজশাহী
রাজশাহীতে জেনারেল সার্জারি, হার্নিয়া ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলামের যোগ্যতা, চিকিৎসাসেবা, অভিজ্ঞতা ও চেম্বারের ঠিকানা জানুন।ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলামএমবিবিএস (আরএমসিএইচ), বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (সার্জারি)জেনারেল, হার্নিয়া ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি বিশেষজ্ঞজেনারেল সার্জারি বিশেষজ্ঞসহকারী অধ্যাপক, সার্জারিরাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন নম্বর : এ-৪২০০৯ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম - জেনারেল, হার্নিয়া ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহীশরীরের বিভিন্ন সমস্যার মধ্যে এমন কিছু রোগ রয়েছে, যেগুলোর চিকিৎসায় ওষুধের পাশাপাশি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে। হার্নিয়া, পিত্তথলির পাথর, অ্যাপেন্ডিসাইটিস, পেটের বিভিন্ন জটিলতা এবং শরীরের কিছু অংশে অস্বাভাবিক গাঁট বা পিণ্ডের মতো সমস্যায় কখনো সার্জনের পরামর্শ নিতে হয়। এসব ক্ষেত্রে সঠিক সময়ে রোগ নির্ণয় এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিকিৎসা শুরু করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।রাজশাহীতে জেনারেল সার্জারি, হার্নিয়া ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি বিষয়ে পরামর্শ নেওয়ার জন্য যেসব চিকিৎসকের তথ্য রোগীদের কাছে আসে, তাঁদের মধ্যে ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম অভিজ্ঞ ও দক্ষ একজন। তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।এই ব্লগে ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলামের শিক্ষাগত যোগ্যতা, পেশাগত পরিচয়, জেনারেল সার্জারি ও হার্নিয়া সংক্রান্ত চিকিৎসাসেবা এবং রাজশাহীতে তাঁর চেম্বারের তথ্য তুলে ধরা হলো।ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলামের পরিচিতি ও শিক্ষাগত যোগ্যতাডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম জেনারেল সার্জারি, হার্নিয়া এবং ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারিতে অভিজ্ঞ ও বিশেষজ্ঞ। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতার মধ্যে রয়েছে এমবিবিএস (রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল), বিসিএস (স্বাস্থ্য) এবং এফসিপিএস (সার্জারি)।তিনি ২০২০ সালে এফসিপিএস (সার্জারি) ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন । তাঁর পেশাগত জীবনে ২০০৬ সাল থেকে সার্জারি বিষয়ে চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। তিনি প্রায় ২০ বছর ধরে সার্জারি পেশায় নিয়োজিত রয়েছেন।বর্তমানে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। একাডেমিক দায়িত্বের পাশাপাশি রোগীদের সার্জারিসংক্রান্ত সমস্যা মূল্যায়ন, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরামর্শ এবং চিকিৎসার উপযুক্ত পদ্ধতি নির্ধারণে তার ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলামের বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন নম্বর এ-৪২০০৯।ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম কোন কোন রোগের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন?ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম নিচে বর্নিত রোগের সু-চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।১. হার্নিয়া বা অঙ্গের অংশবিশেষ বাইরে বেরিয়ে আসাহার্নিয়া এমন একটি সমস্যা, যেখানে পেটের দেয়ালের দুর্বল অংশ দিয়ে ভেতরের চর্বি বা অন্ত্রের কোনো অংশ বাইরে দিকে বেরিয়ে আসতে পারে। সাধারণত পেট, কুঁচকি বা নাভির আশপাশে ফোলা দেখা যায়। দাঁড়ালে, কাশলে বা ভারী কিছু তুললে ফোলাটি বেশি স্পষ্ট হতে পারে।অনেক রোগীর ক্ষেত্রে প্রথম দিকে ব্যথা কম থাকে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে ফোলা বাড়তে পারে অথবা অস্বস্তি তৈরি হতে পারে। কিছু হার্নিয়ার ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়।বিশেষ করে ফোলা অংশ হঠাৎ তীব্র ব্যথাযুক্ত হয়ে গেলে, শক্ত হয়ে গেলে, ভেতরে প্রবেশ না করলে, সঙ্গে বমি বা পেট ফাঁপার সমস্যা দেখা দিলে জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন। এগুলো অন্ত্র আটকে যাওয়া বা রক্ত সরবরাহ বাধাগ্রস্ত হওয়ার লক্ষণ হতে পারে।২. ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারিল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি হলো আধুনিক অস্ত্রোপচার পদ্ধতির একটি ধরন। এতে সাধারণত পেটে কয়েকটি ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে ক্যামেরা ও বিশেষ যন্ত্র প্রবেশ করিয়ে অপারেশন করা হয়।রোগ ও অস্ত্রোপচারের ধরন অনুযায়ী এই পদ্ধতিতে বড় কাটার প্রয়োজন কম হতে পারে। ফলে অনেক ক্ষেত্রে অপারেশনের পর ব্যথা তুলনামূলক কম হয়, ক্ষত ছোট থাকে এবং স্বাভাবিক কাজে ফিরতে কম সময় লাগতে পারে। তবে সব রোগীর ক্ষেত্রে ল্যাপারোস্কোপিক পদ্ধতি উপযুক্ত নয়।কোন পদ্ধতিতে অপারেশন করা হবে, তা নির্ভর করে রোগের জটিলতা, পূর্ববর্তী অস্ত্রোপচারের ইতিহাস, রোগীর সামগ্রিক স্বাস্থ্য এবং সার্জনের মূল্যায়নের ওপর।৩. পিত্তথলির পাথরপিত্তথলিতে পাথর হলে অনেকের কোনো উপসর্গ নাও থাকতে পারে। আবার কারও ডান দিকের ওপরের পেটে ব্যথা, বমি বমি ভাব কিংবা খাবার খাওয়ার পর অস্বস্তি হতে পারে।পাথর পিত্তনালিতে বাধা সৃষ্টি করলে জন্ডিস, জ্বর বা তীব্র ব্যথার মতো জটিলতা দেখা দিতে পারে। উপসর্গযুক্ত পিত্তথলির পাথরের ক্ষেত্রে অনেক সময় অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়। রোগীর অবস্থা অনুযায়ী ল্যাপারোস্কোপিক পদ্ধতিতে পিত্তথলি অপসারণের বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।তবে পেটব্যথা হলেই যে পিত্তথলিতে পাথর রয়েছে, তা নয়। সঠিক কারণ জানতে চিকিৎসকের পরামর্শ ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষা জরুরি।৪. অ্যাপেন্ডিসাইটিসঅ্যাপেন্ডিক্সে প্রদাহ হলে তাকে অ্যাপেন্ডিসাইটিস বলা হয়। সাধারণত নাভির আশপাশে ব্যথা শুরু হয়ে পরে পেটের ডানদিকের নিচের অংশে অনুভূত হতে পারে। এর সঙ্গে বমি বমি ভাব, ক্ষুধামন্দা বা জ্বর থাকতে পারে।অ্যাপেন্ডিসাইটিস সন্দেহ হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। কারণ চিকিৎসায় দেরি হলে অ্যাপেন্ডিক্স ফেটে গিয়ে পেটের ভেতরে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে পারে।রোগীর শারীরিক পরীক্ষা ও প্রয়োজনীয় পরীক্ষার ভিত্তিতে চিকিৎসক সিদ্ধান্ত নেন অস্ত্রোপচার প্রয়োজন কি না এবং কোন পদ্ধতিতে তা করা হবে।৫. পেটের বিভিন্ন সার্জারিসংক্রান্ত সমস্যাপেটের বিভিন্ন অংশে ব্যথা, ফোলা, অস্বাভাবিক গাঁট বা অন্য কোনো সমস্যা দেখা দিলে তার কারণ নির্ণয় করা জরুরি। এসব সমস্যার পেছনে সাধারণ হজমজনিত অসুবিধা থেকে শুরু করে সার্জারিসংক্রান্ত রোগও থাকতে পারে।চিকিৎসক রোগীর উপসর্গ, শারীরিক পরীক্ষা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী আল্ট্রাসনোগ্রাম, রক্ত পরীক্ষা বা অন্যান্য পরীক্ষা বিবেচনা করতে পারেন। রোগ শনাক্ত হওয়ার পরই উপযুক্ত চিকিৎসাপদ্ধতি নির্বাচন করা সম্ভব।৬. শরীরের অস্বাভাবিক গাঁট বা পিণ্ডশরীরের বিভিন্ন স্থানে গাঁট বা পিণ্ড তৈরি হলে অনেকেই দুশ্চিন্তায় পড়েন। এগুলোর কিছু নিরীহ হতে পারে, আবার কিছু ক্ষেত্রে বিস্তারিত পরীক্ষা প্রয়োজন হয়।গাঁট দ্রুত বড় হলে, ব্যথা হলে, শক্ত হয়ে গেলে বা দীর্ঘদিন ধরে থেকে গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রয়োজন অনুযায়ী সার্জন পরীক্ষা করে পর্যবেক্ষণ, ওষুধ, বায়োপসি বা অস্ত্রোপচারের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন।কখন জেনারেল সার্জারি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেবেন?শরীরে এমন কোনো সমস্যা দেখা দিলে, যার জন্য অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে বলে সন্দেহ হয়, তখন জেনারেল সার্জনের পরামর্শ নেওয়া যুক্তিযুক্ত। তবে সব ক্ষেত্রে অপারেশন করাতে হবে—এমন ধারণা ঠিক নয়। অনেক সময় পর্যবেক্ষণ, ওষুধ বা অন্য চিকিৎসার মাধ্যমেও সমস্যা নিয়ন্ত্রণ করা যায়।নিচের পরিস্থিতিগুলোতে সার্জনের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন হতে পারে:পেট, নাভি বা কুঁচকিতে ফোলা দেখা দিলেহার্নিয়ার মতো ফোলা বা ভারী অনুভূতি হলেপেটের কোনো অংশে বারবার ব্যথা হলেপিত্তথলির পাথর শনাক্ত হলেঅ্যাপেন্ডিসাইটিসের সন্দেহ হলেশরীরে অস্বাভাবিক গাঁট বা পিণ্ড তৈরি হলেচিকিৎসক অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দিলেআগের অপারেশনের ক্ষত বা সংশ্লিষ্ট স্থানে সমস্যা দেখা দিলেজরুরি সতর্কতা: হঠাৎ তীব্র পেটব্যথা, পেট শক্ত হয়ে যাওয়া, বারবার বমি, মল বা গ্যাস বন্ধ হয়ে যাওয়া, অথবা হার্নিয়ার ফোলা অংশে তীব্র ব্যথা ও রং পরিবর্তন হলে দ্রুত জরুরি বিভাগে যেতে হবে। নিয়মিত চেম্বারের সময়ের জন্য অপেক্ষা করা উচিত নয়।ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলামের চেম্বার ও রোগী দেখার সময়রাজশাহীতে ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলামের পরামর্শ নিতে চাইলে নিচের চেম্বারের তথ্য অনুসরণ করতে পারেন।চেম্বারঃ-১দী অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার, রাজশাহীরোগী দেখার সময়: দুপুর ২টা–৩টাকক্ষ নম্বর ২০২চেম্বারঃ-২রাজশাহী রয়্যাল হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারলক্ষ্মীপুর মোড়, রাজশাহীরোগী দেখার সময়: বিকেল ৩টা–রাত ৮টাকক্ষ নম্বর ১০৩ডাক্তারের ডিগ্রি: এমবিবিএস (আরএমসিএইচ), বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (সার্জারি)বিশেষজ্ঞতা: জেনারেল, হার্নিয়া ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারিপদবি: সহকারী অধ্যাপক, সার্জারিপ্রতিষ্ঠান: রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালবিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন: এ-৪২০০৯ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম সম্পর্কে সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন ১. ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম কোন রোগের বিশেষজ্ঞ?তিনি জেনারেল সার্জারি, হার্নিয়া ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি বিশেষজ্ঞ। তাঁর কাছে সার্জারিসংক্রান্ত সমস্যার মূল্যায়ন ও পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।২. ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম কোথায় কর্মরত?তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের সার্জারি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত।৩. ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলামের শিক্ষাগত যোগ্যতা কী?তাঁর যোগ্যতা হলো এমবিবিএস (আরএমসিএইচ), বিসিএস (স্বাস্থ্য) এবং এফসিপিএস (সার্জারি)।৪. রাজশাহীতে হার্নিয়ার চিকিৎসার জন্য তাঁর পরামর্শ নেওয়া যাবে কি?তিনি হার্নিয়া সার্জারি বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত। হার্নিয়ার ধরন ও অবস্থা মূল্যায়নের জন্য তাঁর পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।৫. ল্যাপারোস্কোপিক সার্জারি কী?এটি ছোট ছিদ্রের মাধ্যমে ক্যামেরা ও বিশেষ যন্ত্র ব্যবহার করে অস্ত্রোপচারের একটি পদ্ধতি। সব রোগীর জন্য এটি উপযুক্ত নয়; সার্জন রোগীর অবস্থা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেন।৬. ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম কোথায় রোগী দেখেন?প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, তিনি দ্য অ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার এবং রাজশাহী রয়্যাল হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখেন।৭. রাজশাহী রয়্যাল হাসপাতালে তাঁর চেম্বারের সময় কখন?প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, বিকেল ৩টা থেকে রাত ৮টা পর্যন্ত। তবে যাওয়ার আগে সময়সূচি নিশ্চিত করা উচিত।৮. ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলামের বিএমডিসি নম্বর কত?প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, তাঁর বিএমডিসি রেজিস্ট্রেশন নম্বর এ-৪২০০৯।৯. হার্নিয়া হলে কি সবসময় অপারেশন করতে হয়?না। হার্নিয়ার ধরন, উপসর্গ এবং জটিলতার ঝুঁকির ওপর চিকিৎসা নির্ভর করে। তবে অনেক ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হতে পারে।১০. পেটব্যথা হলেই কি সার্জন দেখাতে হবে?সব পেটব্যথার কারণ সার্জারিসংক্রান্ত নয়। তবে ব্যথা তীব্র হলে, বারবার হলে বা সঙ্গে জ্বর, বমি, পেট ফুলে যাওয়া কিংবা মল-গ্যাস বন্ধ হওয়ার মতো লক্ষণ থাকলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।রাজশাহীতে জেনারেল সার্জারি বিশেষজ্ঞ খুঁজছেন? ডাঃ মোঃ শহিদুল ইসলাম হতে পরে আপনার জন্য সঠিক ডাক্তার নির্বাচনরাজশাহীতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন Doctor Service BD এর মাধ্যমে।হটলাইন নম্বরঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