Your Premier Destination for Personalized Healthcare Solutions

ডাঃ মোঃ সাফায়েত হোসেন প্রামানিক । নেফ্রোলজিস্ট

নেফ্রোলজিস্ট রাজশাহী • 25 Nov,2025 • 👁 525 Views

Category: কিডনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহী

Logo

ডাঃ মোঃ সাফায়েত হোসেন প্রামানিক রাজশাহীর একজন নেফ্রোলজিস্ট ও কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ। কিডনি রোগ, ডায়ালাইসিস ও মেডিসিন সংক্রান্ত চিকিৎসাসেবা, চেম্বার ও পরামর্শের জন্য বিস্তারিত জানুন।




ডাঃ মোঃ সাফায়েত হোসেন প্রামানিক

এমবিবিএস,বিসিএস (স্বাস্থ্য),এমডি (নেফ্রোলজি)

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় ( পিজি হাসপাতাল)

মেম্বার, ইন্টারন্যাশনাল সোসাইটি অব নেফ্রোলজি (আইএসএন),এমএসিপি ( আমেরিকা)

নেফ্রোলজিস্ট

সহকারী অধ্যাপক ( নেফ্রোলজি )

রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল


ডাঃ মোঃ সাফায়েত হোসেন প্রামানিক — কিডনি রোগ, ডায়ালাইসিস ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ রাজশাহী


ডাঃ মোঃ সাফায়েত হোসেন প্রামানিক একজন নেফ্রোলজিস্ট এবং কিডনি রোগ, ডায়ালাইসিস ও মেডিসিন-সংক্রান্ত চিকিৎসাসেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক। তিনি সহকারী অধ্যাপক, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (নেফ্রোলজি) ডিগ্রি অর্জন করেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল) থেকে। পাশাপাশি তিনি International Society of Nephrology (ISN)-এর সদস্য এবং MSACP (আমেরিকা)-এর সঙ্গে সম্পৃক্ত।

রাজশাহীতে কিডনি রোগের চিকিৎসা ও নেফ্রোলজি বিষয়ে বিশেষজ্ঞ পরামর্শের জন্য তাঁর কাছে রোগীরা পরামর্শ নিতে পারেন।


ডাঃ মোঃ সাফায়েত হোসেন প্রামানিক-এর শিক্ষাগত ও পেশাগত পরিচয়


ডিগ্রিঃ এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (নেফ্রোলজি)
উচ্চতর প্রশিক্ষণ/শিক্ষাঃ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল)
সদস্যঃ International Society of Nephrology (ISN)
সদস্যঃ MSACP (আমেরিকা)
বিশেষত্বঃ নেফ্রোলজিস্ট
পদবিঃ সহকারী অধ্যাপক
কর্মস্থলঃ রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল

নেফ্রোলজি হলো কিডনি ও কিডনির কার্যকারিতা-সংক্রান্ত রোগের একটি বিশেষায়িত চিকিৎসা বিভাগ। তাই দীর্ঘদিনের কিডনি সমস্যা, কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া, প্রস্রাবে অস্বাভাবিকতা, শরীরে পানি জমা বা ডায়ালাইসিস-সংক্রান্ত সমস্যায় নেফ্রোলজিস্টের পরামর্শ নিন।


ডাঃ মোঃ সাফায়েত হোসেন প্রামানিক যে সকল বিষয়ে সেবা প্রদান করেন

ডাঃ মোঃ সাফায়েত হোসেন প্রামানিক রোগের ধরন ও রোগীর শারীরিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে বিভিন্ন ধরনের কিডনি ও মেডিসিন-সংক্রান্ত সমস্যার মূল্যায়ন ও চিকিৎসা পরিকল্পনা করেন।

১. দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগ

কিডনি দীর্ঘ সময় ধরে স্বাভাবিকভাবে কাজ করতে না পারলে তাকে দীর্ঘমেয়াদি কিডনি রোগ বা Chronic Kidney Disease (CKD) বলা হয়। এ রোগ অনেক সময় ধীরে ধীরে বাড়ে এবং শুরুতে তেমন কোনো উপসর্গ নাও থাকতে পারে।

সময়মতো পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও চিকিৎসা নিলে রোগের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণ এবং ঝুঁকি কমানোর ব্যবস্থা করা যায়।

২. কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া

কিডনি ঠিকমতো কাজ না করলে রক্তে বর্জ্য পদার্থ জমতে শুরু করতে পারে। রক্ত পরীক্ষায় ক্রিয়েটিনিন ও অন্যান্য কিডনি-সম্পর্কিত সূচকে পরিবর্তন দেখা যেতে পারে।

