Your Premier Destination for Personalized Healthcare Solutions

ইকো টেস্ট কেন করা হয়, ইকো রিপোর্ট কীভাবে বুঝবেন?

ইকো টেস্ট • 21 Jul,2026 • 👁 1,424 Views

Category: হৃদরোগ

Logo

ইকো টেস্ট (Echocardiography) কী, কেন করা হয়, কীভাবে করা হয়, ইকো রিপোর্ট কীভাবে বুঝবেন, EF কত হলে স্বাভাবিক, রিপোর্টের গুরুত্বপূর্ণ টার্মগুলোর অর্থ, কখন ইকো টেস্ট করা উচিত এবং কোন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখাবেন—এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানুন।



ইকো টেস্ট (Echocardiography) কী?

ইকো টেস্ট (Echocardiography) হলো হৃদপিণ্ডের একটি গুরুত্বপূর্ণ ও নিরাপদ পরীক্ষা, যেখানে উচ্চ-ফ্রিকোয়েন্সির আল্ট্রাসাউন্ড তরঙ্গ ব্যবহার করে হার্টের গঠন, ভালভ, রক্তপ্রবাহ এবং পাম্প করার ক্ষমতা দেখা হয়।

এটি একটি নন-ইনভেসিভ (Non-invasive) পরীক্ষা, অর্থাৎ শরীরে কোনো কাটা-ছেঁড়া বা অপারেশন ছাড়াই করা হয়। পরীক্ষার সময় কোনো এক্স-রে বা ক্ষতিকর রেডিয়েশন ব্যবহার করা হয় না। তাই এটি শিশু, প্রাপ্তবয়স্ক, এমনকি গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রেও প্রয়োজনে নিরাপদভাবে করা যায়।

ইকো টেস্টের মাধ্যমে চিকিৎসক হৃদপিণ্ডের বিভিন্ন রোগ দ্রুত শনাক্ত করতে পারেন এবং চিকিৎসার পরিকল্পনা নির্ধারণ করতে পারেন।


ইকো টেস্ট কেন করা হয়?

হার্টের গঠন ও কার্যকারিতা মূল্যায়নের জন্য ইকো টেস্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

চিকিৎসক সাধারণত নিচের পরিস্থিতিতে ইকো করার পরামর্শ দেন।


বুকব্যথার কারণ নির্ণয় করতে

যদি রোগীর বারবার বুকব্যথা হয়, তাহলে ইকো টেস্টের মাধ্যমে দেখা যায় হৃদপিণ্ডের পাম্পিং ক্ষমতা স্বাভাবিক আছে কি না, হার্টের দেয়ালের নড়াচড়ায় কোনো সমস্যা আছে কি না অথবা অন্য কোনো কাঠামোগত সমস্যা রয়েছে কি না।

তবে মনে রাখতে হবে, সব ধরনের বুকব্যথার ক্ষেত্রে ইকো একাই যথেষ্ট নয়। অনেক সময় ECG, ট্রোপোনিন পরীক্ষা, স্ট্রেস টেস্ট বা করোনারি এনজিওগ্রামেরও প্রয়োজন হতে পারে।

শ্বাসকষ্টের কারণ খুঁজে বের করতে

শ্বাসকষ্ট সবসময় ফুসফুসের কারণে হয় না। হার্ট দুর্বল হয়ে গেলে, হার্ট ফেইলিউর হলে বা হার্টের ভালভে সমস্যা থাকলে শ্বাসকষ্ট হতে পারে।

ইকো টেস্টের মাধ্যমে এসব সমস্যা নির্ণয় করা সহজ হয়।

হার্টের পাম্পিং ক্ষমতা (Ejection Fraction - EF) জানার জন্য

হার্ট শরীরে কতটা কার্যকরভাবে রক্ত পাম্প করছে, তা জানার জন্য ইজেকশন ফ্র্যাকশন (Ejection Fraction বা EF) পরিমাপ করা হয়।

EF কমে গেলে হার্ট ফেইলিউরের ঝুঁকি থাকতে পারে এবং চিকিৎসা পরিকল্পনা নির্ধারণে এটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

হার্টের ভালভের সমস্যা নির্ণয় করতে

হার্টের চারটি ভালভ ঠিকভাবে খুলছে ও বন্ধ হচ্ছে কি না, কোনো ভালভে লিক (Regurgitation) বা সংকোচন (Stenosis) আছে কি না—এসব ইকো টেস্টে স্পষ্টভাবে দেখা যায়।

জন্মগত হৃদরোগ শনাক্ত করতে

শিশু বা প্রাপ্তবয়স্কদের জন্মগত হৃদরোগ (Congenital Heart Disease) নির্ণয়ে ইকো অন্যতম প্রধান পরীক্ষা।

