দুই বছরের বাচ্চার কৃমির ঔষধ খাওয়ার নিয়ম | শিশুর কৃমি প্রতিরোধে করণীয়
দুই বছরের বাচ্চার কৃমির ঔষধ খাওয়ার নিয়ম • 06 Nov,2025 • 👁 11,546 Views
Category: শিশু স্বাস্থ্য বার্তা
২ বছরের বাচ্চাকে কখন ও কীভাবে কৃমির ওষুধ খাওয়াবেন জানুন। সঠিক ডোজ, সময় ও কৃমি প্রতিরোধের উপায়সহ বিস্তারিত পড়ুন
২ বছরের বাচ্চার কৃমির ঔষধ খাওয়ার নিয়ম
বাচ্চাদের পেটের কৃমি আমাদের দেশে খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। কৃমি হলে বাচ্চার ওজন বাড়ে না, ক্ষুধা কমে যায়, পেট ব্যথা বা ফুলে থাকে, এমনকি রক্তশূন্যতাও হতে পারে। তাই নির্দিষ্ট সময় পরপর কৃমির ওষুধ খাওয়ানো খুবই জরুরি।
কখন থেকে কৃমির ওষুধ খাওয়ানো যায়?
সাধারণত ১ বছর বয়স পার হওয়ার পর থেকেই শিশুদের কৃমির ওষুধ খাওয়ানো যায়। তাই ২ বছরের বাচ্চা নিয়মিতভাবে কৃমির ওষুধ খেতে পারবে।
কোন ওষুধ খাওয়াতে হয়?
শিশুদের জন্য নিরাপদ ও কার্যকর কিছু কৃমিনাশক ওষুধ হলো:
Mebendazole (মেবেন্ডাজল)
Albendazole (অ্যালবেন্ডাজল)
এই ওষুধগুলো সাধারণত সাসপেনশন (syrup) আকারে পাওয়া যায়, যা ছোট বাচ্চাদের জন্য সহজে খাওয়ানো যায়।
কখন ও কীভাবে খাওয়াতে হবে?
ডোজঃ
২ বছর বয়সী বাচ্চার জন্য সাধারণত ২০০ মি.গ্রা. Albendazole বা Mebendazole 100 মি.গ্রা. একবার খাওয়ানো হয়।
তবে সঠিক মাত্রা (dose) শিশুর ওজন অনুযায়ী ডাক্তারের পরামর্শে নির্ধারণ করা উচিত।
খাওয়ার সময়ঃ
কৃমির ওষুধ সাধারণত খাওয়ার পর দেওয়া হয়।
ওষুধের পর পানি বা দুধ খাওয়ানো যেতে পারে।
খাওয়ার বিরতি
বছরে ২ বার (প্রতি ৬ মাসে একবার) কৃমির ওষুধ খাওয়ানো উচিত।
যদি শিশুর কৃমির সমস্যা বেশি হয়, ডাক্তার ৩ মাস পর আবার খাওয়াতে বলতে পারেন।
আরও পড়ুনঃ শিশুদের কৃমির ঔষধ খাওয়ার নিয়ম
কিছু সতর্কতা
ওষুধ ডাক্তারের পরামর্শে দিন, নিজে থেকে ব্র্যান্ড বেছে নেবেন না।
বাচ্চা যদি অসুস্থ থাকে (জ্বর, বমি, পেট খারাপ ইত্যাদি), তখন ওষুধ না খাওয়ানোই ভালো।
ওষুধ খাওয়ার পর হালকা পেটব্যথা বা বমি হতে পারে, সাধারণত ভয় পাওয়ার কিছু নেই।
কৃমি প্রতিরোধে যেসব অভ্যাস গড়ে তুলবেন
বাচ্চাকে নিয়মিত হাত ধোয়ার অভ্যাস শেখান।
নখ ছোট রাখুন।
কাঁচা ফল বা সবজি ভালোভাবে ধুয়ে দিন।
নোংরা মাটি বা বালুতে খেলার পর হাত-মুখ ভালো করে ধুয়ে দিন।
সবাইকে পরিবারসহ কৃমির ওষুধ খাওয়ান— শুধু শিশুকে নয়।
কৃমি বাচ্চার শারীরিক ও মানসিক বিকাশে বাধা দিতে পারে। তাই নির্দিষ্ট সময় পরপর কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়ানো একটি অভ্যাসে পরিণত করুন।
তবে শিশুর বয়স, ওজন ও স্বাস্থ্যের অবস্থা অনুযায়ী ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া সবসময় নিরাপদ।
Related Articles
Continue reading in শিশু স্বাস্থ্য বার্তা
শিশু স্বাস্থ্য বার্তা
শিশু স্বাস্থ্য বার্তা
শিশু স্বাস্থ্য বার্তা
শিশু স্বাস্থ্য বার্তা