ডাঃ নিলয় কুমার প্রামানিক | অর্থোপেডিক ডাক্তার রাজশাহী
ডাঃ নিলয় কুমার প্রামানিক • 23 Oct,2025 • 👁 8,825 Views
Category: হাড় বিশেষজ্ঞ ডাক্তার
রাজশাহীতে হাড়জোড়, বাতব্যথা, মেরুদণ্ড ও ট্রমা চিকিৎসার জন্য ডাঃ নিলয় কুমার প্রামানিকের যোগ্যতা, বিশেষজ্ঞতা ও ল্যাবএইড রাজশাহীর চেম্বারের সময়সূচি জানুন।
ডাঃ নিলয় কুমার প্রামানিক
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য),এমএস (অর্থোপেডিকস)
নিটোর/পঙ্গু হাসপাতাল, ঢাকা
হাড়জোড়, বাতব্যথা, স্পাইন বিশেষজ্ঞ ও ট্রমা সার্জন
কনসালটেন্ট ল্যাবএইড রাজশাহী
ডাঃ নিলয় কুমার প্রামানিক — হাড়জোড়, বাতব্যথা ও স্পাইন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহী
হাড়, জোড়, মেরুদণ্ড বা স্পাইনের ব্যথা এবং দুর্ঘটনাজনিত আঘাত মানুষের দৈনন্দিন জীবনকে বেশ কঠিন করে তুলতে পারে। হাঁটাচলা করতে অসুবিধা, কোমর বা ঘাড়ে দীর্ঘদিন ব্যথা, হাঁটুতে ব্যথা কিংবা হাড় ভেঙে যাওয়ার মতো সমস্যায় সঠিক সময়ে উপযুক্ত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।
রাজশাহীতে হাড়জোড়, অর্থোপেডিকস, বাতব্যথা, স্পাইন ও ট্রমা সার্জারি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সন্ধান করছেন এমন রোগীদের জন্য ডাঃ নিলয় কুমার প্রামানিক এক বিস্বস্ত ও আস্থার নাম। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতা, কর্মস্থল, বিশেষজ্ঞতার ক্ষেত্র, চেম্বারের ঠিকানা, রোগী দেখার সময় ও ভিজিট ফি সম্পর্কে প্রয়োজনীয় তথ্য নিচে তুলে ধরা হলো।
ডাঃ নিলয় কুমার প্রামানিকের শিক্ষাগত যোগ্যতা ও পদবী
ডাঃ নিলয় কুমার প্রামানিক
হাড়জোড়, বাতব্যথা, স্পাইন বিশেষজ্ঞ ও ট্রমা সার্জন
শিক্ষাগত যোগ্যতা
এমবিবিএস (MBBS)
বিসিএস (স্বাস্থ্য)
এমএস (অর্থোপেডিকস)
প্রশিক্ষণ/প্রতিষ্ঠান
নিটোর (NITOR)/পঙ্গু হাসপাতাল, ঢাকা
বর্তমান পদবী ও কর্মস্থল
কনসালটেন্ট, ল্যাবএইড রাজশাহী
এমএস (অর্থোপেডিকস) হলো অর্থোপেডিক সার্জারিতে উচ্চতর স্নাতকোত্তর ডিগ্রি। এই চিকিৎসাবিদ্যার শাখায় হাড়, জোড়, পেশি, লিগামেন্ট, টেন্ডন ও মেরুদণ্ডের বিভিন্ন রোগ এবং আঘাতের মূল্যায়ন ও চিকিৎসা করা হয়।
ডাঃ নিলয় কুমার প্রামানিক যেসব রোগের চিকিৎসা দেন?