কিডনির কার্যক্ষমতা কতটা কমেছে এবং এর পেছনে কী কারণ রয়েছে—তা নির্ণয়ের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

৩. ডায়াবেটিসজনিত কিডনি সমস্যা

দীর্ঘদিনের অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস কিডনির ক্ষতির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কারণ। ডায়াবেটিসের কারণে কিডনির ক্ষতি হলে প্রস্রাবে অ্যালবুমিন বা প্রোটিনের উপস্থিতি দেখা দিতে পারে এবং ধীরে ধীরে কিডনির কার্যক্ষমতা কমতে পারে।

তাই ডায়াবেটিস রোগীদের নিয়মিত কিডনি পরীক্ষা করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী নেফ্রোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

৪. উচ্চ রক্তচাপ ও কিডনি

উচ্চ রক্তচাপ এবং কিডনি রোগের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক রয়েছে। দীর্ঘদিনের উচ্চ রক্তচাপ কিডনির ক্ষতি করতে পারে। আবার কিডনি রোগের কারণেও রক্তচাপ বেড়ে যেতে পারে।

এ কারণে যাদের দীর্ঘদিন উচ্চ রক্তচাপ রয়েছে, তাদের রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের পাশাপাশি প্রয়োজন অনুযায়ী কিডনির কার্যকারিতাও পরীক্ষা করা দরকার।

৫. প্রস্রাবে প্রোটিন বা অ্যালবুমিন

প্রস্রাবে অতিরিক্ত প্রোটিন পাওয়া গেলে বিষয়টি অবহেলা করা উচিত নয়। এটি কিডনির ফিল্টারিং ব্যবস্থায় সমস্যার একটি লক্ষণ হতে পারে।

তবে একবার প্রস্রাবে প্রোটিন পাওয়া গেলেই যে কিডনি রোগ নিশ্চিত—তা নয়। চিকিৎসক প্রয়োজন অনুযায়ী Urine ACR, Urine R/E, রক্ত পরীক্ষা বা অন্যান্য পরীক্ষা দিয়ে বিষয়টি মূল্যায়ন করতে পারেন।

৬. শরীরে পানি জমা

কিডনি স্বাভাবিকভাবে অতিরিক্ত পানি ও লবণ বের করতে না পারলে পা, গোড়ালি, হাত বা শরীরের অন্যান্য অংশে পানি জমে ফুলে যেতে পারে।

তবে শরীরে পানি জমার কারণ শুধু কিডনি রোগ নয়। হৃদযন্ত্র, লিভারসহ অন্যান্য সমস্যার কারণেও এমন হতে পারে। তাই কারণ নির্ণয় করে চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।

৭. কিডনি ফেইলিউর

কিডনির কার্যক্ষমতা মারাত্মকভাবে কমে গেলে Kidney Failure বা কিডনি অকার্যকারিতার মতো গুরুতর অবস্থা তৈরি হতে পারে।

এ অবস্থায় রোগীর কিডনির কার্যক্ষমতা, রক্তের বিভিন্ন উপাদান, শরীরে পানি ও লবণের ভারসাম্য এবং অন্যান্য শারীরিক অবস্থা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা প্রয়োজন।

৮. ডায়ালাইসিস-সংক্রান্ত চিকিৎসা

কিডনি যখন শরীরের প্রয়োজনীয় কাজ পর্যাপ্তভাবে করতে পারে না, তখন নির্দিষ্ট রোগীর ক্ষেত্রে ডায়ালাইসিস প্রয়োজন হতে পারে।

ডায়ালাইসিস কিডনির বিকল্প হিসেবে রক্ত থেকে অতিরিক্ত বর্জ্য ও পানি অপসারণে সাহায্য করে। তবে কখন ডায়ালাইসিস শুরু করতে হবে, কত ঘন ঘন প্রয়োজন হবে এবং কোন ধরনের ডায়ালাইসিস উপযুক্ত—এসব সিদ্ধান্ত রোগীর সামগ্রিক অবস্থা ও পরীক্ষার ফলাফল বিবেচনা করে চিকিৎসক নির্ধারণ করেন।

৯. কিডনি-সংক্রান্ত বিভিন্ন জটিলতা

কিডনি রোগের সঙ্গে রক্তস্বল্পতা, শরীরে লবণের ভারসাম্য নষ্ট হওয়া, হাড়ের বিপাকের সমস্যা, রক্তচাপের পরিবর্তনসহ বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিতে পারে। এসব সমস্যার জন্য নিয়মিত চিকিৎসা ও ফলোআপ প্রয়োজন হতে পারে।


কখন কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন?

