ডাঃ মোঃ মিজানুর রহমান (মিজান) | অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ রাজশাহী
হাড়-জোড় ,অর্থপেডিক বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহী • 29 Aug,2025 • 👁 9,053 Views
Category: হাড় বিশেষজ্ঞ ডাক্তার
রাজশাহীতে স্পাইন, অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জন ডাঃ মোঃ মিজানুর রহমান (মিজান)-এর ডিগ্রি, চিকিৎসাসেবা, হাড় ভাঙা, কোমর ব্যথা, স্পাইন সমস্যা ও চেম্বারের সময়সূচি জানুন।
ডাঃ মোঃ মিজানুর রহমান (মিজান)
এমবিবিএস (এসজেডএমসি) বিসিএস (স্বাস্থ্য),এফসিপিএস (অর্থো), এমএস (অর্থো),এফএসিএস (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র), সিসিডি (বার্ডেম)
মেম্বার অব এও স্পাইন (সুইজারল্যান্ড)
স্পাইন ও ট্রমা বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ
এও স্পাইন ও এও ট্রমা সার্জারি)
কনসালটেন্ট
স্পাইন, অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জন
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল (প্রাক্তন)
পঙ্গু হাসপাতাল (নিটোর), ঢাকা (প্রাক্তন)
ডাঃ মোঃ মিজানুর রহমান (মিজান)- স্পাইন ও অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ রাজশাহী
ঘাড়, পিঠ ও কোমরে দীর্ঘদিনের ব্যথা, মেরুদণ্ডের ডিস্কের সমস্যা, হাড় ভেঙে যাওয়া কিংবা দুর্ঘটনায় হাড় ও জয়েন্টে গুরুতর আঘাত—এসব সমস্যা মানুষের স্বাভাবিক চলাফেরা ও দৈনন্দিন জীবনকে ব্যাহত করে। কখনো ব্যথার কারণে বসা, দাঁড়ানো বা হাঁটাচলা কঠিন হয়ে পড়ে। আবার কোনো কোনো ক্ষেত্রে হাত-পায়ে ঝিনঝিন করা, অসাড়তা কিংবা পেশির দুর্বলতার মতো উপসর্গও দেখা দেয় । এসব সমস্যার সঠিক কারণ নির্ণয় এবং উপযুক্ত চিকিৎসা পরিকল্পনার জন্য প্রয়োজন সংশ্লিষ্ট বিষয়ে প্রশিক্ষিত চিকিৎসকের পরামর্শ।
রাজশাহীতে যাঁরা স্পাইন, হাড়জোড় ও ট্রমাজনিত সমস্যার চিকিৎসা খুঁজছেন, তাঁদের জন্য ডাঃ মোঃ মিজানুর রহমান (মিজান)- এক আস্থার নাম। তিনি বিশেষভাবে স্পাইন সার্জন রাজশাহী হিসেবে পরিচিত এবং কোমর ব্যথা, ডিস্ক প্রোলাপ্স, স্পাইনাল ফ্র্যাকচার, নার্ভ প্রেসারসহ বিভিন্ন জটিল স্পাইন সমস্যার আধুনিক চিকিৎসা দিয়ে থাকেন। এছাড়া হাড় ভাঙা, জয়েন্ট রিপ্লেসমেন্ট, আর্থ্রোস্কপি, ক্রীড়াজনিত ইনজুরি ও হাড় ক্ষয়ের রোগেও তিনি দক্ষ। । তিনি এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (অর্থো), এমএস (অর্থো), এফএসিএস এবং স্পাইন ও ট্রমা বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ অর্জন করেছেন। তিনি অর্থোপেডিক বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জনের পাশাপাশি AO Spine ও AO Trauma-সংশ্লিষ্ট প্রশিক্ষণ নিয়েছেন। পাশাপাশি তার রয়েছে দীর্ঘ্য দিনের চিকিৎসার অভিজ্ঞতা।
ডাঃ মিজানুর রহমানের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও ডিগ্রির পরিচয়