হার্ট অ্যাটাকের পর মূল্যায়ন করতে

হার্ট অ্যাটাকের পর হার্টের কোন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, পাম্পিং ক্ষমতা কতটা কমেছে এবং ভবিষ্যৎ চিকিৎসা কী হবে—এসব মূল্যায়নে ইকো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

হৃদপিণ্ডে পানি জমেছে কি না দেখতে

হার্টের বাইরের আবরণে অতিরিক্ত তরল (Pericardial Effusion) জমলে ইকো টেস্টের মাধ্যমে তা সহজেই শনাক্ত করা যায়।

রক্ত জমাট (Clot) বা টিউমার শনাক্ত করতে

বিশেষ ক্ষেত্রে ইকোর মাধ্যমে হৃদপিণ্ডের ভেতরে রক্তের জমাট বাঁধা (Intracardiac Thrombus) বা বিরল টিউমার (যেমন Atrial Myxoma) শনাক্ত করা সম্ভব।


ইকো টেস্ট কীভাবে করা হয়?

ইকো টেস্ট সাধারণত ১৫–৩০ মিনিটের মধ্যে সম্পন্ন হয়।

পরীক্ষার সময় রোগীকে বাম কাত হয়ে শুতে বলা হয়। এরপর বুকে বিশেষ জেল লাগিয়ে একটি ছোট যন্ত্র (Transducer) দিয়ে হার্টের বিভিন্ন ছবি নেওয়া হয়।

পরীক্ষার সময় কোনো ব্যথা হয় না। বেশিরভাগ রোগীর কোনো ধরনের অ্যানেসথেসিয়া বা বিশেষ প্রস্তুতিরও প্রয়োজন হয় না (যদিও কিছু বিশেষ ধরনের ইকো, যেমন Transesophageal Echocardiography-এর ক্ষেত্রে আলাদা প্রস্তুতি লাগতে পারে)।


ইকো রিপোর্ট কীভাবে বুঝবেন?

ইকো রিপোর্টে অনেক চিকিৎসাবিজ্ঞানভিত্তিক শব্দ থাকে, যা সাধারণ মানুষের কাছে জটিল মনে হতে পারে। নিচে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সহজ ভাষায় ব্যাখ্যা করা হলো।


Ejection Fraction (EF)

EF হলো হার্টের বাম ভেন্ট্রিকল প্রতিবার সংকোচনের সময় মোট রক্তের কত শতাংশ শরীরে পাঠাতে পারছে তার পরিমাপ।

সাধারণভাবে

  • ৫৫%–৭০% : স্বাভাবিক

  • ৪১%–৫৪% : সামান্য কম

  • ৪০% বা তার কম : হার্টের পাম্পিং ক্ষমতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে

  • ৩৫% বা তার কম : গুরুতর হার্ট ফেইলিউর ও কিছু ক্ষেত্রে অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের ঝুঁকি বেশি হতে পারে

শুধু EF দেখে চিকিৎসা নির্ধারণ করা হয় না। রোগীর উপসর্গ, অন্যান্য পরীক্ষার ফল এবং শারীরিক অবস্থাও সমান গুরুত্বপূর্ণ।

LV Function (Left Ventricular Function)

এটি হার্টের প্রধান পাম্পিং চেম্বারের কার্যক্ষমতা বোঝায়।

রিপোর্টে যদি Normal LV Function লেখা থাকে, তাহলে সাধারণত হার্টের পাম্পিং ক্ষমতা ভালো আছে।

RWMA (Regional Wall Motion Abnormality)

হার্টের কোনো নির্দিষ্ট অংশ স্বাভাবিকভাবে নড়াচড়া করছে কি না তা বোঝায়।

RWMA থাকলে এটি পূর্বের হার্ট অ্যাটাক বা করোনারি ধমনীর রক্তপ্রবাহের সমস্যার ইঙ্গিত হতে পারে।

Valve Regurgitation

হার্টের ভালভ ঠিকভাবে বন্ধ না হলে কিছু রক্ত উল্টো দিকে ফিরে যায়।

রিপোর্টে লেখা থাকতে পারে—

  • Mild Regurgitation

  • Moderate Regurgitation

  • Severe Regurgitation

হালকা (Mild) লিক অনেক সুস্থ মানুষের মধ্যেও থাকতে পারে এবং সব ক্ষেত্রে চিকিৎসার প্রয়োজন হয় না। তবে এটি রোগীর উপসর্গ ও অন্যান্য তথ্যের সঙ্গে মিলিয়ে মূল্যায়ন করতে হয়।

