জরায়ু মুখের ক্যান্সার হওয়ার কারণ
জরায়ু মুখের ক্যান্সার • 21 Jul,2025 • 👁 8,343 Views
Category: Uncategorized
জরায়ু মুখের ক্যান্সার, যাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে Cervical Cancer বলা হয়, এটি নারীদের একটি গুরুতর স্বাস্থ্য সমস্যা। বিশ্বজুড়ে নারীদের মধ্যে ক্যান্সারজনিত মৃত্যুর একটি বড় অংশ এ রোগের কারণে হয়, বিশেষ করে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সচেতনতার অভাবে এর প্রকোপ বেশি। তবে সময়মতো ধরা পড়লে এবং সঠিক চিকিৎসা নিলে এটি প্রতিরোধযোগ্য ও নিরাময়যোগ্য।
জরায়ু মুখের ক্যান্সার কী?
জরায়ু বা গর্ভাশয়ের নিচের সরু অংশকে জরায়ু মুখ (Cervix) বলা হয়, যেখান থেকে যোনিপথ শুরু হয়। এই অংশের কোষগুলো যখন অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গিয়ে ক্যান্সারে রূপ নেয়, তখন তাকে জরায়ু মুখের ক্যান্সার বলা হয়।
জরায়ু মুখের ক্যান্সার হওয়ার কারণ সমূহ
১. HPV (Human Papillomavirus) সংক্রমণ
এটি জরায়ু মুখের ক্যান্সারের সবচেয়ে বড় কারণ।
বিশেষ করে HPV-16 এবং HPV-18 টাইপের ভাইরাসগুলো ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি অনেক গুণ বাড়িয়ে দেয়।
২. প্রারম্ভিক বয়সে সহবাস
অল্প বয়সে যৌন জীবন শুরু করলে HPV সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ে, যা পরবর্তীতে ক্যান্সারের দিকে নিয়ে যেতে পারে।
৩. অসংরক্ষিত যৌন সম্পর্ক ও একাধিক যৌন সঙ্গী
এই কারণে HPV ছাড়াও অন্যান্য যৌনবাহিত সংক্রমণের ঝুঁকিও বাড়ে, যা ক্যান্সারের আশঙ্কা বৃদ্ধি করে।
৪. দীর্ঘদিন গর্ভনিরোধক বড়ি সেবন
গবেষণায় দেখা গেছে, একটানা বহু বছর পিল খেলে জরায়ু মুখের কোষে পরিবর্তন আসতে পারে।
৫. দীর্ঘস্থায়ী মানসিক ও শারীরিক দুর্বলতা (ইমিউন কম থাকা)
যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা দুর্বল (যেমন এইডস আক্রান্তরা), তাদের ক্যান্সার হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
৬. ধূমপান
নারীদের ক্ষেত্রে ধূমপান জরায়ু মুখের কোষে ক্ষতিকর রাসায়নিকের প্রভাব ফেলে, যা জরায়ু
জরায়ু মুখের ক্যান্সার এর চিকিৎসা সেবা পেতে বিশেষজ্ঞ স্ত্রী রোগ ডাক্তার এর সাথে পরামর্শ করুন। রাজশাহীর সেরা স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার হলেন,
ডঃ নূর-ই-আতিয়া লাভলি
ডাঃ নাসরিন বেগম ডটি
ডাঃ আতিয়া সুলতানা
ডাঃ তাহসিনা শামীম তাসু
উক্ত ডাক্তারগণ নিয়মিত রাজশাহীর বিভিন্ন ডায়গনস্টিক সেন্টারে তাদের রোগীদের সিরিয়াল এর মাধ্যমে চিকিৎসা সেবা দেওয়া আসছেন। তাই চিকিৎসা সেবা পেতে আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন ০১৭২৩০২৫৫১৪ এই নাম্বারে।
জরায়ু মুখের ক্যান্সার একটি নীরব ঘাতক হলেও সচেতনতা, সময়মতো পরীক্ষা এবং প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের মাধ্যমে এটি প্রায় শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য। HPV ভাইরাসের বিরুদ্ধে টিকা এবং Pap test নারীস্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে জীবনরক্ষাকারী হয়ে উঠতে পারে। তাই নিজে সচেতন হন এবং অন্যান্য নারীদেরও সচেতন করুন।
Related Articles
Continue reading from our latest posts
হৃদরোগ
রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ রাজশাহী
Diagonstic Rajshahi
Uncategorized