ডাঃ মোঃ মিজানুর রহমান এসজেডএমসি (শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ) থেকে এমবিবিএস সম্পন্ন করেছেন। এরপর বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগ দিয়ে সরকারি স্বাস্থ্যসেবায় কাজ করেছেন।
অর্থোপেডিক সার্জারিতে উচ্চশিক্ষা হিসেবে তিনি অর্জন করেছেন এফসিপিএস (অর্থোপেডিক সার্জারি) এবং এমএস (অর্থোপেডিক সার্জারি)। এই দুটি ডিগ্রী বাংলাদেশে হাড়, জোড়া ও মেরুদণ্ডের অস্ত্রোপচার বিষয়ে বিশেষজ্ঞ হওয়ার স্বীকৃত যোগ্যতা। এর বাইরে তাঁর রয়েছে:
এফএসিএস (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র): আমেরিকান কলেজ অব সার্জনস-এর ফেলোশিপ।
সিসিডি (বার্ডেম): ডায়াবেটিস ও সংশ্লিষ্ট জটিলতা ব্যবস্থাপনার সার্টিফিকেট কোর্স।
মেম্বার, এও স্পাইন (AO Spine), সুইজারল্যান্ড: মেরুদণ্ডের সার্জারিতে আন্তর্জাতিক সংস্থার সদস্যপদ।
এও স্পাইন ও এও ট্রমা সার্জারি এবং স্পাইন ও ট্রমা বিষয়ে বিশেষ প্রশিক্ষণ।
অভিজ্ঞতা: ঢাকা মেডিকেল ও পঙ্গু হাসপাতালে কাজের ইতিহাস
চিকিৎসা জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সময় তিনি কাটিয়েছেন দেশের দুটি নামকরা প্রতিষ্ঠানে। একটি ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, অন্যটি জাতীয় অস্থিবিকলাঙ্গ হাসপাতাল ও পুনর্বাসন প্রতিষ্ঠান (পঙ্গু হাসপাতাল/নিটোর), ঢাকা। নিটোর দেশের হাড়, জোড়া ও মেরুদণ্ডের চিকিৎসার প্রধান রেফারেল কেন্দ্র। সেখানে প্রতিদিন হাজার হাজার রোগী আসেন, ফলে জটিল ও বিচিত্র ধরনের কেস সামলানোর বাস্তব অভিজ্ঞতা হয়।
ডাঃ মিজানুর রহমান কোন কোন রোগের চিকিৎসা দেন?
স্পাইন, অর্থোপেডিক ও ট্রমা সার্জারির আওতায় বিভিন্ন ধরনের রোগ ও আঘাতের চিকিৎসা করা হয়। ডাঃ মোঃ মিজানুর রহমান (মিজান)-এর দেওয়া চিকিৎসাসেবার তালিকা অনুযায়ী গুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো নিচে ব্যাখ্যা করা হলো।
১. হাড় ভাঙা বা ফ্র্যাকচার (Bone Fracture)
দুর্ঘটনা, পড়ে যাওয়া, খেলাধুলায় আঘাত কিংবা হাড় দুর্বল হয়ে যাওয়ার কারণে হাড়ে ফাটল বা সম্পূর্ণ ভাঙন দেখা দিতে পারে। হাড় ভাঙলে তীব্র ব্যথা, ফোলা, কালশিটে দাগ, নড়াচড়ায় অসুবিধা অথবা অস্বাভাবিক আকৃতি দেখা যেতে পারে।
হাড়ের অবস্থান, ভাঙনের ধরন এবং হাড় সরে গেছে কি না—এসব বিবেচনা করে চিকিৎসক প্লাস্টার, স্প্লিন্ট, অন্যান্য সাপোর্ট অথবা অস্ত্রোপচারের সিদ্ধান্ত নেন। খোলা ফ্র্যাকচার, অতিরিক্ত রক্তপাত কিংবা হাত-পা ঠান্ডা বা অসাড় হয়ে গেলে জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন।
২. জয়েন্ট মচকানো বা স্থানচ্যুতি (Sprain and Dislocation)
জয়েন্ট মচকানো সাধারণত লিগামেন্টে টান বা ছিঁড়ে যাওয়ার কারণে হয়। অন্যদিকে, জয়েন্ট স্থানচ্যুত হলে হাড়ের স্বাভাবিক সংযোগ নষ্ট হয়ে যায়। গোড়ালি, হাঁটু, কাঁধ ও কবজিতে এ ধরনের সমস্যা দেখা দিতে পারে।
