blog-image Uncategorized

ডাঃ আব্দুল মুনিম সরকার

ক্যান্সার সার্জারি, ল্যাপারোস্কপিক এবং জেনারেল সার্জারি বিশেষজ্ঞডাঃ আব্দুল মুনিম সরকারক্যান্সার সার্জারি, ল্যাপারোস্কপিক এবং জেনারেল সার্জারি বিশেষজ্ঞ এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (সার্জারি), এমএস (সার্জিক্যাল অনকোলজি) সহকারী অধ্যাপক (ক্যান্সার সার্জারি), সার্জারি বিভাগ রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রাজশাহীডাঃ আব্দুল মুনিম সরকার – ক্যান্সার সার্জারি, ল্যাপারোস্কপিক ও জেনারেল সার্জারি বিশেষজ্ঞডাঃ আব্দুল মুনিম সরকার একজন অভিজ্ঞ ও উচ্চ প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ক্যান্সার সার্জন, ল্যাপারোস্কপিক সার্জন এবং জেনারেল সার্জারি বিশেষজ্ঞ। তিনি এমবিবিএস সম্পন্ন করার পর বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং সার্জারি বিষয়ে এফসিপিএস (সার্জারি) ডিগ্রি অর্জন করেন। পরবর্তীতে ক্যান্সার চিকিৎসার বিশেষায়িত শাখা সার্জিক্যাল অনকোলজি বিষয়ে এমএস (সার্জিক্যাল অনকোলজি) ডিগ্রি লাভ করেন।বর্তমানে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের সার্জারি বিভাগে সহকারী অধ্যাপক (ক্যান্সার সার্জারি) হিসেবে কর্মরত আছেন। ক্যান্সার রোগের আধুনিক ও উন্নত সার্জিক্যাল চিকিৎসায় তাঁর রয়েছে বিশেষ দক্ষতা ও দীর্ঘ অভিজ্ঞতা। তিনি স্তন ক্যান্সার, থাইরয়েড ক্যান্সার, মুখগহ্বরের ক্যান্সার, পাকস্থলী, খাদ্যনালী, বৃহদান্ত্র, মলদ্বারসহ বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের অস্ত্রোপচার ও চিকিৎসা প্রদান করে থাকেন।রাজশাহী অঞ্চলে ক্যান্সার সার্জারির বিশেষায়িত চিকিৎসা সেবায় তিনি অন্যতম পরিচিত চিকিৎসক। পাশাপাশি ল্যাপারোস্কপিক (ছিদ্র করে) সার্জারি এবং জেনারেল সার্জারির বিভিন্ন জটিল রোগের চিকিৎসাও সফলতার সঙ্গে করে আসছেন।রোগীদের প্রতি আন্তরিকতা, সঠিক রোগ নির্ণয় এবং আধুনিক চিকিৎসা ব্যবস্থার সমন্বয়ে তিনি সর্বোচ্চ মানের চিকিৎসাসেবা প্রদানে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।যেসব রোগ ও সমস্যার চিকিৎসা প্রদান করেনঃ* স্তন / সারকোমা থেকে কোর বায়োপসি গ্রহণ  যা ক্যান্সার শনাক্তকরণের নির্ভুল উপায়*পুরো স্তন ফেলে না দিয়ে অনকোপ্লাস্টিক অপারেশন * বৃহদান্ত্র ও পায়ু পথের ক্যান্সার ও অন্যান্য রোগ সমূহ *পাকস্থলীর ক্যান্সার * পিত্তথলির পাথর ও পিত্তথলির ক্যান্সার * পেটের ভেতরের ক্যান্সার * ল্যাপারোস্কপিক অপারেশন * খাদ্যনালী ক্যান্সার * চামড়ার ক্যান্সার * মলদ্বারের ফিস্টুলা পাইলস ফিশার অপারেশন * হাত পায়ের টিউমার/ ক্যান্সার- সারকোমা * অগ্নাশয় ক্যান্সার * হার্নিয়া হাইড্রোসিল ও অ্যাপেন্ডিক্স অপারেশন শিক্ষাগত যোগ্যতাএমবিবিএসবিসিএস (স্বাস্থ্য)এফসিপিএস (সার্জারি)এমএস (সার্জিক্যাল অনকোলজি)বর্তমান পদবিসহকারী অধ্যাপক (ক্যান্সার সার্জারি) সার্জারি বিভাগরাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রাজশাহীবিশেষত্বক্যান্সার সার্জারি বিশেষজ্ঞল্যাপারোস্কপিক সার্জনজেনারেল সার্জারি বিশেষজ্ঞক্যান্সার রোগের আধুনিক সার্জিক্যাল চিকিৎসায় অভিজ্ঞচেম্বারঃপপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লি: রাজশাহীসময়ঃ শনি-বুধ বিকাল ৪ট-৯টারাজশাহীর যেকোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ও সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন Doctor Service BD তেহটলাইন নম্বরঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪

31 May,2026

blog-image সাধারণ স্বাস্থ্য বার্তা

এলার্জিক রাইনাইটিস: কারণ, লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধের উপায়