অর্থোপেডিকস বিশেষজ্ঞের চিকিৎসার আওতায় হাড়, জোড়, মেরুদণ্ড এবং আঘাতজনিত বিভিন্ন সমস্যা পড়ে। ডাঃ নিলয় কুমার প্রামানিকের যেসকল চিকিৎসা দেন সেসব রোগ ও সমস্যাগুলোর সংক্ষিপ্ত বিবরণ নিচে দেওয়া হলো।
১. হাড় ভেঙে যাওয়া (Bone Fracture)
দুর্ঘটনা, পড়ে যাওয়া বা আঘাতের কারণে হাড়ে ফাটল ধরতে পারে কিংবা হাড় সম্পূর্ণ ভেঙে যেতে পারে। আক্রান্ত স্থানে তীব্র ব্যথা, ফোলা, নড়াচড়ায় অসুবিধা এবং কখনো অস্বাভাবিক আকৃতি দেখা যায়। হাড়ের ধরন ও আঘাতের মাত্রা অনুযায়ী চিকিৎসক প্লাস্টার, স্প্লিন্ট বা অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দিতে পারেন।
২. জয়েন্ট বা জোড়ের ব্যথা (Joint Pain)
হাঁটু, কাঁধ, কনুই, কবজি, গোড়ালি ও অন্যান্য জোড়ে ব্যথা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। আঘাত, প্রদাহ, বয়সজনিত ক্ষয় কিংবা জয়েন্টের রোগ এর কারণ হতে পারে। ব্যথার পাশাপাশি ফোলা, শক্তভাব বা নড়াচড়ার সীমাবদ্ধতা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
৩. হাঁটুর ব্যথা ও অস্টিওআর্থ্রাইটিস (Knee Pain and Osteoarthritis)
হাঁটুর কার্টিলেজ ধীরে ধীরে ক্ষয় হয়ে গেলে অস্টিওআর্থ্রাইটিস হতে পারে। এতে হাঁটাচলা, সিঁড়ি দিয়ে ওঠানামা বা দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকার সময় ব্যথা বাড়তে পারে। প্রয়োজন অনুযায়ী শারীরিক পরীক্ষা, এক্স-রে, ব্যায়াম, ওজন নিয়ন্ত্রণ, ওষুধ অথবা অন্যান্য চিকিৎসার পরামর্শ দেওয়া হয়।
৪. বাতব্যথা ও রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস (Arthritis)
বাতব্যথা বলতে বিভিন্ন ধরনের জয়েন্টের ব্যথা ও প্রদাহকে বোঝানো হয়। রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস একটি প্রদাহজনিত রোগ, যাতে জয়েন্টে ব্যথা, ফোলা এবং সকালে দীর্ঘসময় শক্তভাব থাকতে পারে। অন্যদিকে অস্টিওআর্থ্রাইটিস সাধারণত জয়েন্টের ক্ষয়জনিত সমস্যা। রোগের ধরন অনুযায়ী চিকিৎসা নির্ধারণ করা প্রয়োজন।
বিশেষ দ্রষ্টব্য: প্রদাহজনিত বাতের সন্দেহ হলে রিউমাটোলজিস্টের মূল্যায়ন প্রয়োজন হতে পারে। সব ধরনের বাতের চিকিৎসা শুধু অর্থোপেডিক চিকিৎসার আওতায় সীমাবদ্ধ নয়।
৫. কোমরব্যথা (Low Back Pain)
দীর্ঘক্ষণ বসে কাজ করা, পেশিতে টান, মেরুদণ্ডের ডিস্কের সমস্যা কিংবা অন্যান্য কারণে কোমরব্যথা হতে পারে। ব্যথা কয়েক দিনেও না কমলে, বারবার হলে বা দৈনন্দিন কাজে বাধা সৃষ্টি করলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
৬. ঘাড়ব্যথা ও সার্ভাইক্যাল স্পন্ডিলোসিস (Neck Pain)
ঘাড়ের হাড় ও ডিস্কে বয়সজনিত পরিবর্তন, পেশির টান বা স্নায়ুতে চাপের কারণে ঘাড়ব্যথা হতে পারে। ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়া, কাঁধে ব্যথা কিংবা হাতে ঝিনঝিন অনুভূতি দেখা দিতে পারে। সঠিক কারণ নির্ণয়ের পর চিকিৎসা নেওয়া প্রয়োজন।