ব্যথা, ফোলা, জয়েন্ট নাড়াতে অসুবিধা বা অস্বাভাবিক আকৃতি এর লক্ষণ হতে পারে। জয়েন্ট স্থানচ্যুত হলে নিজে টেনে বা চাপ দিয়ে আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করা উচিত নয়। চিকিৎসকের মূল্যায়ন প্রয়োজন।
৩. স্পোর্টস ইনজুরি (Sports Injury)
খেলাধুলার সময় পেশি, টেন্ডন, লিগামেন্ট, হাড় বা জয়েন্টে আঘাত লাগতে পারে। হঠাৎ দৌড়ানো, লাফ দেওয়া, মোচড় খাওয়া বা সরাসরি আঘাতের কারণে স্পোর্টস ইনজুরি হয়।
সাধারণ লক্ষণ হলো ব্যথা, ফোলা, পেশিতে টান, হাঁটতে অসুবিধা কিংবা জয়েন্ট অস্থিতিশীল মনে হওয়া। আঘাতের পর দ্রুত ফোলা, জয়েন্টে ভর দিতে না পারা বা তীব্র ব্যথা দেখা দিলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
৪. দীর্ঘদিনেও ভাঙা হাড় না জোড়া লাগা (Delayed Union and Nonunion)
কোনো হাড় ভাঙার পর প্রত্যাশিত সময়ে জোড়া লাগতে দেরি হলে তাকে Delayed Union বলা হয়। আর যথেষ্ট সময় পার হওয়ার পরও হাড় জোড়া না লাগলে তাকে Nonunion বলা হতে পারে।
এ ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা, ভাঙা স্থানে অস্বাভাবিক নড়াচড়া বা অঙ্গ ব্যবহারে অসুবিধা থাকতে পারে। হাড়ের অবস্থান, রক্ত সরবরাহ, সংক্রমণ, ধূমপান, পুষ্টি ও অন্যান্য শারীরিক বিষয় হাড় জোড়া লাগার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করতে পারে। এক্স-রে বা প্রয়োজনীয় পরীক্ষার মাধ্যমে চিকিৎসক পরিস্থিতি মূল্যায়ন করেন।
৫. ঘাড়, পিঠ, কোমর ও হাঁটুর ব্যথা
দীর্ঘক্ষণ একই ভঙ্গিতে বসে থাকা, পেশির টান, জয়েন্টের ক্ষয়, ডিস্কের সমস্যা বা বিভিন্ন প্রদাহজনিত কারণে ঘাড়, পিঠ, কোমর ও হাঁটুতে ব্যথা হতে পারে।
ব্যথা কয়েক সপ্তাহ ধরে থাকলে, বারবার ফিরে এলে, হাঁটাচলায় বাধা দিলে অথবা হাত-পায়ে ছড়িয়ে পড়লে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। কোমর বা পিঠের ব্যথার সঙ্গে নতুন করে প্রস্রাব-পায়খানা নিয়ন্ত্রণের সমস্যা, কুঁচকির আশপাশ অবশ হয়ে যাওয়া কিংবা দ্রুত বাড়তে থাকা পায়ের দুর্বলতা দেখা দিলে জরুরি বিভাগে যেতে হবে।
৬. আর্থ্রাইটিস—রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস (RA) ও অস্টিওআর্থ্রাইটিস (OA)
আর্থ্রাইটিস বলতে জয়েন্টের প্রদাহ বা বিভিন্ন ধরনের জয়েন্টের রোগকে বোঝায়।
রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস (RA): এটি একটি অটোইমিউন রোগ, যেখানে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা জয়েন্টের আবরণে প্রদাহ সৃষ্টি করে। সকালে জয়েন্ট শক্ত হয়ে থাকা, একাধিক জয়েন্টে ব্যথা ও ফোলা এর লক্ষণ হতে পারে।
অস্টিওআর্থ্রাইটিস (OA): এতে জয়েন্টের কার্টিলেজ ও আশপাশের কাঠামোয় ধীরে ধীরে পরিবর্তন ঘটে। হাঁটু, নিতম্ব ও হাতের জয়েন্টে ব্যথা এবং নড়াচড়ায় শক্তভাব দেখা দিতে পারে।
দুই রোগের চিকিৎসা এক নয়। দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা, ফোলা বা সকালের শক্তভাব থাকলে চিকিৎসকের মূল্যায়ন প্রয়োজন। RA সন্দেহ হলে রিউমাটোলজিস্টের পরামর্শও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।