এলার্জিক রাইনাইটিস কেন হয়, এর লক্ষণ কী, হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া, নাক চুলকানি, চিকিৎসা, ঘরোয়া করণীয় ও প্রতিরোধের উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।এলার্জিক রাইনাইটিস সকালে ঘুম থেকে উঠেই একটানা হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া, নাক বন্ধ থাকা কিংবা নাক ও চোখে চুলকানি—এসব সমস্যায় অনেক মানুষ ভোগেন। অনেকে এটিকে সাধারণ সর্দি-কাশি মনে করলেও, অনেক ক্ষেত্রে এর পেছনে থাকে Allergic Rhinitis বা নাকের অ্যালার্জি।এলার্জিক রাইনাইটিস হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে শরীরের রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা ধুলাবালি, পরাগরেণু, পশুর লোম, ছত্রাক বা অন্যান্য অ্যালার্জেনের প্রতি অতিরিক্ত সংবেদনশীল প্রতিক্রিয়া দেখায়। ফলে নাকের ভেতরের ঝিল্লিতে প্রদাহ সৃষ্টি হয় এবং বিভিন্ন অস্বস্তিকর উপসর্গ দেখা দেয়।বিশ্বজুড়ে কোটি কোটি মানুষ এই সমস্যায় আক্রান্ত। এটি জীবনহানিকর না হলেও দৈনন্দিন জীবন, পড়াশোনা, কাজের মনোযোগ এবং ঘুমের ওপর উল্লেখযোগ্য প্রভাব ফেলতে পারে।এলার্জিক রাইনাইটিস কী? এলার্জিক রাইনাইটিস হলো নাকের শ্লৈষ্মিক ঝিল্লির একটি অ্যালার্জিজনিত প্রদাহ। যখন কোনো অ্যালার্জেন শরীরে প্রবেশ করে, তখন রোগপ্রতিরোধ ব্যবস্থা Histamine সহ বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ করে। এর ফলেই হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া, নাক বন্ধ হওয়া এবং চোখ চুলকানোর মতো লক্ষণ দেখা দেয়।এলার্জিক রাইনাইটিস কেন হয়? এলার্জিক রাইনাইটিসের প্রধান কারণ হলো বিভিন্ন অ্যালার্জেনের সংস্পর্শে আসা।সাধারণ অ্যালার্জেনগুলোর মধ্যে রয়েছে:ঘরের ধুলাবালিধুলাবালির ক্ষুদ্র জীবাণু (Dust Mites)ফুলের পরাগরেণুপশুপাখির লোমছত্রাক (Mold)ধোঁয়া ও বায়ুদূষণসুগন্ধি বা তীব্র গন্ধযুক্ত প্রসাধনীযাদের পরিবারে অ্যালার্জি, হাঁপানি বা একজিমার ইতিহাস রয়েছে, তাদের এই রোগ হওয়ার ঝুঁকি বেশি।এলার্জিক রাইনাইটিসের প্রধান লক্ষণগুলো কী কী?১) বারবার হাঁচি হওয়াএলার্জিক রাইনাইটিসের অন্যতম প্রধান লক্ষণ হলো একটানা বা বারবার হাঁচি হওয়া। বিশেষ করে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।২) নাক দিয়ে পানি পড়াস্বচ্ছ ও পাতলা ধরনের নাকের পানি পড়া খুবই সাধারণ একটি উপসর্গ। অনেক রোগীর সারাদিন নাক ঝরতে থাকে।৩) নাক বন্ধ থাকানাকের ভেতরে প্রদাহ হওয়ার কারণে নাক বন্ধ হয়ে যেতে পারে। এতে শ্বাস নিতে কষ্ট হয় এবং রাতে ঘুমের সমস্যা দেখা দেয়।৪) নাক চুলকানোঅনেকের নাকের ভেতরে অস্বস্তি ও চুলকানি অনুভূত হয়, যা বারবার নাক ঘষার প্রবণতা তৈরি করে।৫) চোখ চুলকানো ও পানি পড়াঅ্যালার্জির কারণে চোখ লাল হয়ে যেতে পারে এবং চোখ দিয়ে পানি পড়তে পারে।৬) গলা চুলকানোনাক থেকে পেছনের দিকে শ্লেষ্মা গড়িয়ে পড়লে গলায় অস্বস্তি ও চুলকানি অনুভূত হতে পারে।৭) মাথাব্যথা ও মুখমণ্ডলে চাপ অনুভব করাদীর্ঘদিন নাক বন্ধ থাকলে সাইনাসে চাপ তৈরি হয়ে মাথাব্যথা হতে পারে।৮) ঘুমের সমস্যা ও ক্লান্তিনাক বন্ধ থাকার কারণে ভালো ঘুম না হলে সারাদিন ক্লান্তি, বিরক্তি ও মনোযোগ কমে যেতে পারে।এলার্জিক রাইনাইটিস ও সাধারণ সর্দির মধ্যে পার্থক্যঅনেকেই অ্যালার্জি ও ভাইরাল সর্দিকে গুলিয়ে ফেলেন।বৈশিষ্ট্যএলার্জিক রাইনাইটিসসাধারণ সর্দিজ্বরসাধারণত থাকে নাথাকতে পারেহাঁচিখুব বেশিকমনাক চুলকানিসাধারণবিরলচোখ চুলকানোসাধারণকমস্থায়িত্বদীর্ঘদিন থাকতে পারেসাধারণত ৭–১০ দিনএলার্জিক রাইনাইটিস কীভাবে নির্ণয় করা হয়?চিকিৎসক রোগীর উপসর্গ, পারিবারিক ইতিহাস ও শারীরিক পরীক্ষা করে রোগ নির্ণয় করেন।প্রয়োজনে নিচের পরীক্ষাগুলো করা হতে পারে—Allergy TestSkin Prick TestBlood Test (IgE)Nasal Examinationএলার্জিক রাইনাইটিসের চিকিৎসা কী?অ্যালার্জেন এড়িয়ে চলাচিকিৎসার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো যেসব কারণে অ্যালার্জি হয় সেগুলো এড়িয়ে চলা।ওষুধচিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নিচের ওষুধ ব্যবহার করা হতে পারে—AntihistamineNasal SprayDecongestantLeukotriene Inhibitorনিজে থেকে ওষুধ গ্রহণ করা উচিত নয়।ইমিউনোথেরাপিকিছু রোগীর ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি অ্যালার্জি নিয়ন্ত্রণে Immunotherapy ব্যবহার করা হতে পারে।এলার্জিক রাইনাইটিস প্রতিরোধে করণীয়১) ঘরবাড়ি পরিষ্কার রাখুনধুলাবালি অ্যালার্জির অন্যতম প্রধান কারণ। তাই নিয়মিত ঘর পরিষ্কার রাখা জরুরি।২) বিছানার চাদর নিয়মিত ধুয়ে ফেলুনবালিশ ও বিছানায় Dust Mites জমে অ্যালার্জি বাড়াতে পারে।৩) ধূমপান ও ধোঁয়া এড়িয়ে চলুনধোঁয়া নাকের প্রদাহ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।৪) বাইরে গেলে মাস্ক ব্যবহার করুনবিশেষ করে ধুলাবালি বা পরাগরেণু বেশি থাকলে মাস্ক ব্যবহার করা উপকারী।৫) পোষা প্রাণীর লোম থেকে সতর্ক থাকুনযাদের প্রাণীর লোমে অ্যালার্জি রয়েছে, তাদের বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।কখন ডাক্তারের কাছে যাবেন?নিচের পরিস্থিতিতে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি—✔ দীর্ঘদিন হাঁচি ও নাক দিয়ে পানি পড়া ✔ নাক বন্ধ থাকার কারণে ঘুমের সমস্যা ✔ মাথাব্যথা ও সাইনাসের ব্যথা ✔ শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানির লক্ষণ দেখা দেওয়া ✔ ওষুধে উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ না হওয়াকোন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখাবেন?এলার্জিক রাইনাইটিসের জন্য ইএনটি বিশেষজ্ঞ অথবা অ্যালার্জি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।Allergic Rhinitis একটি খুব সাধারণ কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা, যা দৈনন্দিন জীবনকে প্রভাবিত করতে পারে। তবে সঠিক চিকিৎসা, অ্যালার্জেন এড়িয়ে চলা এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের মাধ্যমে এই রোগকে কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। হাঁচি, নাক দিয়ে পানি পড়া বা নাক বন্ধ থাকার সমস্যা দীর্ঘদিন থাকলে অবহেলা না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।ব্লগের উৎসঃ Cleveland Clinic

30 May,2026

blog-image অর্থোপেডিক রোগ

পায়ে ফ্র্যাকচার হলে করণীয়

পায়ে ফ্র্যাকচার হলে কী করবেন, প্রাথমিক চিকিৎসা, ব্যথা ও ফোলা কমানোর উপায়, কী কী লক্ষণ দেখা যায়, কখন অপারেশন লাগে ও কখন ডাক্তার দেখাবেন—জানুন বিস্তারিতভাবে।পায়ে ফ্র্যাকচার হলে করণীয় দুর্ঘটনা, পড়ে যাওয়া, খেলাধুলায় আঘাত বা সড়ক দুর্ঘটনার কারণে অনেক সময় পায়ের হাড় ভেঙে যেতে পারে। চিকিৎসাবিজ্ঞানে হাড় ভেঙে যাওয়াকে Bone Fracture বলা হয়। পায়ের ফ্র্যাকচার ছোট ফাটল থেকে শুরু করে সম্পূর্ণ হাড় ভেঙে যাওয়া পর্যন্ত বিভিন্ন ধরনের হতে পারে।অনেক সময় মানুষ সাধারণ ব্যথা মনে করে প্রথমে বিষয়টি গুরুত্ব দেন না। কিন্তু দ্রুত সঠিক চিকিৎসা না নিলে হাড় ভুলভাবে জোড়া লাগা, দীর্ঘমেয়াদি ব্যথা, হাঁটাচলার সমস্যা বা স্থায়ী জটিলতা তৈরি হতে পারে। তাই পায়ে ফ্র্যাকচার হলে কী করতে হবে এবং কী করা উচিত নয়—এসব জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।পায়ের ফ্র্যাকচার কেন হয়? পায়ের হাড় ভাঙার পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে—সড়ক দুর্ঘটনাউঁচু জায়গা থেকে পড়ে যাওয়াখেলাধুলার আঘাতভারী বস্তু পায়ে পড়ে যাওয়াহাড় ক্ষয় রোগবয়সজনিত দুর্বল হাড়বিশেষ করে বয়স্ক মানুষের ক্ষেত্রে সামান্য আঘাতেও হাড় ভেঙে যেতে পারে।পায়ে ফ্র্যাকচার হলে কী কী লক্ষণ দেখা যায়?১) তীব্র ব্যথাফ্র্যাকচারের সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ হলো তীব্র ব্যথা। নড়াচড়া করলে ব্যথা আরও বেড়ে যেতে পারে।২) ফোলা ও লালচে ভাবআঘাতের স্থানে দ্রুত ফোলা তৈরি হতে পারে। কখনও কালচে দাগও দেখা যায়।৩) হাঁটতে না পারাপায়ের ওপর ভর দিতে কষ্ট হয় বা হাঁটা অসম্ভব হয়ে যেতে পারে।৪) অস্বাভাবিক আকৃতিগুরুতর ফ্র্যাকচারে পা বাঁকা বা অস্বাভাবিকভাবে বেঁকে যেতে পারে।৫) শব্দ হওয়াআঘাতের সময় “ক্র্যাক” ধরনের শব্দ শোনা যেতে পারে।৬) অবশভাবকখনও স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হলে পায়ে ঝিনঝিনি বা অবশভাব হতে পারে।পায়ে ফ্র্যাকচার হলে তাৎক্ষণিক করণীয় ১) আক্রান্ত পা নাড়াচাড়া কম করুনহাড় ভাঙার পর অতিরিক্ত নড়াচড়া করলে ক্ষতি বাড়তে পারে। তাই পা যতটা সম্ভব স্থির রাখুন।২) বরফ সেক দিনফোলা ও ব্যথা কমাতে কাপড়ে মোড়ানো বরফ ১৫–২০ মিনিট ধরে সেক দেওয়া যেতে পারে।৩) পা কিছুটা উঁচুতে রাখুনফোলা কমাতে পায়ের নিচে বালিশ দিয়ে উঁচু করে রাখতে পারেন।৪) নিজে থেকে হাড় ঠিক করার চেষ্টা করবেন নাঅনেকে ভুলভাবে জোর করে হাড় সোজা করার চেষ্টা করেন, যা বিপজ্জনক হতে পারে।৫) দ্রুত হাসপাতালে যানফ্র্যাকচার সন্দেহ হলে দ্রুত চিকিৎসকের কাছে নেওয়া জরুরি।কী কী পরীক্ষা করা হয়?X-rayফ্র্যাকচার নির্ণয়ের সবচেয়ে সাধারণ পরীক্ষা।CT Scan / MRIজটিল ফ্র্যাকচারে প্রয়োজন হতে পারে।পায়ের ফ্র্যাকচারের চিকিৎসা কী?চিকিৎসা নির্ভর করে ফ্র্যাকচারের ধরন ও গুরুতরতার ওপর।১) Plaster বা Castসাধারণ ফ্র্যাকচারে প্লাস্টার দিয়ে হাড় স্থির রাখা হয়।২) Splint ব্যবহারপ্রাথমিকভাবে পা স্থির রাখতে splint দেওয়া হতে পারে।৩) অপারেশনগুরুতর বা স্থানচ্যুত ফ্র্যাকচারে surgery প্রয়োজন হতে পারে। এতে plate, screw বা rod ব্যবহার করা হয়।৪) ফিজিওথেরাপিহাড় জোড়া লাগার পর পায়ের শক্তি ও স্বাভাবিক চলাচল ফিরিয়ে আনতে ফিজিওথেরাপি গুরুত্বপূর্ণ।ফ্র্যাকচার ভালো হতে কতদিন লাগে?সাধারণত ৬–১২ সপ্তাহ সময় লাগতে পারে। তবে বয়স, হাড়ের অবস্থা ও চিকিৎসার ধরন অনুযায়ী সময় কম-বেশি হতে পারে।ফ্র্যাকচারের সময় কী খাবেন?ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবারদুধডিমছোট মাছদইপ্রোটিনসমৃদ্ধ খাবারহাড় দ্রুত জোড়া লাগাতে সাহায্য করে।ভিটামিন Dরোদ ও ভিটামিন D হাড় সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ।পায়ে ফ্র্যাকচার হলে কী করা উচিত নয়?নিজে থেকে মালিশ করাঅতিরিক্ত হাঁটাপ্লাস্টার ভেজানো চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়াকখন জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন? নিচের লক্ষণ থাকলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে— ✔ হাড় বাইরে বের হয়ে আসা ✔ অতিরিক্ত রক্তপাত ✔ পা নীলচে হয়ে যাওয়া ✔ অসহ্য ব্যথা ✔ পায়ে অনুভূতি না থাকাকোন ডাক্তার দেখাবেন?পায়ের ফ্র্যাকচারের জন্য Orthopedics বিশেষজ্ঞ বা অর্থোপেডিক সার্জনের পরামর্শ নিতে হবে।পায়ের ফ্র্যাকচার প্রতিরোধে করণীয় ✔ সাবধানে হাঁটাচলা করুন ✔ খেলাধুলায় সুরক্ষা ব্যবহার করুন ✔ ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খান ✔ নিয়মিত ব্যায়াম করুন ✔ বয়স্কদের পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমানBone Fracture দ্রুত সঠিক চিকিৎসা না নিলে দীর্ঘমেয়াদি জটিলতা তৈরি করতে পারে। তাই আঘাতের পর ব্যথা, ফোলা বা হাঁটতে সমস্যা হলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