৭. স্লিপ ডিস্ক বা ডিস্ক প্রোল্যাপ্স (Slipped Disc)
মেরুদণ্ডের দুটি কশেরুকার মাঝখানে থাকা ডিস্কের অংশ বাইরে বেরিয়ে স্নায়ুর ওপর চাপ সৃষ্টি করলে ব্যথা, ঝিনঝিন বা অসাড়তা দেখা দিতে পারে। কোমরের ডিস্কের সমস্যায় ব্যথা নিতম্ব থেকে পা পর্যন্ত ছড়িয়ে যেতে পারে। চিকিৎসা রোগের তীব্রতা ও স্নায়ুর অবস্থার ওপর নির্ভর করে।
৮. সায়াটিকা বা স্নায়ুতে চাপজনিত ব্যথা (Sciatica)
সায়াটিক স্নায়ুতে চাপ বা জ্বালাপোড়া সৃষ্টি হলে কোমর বা নিতম্ব থেকে এক পায়ের দিকে ব্যথা ছড়িয়ে পড়তে পারে। কখনো পায়ে ঝিনঝিন, অসাড়তা বা দুর্বলতাও দেখা যায়। দীর্ঘস্থায়ী বা বাড়তে থাকা উপসর্গের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের মূল্যায়ন প্রয়োজন।
৯. জয়েন্ট সরে যাওয়া (Joint Dislocation)
দুর্ঘটনা বা আঘাতের ফলে জয়েন্টের হাড় স্বাভাবিক অবস্থান থেকে সরে গেলে তাকে ডিসলোকেশন বলে। কাঁধ, কনুই বা অন্যান্য জয়েন্টে এ সমস্যা হতে পারে। তীব্র ব্যথা ও বিকৃতি দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। নিজে থেকে জয়েন্ট বসানোর চেষ্টা করা উচিত নয়।
১০. অস্টিওপোরোসিস বা হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়া (Osteoporosis)
অস্টিওপোরোসিসে হাড়ের ঘনত্ব ও শক্তি কমে যায়। ফলে সামান্য পড়ে যাওয়া বা আঘাতেও হাড় ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। বয়স বৃদ্ধি, হরমোনজনিত পরিবর্তন, পুষ্টির ঘাটতি এবং কিছু ওষুধ এর সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে। প্রয়োজন অনুযায়ী হাড়ের ঘনত্ব পরীক্ষা ও চিকিৎসা করা হয়।
১১. দুর্ঘটনাজনিত হাড় ও মাংসপেশির আঘাত (Trauma and Orthopedic Injuries)
সড়ক দুর্ঘটনা, খেলাধুলা, পড়ে যাওয়া কিংবা কর্মক্ষেত্রে আঘাতের কারণে হাড়, জয়েন্ট, লিগামেন্ট ও টেন্ডনের ক্ষতি হতে পারে। আঘাতের ধরন অনুযায়ী পরীক্ষা, ক্ষত পরিচর্যা, স্থিতিশীলকরণ বা অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে।
১২. মেরুদণ্ডের অন্যান্য সমস্যা (Spinal Disorders)
মেরুদণ্ডের হাড়, ডিস্ক, জয়েন্ট ও আশপাশের টিস্যুতে বিভিন্ন সমস্যা হতে পারে। দীর্ঘস্থায়ী পিঠব্যথা, চলাচলে অসুবিধা কিংবা স্নায়ুতে চাপের লক্ষণ দেখা দিলে মূল্যায়ন প্রয়োজন। চিকিৎসা নির্ভর করে সমস্যার কারণ, তীব্রতা ও পরীক্ষার ফলাফলের ওপর।
জরুরি সতর্কতা: কোমরব্যথার সঙ্গে হঠাৎ পা দুর্বল হয়ে যাওয়া, দুই পায়ের মাঝখানে অসাড়তা অথবা প্রস্রাব-পায়খানা নিয়ন্ত্রণে নতুন সমস্যা দেখা দিলে অবিলম্বে জরুরি বিভাগে যেতে হবে।
রাজশাহীতে হাড়জোড় বিশেষজ্ঞ ডাক্তার কখন দেখাবেন?