অনেক কিডনি রোগের শুরুতে তেমন কোনো লক্ষণ থাকে না। তাই শুধু উপসর্গ দেখা দেওয়ার অপেক্ষা না করে ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের নিয়মিত পরীক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ।

তবে নিচের কোনো সমস্যা থাকলে নেফ্রোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত—

প্রস্রাবের পরিবর্তন হলে

প্রস্রাবের পরিমাণে অস্বাভাবিক পরিবর্তন, বারবার প্রস্রাব হওয়া, রাতে অতিরিক্ত প্রস্রাব, প্রস্রাবে ফেনা, প্রস্রাবে রক্ত বা প্রস্রাব করতে গিয়ে অস্বস্তি হলে কারণটি খুঁজে দেখা প্রয়োজন।

সব ধরনের প্রস্রাবের সমস্যা কিডনি রোগের কারণে হয় না। তবে দীর্ঘদিন ধরে এমন সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

পা বা শরীর ফুলে গেলে

বিশেষ করে পা, গোড়ালি, মুখ বা চোখের চারপাশে অস্বাভাবিক ফোলা দেখা দিলে এর কারণ খুঁজে বের করা দরকার। কিডনি ছাড়াও হৃদযন্ত্র, লিভার বা অন্যান্য সমস্যার কারণে ফোলা হতে পারে।

রক্তে ক্রিয়েটিনিন বেড়ে গেলে

কোনো পরীক্ষায় Serum Creatinine বেড়ে গেলে নিজের মতো করে ওষুধ শুরু না করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কারণ ক্রিয়েটিনিন বৃদ্ধির পেছনে পানিশূন্যতা থেকে শুরু করে কিডনি রোগসহ বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে।

ডায়াবেটিস থাকলে

দীর্ঘদিনের ডায়াবেটিস কিডনি ক্ষতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে। তাই ডায়াবেটিস রোগীদের নিয়মিত কিডনি ফাংশন ও প্রস্রাবে অ্যালবুমিন/প্রোটিনের মতো পরীক্ষা করার প্রয়োজন হতে পারে।

উচ্চ রক্তচাপ থাকলে

দীর্ঘদিনের উচ্চ রক্তচাপ কিডনির ওপর প্রভাব ফেলতে পারে। আবার কিডনি রোগও উচ্চ রক্তচাপের কারণ হতে পারে। তাই দীর্ঘদিনের অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

প্রস্রাবে প্রোটিন পাওয়া গেলে

Urine test-এ প্রোটিন বা অ্যালবুমিন পাওয়া গেলে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা প্রয়োজন। বিশেষ করে বারবার পরীক্ষায় একই ফল পাওয়া গেলে নেফ্রোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।

আগে থেকেই কিডনি রোগ থাকলে

যাদের আগে থেকেই কিডনি রোগ ধরা পড়েছে, তাদের নিয়মিত ফলোআপ করা প্রয়োজন। রোগের পর্যায় অনুযায়ী রক্ত পরীক্ষা, প্রস্রাব পরীক্ষা, রক্তচাপ পর্যবেক্ষণ এবং ওষুধের সমন্বয় প্রয়োজন হতে পারে।


কিডনি রোগের লক্ষণ কী কী?

কিডনি রোগের লক্ষণ রোগের ধরন ও পর্যায়ের ওপর নির্ভর করে। প্রাথমিক পর্যায়ে অনেক রোগীর কোনো লক্ষণ নাও থাকতে পারে।

রোগ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে কিছু মানুষের ক্ষেত্রে দেখা দিতে পারে—

  • প্রস্রাবের পরিমাণ বা ধরনে পরিবর্তন

  • প্রস্রাবে অতিরিক্ত ফেনা

  • প্রস্রাবে রক্ত

  • পা, গোড়ালি বা মুখ ফুলে যাওয়া

  • দুর্বলতা ও অতিরিক্ত ক্লান্তি

  • বমি বমি ভাব

  • ক্ষুধামন্দা

  • চুলকানি

  • শ্বাসকষ্ট

  • উচ্চ রক্তচাপ

  • ঘুমের সমস্যা

তবে এসব লক্ষণ থাকলেই কিডনি রোগ হয়েছে—এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। সঠিক কারণ জানতে চিকিৎসকের মূল্যায়ন প্রয়োজন।


কিডনি ভালো রাখতে কী করবেন?