29 May,2026

blog-image স্ত্রীরোগ, প্রসূতি বিশেষজ্ঞ ও সার্জন রাজশাহী

ডাঃ রৌশন আখতার (বিপ্লবী)

স্ত্রীরোগ, প্রসূতি বিশেষজ্ঞ ও সার্জন রাজশাহীডাঃ রৌশন আখতার (বিপ্লবী)এমবিবিএস, বিসিএস (হেলথ), এমএস (OBGYN)স্ত্রীরোগ, প্রসূতি বিশেষজ্ঞ ও সার্জনসহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান (গাইনোকোলজি বিভাগ)রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালডাঃ রৌশন আখতার (বিপ্লবী) – স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞডাঃ রৌশন আখতার (বিপ্লবী) একজন অভিজ্ঞ ও দক্ষ স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ এবং সার্জন। তিনি এমবিবিএস সম্পন্ন করার পর বিসিএস (হেলথ) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং পরবর্তীতে গাইনোকোলজি ও অবসটেট্রিক্স বিষয়ে এমএস (OBGYN) ডিগ্রি অর্জন করেন।নারীদের বিভিন্ন স্ত্রীরোগ, গর্ভকালীন জটিলতা, উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা এবং প্রসূতি সেবায় তিনি দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন। রোগ নির্ণয়ে দক্ষতা, আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি এবং রোগীদের প্রতি আন্তরিক ব্যবহারের জন্য তিনি একজন নির্ভরযোগ্য চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত।বর্তমানে ডাঃ রৌশন আখতার (বিপ্লবী) রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে গাইনোকোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান হিসেবে কর্মরত আছেন। তিনি নিয়মিতভাবে প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ সংক্রান্ত অপারেশন, নরমাল ডেলিভারি, সিজারিয়ান সেকশন এবং বিভিন্ন জটিল গাইনি রোগের চিকিৎসা প্রদান করে থাকেন।যেসব রোগের চিকিৎসা প্রদান করেনঅনিয়মিত মাসিকঅতিরিক্ত সাদা স্রাবতলপেট ব্যথাজরায়ুর টিউমার ও ওভারিয়ান সিস্টপিসিওএস (PCOS)বন্ধ্যাত্ব সমস্যাগর্ভকালীন বিভিন্ন জটিলতাউচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থানরমাল ডেলিভারি ও সিজারিয়ান অপারেশনমেনোপজজনিত সমস্যাস্ত্রীরোগ সংক্রান্ত অপারেশনশিক্ষাগত যোগ্যতাএমবিবিএসবিসিএস (হেলথ)এমএস (OBGYN)বর্তমান পদবিসহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান (গাইনোকোলজি বিভাগ)রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালচেম্বারঃপপুলার ডায়াগনস্টিক লিঃ লক্ষীপুর মোড়, রাজশাহীসময়ঃ বিকাল ৩ টা থেকে রাত ৯টা রাজশাহীর যেকোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ও সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন Doctor Service BD তেহটলাইন নম্বরঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪

29 May,2026

blog-image স্ত্রীরোগ, প্রসূতি বিশেষজ্ঞ ও সার্জন রাজশাহী

ডাঃ শাহানা পারভীন (রিতু)

প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ, বন্ধ্যাত্বরোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জনডাঃ শাহানা পারভীন (রিতু)এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (গাইনি এন্ড অবস)প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ, বন্ধ্যাত্বরোগ এবং বিশেষজ্ঞ ও সার্জনল্যাপারস্কপি ও হিস্টেরস্কপিতে উচ্চতর প্রশিক্ষণপ্রাপ্তবন্ধ্যাত্বরোগে উচ্চতর প্রশিক্ষণপ্রাপ্তকনসালটেন্ট (এক্স)রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালডাঃ শাহানা পারভীন (রিতু) – প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞডাঃ শাহানা পারভীন (রিতু) একজন অভিজ্ঞ ও দক্ষ প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ, বন্ধ্যাত্বরোগ বিশেষজ্ঞ এবং সার্জন। তিনি এমবিবিএস সম্পন্ন করার পর বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং পরবর্তীতে গাইনি ও অবস বিষয়ে এফসিপিএস ডিগ্রি অর্জন করেন।নারীদের বিভিন্ন জটিল স্ত্রীরোগ, গর্ভকালীন সমস্যা, বন্ধ্যাত্বজনিত চিকিৎসা এবং আধুনিক গাইনি সার্জারিতে তিনি বিশেষ পারদর্শী। তিনি ল্যাপারস্কপি ও হিস্টেরস্কপিতে উচ্চতর প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত, যার মাধ্যমে কম কাটা-ছেঁড়ায় আধুনিক পদ্ধতিতে বিভিন্ন গাইনি অপারেশন সম্পন্ন করে থাকেন। এছাড়াও বন্ধ্যাত্বরোগ চিকিৎসায় উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণের ফলে সন্তান ধারণে সমস্যায় ভোগা দম্পতিদের জন্য উন্নত চিকিৎসা ও পরামর্শ প্রদান করে আসছেন।ডাঃ শাহানা পারভীন (রিতু) রোগীদের প্রতি আন্তরিকতা, যত্নশীল আচরণ এবং আধুনিক চিকিৎসা সেবার জন্য সুপরিচিত। তিনি দীর্ঘদিন রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কনসালটেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।যেসব রোগের চিকিৎসা প্রদান করেনঅনিয়মিত মাসিকঅতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ও সাদা স্রাবতলপেট ব্যথাবন্ধ্যাত্ব সমস্যাপিসিওএস (PCOS)জরায়ুর টিউমার ও ওভারিয়ান সিস্টগর্ভকালীন জটিলতাউচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থানরমাল ডেলিভারি ও সিজারিয়ান অপারেশনল্যাপারস্কপিক গাইনি সার্জারিহিস্টেরস্কপি সম্পর্কিত চিকিৎসামেনোপজজনিত সমস্যাশিক্ষাগত যোগ্যতাএমবিবিএসবিসিএস (স্বাস্থ্য)এফসিপিএস (গাইনি এন্ড অবস)চেম্বারঃইসলামী ব্যাংক হাসপাতাল, লক্ষীপুর মোড়, রাজশাহীসময়ঃ দুপুর ২ টা থেকে সন্ধ্যা ০৭টা (রবি ও বৃহস্পতিবার বন্ধ)রাজশাহীর যেকোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ও সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন Doctor Service BD তেহটলাইন নম্বরঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪

27 May,2026

blog-image গর্ভকালীন সমস্যা (Pregnancy problems )

উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা: লক্ষণ, ঝুঁকি, মা ও শিশুর সুরক্ষায় করণীয়

উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা কী, কোন গর্ভাবস্থা ঝুঁকিপূর্ণ, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, রক্তপাত, পেটব্যথা ও গর্ভকালীন জটিলতার চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থাগর্ভাবস্থা একজন নারীর জীবনের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়। বেশিরভাগ গর্ভাবস্থা স্বাভাবিকভাবে সম্পন্ন হলেও কিছু ক্ষেত্রে মা বা গর্ভের শিশুর জন্য জটিলতা তৈরি হতে পারে। যখন গর্ভাবস্থায় এমন কোনো শারীরিক অবস্থা বা জটিলতা থাকে যা মা কিংবা শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য অতিরিক্ত ঝুঁকি তৈরি করে, তখন তাকে High-Risk Pregnancy বা উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা বলা হয়।বর্তমানে ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, থাইরয়েড সমস্যা, অতিরিক্ত ওজন, দেরিতে সন্তান নেওয়া এবং আগের গর্ভাবস্থার জটিলতার কারণে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থার সংখ্যা বাড়ছে।এই ধরনের গর্ভাবস্থায় নিয়মিত চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা এবং সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে মা ও শিশুর জন্য গুরুতর জটিলতা তৈরি হতে পারে।তবে আধুনিক চিকিৎসা ও সঠিক যত্নের মাধ্যমে অধিকাংশ উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থাও নিরাপদভাবে পরিচালনা করা সম্ভব।উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা কী?যে গর্ভাবস্থায় মা বা গর্ভের শিশুর স্বাস্থ্যঝুঁকি স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি থাকে, তাকে উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা বলা হয়।এতে গর্ভকালীন জটিলতা হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।কোন গর্ভাবস্থা ঝুঁকিপূর্ণ বলে ধরা হয়?নিচের পরিস্থিতিতে গর্ভাবস্থাকে high-risk হিসেবে বিবেচনা করা হতে পারে:গর্ভবতীর বয়স ১৮ বছরের কম বা ৩৫ বছরের বেশিউচ্চ রক্তচাপডায়াবেটিসযমজ সন্তানআগের miscarriage বা stillbirthআগের সিজারিয়ান জটিলতাকিডনি বা হৃদরোগএসব কারণে বিশেষ নজরদারি প্রয়োজন হয়।উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থার লক্ষণ কী কী?তীব্র মাথাব্যথাচোখে ঝাপসা দেখাপা বা মুখ অতিরিক্ত ফুলে যাওয়ারক্তপাততীব্র পেটব্যথাশিশুর নড়াচড়া কমে যাওয়াশ্বাসকষ্টউচ্চ রক্তচাপএসব লক্ষণ অবহেলা করা উচিত নয়।আরও পড়ুনঃ গর্ভাবস্থায় কি কি পরীক্ষা করতে হয়?গর্ভাবস্থার ব্যথা কেমন হলে বিপজ্জনক হতে পারে?গর্ভাবস্থায় হালকা অস্বস্তি বা টান লাগা স্বাভাবিক হতে পারে।তবে তীব্র পেটব্যথা, নিচের পেটে চাপধরা ব্যথা বা নিয়মিত interval-এ ব্যথা হওয়া গুরুতর জটিলতার লক্ষণ হতে পারে।কিছু নারী কোমর ও তলপেটে এমন ব্যথা অনুভব করেন যা ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।যদি ব্যথার সঙ্গে রক্তপাত, মাথা ঘোরা বা শিশুর নড়াচড়া কমে যায়, তাহলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে।উচ্চ রক্তচাপজনিত জটিলতায় মাথার পেছনে তীব্র ব্যথা ও চোখে ঝাপসা দেখাও হতে পারে।উচ্চ রক্তচাপ কেন ঝুঁকিপূর্ণ?গর্ভাবস্থায় Preeclampsia হলে মা ও শিশুর জন্য ঝুঁকি বাড়ে।এতে উচ্চ রক্তচাপের পাশাপাশি প্রস্রাবে protein যেতে পারে।গর্ভকালীন ডায়াবেটিস কী?গর্ভাবস্থায় নতুন করে রক্তে শর্করা বেড়ে গেলে তাকে Gestational Diabetes বলা হয়।এতে শিশুর ওজন বেশি হওয়া ও প্রসব জটিলতা হতে পারে।যমজ গর্ভাবস্থা কেন বেশি ঝুঁকিপূর্ণ?যমজ বা একাধিক সন্তান থাকলে:preterm birthউচ্চ রক্তচাপরক্তশূন্যতাএসব ঝুঁকি বাড়তে পারে।আগের গর্ভাবস্থার জটিলতা কি আবার হতে পারে?হ্যাঁ।আগে miscarriage, preeclampsia বা preterm birth থাকলে পরবর্তী গর্ভাবস্থাতেও ঝুঁকি বাড়তে পারে।উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা কীভাবে নির্ণয় করা হয়?নিয়মিত চেকআপচিকিৎসক মা ও শিশুর অবস্থা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করেন।UltrasoundObstetric Ultrasound শিশুর বৃদ্ধি ও অবস্থান দেখতে সাহায্য করে।Blood Pressure Monitoringউচ্চ রক্তচাপ আছে কিনা নিয়মিত দেখা হয়।Blood Sugar Testডায়াবেটিস নির্ণয়ের জন্য পরীক্ষা করা হয়।Urine Testপ্রস্রাবে protein বা সংক্রমণ আছে কিনা দেখা হয়।উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থায় কী কী করণীয়?নিয়মিত ডাক্তার দেখানোচিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী checkup করা জরুরি।স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়াপুষ্টিকর ও সুষম খাবার মা ও শিশুর জন্য গুরুত্বপূর্ণ।কী খাবেন?শাকসবজিফলমূলদুধডিমমাছআয়রন ও folic acid সমৃদ্ধ খাবারএসব উপকারী।পর্যাপ্ত বিশ্রামশরীরকে পর্যাপ্ত বিশ্রাম দেওয়া প্রয়োজন।ওষুধ নিয়মিত খাওয়াচিকিৎসকের দেওয়া ওষুধ নিয়মিত নিতে হবে।ধূমপান ও মাদক এড়িয়ে চলাএসব মা ও শিশুর জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকর।কখন জরুরি হাসপাতালে যাবেন?নিচের লক্ষণ থাকলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে:রক্তপাততীব্র পেটব্যথাশিশুর নড়াচড়া কমে যাওয়াখিঁচুনিশ্বাসকষ্টপানি ভেঙে যাওয়াএসব জরুরি অবস্থা হতে পারে।উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থায় কি স্বাভাবিক প্রসব সম্ভব?অনেক ক্ষেত্রে সম্ভব।তবে কিছু পরিস্থিতিতে সিজারিয়ান প্রয়োজন হতে পারে।উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা কি পুরোপুরি নিরাপদভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব?বর্তমানে নিয়মিত পর্যবেক্ষণ ও আধুনিক চিকিৎসার মাধ্যমে অধিকাংশ high-risk pregnancy সফলভাবে সম্পন্ন করা যায়।কখন ডাক্তার দেখাবেন?গর্ভাবস্থায় যেকোনো অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত একজন Obstetrician বা গাইনি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা মানেই ভয় পাওয়ার বিষয় নয়, তবে এটি অত্যন্ত সচেতনতার সঙ্গে পরিচালনা করা প্রয়োজন। নিয়মিত চিকিৎসা, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং দ্রুত জটিলতা শনাক্ত করা মা ও শিশুর সুস্থতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