নিচের সমস্যাগুলো থাকলে রাজশাহীতে একজন অর্থোপেডিকস বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যেতে পারে:
হাড় বা জয়েন্টে দীর্ঘদিন ধরে ব্যথা থাকা।
হাঁটু, কোমর, ঘাড় বা কাঁধের ব্যথায় স্বাভাবিক চলাফেরা ব্যাহত হওয়া।
পড়ে যাওয়া বা দুর্ঘটনার পর হাড়ে আঘাত লাগা।
জয়েন্ট ফুলে যাওয়া বা নড়াচড়ায় বাধা সৃষ্টি হওয়া।
কোমর থেকে পায়ে ব্যথা ছড়িয়ে পড়া।
হাত-পায়ে ঝিনঝিন, অসাড়তা বা দুর্বলতা অনুভব করা।
হাড়ের ঘনত্ব কমে যাওয়া বা বারবার হাড় ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি থাকা।
তীব্র আঘাত, হাড় বাইরে বেরিয়ে আসা, অঙ্গের রক্ত চলাচল কমে যাওয়ার লক্ষণ অথবা নতুন স্নায়বিক দুর্বলতা দেখা দিলে নিয়মিত চেম্বারের সময়ের জন্য অপেক্ষা না করে জরুরি চিকিৎসা নিতে হবে।
রাজশাহীতে ডাঃ নিলয় কুমার প্রামানিকের চেম্বারের ঠিকানা
চেম্বারঃ
ল্যাবএইড ডায়াগনস্টিক সেন্টার
ঠিকানাঃ লক্ষীপুর, রাজশাহী
রোগী দেখার সময়ঃ দুপুর ২:৩০টা থেকে রাত ৯টা
সাপ্তাহিক বন্ধঃ বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার
প্রথমবার ভিজিট ফি: ৭০০ টাকা
দ্বিতীয়বার ভিজিট ফি: ৫০০ টাকা
চেম্বারে যাওয়ার আগে রোগী দেখার সময় ও ভিজিট ফি বর্তমানেও একই আছে কি না নিশ্চিত করে নেওয়া ভালো। চেম্বারের ঠিকানা ও সময়সূচি পরিবর্তিত হতে পারে।
ডাঃ নিলয় কুমার প্রামানিকের কাছে যাওয়ার আগে যা প্রস্তুত রাখবেন
চিকিৎসকের পরামর্শ আরও কার্যকর করতে কয়েকটি বিষয় আগে থেকে প্রস্তুত রাখা উপকারী।
আগে করা এক্স-রে, এমআরআই, সিটি স্ক্যান বা অন্যান্য পরীক্ষার রিপোর্ট সঙ্গে নিন।
বর্তমানে যেসব ওষুধ খাচ্ছেন, সেগুলোর নাম বা প্রেসক্রিপশন নিয়ে যান।
ব্যথা কখন শুরু হয়েছে, কোথায় হয় এবং কোন কাজে বাড়ে—এসব তথ্য মনে রাখুন।
আগে কোনো অস্ত্রোপচার বা বড় ধরনের আঘাত হয়ে থাকলে চিকিৎসককে জানান।
ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ বা অন্য দীর্ঘমেয়াদি রোগ থাকলে সে সম্পর্কে তথ্য দিন।
এগুলো চিকিৎসককে রোগীর সমস্যা বুঝতে এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষা ও চিকিৎসা পরিকল্পনা নির্ধারণে সাহায্য করতে পারে।
সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
১. ডাঃ নিলয় কুমার প্রামানিক কোন বিষয়ের বিশেষজ্ঞ?