কিডনি ভালো রাখার জন্য কোনো একটি বিশেষ খাবার বা ওষুধের ওপর নির্ভর না করে সামগ্রিক স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন গুরুত্বপূর্ণ।

রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস থাকলে তা নিয়ন্ত্রণে রাখা, ধূমপান এড়িয়ে চলা, অতিরিক্ত লবণ গ্রহণ কমানো, শরীরের ওজন স্বাস্থ্যকর পর্যায়ে রাখা এবং নিয়মিত শারীরিকভাবে সক্রিয় থাকা উপকারী।

অতিরিক্ত বা অপ্রয়োজনে ব্যথানাশক ওষুধ খাওয়ার অভ্যাসও এড়িয়ে চলা উচিত। বিশেষ করে দীর্ঘদিন কোনো ওষুধ সেবনের প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া ভালো।

যাদের ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, পারিবারিকভাবে কিডনি রোগের ইতিহাস বা আগে থেকেই কিডনি-সংক্রান্ত সমস্যা রয়েছে, তাদের নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা আরও গুরুত্বপূর্ণ।


কিডনি রোগ নির্ণয়ে কী কী পরীক্ষা করা হয়?

রোগীর উপসর্গ ও শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে চিকিৎসক বিভিন্ন পরীক্ষা দিতে পারেন। যেমন—

Serum Creatinine: কিডনির কার্যক্ষমতা মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ একটি রক্ত পরীক্ষা।

eGFR: কিডনি কতটা কার্যকরভাবে রক্ত ফিল্টার করছে, তা অনুমান করতে ব্যবহার করা হয়।

Urine R/E: প্রস্রাবে রক্ত, প্রোটিন, সংক্রমণের কিছু লক্ষণসহ বিভিন্ন পরিবর্তন দেখতে সাহায্য করে।

Urine ACR: প্রস্রাবে অ্যালবুমিনের পরিমাণ মূল্যায়নে ব্যবহৃত হয়।

প্রয়োজন অনুযায়ী কিডনির আল্ট্রাসনোগ্রাম, অন্যান্য ইমেজিং পরীক্ষা বা আরও বিশেষায়িত পরীক্ষাও লাগতে পারে।

কোন পরীক্ষা প্রয়োজন হবে, সেটি রোগীর ইতিহাস ও প্রাথমিক পরীক্ষার ফল দেখে চিকিৎসক নির্ধারণ করেন।


কেন ডাঃ মোঃ সাফায়েত হোসেন প্রামানিক এর পরামর্শ নিবেন

রাজশাহীতে কিডনি রোগের জন্য বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ খুঁজছেন এমন রোগীরা ডাঃ মোঃ সাফায়েত হোসেন প্রামানিক এর পরামর্শ নিতে পারেন।

  • তিনি রোগীর প্রতি খুব যত্নশীল ও বিনয়ী।

  • প্রতিটি রোগীর কথা তিনি অনেক গুরুত্ব দিয়ে শোনেন।

  • অনেক সময় নিয়ে রোগীকে পর্যালোচনা করে চিকিৎসা দেন।

  • তার রয়েছে প্রায় ১৭ বছরের চিকিৎসার অভিজ্ঞতা।

  • চিকিৎসা পরবর্তী ফলো-আপ করেন।


ডাঃ মোঃ সাফায়েত হোসেন প্রামানিক-এর চেম্বার

চেম্বার ১

দি এ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টার, রাজশাহী


সময়: বিকাল ৩টা থেকে ৫টা

চেম্বার ২

পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লি: রাজশাহী


সময়: প্রতিদিন বিকাল ৫টা – রাত ১০টা
শুক্রবার বন্ধ


ডাঃ মোঃ সাফায়েত হোসেন প্রামানিক সম্পর্কে কিছু প্রশ্ন ও উত্তর


১. ডাঃ মোঃ সাফায়েত হোসেন প্রামানিক কোন বিষয়ের ডাক্তার?

ডাঃ মোঃ সাফায়েত হোসেন প্রামানিক একজন নেফ্রোলজিস্ট। তিনি কিডনি রোগ, ডায়ালাইসিস ও সংশ্লিষ্ট মেডিসিন বিষয়ে রোগীদের পরামর্শ দিয়ে থাকেন।

২. তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা কী?