26 May,2026

blog-image স্ত্রীরোগ, প্রসূতি বিশেষজ্ঞ ও সার্জন রাজশাহী

ডাঃ হোসনেয়ারা সোনিয়া

স্ত্রীরোগ, প্রসূতিবিদ্যা, বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ এবং ল্যাপারোস্কোপিক সার্জনডাঃ হোসনেয়ারা সোনিয়াএমবিবিএস (আরএমইসি), বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমএস (স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যা) বিএসএমএমইউস্ত্রীরোগ, প্রসূতিবিদ্যা, বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ এবং ল্যাপারোস্কোপিক সার্জনকনসালট্যান্ট স্ত্রীরোগপপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেডডাঃ হোসনেয়ারা সোনিয়া – গাইনি ও প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞডাঃ হোসনেয়ারা সোনিয়া একজন অভিজ্ঞ ও দক্ষ গাইনি ও প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ। তিনি এমবিবিএস সম্পন্ন করার পর বিসিএস (স্বাস্থ্য) ক্যাডারে যোগদান করেন এবং পরবর্তীতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) থেকে গাইনি ও অবস বিষয়ে এমএস ডিগ্রি অর্জন করেন।তিনি নারীদের বিভিন্ন স্ত্রীরোগ, গর্ভকালীন জটিলতা, প্রসূতি সেবা এবং বন্ধ্যাত্বজনিত সমস্যার আধুনিক চিকিৎসা প্রদান করে আসছেন। রোগীদের প্রতি আন্তরিকতা, সঠিক পরামর্শ এবং উন্নত চিকিৎসা ব্যবস্থার জন্য তিনি একজন নির্ভরযোগ্য চিকিৎসক হিসেবে পরিচিত।ডাঃ হোসনেয়ারা সোনিয়া বর্তমানে পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড, রাজশাহী-এ কনসালটেন্ট হিসেবে কর্মরত আছেন। এছাড়াও তিনি দেশের স্বনামধন্য বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কাজ করার অভিজ্ঞতা অর্জন করেছেন, যার মধ্যে রয়েছে স্কয়ার হসপিটালস লিমিটেড, ডিএসকে হাসপাতাল এবং ল্যাব এইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল, ধানমন্ডি।যেসব রোগের চিকিৎসা প্রদান করেনঅনিয়মিত মাসিকঅতিরিক্ত সাদা স্রাবতলপেট ব্যথাগর্ভকালীন জটিলতাউচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থাবন্ধ্যাত্ব সমস্যাপিসিওএস (PCOS)জরায়ুর টিউমার ও সিস্টমেনোপজজনিত সমস্যানরমাল ডেলিভারি ও সিজারিয়ান অপারেশনস্ত্রীরোগ সংক্রান্ত বিভিন্ন অপারেশনশিক্ষাগত যোগ্যতাএমবিবিএসবিসিএস (স্বাস্থ্য)এমএস (গাইনি ও অবস), বিএসএমএমইউচেম্বারঃপপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড সময়ঃ বিকাল ৩টা থেকে রাত ৮ টারাজশাহীর যেকোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ও সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন Doctor Service BD তেহটলাইন নম্বরঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪

26 May,2026

blog-image হৃদরোগ

হার্ট ফেইলিউরের লক্ষণগুলো কী কী?

হার্ট ফেইলিউর কেন হয়, এর প্রাথমিক ও গুরুতর লক্ষণ কী, শ্বাসকষ্ট, পা ফুলে যাওয়া, ক্লান্তি, চিকিৎসা ও কখন ডাক্তার দেখাবেন—জানুন বিস্তারিতভাবে।হার্ট ফেইলিউরের লক্ষণগুলো কী কী? বর্তমান সময়ে হৃদরোগের ঝুঁকি দ্রুত বাড়ছে। অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ধূমপান, স্থূলতা ও অস্বাস্থ্যকর জীবনযাপনের কারণে অনেক মানুষ হৃদযন্ত্রের জটিল সমস্যায় আক্রান্ত হচ্ছেন। এর মধ্যে একটি গুরুতর অবস্থা হলো Heart Failure।অনেকে “হার্ট ফেইলিউর” শব্দটি শুনে মনে করেন হার্ট পুরোপুরি বন্ধ হয়ে গেছে। বাস্তবে তা নয়। হার্ট ফেইলিউর হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে হৃদযন্ত্র শরীরের প্রয়োজন অনুযায়ী পর্যাপ্ত রক্ত পাম্প করতে পারে না। ফলে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে অক্সিজেন ও পুষ্টি সঠিকভাবে পৌঁছায় না এবং ধীরে ধীরে নানা ধরনের শারীরিক সমস্যা দেখা দেয়।হার্ট ফেইলিউর ধীরে ধীরে বাড়তে পারে। শুরুতে লক্ষণগুলো খুব সাধারণ মনে হলেও সময়ের সাথে তা গুরুতর হয়ে উঠতে পারে। তাই এর লক্ষণ সম্পর্কে সচেতন থাকা অত্যন্ত জরুরি।হার্ট ফেইলিউর কেন হয়? হার্ট ফেইলিউরের পেছনে বিভিন্ন কারণ থাকতে পারে। যেমন—দীর্ঘদিনের উচ্চ রক্তচাপহার্ট অ্যাটাকহৃদযন্ত্রের ভালভের সমস্যাডায়াবেটিসজন্মগত হৃদরোগঅতিরিক্ত ধূমপানস্থূলতাকিডনি রোগকরোনারি আর্টারি ডিজিজএসব কারণে হৃদযন্ত্র ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে পড়ে।হার্ট ফেইলিউরের প্রধান লক্ষণগুলো কী কী?১) শ্বাসকষ্ট হওয়া হার্ট ফেইলিউরের সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণ হলো শ্বাসকষ্ট। প্রথমে হাঁটাহাঁটি বা সিঁড়ি ভাঙার সময় শ্বাস নিতে কষ্ট হয়। রোগ বাড়লে বিশ্রামেও শ্বাসকষ্ট হতে পারে।অনেক রোগীর রাতে শুয়ে থাকলে শ্বাসকষ্ট বেড়ে যায় এবং বালিশ উঁচু করে ঘুমাতে হয়।২) দ্রুত ক্লান্ত হয়ে যাওয়াহৃদযন্ত্র ঠিকভাবে রক্ত পাম্প করতে না পারলে শরীর পর্যাপ্ত অক্সিজেন পায় না। ফলে অল্প কাজেই দুর্বলতা ও ক্লান্তি আসে।অনেকেই বলেন—আগে যে কাজ সহজে করতেন, এখন তা করতে কষ্ট হয়।৩) পা, গোড়ালি ও শরীর ফুলে যাওয়াহার্ট দুর্বল হলে শরীরে পানি জমতে শুরু করে। এতে পা, গোড়ালি, পায়ের পাতা এমনকি পেটও ফুলে যেতে পারে।৪) হঠাৎ ওজন বেড়ে যাওয়াশরীরে অতিরিক্ত তরল জমার কারণে কয়েক দিনের মধ্যে দ্রুত ওজন বাড়তে পারে।৫) বুক ধড়ফড় করাহার্ট ফেইলিউরে হৃদস্পন্দন দ্রুত বা অনিয়মিত হতে পারে। এতে বুক ধড়ফড় বা অস্বস্তি অনুভূত হতে পারে।৬) কাশি বা শ্বাসের সাথে শব্দ হওয়াফুসফুসে পানি জমলে দীর্ঘদিন কাশি হতে পারে। কখনও শ্বাস নেওয়ার সময় wheezing শব্দও হতে পারে।৭) রাতে বারবার প্রস্রাব হওয়াহার্ট ফেইলিউরে অনেক রোগীর রাতে প্রস্রাবের পরিমাণ বেড়ে যায়।৮) মাথা ঘোরা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ারক্ত চলাচল কমে গেলে মাথা ঘোরা, দুর্বল লাগা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যা হতে পারে।৯) ক্ষুধামন্দা ও বমি ভাবপেট ও লিভারে পানি জমলে ক্ষুধা কমে যেতে পারে এবং পেট ভরা ভরা লাগতে পারে।১০) মনোযোগ কমে যাওয়া ও বিভ্রান্তিমস্তিষ্কে রক্ত চলাচল কমে গেলে কিছু রোগীর মনোযোগ কমে যায় বা বিভ্রান্তি তৈরি হতে পারে।হার্ট ফেইলিউরের গুরুতর সতর্ক সংকেত নিচের লক্ষণ থাকলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে— ✔ হঠাৎ তীব্র শ্বাসকষ্ট ✔ বুকের তীব্র ব্যথা ✔ ঠোঁট বা আঙুল নীল হয়ে যাওয়া ✔ অজ্ঞান হয়ে যাওয়া ✔ অত্যন্ত দুর্বল লাগাহার্ট ফেইলিউর কীভাবে নির্ণয় করা হয়?চিকিৎসক রোগীর উপসর্গ ও শারীরিক পরীক্ষা করে কিছু টেস্ট দিতে পারেন—ECGEchocardiogramChest X-rayBlood testStress testCardiac MRI (বিশেষ ক্ষেত্রে)হার্ট ফেইলিউরের চিকিৎসা কী?চিকিৎসা রোগের কারণ ও মাত্রার ওপর নির্ভর করে। সাধারণত— ✔ ওষুধ ✔ লবণ কম খাওয়া ✔ পানি নিয়ন্ত্রণ ✔ নিয়মিত ব্যায়াম ✔ ধূমপান ত্যাগ ✔ ওজন নিয়ন্ত্রণএসব মেনে চলতে হয়।কিছু গুরুতর ক্ষেত্রে অস্ত্রোপচার বা বিশেষ ডিভাইস লাগতে পারে।হার্ট ফেইলিউর প্রতিরোধে করণীয়উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখুনঅনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ হার্ট দুর্বল করে।ধূমপান বন্ধ করুনধূমপান হৃদযন্ত্রের বড় শত্রু।নিয়মিত হাঁটাহাঁটি করুনহালকা ব্যায়াম হৃদযন্ত্র ভালো রাখতে সাহায্য করে।অতিরিক্ত লবণ ও চর্বিযুক্ত খাবার কমানএগুলো শরীরে পানি জমা ও হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়।কখন ডাক্তার দেখাবেন?যদি— ✔ অল্প কাজেই শ্বাসকষ্ট হয় ✔ পা ফুলে যায় ✔ বুক ধড়ফড় করে ✔ হঠাৎ ওজন বাড়ে ✔ দীর্ঘদিন ক্লান্ত লাগেতাহলে দ্রুত Cardiology বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।Heart Failure একটি গুরুতর কিন্তু চিকিৎসাযোগ্য অবস্থা।সময়মতো লক্ষণ শনাক্ত করা, জীবনযাপনে পরিবর্তন আনা এবং নিয়মিত চিকিৎসা নিলে দীর্ঘদিন সুস্থ থাকা সম্ভব।