তিনি হাড়জোড়, বাতব্যথা, স্পাইন বিশেষজ্ঞ ও ট্রমা সার্জন হিসেবে পরিচিত। তাঁর শিক্ষাগত যোগ্যতার মধ্যে এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) ও এমএস (অর্থোপেডিকস) রয়েছে।
২. রাজশাহীতে ডাঃ নিলয় কুমার প্রামানিক কোথায় রোগী দেখেন?
তিনি রাজশাহীর লক্ষীপুরে অবস্থিত ল্যাবএইড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগী দেখেন।
৩. ডাঃ নিলয় কুমার প্রামানিকের চেম্বারের সময় কতটা?
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, তিনি দুপুর ২:৩০টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত রোগী দেখেন। বৃহস্পতিবার ও শুক্রবার চেম্বার বন্ধ।
৪. ডাঃ নিলয় কুমার প্রামানিকের ভিজিট ফি কত?
প্রদত্ত তথ্য অনুযায়ী, প্রথমবার ভিজিট ফি ৭০০ টাকা এবং দ্বিতীয়বার ভিজিট ফি ৫০০ টাকা।
৫. কোমরব্যথার জন্য কি অর্থোপেডিকস বিশেষজ্ঞ দেখানো যায়?
হ্যাঁ। কোমরব্যথা হাড়, পেশি, জয়েন্ট বা মেরুদণ্ডের বিভিন্ন সমস্যার কারণে হতে পারে। উপসর্গ অনুযায়ী অর্থোপেডিকস বা স্পাইন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া যায়।
৬. হাঁটুর ব্যথার জন্য কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত?
হাঁটুর ব্যথা দীর্ঘস্থায়ী হলে, হাঁটাচলায় সমস্যা হলে, বারবার ফুলে গেলে অথবা আঘাতের পর ব্যথা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
৭. স্লিপ ডিস্ক হলে কি অস্ত্রোপচার প্রয়োজন?
সব ক্ষেত্রে নয়। অনেক রোগীর ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার ছাড়াই চিকিৎসা সম্ভব। তবে স্নায়ুর ওপর চাপ, উপসর্গের তীব্রতা এবং চিকিৎসায় সাড়া দেওয়ার ওপর পরবর্তী পদক্ষেপ নির্ভর করে।
৮. হাড় ভেঙে গেলে কী করা উচিত?
আক্রান্ত অঙ্গ যতটা সম্ভব স্থির রাখুন এবং দ্রুত চিকিৎসা নিন। ভাঙা হাড় নিজে থেকে সোজা করা বা জয়েন্ট বসানোর চেষ্টা করবেন না।
৯. ডাঃ নিলয় কুমার প্রামানিক কি স্পাইন বা মেরুদণ্ডের সমস্যার চিকিৎসা করেন?
তাঁর প্রদত্ত বিশেষজ্ঞতার মধ্যে স্পাইন অন্তর্ভুক্ত। কোমরব্যথা, ঘাড়ব্যথা ও মেরুদণ্ড-সম্পর্কিত সমস্যার জন্য তাঁর পরামর্শ নেওয়ার বিষয়টি বিবেচনা করা যেতে পারে।
১০. চেম্বারে যাওয়ার আগে কি সময়সূচি নিশ্চিত করা উচিত?
হ্যাঁ। যাতায়াতের আগে চেম্বারের বর্তমান সময়সূচি, ভিজিট ফি ও অ্যাপয়েন্টমেন্টের নিয়ম নিশ্চিত করে নেওয়া ভালো।
রাজশাহীতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন Doctor Service BD এর মাধ্যমে।
হটলাইন নম্বরঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪
Related Articles
Continue reading in হাড় বিশেষজ্ঞ ডাক্তার
হাড় বিশেষজ্ঞ ডাক্তার
হাড় বিশেষজ্ঞ ডাক্তার
হাড় বিশেষজ্ঞ ডাক্তার
হাড় বিশেষজ্ঞ ডাক্তার