Valve Stenosis

ভালভ সরু হয়ে গেলে রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি হয়।

ইকো রিপোর্টে কোন ভালভ কতটা সংকুচিত হয়েছে তা উল্লেখ থাকে।

Pulmonary Artery Pressure (PAP)

ফুসফুসে রক্ত বহনকারী ধমনীর চাপ স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি কি না তা বোঝায়।

চাপ বেড়ে গেলে Pulmonary Hypertension-এর সম্ভাবনা থাকতে পারে, যা চিকিৎসকের মূল্যায়ন প্রয়োজন।

Pericardial Effusion

হার্টের বাইরের আবরণে অতিরিক্ত তরল জমেছে কি না তা বোঝায়।

অল্প পরিমাণ তরল সবসময় বিপজ্জনক নয়, তবে বেশি হলে চিকিৎসা জরুরি হতে পারে।


ইকো রিপোর্টে কোন বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ?

চিকিৎসক সাধারণত নিচের বিষয়গুলো মূল্যায়ন করেন—

  • হার্টের আকার

  • হার্টের পাম্পিং ক্ষমতা (EF)

  • ভালভের কার্যকারিতা

  • হার্টের দেয়ালের নড়াচড়া

  • হার্টে জন্মগত কোনো ত্রুটি আছে কি না

  • রক্ত জমাট বা টিউমার আছে কি না

  • হার্টের চারপাশে তরল জমেছে কি না

  • ফুসফুসের ধমনীর চাপ


ইকো টেস্টের আগে কী প্রস্তুতি নিতে হয়?

সাধারণ ট্রান্সথোরাসিক ইকো (Transthoracic Echocardiography)-এর জন্য সাধারণত বিশেষ প্রস্তুতির প্রয়োজন হয় না।

তবে—

  • আরামদায়ক পোশাক পরুন।

  • পূর্বের রিপোর্ট সঙ্গে নিয়ে যান।

  • আপনি যে ওষুধ খাচ্ছেন, সে সম্পর্কে চিকিৎসককে জানান।

  • যদি বিশেষ ধরনের ইকো (TEE) করা হয়, তাহলে চিকিৎসকের নির্দেশ অনুযায়ী নির্দিষ্ট সময় উপবাস থাকতে হতে পারে।


কখন ইকো টেস্ট করানো উচিত?

নিচের পরিস্থিতিতে চিকিৎসক ইকো করার পরামর্শ দিতে পারেন—

  • দীর্ঘদিন বুকব্যথা

  • শ্বাসকষ্ট

  • হার্টের মর্মর (Heart Murmur)

  • হার্ট অ্যাটাকের পর

  • হার্ট ফেইলিউরের লক্ষণ

  • পা ফুলে যাওয়া

  • অস্বাভাবিক হৃদস্পন্দন

  • জন্মগত হৃদরোগের সন্দেহ

  • উচ্চ রক্তচাপের কারণে হার্টের প্রভাব মূল্যায়ন


কোন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখাবেন?

ইকো টেস্টের প্রয়োজন হলে বা রিপোর্ট মূল্যায়নের জন্য নিচের বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিন—

  • কার্ডিওলজিস্ট (হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ) — ইকো রিপোর্ট ব্যাখ্যা ও চিকিৎসার জন্য সবচেয়ে উপযুক্ত।


    ডাঃ হাসনাতু রাব্বি

    এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), ডি-কার্ড (কার্ডিওলজি)

    কার্ডিওলজি (হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, বাত রোগ) বিশেষজ্ঞ

    কনসালটেন্ট কার্ডিওলজী

    রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল


  • মেডিসিন বিশেষজ্ঞ — প্রাথমিক মূল্যায়নের জন্য।


    ডাঃ মোঃ মাহিদুল আলম

    এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য),এমএসিপি (আমেরিকা),এফসিপিএস (মেডিসিন)

    মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

    সহকারী অধ্যাপক মেডিসিন বিভাগ

    রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহী



  • কার্ডিয়াক সার্জন — যদি হার্টের ভালভ বা কাঠামোগত সমস্যায় অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হয়।


FAQ (Frequently Asked Questions)

১. ইকো টেস্ট কি ব্যথাযুক্ত?

না। সাধারণ ইকো টেস্ট সম্পূর্ণ ব্যথাহীন এবং নিরাপদ একটি পরীক্ষা।

২. ইকো টেস্টে কি হার্ট ব্লক ধরা পড়ে?