25 May,2026

blog-image হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ রাজশাহী

ডাঃ আজিম আনোয়ার | কার্ডিওলজি বিশেষজ্ঞ রাজশাহী

রাজশাহীর অভিজ্ঞ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ আজিম আনোয়ার। বুকব্যথা, হার্ট ব্লক, হার্ট ফেইলিউর, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসজনিত হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য পরামর্শ নিন।ডাঃ আজিম আনোয়ারএমবিবিএস (ঢাকা), বিসিএস (স্বাস্থ্য)এমডি (কার্ডিওলজী), এমআরসিপি (লন্ডন)এমএসিসি (আমেরিকা), এমইএসসি (ফ্রান্স)ফেলোশীপ ট্রেনিং ইন স্ট্রেস ইকো (সিঙ্গাপুর)হৃদরোগ বিশেষজ্ঞবাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি (এক্স পিজি হাসপাতাল, ঢাকা)ডাঃ আজিম আনোয়ার — হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহীবুকব্যথা, বুক ধড়ফড়, শ্বাসকষ্ট, উচ্চ রক্তচাপ বা হার্টের জটিল সমস্যায় ভুগছেন? এ ধরনের লক্ষণ অবহেলা করলে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই সঠিক সময়ে একজন অভিজ্ঞ কার্ডিওলজি বিশেষজ্ঞ রাজশাহী-র কাছে পরামর্শ নেওয়া খুবই জরুরি।ডাঃ আজিম আনোয়ার রাজশাহীর একজন সুনামধন্য, অভিজ্ঞ ও বিশ্বস্ত হৃদরোগ ডাক্তার রাজশাহী। তিনি দেশের পাশাপাশি লন্ডন, আমেরিকা, ফ্রান্স ও সিঙ্গাপুরে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন এবং হৃদরোগের আধুনিক নির্ণয় ও চিকিৎসায় বিশেষ দক্ষতা রাখেন।ডাঃ আজিম আনোয়ার এর পরিচিতি ও যোগ্যতাডাঃ আজিম আনোয়ার একজন প্রশিক্ষিত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, যিনি বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির সঙ্গে সংযুক্ত। তিনি কার্ডিওলজিতে এমডি ডিগ্রিধারী এবং স্ট্রেস ইকোকার্ডিওগ্রাফিতে সিঙ্গাপুর থেকে ফেলোশিপ ট্রেনিং সম্পন্ন করেছেন।তাঁর শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ্যতা:এমবিবিএস (ঢাকা)বিসিএস (স্বাস্থ্য)এমডি (কার্ডিওলজি)এমআরসিপি (লন্ডন)এমএসিসি (আমেরিকা)এমইএসসি (ফ্রান্স)ফেলোশিপ ট্রেনিং ইন স্ট্রেস ইকো, সিঙ্গাপুরহৃদরোগ বিশেষজ্ঞবাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি (সাবেক পিজি হাসপাতাল, ঢাকা)আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ, কার্ডিওলজিতে উচ্চতর ডিগ্রি এবং স্ট্রেস ইকোতে বিশেষ দক্ষতা তাঁকে রাজশাহীতে একজন নির্ভরযোগ্য হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।ডাঃ আজিম আনোয়ার কোন রোগের চিকিৎসা দেন?ডাঃ আজিম আনোয়ার হৃদরোগ ও কার্ডিওলজি বিষয়ে বিস্তৃত চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকেন। তাঁর চিকিৎসার প্রধান ক্ষেত্রগুলো হলো:বুকব্যথা ও বুকে চাপ লাগা: হার্টে রক্ত সরবরাহ কমে যাওয়া, এনজাইনা বা হার্ট অ্যাটাকের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হতে পারে।বুক ধড়ফড় করা: হৃদস্পন্দন দ্রুত, ধীর বা অনিয়মিত হওয়ার অনুভূতি; হার্টের রিদমের সমস্যা বা অন্য কারণে হতে পারে।শ্বাসকষ্ট: হার্ট ফেইলিউর, হার্টের ভাল্বের সমস্যা বা ফুসফুসজনিত রোগের কারণে হতে পারে।উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন: দীর্ঘদিন নিয়ন্ত্রণে না থাকলে হার্ট, কিডনি, স্ট্রোক ও চোখের জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।নিম্ন রক্তচাপজনিত সমস্যা: মাথা ঘোরা, দুর্বলতা ও অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার প্রবণতা সৃষ্টি করতে পারে।হৃদপিণ্ডের ব্লক: হৃদপিণ্ডে রক্ত সরবরাহকারী ধমনিতে চর্বি বা প্লাক জমে রক্ত চলাচল কমে যাওয়া।হার্ট অ্যাটাক: হৃদপিণ্ডের রক্তনালী হঠাৎ বন্ধ হয়ে হৃদপেশিতে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হওয়া; এটি একটি জরুরি অবস্থা।এনজাইনা: হার্টে পর্যাপ্ত রক্ত না পৌঁছানোর কারণে বুকে চাপ, ব্যথা বা অস্বস্তি হওয়া, বিশেষ করে পরিশ্রমের সময়।হার্ট ফেইলিউর: হৃদপিণ্ড পর্যাপ্ত রক্ত পাম্প করতে না পারা; এতে শ্বাসকষ্ট, ক্লান্তি ও পা ফুলে যেতে পারে।হার্ট বিটের অনিয়ম বা অ্যারিদমিয়া: হৃদস্পন্দন খুব দ্রুত, ধীর বা অনিয়মিত হওয়া।হার্টের ভাল্বের সমস্যা: হৃদপিণ্ডের ভাল্ব সঠিকভাবে খুলতে বা বন্ধ হতে না পারা, যা শ্বাসকষ্ট ও ক্লান্তি সৃষ্টি করতে পারে।জন্মগত হৃদরোগ: জন্মের সময় থেকেই হৃদপিণ্ডের গঠনগত সমস্যা থাকা।নিয়মিত বুকব্যথা: বারবার বুকব্যথা হলে হার্টের সমস্যা আছে কি না তা নির্ণয় করা প্রয়োজন।হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া: অস্বাভাবিক দ্রুত হৃদস্পন্দন, যা হার্টের রিদমজনিত সমস্যা নির্দেশ করতে পারে।দীর্ঘদিনের উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস: এই দুটি রোগ হার্ট, কিডনি, স্নায়ু ও চোখের জটিলতার প্রধান ঝুঁকি।শরীরে অজানা কারণে ক্লান্তি বা ফোলা ভাব: হার্ট ফেইলিউর, কিডনি বা অন্য অভ্যন্তরীণ রোগের লক্ষণ হতে পারে।হার্ট অ্যাটাকের পর সঠিক ওষুধ, নিয়মিত ফলোআপ, রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন খুবই জরুরি। একজন অভিজ্ঞ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শে পুনরায় হার্ট অ্যাটাক ও জটিলতার ঝুঁকি কমানো সম্ভব।কখন কার্ডিওলজি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখাবেন?সাময়িক ক্লান্তি বা অস্বস্তি সাধারণ কারণে হতে পারে। তবে নিচের উপসর্গগুলো থাকলে দেরি না করে একজন কার্ডিওলজি বিশেষজ্ঞ রাজশাহী-র কাছে যাওয়া উচিত:বারবার বুক ধড়ফড় বা হৃদস্পন্দন দ্রুত হওয়াবুকে চাপ, জ্বালাপোড়া বা ব্যথা, বিশেষ করে হাঁটাচলা বা পরিশ্রমের পরসামান্য পরিশ্রমেই শ্বাসকষ্ট হওয়াহাত, পা, গোড়ালি বা পেট ফুলে যাওয়াঅজানা কারণে দুর্বলতা, ক্লান্তি বা মাথা ঘোরাউচ্চ বা নিম্ন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না থাকাদীর্ঘদিন ডায়াবেটিস থাকা এবং বুকব্যথা, শ্বাসকষ্ট বা পা ফুলে যাওয়াহার্ট অ্যাটাকের পর নিয়মিত ফলোআপ ও ওষুধ পরিচালনার প্রয়োজনপরিবারে হার্ট অ্যাটাক, হার্ট ব্লক বা হঠাৎ মৃত্যুর ইতিহাস থাকাইসিজি, ইকোকার্ডিওগ্রাফি বা অন্য পরীক্ষায় হার্টের সমস্যা ধরা পড়াজরুরি লক্ষণ—যেমন তীব্র বুকব্যথা, ঘাম হয়ে যাওয়া, হঠাৎ শ্বাসকষ্ট, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা বাম হাত-কাঁধে ব্যথা—দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি সেবা নিন।কেন ডাঃ আজিম আনোয়ার-কে দেখাবেন?রাজশাহীতে হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য ডাঃ আজিম আনোয়ার-কে বেছে নেওয়ার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে:আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ: তিনি লন্ডন, আমেরিকা, ফ্রান্স ও সিঙ্গাপুরে উচ্চতর প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।