৭. গাউট বা ইউরিক অ্যাসিডজনিত জয়েন্টের প্রদাহ (Gout)
গাউট হলো শরীরে ইউরেট ক্রিস্টাল জমার কারণে সৃষ্ট এক ধরনের প্রদাহজনিত আর্থ্রাইটিস। এতে হঠাৎ করে কোনো জয়েন্টে তীব্র ব্যথা, লালচে ভাব, ফোলা ও স্পর্শে অতিরিক্ত সংবেদনশীলতা দেখা দিতে পারে। পায়ের বুড়ো আঙুলে এটি বেশি পরিচিত হলেও অন্য জয়েন্টেও হতে পারে।
প্রথমবার এমন তীব্র ব্যথা হলে চিকিৎসকের মূল্যায়ন জরুরি, কারণ জয়েন্টের সংক্রমণও একই ধরনের লক্ষণ তৈরি করতে পারে। শুধু ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা দেখে সব ক্ষেত্রে গাউট নিশ্চিত করা যায় না।
৮. হাড়ের ক্ষয় বা অস্টিওপোরোসিস (Osteoporosis)
অস্টিওপোরোসিসে হাড়ের ঘনত্ব ও শক্তি কমে যায়। ফলে সামান্য আঘাতেও হাড় ভাঙার ঝুঁকি বাড়তে পারে। অনেক সময় হাড় না ভাঙা পর্যন্ত কোনো স্পষ্ট উপসর্গ থাকে না।
বয়স বৃদ্ধি, মেনোপজ, কিছু ওষুধ এবং নির্দিষ্ট শারীরিক অবস্থার কারণে ঝুঁকি বাড়তে পারে। অল্প আঘাতে হাড় ভেঙে গেলে বা মেরুদণ্ডে কম্প্রেশন ফ্র্যাকচার সন্দেহ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। ঝুঁকি অনুযায়ী হাড়ের ঘনত্ব পরীক্ষা করা হতে পারে।
৯. আঘাতজনিত স্পাইনাল ইনজুরি (Spinal Injury)
দুর্ঘটনা, উচ্চতা থেকে পড়ে যাওয়া বা সরাসরি আঘাতে মেরুদণ্ড ও এর আশপাশের কাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে স্পাইনাল কর্ড বা স্নায়ুও আক্রান্ত হয়।
ঘাড় বা পিঠে তীব্র ব্যথা, হাত-পায়ে দুর্বলতা, অসাড়তা কিংবা অনুভূতি কমে যাওয়া গুরুতর লক্ষণ। এমন আঘাতের পর রোগীকে অপ্রয়োজনে নাড়াচাড়া না করে জরুরি চিকিৎসাসেবা নিতে হবে।
১০. প্রোল্যাপ্সড ডিস্ক বা ডিস্ক সরে যাওয়াজনিত সমস্যা (Prolapsed Disc)
মেরুদণ্ডের কশেরুকার মাঝখানে থাকা ডিস্কের বাইরের অংশ দুর্বল হয়ে ভেতরের অংশ বাইরে বেরিয়ে এলে বা স্ফীত হয়ে স্নায়ুতে চাপ দিলে ব্যথা হতে পারে। একে সাধারণভাবে স্লিপড ডিস্ক বা প্রোল্যাপ্সড ডিস্ক বলা হয়।
কোমর থেকে নিতম্ব ও পায়ের দিকে ব্যথা ছড়িয়ে যাওয়া, ঝিনঝিন করা, অবশভাব বা পেশির দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। তবে সব ডিস্কের পরিবর্তনই ব্যথার কারণ হয় না। উপসর্গ ও শারীরিক পরীক্ষার ভিত্তিতে প্রয়োজন হলে ইমেজিং পরীক্ষা করা হয়।
১১. হাত-পা জ্বালাপোড়া বা ঝিনঝিন করা
হাত-পায়ে জ্বালাপোড়া, পিন ফোটার মতো অনুভূতি, ঝিনঝিন বা অবশভাব স্নায়ুতে চাপ, ডায়াবেটিসজনিত নিউরোপ্যাথি, ভিটামিনের ঘাটতি কিংবা অন্যান্য কারণে হতে পারে।
ঘাড় বা কোমরের ডিস্কের সমস্যায় নির্দিষ্ট স্নায়ু আক্রান্ত হলেও এ ধরনের উপসর্গ দেখা দিতে পারে। সমস্যা বারবার হলে বা দীর্ঘস্থায়ী হলে কারণ নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ প্রয়োজন। হঠাৎ একপাশ অবশ বা দুর্বল হয়ে যাওয়া, মুখ বেঁকে যাওয়া কিংবা কথা জড়িয়ে গেলে জরুরি চিকিৎসা নিতে হবে।