ইকো মূলত হার্টের গঠন, ভালভ ও পাম্পিং ক্ষমতা মূল্যায়ন করে। করোনারি ধমনীর ব্লক সরাসরি ইকোতে দেখা যায় না। তবে ব্লকের কারণে হার্টের দেয়ালের নড়াচড়া বা পাম্পিং ক্ষমতায় পরিবর্তন হলে তার ইঙ্গিত পাওয়া যেতে পারে। করোনারি ব্লক নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে CT Coronary Angiography বা Coronary Angiography করা হয়।

৩. EF ৬০% হলে কি স্বাভাবিক?

হ্যাঁ। সাধারণভাবে ৫৫%–৭০% EF স্বাভাবিক ধরা হয়।

৪. ইকো টেস্ট করতে কত সময় লাগে?

সাধারণত ১৫ থেকে ৩০ মিনিট সময় লাগে। জটিল ক্ষেত্রে কিছুটা বেশি সময় লাগতে পারে।

৫. ইকো টেস্টে কি হার্ট অ্যাটাক ধরা পড়ে?

ইকো সরাসরি হার্ট অ্যাটাক নির্ণয় করে না। তবে হার্ট অ্যাটাকের ফলে হার্টের দেয়ালের নড়াচড়া কমে গেলে বা পাম্পিং ক্ষমতা কমে গেলে তা ইকোতে দেখা যেতে পারে। হার্ট অ্যাটাক নির্ণয়ে ECG, রক্তের ট্রোপোনিন পরীক্ষা এবং রোগীর উপসর্গও গুরুত্বপূর্ণ।

৬. ইকো রিপোর্ট কি নিজে নিজে বুঝে চিকিৎসা নেওয়া উচিত?

না। ইকো রিপোর্টের প্রতিটি তথ্য রোগীর উপসর্গ, শারীরিক পরীক্ষা এবং অন্যান্য পরীক্ষার ফলাফলের সঙ্গে মিলিয়ে ব্যাখ্যা করতে হয়। তাই রিপোর্ট হাতে পেলেই একজন কার্ডিওলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

৭. ইকো টেস্ট কি গর্ভবতী নারীদের জন্য নিরাপদ?

হ্যাঁ। সাধারণ ইকো টেস্টে রেডিয়েশন ব্যবহার করা হয় না, তাই প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী গর্ভাবস্থায়ও এটি নিরাপদভাবে করা যায়।


ইকো টেস্ট বা ইকোকার্ডিওগ্রাফি হৃদপিণ্ডের গঠন ও কার্যকারিতা মূল্যায়নের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ এবং নিরাপদ পরীক্ষা। বুকব্যথা, শ্বাসকষ্ট, হার্টের ভালভের সমস্যা, হার্ট ফেইলিউর বা জন্মগত হৃদরোগ শনাক্ত করতে এই পরীক্ষা অত্যন্ত কার্যকর। তবে ইকো রিপোর্টে থাকা EF, LV Function, Valve Regurgitation বা অন্যান্য টার্মের অর্থ নিজে থেকে ব্যাখ্যা করে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। সঠিক রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার জন্য একজন কার্ডিওলজিস্টের পরামর্শ নিয়ে রিপোর্ট মূল্যায়ন করা সবচেয়ে নিরাপদ ও কার্যকর পদ্ধতি।


Related Articles

Continue reading in হৃদরোগ

blog-image হৃদরোগ
উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে করণীয়: খাদ্য, জীবনযাপন ও চিকিৎসা

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে করণীয় কী? জানুন উচ্চ রক্তচাপের কারণ, লক্ষণ, খাদ্য তালিকা, জীবনযাত্রার পরিবর্তন ও চিকিৎসা সম্পর্ক...

blog-image হৃদরোগ
অনিয়মিত হৃদস্পন্দনের লক্ষণ

অনিয়মিত হৃদস্পন্দন কেন হয়, এর লক্ষণ কী, হার্টবিট বেড়ে যাওয়া বা কমে যাওয়ার কারণ, কখন বিপজ্জনক হতে পারে, কী পরীক্ষা ক...

blog-image হৃদরোগ
কোলেস্টেরল বাড়ে কেন

কোলেস্টেরল কেন বাড়ে, LDL ও HDL কী, কোলেস্টেরলের স্বাভাবিক মাত্রা কত, উচ্চ কোলেস্টেরলের লক্ষণ, ঝুঁকি, খাবার ও চিকিৎসা সম্...

blog-image হৃদরোগ
হঠাৎ হার্ট অ্যাটাক হলে দ্রুত করণীয় কী?

হার্ট অ্যাটাক হলে প্রথম ১০ মিনিটে কী করবেন? লক্ষণ, প্রাথমিক করণীয়, কখন হাসপাতালে নেবেন ও ভুল ধারণা—জানুন এই বিস্তারিত গা...

Emergency Contact

Emergency Call +880 1723-025514

Emergency E-mail

24/7 Email Support [email protected]

- OR -