তিনি এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (নেফ্রোলজি) ডিগ্রিধারী। তাঁর নেফ্রোলজি বিষয়ে উচ্চতর শিক্ষা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল)-এর সঙ্গে সম্পর্কিত।

৩. তিনি কোথায় কর্মরত?

তিনি সহকারী অধ্যাপক, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল হিসেবে কর্মরত।

৪. কিডনি রোগের জন্য কখন নেফ্রোলজিস্ট দেখাব?

প্রস্রাবে প্রোটিন বা রক্ত, কিডনির কার্যক্ষমতা কমে যাওয়া, ক্রিয়েটিনিন বেড়ে যাওয়া, শরীর ফুলে যাওয়া, দীর্ঘদিনের কিডনি রোগ, ডায়াবেটিস বা উচ্চ রক্তচাপের সঙ্গে কিডনি-সংক্রান্ত সমস্যা থাকলে নেফ্রোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।

৫. ডায়ালাইসিস রোগীরা কি তাঁর পরামর্শ নিতে পারেন?

কিডনি রোগের অগ্রগতি, ডায়ালাইসিস-সংক্রান্ত চিকিৎসা পরিকল্পনা এবং রোগীর সামগ্রিক অবস্থা মূল্যায়নের জন্য নেফ্রোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে।

৬. ডায়াবেটিস থাকলে কিডনি পরীক্ষা করা দরকার কি?

হ্যাঁ। দীর্ঘদিনের ডায়াবেটিস কিডনি ক্ষতির ঝুঁকি বাড়াতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী কিডনি ফাংশন এবং প্রস্রাবে অ্যালবুমিন/প্রোটিন পরীক্ষা করা হতে পারে।

৭. ক্রিয়েটিনিন বেড়ে গেলে কী করবেন?

ক্রিয়েটিনিন বৃদ্ধির কারণ একাধিক হতে পারে। তাই শুধু রিপোর্ট দেখে নিজে থেকে ওষুধ না খেয়ে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। প্রয়োজন হলে নেফ্রোলজিস্ট বিস্তারিত মূল্যায়ন করতে পারেন।

৮. প্রস্রাবে ফেনা হলে কি কিডনি রোগ হয়েছে?

প্রস্রাবে ফেনা হওয়ার বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। তবে যদি নিয়মিত বা দীর্ঘদিন ফেনাযুক্ত প্রস্রাব হয়, বিশেষ করে সঙ্গে শরীর ফুলে যাওয়া বা অন্য কোনো উপসর্গ থাকে, তাহলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা ভালো।

৯. ডাঃ মোঃ সাফায়েত হোসেন প্রামানিক কোথায় রোগী দেখেন?

তিনি দি এ্যাপোলো ডায়াগনস্টিক সেন্টার, রাজশাহী এবং পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লি: রাজশাহী-তে রোগী দেখেন।

১০. পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে তাঁর রোগী দেখার সময় কখন?

প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী তিনি প্রতিদিন বিকাল ৫টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত রোগী দেখেন এবং শুক্রবার বন্ধ।




রাজশাহীতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন Doctor Service BD এর মাধ্যমে।

হটলাইন নম্বরঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪



Related Articles

Continue reading in কিডনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহী

blog-image কিডনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহী
কিডনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহী

রাজশাহীর সেরা কিডনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার খুঁজছেন? Nephrologist doctor Rajshahi, কিডনি রোগের চিকিৎসা, ডায়ালাইসিস ও সিরিয়াল নে...

blog-image কিডনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহী
ডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিন নেফ্রোলজিস্ট

কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ রাজশাহীডাঃ মোঃ নাসির উদ্দিনএমবিবিএস,বিসিএস, এমডি (নেফ্রোলজি)কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞসহকারী অধ্যাপক  (নেফ্রো...

blog-image কিডনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহী
কিডনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহী

রাজশাহীর অভিজ্ঞ কিডনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন। কিডনি রোগ, পাথর, ফোলা বা প্রস্রাবজনিত সমস্যায় আধুনিক চিকিৎসা ও নির...

blog-image কিডনি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহী
ডাঃ দেবাশিস মজুমদার

মেডিসিন ও কিডনি রোগ বিশেষজ্ঞ রাজশাহীডাঃ দেবাশিস মজুমদারএমবিবিএস, বিসিএস, এফসিপিএস (মেডিসিন) এমডি (নেফ্রোলজি)মেডিসিন ও কি...

Emergency Contact

Emergency Call +880 1723-025514

Emergency E-mail

24/7 Email Support [email protected]

- OR -