১২. স্পন্ডাইলোআর্থ্রাইটিস (SpA), ব্যাক পেইন ও সায়াটিকা
স্পন্ডাইলোআর্থ্রাইটিস (SpA) হলো প্রদাহজনিত রোগের একটি গোষ্ঠী, যা মেরুদণ্ড ও সংশ্লিষ্ট জয়েন্টকে প্রভাবিত করতে পারে। কিছু রোগীর ক্ষেত্রে দীর্ঘস্থায়ী কোমরব্যথা, সকালে শক্তভাব এবং চলাফেরায় কিছুটা আরাম পাওয়ার মতো বৈশিষ্ট্য দেখা যায়।
ব্যাক পেইন বলতে পিঠের বিভিন্ন কারণে সৃষ্ট ব্যথাকে বোঝায়। এর কারণ পেশির টান থেকে শুরু করে ডিস্ক বা জয়েন্টের সমস্যা পর্যন্ত হতে পারে।
সায়াটিকা হলো সায়াটিক স্নায়ুর পথে ব্যথা ছড়িয়ে পড়ার একটি অবস্থা। সাধারণত কোমর বা নিতম্ব থেকে এক পায়ের দিকে ব্যথা, ঝিনঝিন বা অসাড়তা ছড়াতে পারে।
ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হলে, ঘুম বা দৈনন্দিন কাজে সমস্যা করলে কিংবা পায়ের শক্তি কমে গেলে চিকিৎসকের মূল্যায়ন প্রয়োজন। প্রদাহজনিত স্পন্ডাইলোআর্থ্রাইটিস সন্দেহ হলে রিউমাটোলজিস্টের পরামর্শও লাগতে পারে।
১৩. জন্মগত বা আঘাতজনিত বিকলাঙ্গতা ও পক্ষাঘাত
জন্মগতভাবে অঙ্গের গঠনগত সমস্যা থাকতে পারে। আবার দুর্ঘটনা, স্নায়ু বা স্পাইনাল কর্ডের ক্ষতি, স্ট্রোক এবং অন্যান্য রোগের কারণে হাত-পায়ের নড়াচড়ার ক্ষমতা কমে যেতে পারে।
অঙ্গের আকৃতি পরিবর্তন, নড়াচড়ায় সীমাবদ্ধতা, পেশির দুর্বলতা বা দৈনন্দিন কাজ করতে অসুবিধা দেখা দিলে কারণ নির্ণয় জরুরি। চিকিৎসা নির্ভর করে সমস্যার উৎসের ওপর; অর্থোপেডিক চিকিৎসার পাশাপাশি নিউরোলজি, নিউরোসার্জারি বা পুনর্বাসন চিকিৎসাও প্রয়োজন হতে পারে।
হঠাৎ পক্ষাঘাত বা শরীরের একপাশ দুর্বল হয়ে গেলে স্ট্রোকসহ জরুরি কারণ বিবেচনা করে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে।
১৪. হাত, পা, ঘাড়, পিঠ ও কোমরের টিউমার
হাড়, নরম টিস্যু বা শরীরের অন্যান্য কাঠামোয় টিউমার হতে পারে। সব টিউমার ক্যানসার নয়; কিছু নিরীহ বা Benign এবং কিছু Malignant হতে পারে।
কোনো গাঁট ক্রমশ বড় হওয়া, স্থায়ী ব্যথা, অস্বাভাবিক ফোলা অথবা আঘাত ছাড়াই ব্যথা চলতে থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া প্রয়োজন। প্রয়োজন অনুযায়ী এক্স-রে, এমআরআই, অন্যান্য পরীক্ষা বা বায়োপসি করা হতে পারে। শুধু উপসর্গ দেখে টিউমারের ধরন নিশ্চিত করা যায় না।
১৫. সার্জিক্যাল সমস্যা
দুর্ঘটনা বা অস্ত্রোপচারের পর কোনো স্থানে চামড়া ও নরম টিস্যুর বড় ক্ষতি হলে ক্ষতস্থান বন্ধ করা বা ঢেকে দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। কিছু ক্ষেত্রে ক্ষত পরিষ্কার করা, ক্ষতিগ্রস্ত টিস্যু অপসারণ, স্কিন গ্রাফট বা ফ্ল্যাপের মতো পদ্ধতি বিবেচনা করা হয়।
ক্ষতের গভীরতা, সংক্রমণ, রক্ত সরবরাহ ও আশপাশের কাঠামোর অবস্থা দেখে চিকিৎসা নির্ধারণ করা হয়। ক্ষত থেকে অতিরিক্ত রক্তপাত, পুঁজ, জ্বর বা দ্রুত ছড়িয়ে পড়া লালচে ভাব দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন।
১৬. কাটা রগ, রক্তনালী ও স্নায়ুর সংযোগ
কাচ, ধারালো বস্তু বা দুর্ঘটনায় হাত-পায়ের টেন্ডন, স্নায়ু কিংবা রক্তনালী কেটে যেতে পারে। এর ফলে রক্তপাত, আঙুল নাড়াতে অসুবিধা, অনুভূতি কমে যাওয়া বা হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিতে পারে।
এ ধরনের আঘাতে দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন। ক্ষতস্থানে পরিষ্কার কাপড় দিয়ে সরাসরি চাপ প্রয়োগ করে রক্তপাত নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করা যায়। গুরুতর রক্তপাত হলে জরুরি বিভাগে যেতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী টেন্ডন, স্নায়ু বা রক্তনালীর মেরামত করার অস্ত্রোপচার লাগতে পারে।
১৭. আগুনে পোড়া আঙুল, হাত ও পা বাঁকা হয়ে যাওয়া
গভীর পোড়ার পর ত্বক ও নিচের টিস্যুতে দাগ বা সংকোচন তৈরি হতে পারে। এর ফলে আঙুল, হাত, কবজি বা পায়ের স্বাভাবিক নড়াচড়া সীমিত হয়ে যেতে পারে। এই সমস্যাকে Burn Contracture বলা হয়।
অবস্থাভেদে ফিজিওথেরাপি, স্প্লিন্ট, ক্ষত সংশোধন বা পুনর্গঠনমূলক অস্ত্রোপচার বিবেচনা করা হয়। নতুন করে পোড়ার ঘটনা ঘটলে প্রথমে পোড়া স্থান ঠান্ডা প্রবাহমান পানির নিচে প্রায় ২০ মিনিট রাখা উচিত; বরফ বা ঘরোয়া পদার্থ লাগানো উচিত নয়। গভীর বা বিস্তৃত পোড়ার ক্ষেত্রে জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন।
১৮. জন্মগত বাঁকা পা বা ক্লাবফুট (Clubfoot)
ক্লাবফুট হলো জন্মগতভাবে শিশুর এক বা দুই পায়ের আকৃতি ভেতরের দিকে বাঁকা থাকার একটি অবস্থা। চিকিৎসা না হলে বড় হওয়ার সঙ্গে হাঁটাচলায় সমস্যা হতে পারে।
জন্মের পর যত দ্রুত সম্ভব শিশুকে বিশেষজ্ঞের কাছে নেওয়া উচিত। Ponseti পদ্ধতিতে ধারাবাহিক প্লাস্টার, প্রয়োজনে ছোট একটি প্রক্রিয়া এবং পরবর্তী সময়ে ব্রেস ব্যবহারের মাধ্যমে অনেক শিশুর ক্লাবফুটের চিকিৎসা করা যায়। প্রতিটি শিশুর অবস্থা অনুযায়ী পরিকল্পনা নির্ধারিত হয়।
১৯. হাত বা পা কেটে ফেলার প্রয়োজন হতে পারে এমন সমস্যা (PVD ও Diabetic Foot)
পেরিফেরাল ভাসকুলার ডিজিজ (PVD)-এ হাত-পায়ের রক্তপ্রবাহ কমে যেতে পারে। ডায়াবেটিসে স্নায়ুর ক্ষতি, রক্তপ্রবাহের সমস্যা এবং সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায় পায়ে ঘা হওয়ার আশঙ্কা থাকে।
পায়ে দীর্ঘদিনের ক্ষত, কালচে হয়ে যাওয়া, দুর্গন্ধ, পুঁজ, তীব্র ব্যথা অথবা পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়। এসব সমস্যায় রক্তনালী বিশেষজ্ঞ, ডায়াবেটিস চিকিৎসক, ক্ষত ব্যবস্থাপনা বিশেষজ্ঞ এবং অর্থোপেডিক সার্জনের সমন্বিত চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে।
কিছু গুরুতর ক্ষেত্রে টিস্যু বাঁচানো সম্ভব না হলে অঙ্গচ্ছেদ বিবেচনা করা হয়। তবে সব ডায়াবেটিক ফুট বা PVD রোগীর অঙ্গচ্ছেদ প্রয়োজন হয় না। দ্রুত মূল্যায়ন ও উপযুক্ত চিকিৎসা গুরুত্বপূর্ণ।
রাজশাহীতে কখন স্পাইন ও অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখাবেন?
সব ধরনের হাড়, জয়েন্ট বা কোমরব্যথার জন্য অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হয় না। তবে কিছু উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
দুর্ঘটনার পর হাড় ভাঙা বা জয়েন্ট স্থানচ্যুত হওয়ার সন্দেহ হলে।
দীর্ঘদিনের কোমর, ঘাড়, পিঠ বা হাঁটুর ব্যথা কমতে না চাইলে।
ব্যথা হাত বা পায়ের দিকে ছড়িয়ে পড়লে।
হাত-পায়ে ঝিনঝিন, অবশভাব বা পেশির দুর্বলতা দেখা দিলে।
পুরোনো ফ্র্যাকচার জোড়া না লাগলে বা অঙ্গের স্বাভাবিক ব্যবহার ব্যাহত হলে।
জয়েন্ট ফুলে গেলে, শক্ত হয়ে থাকলে বা হাঁটাচলায় সমস্যা হলে।
জন্মগত ক্লাবফুট বা অন্য গঠনগত সমস্যায়।
কোনো ক্ষত দীর্ঘদিনেও না শুকালে, বিশেষত ডায়াবেটিস থাকলে।
জরুরি সতর্কতা: দুর্ঘটনার পর ঘাড় বা মেরুদণ্ডে গুরুতর আঘাত, হঠাৎ হাত-পায়ের শক্তি কমে যাওয়া, প্রস্রাব-পায়খানা নিয়ন্ত্রণ হারানো, অঙ্গ ঠান্ডা বা ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া কিংবা অনিয়ন্ত্রিত রক্তপাত হলে নিয়মিত চেম্বারের সময়ের জন্য অপেক্ষা না করে জরুরি বিভাগে যেতে হবে।
রাজশাহীতে ডাঃ মিজানুর রহমানের চেম্বার ও সময়
চেম্বারঃ পপুলার ডায়াগনষ্টিক সেন্টার, রাজশাহী
রোগী দেখার সময়ঃ বিকাল ৩:৩০ টা থেকে রাত ৯:০০ টা
সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগঃ [Doctor Service BD]
ঠিকানাঃ বাড়ি নং ৪৭৪, চৌধুরী টাওয়ার, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী - ৬০০০
চেম্বারে যাওয়ার আগে রোগী দেখার সময়, চিকিৎসকের উপস্থিতি ও সিরিয়ালের নিয়ম সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে নিশ্চিত করে নেওয়া ভালো। এতে অপেক্ষার সময় ও যাতায়াতের অসুবিধা কমতে পারে।
রোগীদের সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর
১. ডাঃ মোঃ মিজানুর রহমান (মিজান) রাজশাহীতে কোন রোগের চিকিৎসা দেন?
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, তিনি স্পাইন, অর্থোপেডিক ও ট্রমাজনিত সমস্যার চিকিৎসা দেন। এর মধ্যে হাড় ভাঙা, জয়েন্টের আঘাত, কোমরব্যথা, ডিস্কের সমস্যা, স্পাইনাল ইনজুরি, স্পোর্টস ইনজুরি এবং কিছু হাড় ও নরম টিস্যুর সার্জিক্যাল সমস্যা রয়েছে।
২. রাজশাহীতে স্পাইন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার কোথায় দেখাবো?
স্পাইন বা মেরুদণ্ডের সমস্যার জন্য রাজশাহীতে ডাঃ মোঃ মিজানুর রহমান (মিজান)-এর পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চেম্বারে পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে। তাঁর প্রদত্ত রোগী দেখার সময় বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট থেকে রাত ৯টা।
৩. কোমর ব্যথার জন্য কি অর্থোপেডিক ডাক্তার দেখানো উচিত?
হ্যাঁ, অনেক ধরনের কোমরব্যথা অর্থোপেডিক চিকিৎসকের মাধ্যমে মূল্যায়ন করা যায়। তবে কোমরব্যথার কারণ পেশি, ডিস্ক, জয়েন্ট, স্নায়ু বা অন্য কোনো সমস্যাও হতে পারে। উপসর্গ অনুযায়ী অন্য বিশেষজ্ঞের পরামর্শ প্রয়োজন হতে পারে।
৪. স্লিপড ডিস্ক হলে কি অপারেশন করতে হয়?
না, সব স্লিপড ডিস্কের ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হয় না। অনেক রোগীর ক্ষেত্রে ওষুধ, উপযুক্ত ব্যায়াম ও অন্যান্য নন-সার্জিক্যাল চিকিৎসায় উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ করা যায়। তবে গুরুতর স্নায়বিক দুর্বলতা বা জরুরি লক্ষণ থাকলে দ্রুত বিশেষজ্ঞের মূল্যায়ন প্রয়োজন।
৫. হাড় ভেঙে গেলে প্লাস্টার নাকি অপারেশন প্রয়োজন?
এটি হাড়ের অবস্থান, ভাঙনের ধরন, হাড় কতটা সরে গেছে এবং আশপাশের টিস্যুর ক্ষতির ওপর নির্ভর করে। কিছু ফ্র্যাকচার প্লাস্টার বা স্প্লিন্টে ভালো হতে পারে, আবার কিছু ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার প্রয়োজন হয়।
৬. হাড় ভাঙার পর দীর্ঘদিনেও জোড়া না লাগলে কী করবো?
চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে হাড়ের অবস্থান ও জোড়া লাগার অগ্রগতি মূল্যায়ন করানো উচিত। প্রয়োজন অনুযায়ী এক্স-রে, অন্যান্য পরীক্ষা এবং চিকিৎসা পরিকল্পনায় পরিবর্তন লাগতে পারে। নিজে থেকে প্লাস্টার বা সাপোর্ট খুলে ফেলা উচিত নয়।
৭. হাত-পায়ে ঝিনঝিন করলে কি স্পাইন বিশেষজ্ঞ দেখাব?
ঘাড় বা কোমরের স্নায়ুতে চাপ পড়লে হাত-পায়ে ঝিনঝিন বা অসাড়তা হতে পারে। তবে ডায়াবেটিস, ভিটামিনের ঘাটতি ও অন্যান্য স্নায়ুরোগেও একই উপসর্গ দেখা যায়। উপসর্গের ধরন অনুযায়ী চিকিৎসকের মূল্যায়ন প্রয়োজন।
৮. ক্লাবফুট নিয়ে কোন বয়সে চিকিৎসা শুরু করা উচিত?
শিশুর জন্মগত ক্লাবফুট শনাক্ত হলে যত দ্রুত সম্ভব বিশেষজ্ঞের কাছে নেওয়া ভালো। শৈশবের প্রথম দিকেই চিকিৎসা শুরু করলে উপযুক্ত পদ্ধতিতে পায়ের অবস্থান সংশোধনের সুযোগ থাকে।
৯. ডায়াবেটিস রোগীর পায়ে ঘা হলে কি অর্থোপেডিক ডাক্তার দেখানো যায়?
হ্যাঁ, অর্থোপেডিক চিকিৎসকসহ উপযুক্ত বিশেষজ্ঞের মূল্যায়ন প্রয়োজন হতে পারে। তবে ডায়াবেটিক ফুটে রক্তপ্রবাহের সমস্যা, সংক্রমণ ও স্নায়ুর ক্ষতি থাকতে পারে বলে অনেক সময় বহুবিভাগীয় চিকিৎসা দরকার হয়। পায়ে পুঁজ, কালচে রং বা জ্বর দেখা দিলে দেরি করা উচিত নয়।
১০. ডাঃ মিজানুর রহমানের চেম্বারে রোগী দেখার সময় কখন?
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, রাজশাহীতে তাঁর রোগী দেখার সময় বিকেল ৩টা ৩০ মিনিট থেকে রাত ৯টা। যাওয়ার আগে সময়সূচি নিশ্চিত করে নেওয়া ভালো।
১১. স্পাইন বিশেষজ্ঞের কাছে গেলে কী কী রিপোর্ট সঙ্গে নিতে হবে?
আগের এক্স-রে, এমআরআই, সিটি স্ক্যান, রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট, ব্যবহৃত ওষুধের তালিকা এবং পূর্ববর্তী চিকিৎসার কাগজপত্র থাকলে সঙ্গে নেওয়া ভালো। সব রোগীর সব পরীক্ষা প্রয়োজন হয় না; চিকিৎসক উপসর্গ ও শারীরিক পরীক্ষার ভিত্তিতে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা নির্ধারণ করবেন।
১২. দুর্ঘটনায় মেরুদণ্ডে আঘাত পেলে কী করা উচিত?
মেরুদণ্ডে গুরুতর আঘাতের সন্দেহ হলে রোগীকে অপ্রয়োজনে নাড়াচাড়া করবেন না। দ্রুত জরুরি চিকিৎসাসেবা নিন। হাত-পায়ের দুর্বলতা, অসাড়তা বা প্রস্রাব-পায়খানা নিয়ন্ত্রণের সমস্যা দেখা দিলে এটি বিশেষভাবে জরুরি।
১৩. রাজশাহীতে হাড়জোড় বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখানোর আগে কী প্রস্তুতি নেব?
ব্যথা কখন শুরু হয়েছে, কীভাবে আঘাত লেগেছে, কোন কাজে ব্যথা বাড়ে, কী ওষুধ ব্যবহার করেছেন এবং আগে কোনো চিকিৎসা নিয়েছেন কি না—এসব তথ্য গুছিয়ে রাখুন। পুরোনো রিপোর্ট থাকলে সঙ্গে নিন। এতে চিকিৎসকের পক্ষে সমস্যাটি মূল্যায়ন করা সহজ হয়।
রাজশাহীতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন Doctor Service BD এর মাধ্যমে।
হটলাইন নম্বরঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪
Related Articles
Continue reading in হাড় বিশেষজ্ঞ ডাক্তার
হাড় বিশেষজ্ঞ ডাক্তার
হাড় বিশেষজ্ঞ ডাক্তার
হাড় বিশেষজ্ঞ ডাক্তার
হাড় বিশেষজ্ঞ ডাক্তার