কার্ডিওলজিতে উচ্চতর ডিগ্রি: তিনি এমডি (কার্ডিওলজি) ডিগ্রিধারী এবং স্ট্রেস ইকোতে ফেলোশিপ ট্রেনিং সম্পন্ন করেছেন।হৃদরোগের বিস্তৃত চিকিৎসা: হার্ট ব্লক, হার্ট অ্যাটাক, এনজাইনা, হার্ট ফেইলিউর, অ্যারিদমিয়া ও ভাল্বের সমস্যায় পরামর্শ দেন।ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের সমন্বিত চিকিৎসা: হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ানো এই রোগগুলো একসঙ্গে বিবেচনা করে চিকিৎসা দেন।রোগীবান্ধব পরামর্শ: রোগের কারণ, পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা, ওষুধ ব্যবহার এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন সহজভাবে বোঝান।রাজশাহীতে সহজলভ্য চেম্বার: রাজশাহীর সুবিধাজনক দুটি স্থানে রোগীরা পরামর্শ নিতে পারেন।ডাঃ আজিম আনোয়ার হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ এর চেম্বারের তথ্যচেম্বার ১ঃ পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড, রাজশাহীঠিকানা: ভবন-১ (নতুন ভবন), রুম নং ৭০৪, চৌধুরী টাওয়ার, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী।রোগী দেখার সময়: প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে রাত ১০টা (শুক্রবার ও মঙ্গলবার বন্ধ)সিরিয়ালের জন্য: ০৯৬৬৬-৭৮৭৮১১চেম্বার ২ঃ দি এ্যাপলো ডায়াগনস্টিক সেন্টার, রাজশাহীঠিকানা: বেলভিউ ডায়াগনস্টিকের বিপরীতে, শেরশাহ রোড, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী।সিরিয়াল বা বিস্তারিত তথ্যের জন্য: ০১৭২৩-০২৫৫১৪চেম্বারে যাওয়ার আগে সিরিয়াল বা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিশ্চিত করে নিন।হৃদরোগ প্রতিরোধে কী করবেন?হৃদ্‌যন্ত্র সুস্থ রাখতে চিকিৎসকের পরামর্শের পাশাপাশি দৈনন্দিন অভ্যাসেও গুরুত্ব দিতে হবে।১. নিয়মিত রক্তচাপ, রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরল পরীক্ষা করুন।২. শাকসবজি, ফল, ডাল, পূর্ণশস্য ও পরিমিত স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করুন। অতিরিক্ত লবণ, ট্রান্স ফ্যাট এবং অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার সীমিত রাখুন।৩. ধূমপান ও তামাকজাত পণ্য এড়িয়ে চলুন।৪. শারীরিক সক্ষমতা ও রোগের অবস্থা অনুযায়ী নিয়মিত ব্যায়াম বা হাঁটার অভ্যাস করুন। আগে থেকে হৃদ্‌রোগ থাকলে ব্যায়ামের ধরন চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করুন।৫. স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন এবং পর্যাপ্ত ঘুমের অভ্যাস গড়ে তুলুন।৬. চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করুন। নিজের সিদ্ধান্তে হৃদরোগ বা রক্তচাপের ওষুধ বন্ধ করবেন না।ডাক্তার সম্পর্কে সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন১. ডাঃ আজিম আনোয়ার কোন বিষয়ের বিশেষজ্ঞ?তিনি হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ বা কার্ডিওলজিস্ট। তিনি বুকব্যথা, বুক ধড়ফড়, হার্ট ব্লক, হার্ট অ্যাটাক, হার্ট ফেইলিউর, অ্যারিদমিয়া, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসজনিত হৃদরোগের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।২. বুকব্যথা হলে কি সবসময় হার্টের সমস্যা?না, সব বুকব্যথা হার্টের সমস্যা নয়। গ্যাস্ট্রিক, পেশির ব্যথা, উদ্বেগ বা ফুসফুসের সমস্যাতেও বুকব্যথা হতে পারে। তবে বুকে চাপ, ভার লাগা, ঘাম হওয়া, শ্বাসকষ্ট বা ব্যথা হাত-কাঁধ-চোয়ালে ছড়িয়ে পড়লে দ্রুত হাসপাতালে যাওয়া জরুরি।৩. হার্ট অ্যাটাকের প্রধান লক্ষণ কী কী?হার্ট অ্যাটাকের সাধারণ লক্ষণের মধ্যে রয়েছে বুকের মাঝে চাপ, চাপা বা ব্যথা; শ্বাসকষ্ট; হাত, কাঁধ, ঘাড়, চোয়াল বা পিঠে ব্যথা; ঠান্ডা ঘাম, বমিভাব, মাথা ঘোরা বা অস্বাভাবিক ক্লান্তি। এসব লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত ইমার্জেন্সি সেবা নিন।৪. উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায় কেন?উচ্চ রক্তচাপ হৃদপিণ্ড ও রক্তনালীর ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে, আর ডায়াবেটিস রক্তনালীর ক্ষতি করে। ফলে হার্ট ব্লক, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ও কিডনির জটিলতার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই এ দুটি রোগ নিয়মিত পরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।৫. হার্টের সমস্যা নির্ণয়ের জন্য কোন পরীক্ষা লাগতে পারে?রোগীর উপসর্গ অনুযায়ী ইসিজি (ECG), ইকোকার্ডিওগ্রাফি (Echo), এক্স-রে, রক্তে শর্করা, লিপিড প্রোফাইল, ক্রিয়েটিনিন, ট্রপোনিন বা প্রয়োজনে এনজিওগ্রামের পরামর্শ দেওয়া হতে পারে। পরীক্ষা শুধু ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী করানো উচিত।৬. স্ট্রেস ইকো পরীক্ষা কী?স্ট্রেস ইকো হলো একটি বিশেষ ইকোকার্ডিওগ্রাফি পরীক্ষা, যাতে ব্যায়াম বা ওষুধের মাধ্যমে হার্টের কাজের চাপ বাড়িয়ে দেখা হয় হৃদপেশিতে রক্ত সরবরাহ ঠিক আছে কি না। ডাঃ আজিম আনোয়ার এই বিষয়ে সিঙ্গাপুর থেকে ফেলোশিপ ট্রেনিং নিয়েছেন।৭. হার্ট অ্যাটাকের পর কি স্বাভাবিক জীবনযাপন করা সম্ভব?হ্যাঁ, সঠিক চিকিৎসা, নিয়মিত ওষুধ, রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, ধূমপান ত্যাগ, সুষম খাবার এবং ডাক্তারের পরামর্শে ব্যায়ামের মাধ্যমে অনেক রোগীই স্বাভাবিক ও সক্রিয় জীবনযাপন করতে পারেন। ধূমপান ত্যাগ, লবণ কম খাওয়া, শারীরিক কর্মকাণ্ড বাড়ানো এবং সবজি-ফল খাওয়া হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।৮. ডাঃ আজিম আনোয়ারের চেম্বার কোথায়?তাঁর চেম্বার রাজশাহীর পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড, ভবন-১, রুম ৭০৪ এবং দি এ্যাপলো ডায়াগনস্টিক সেন্টার-এ। পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে তিনি প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত রোগী দেখেন; শুক্রবার ও মঙ্গলবার বন্ধ।রাজশাহীতে অভিজ্ঞ কার্ডিওলজি বিশেষজ্ঞ রাজশাহী খুঁজছেন হলে ডাঃ আজিম আনোয়ার একজন নির্ভরযোগ্য পছন্দ হতে পারেন। তাঁর আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ, কার্ডিওলজিতে উচ্চতর ডিগ্রি এবং আধুনিক হৃদরোগ নির্ণয়ের দক্ষতা রোগীদের জন্য আশ্বস্ত ও পরিকল্পিত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করে।রাজশাহীতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন Doctor Service BD এর মাধ্যমে।হটলাইন নম্বরঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪

25 May,2026

blog-image শিশু স্বাস্থ্য বার্তা

নবজাতকের জন্ডিস: লক্ষণ, চিকিৎসা ও করণীয়

নবজাতকের জন্ডিস কী, শিশুর শরীর হলুদ হওয়ার কারণ, বিলিরুবিনের স্বাভাবিক মাত্রা, ফোটোথেরাপি, বিপজ্জনক লক্ষণ ও চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।নবজাতকের জন্ডিসনবজাতক শিশুর জন্মের কয়েকদিন পর অনেক সময় দেখা যায় তার ত্বক ও চোখ হলুদ হয়ে যাচ্ছে। এটি দেখে বেশিরভাগ মা-বাবা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েন। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় এই অবস্থাকে Neonatal Jaundice বা নবজাতকের জন্ডিস বলা হয়।নবজাতকের জন্ডিস খুবই সাধারণ একটি সমস্যা। জন্মের পর প্রথম সপ্তাহে অনেক শিশুর শরীরে bilirubin নামক পদার্থের মাত্রা বেড়ে যায়, যার কারণে ত্বক ও চোখ হলুদ দেখায়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটি স্বাভাবিক এবং কিছুদিনের মধ্যে নিজে থেকেই কমে যায়।তবে কিছু ক্ষেত্রে bilirubin অতিরিক্ত বেড়ে গেলে তা শিশুর মস্তিষ্কের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে। তাই কোন জন্ডিস স্বাভাবিক আর কোনটি বিপজ্জনক—এটি জানা অত্যন্ত জরুরি।সময়মতো পরীক্ষা ও চিকিৎসা করলে অধিকাংশ শিশুই সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যায়।নবজাতকের জন্ডিস কী?নবজাতকের রক্তে bilirubin-এর মাত্রা বেড়ে গিয়ে ত্বক ও চোখ হলুদ হয়ে যাওয়াকে জন্ডিস বলা হয়।Bilirubin হলো লোহিত রক্তকণিকা ভাঙার ফলে তৈরি হওয়া একটি পদার্থ।নবজাতকের জন্ডিস কেন হয়?জন্মের পর শিশুর শরীরে পুরোনো রক্তকণিকা দ্রুত ভাঙে।এসময় শিশুর লিভার পুরোপুরি পরিপক্ব না থাকায় bilirubin দ্রুত শরীর থেকে বের করতে পারে না। ফলে রক্তে bilirubin জমে যায়।Physiological Jaundice কী?এটি সবচেয়ে সাধারণ ও স্বাভাবিক ধরনের জন্ডিস।সাধারণত জন্মের ২–৩ দিন পর শুরু হয় এবং কয়েকদিনের মধ্যে কমে যায়।Breastfeeding Jaundice কী?পর্যাপ্ত বুকের দুধ না পেলে কিছু শিশুর bilirubin বেড়ে যেতে পারে।কোন জন্ডিস বিপজ্জনক হতে পারে?নিচের কারণগুলো গুরুতর হতে পারে:রক্তের গ্রুপের অমিলসংক্রমণজন্মগত লিভারের রোগpremature babyএসব ক্ষেত্রে দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন।নবজাতকের জন্ডিসের লক্ষণ কী কী?ত্বক হলুদ হওয়াচোখ হলুদ হওয়াশিশুর অলসতাঠিকমতো দুধ না খাওয়াঅতিরিক্ত ঘুমানোগুরুতর হলে শিশুর খিঁচুনিও হতে পারে।শিশুর শরীরের কোন অংশ আগে হলুদ হয়?সাধারণত মুখ ও চোখ থেকে হলুদভাব শুরু হয়।পরে বুক, পেট ও হাত-পায়ে ছড়িয়ে যেতে পারে।বিলিরুবিনের স্বাভাবিক মাত্রা কত?নবজাতকের বয়স অনুযায়ী bilirubin-এর মাত্রা মূল্যায়ন করা হয়।শিশুর বয়স, ওজন ও জন্মের সময় অনুযায়ী চিকিৎসক এটি নির্ধারণ করেন।কখন জন্ডিস বেশি চিন্তার কারণ?নিচের পরিস্থিতিতে দ্রুত ডাক্তার দেখানো জরুরি:জন্মের প্রথম ২৪ ঘণ্টার মধ্যে জন্ডিসbilirubin দ্রুত বাড়াশিশু দুধ না খাওয়াঅতিরিক্ত অলসতাখিঁচুনিএসব গুরুতর লক্ষণ হতে পারে।নবজাতকের জন্ডিস কীভাবে নির্ণয় করা হয়?শারীরিক পরীক্ষাচিকিৎসক শিশুর ত্বক ও চোখ পরীক্ষা করেন।Bilirubin TestSerum Bilirubin Test করে bilirubin-এর মাত্রা নির্ণয় করা হয়।অন্যান্য পরীক্ষাপ্রয়োজনে রক্তের গ্রুপ, CBC বা সংক্রমণের পরীক্ষা করা হতে পারে।নবজাতকের জন্ডিসের চিকিৎসা কী?চিকিৎসা নির্ভর করে bilirubin-এর মাত্রা ও শিশুর অবস্থার ওপর।পর্যাপ্ত বুকের দুধশিশুকে ঘন ঘন বুকের দুধ খাওয়ানো গুরুত্বপূর্ণ।ফোটোথেরাপি Phototherapy হলো নবজাতকের জন্ডিসের সবচেয়ে প্রচলিত চিকিৎসা।বিশেষ নীল আলো bilirubin কমাতে সাহায্য করে।Exchange Transfusion গুরুতর ক্ষেত্রে শিশুর রক্ত পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে।সূর্যের আলো অনেকে সকালে হালকা রোদে শিশুকে রাখেন।তবে এটি চিকিৎসার বিকল্প নয় এবং অতিরিক্ত রোদ ক্ষতিকর হতে পারে।নবজাতকের জন্ডিস কি বিপজ্জনক?অধিকাংশ ক্ষেত্রে নয়।তবে bilirubin খুব বেশি বেড়ে গেলে Kernicterus হতে পারে, যা শিশুর মস্তিষ্কের ক্ষতি করতে পারে।জন্ডিস প্রতিরোধের উপায়জন্মের পর দ্রুত বুকের দুধ শুরু করাশিশুকে নিয়মিত খাওয়ানোজন্ডিসের লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করাসময়মতো পরীক্ষা করাএসব গুরুত্বপূর্ণ।কখন দ্রুত হাসপাতালে যাবেন?শিশু দুধ খেতে না চাইলেশরীর খুব হলুদ হলেখিঁচুনি হলেঅতিরিক্ত অলস হয়ে গেলেজ্বর থাকলেদ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে।কখন ডাক্তার দেখাবেন?যদি নবজাতকের ত্বক বা চোখ হলুদ দেখা যায়, তাহলে দ্রুত একজন Pediatrician এর পরামর্শ নেওয়া উচিত।নবজাতকের জন্ডিস কি পুরোপুরি ভালো হয়?হ্যাঁ, অধিকাংশ শিশুই সঠিক চিকিৎসায় সম্পূর্ণ সুস্থ হয়ে যায়।তবে গুরুতর জন্ডিস দেরিতে চিকিৎসা করলে জটিলতা হতে পারে।নবজাতকের জন্ডিস খুব সাধারণ হলেও এটি অবহেলা করা উচিত নয়। শিশুর ত্বক বা চোখ হলুদ হলে দ্রুত পরীক্ষা করানো জরুরি। সময়মতো bilirubin পরীক্ষা ও সঠিক চিকিৎসা নিলে অধিকাংশ নবজাতক সম্পূর্ণ সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে পারে।

24 May,2026

blog-image স্ত্রীরোগ, প্রসূতি বিশেষজ্ঞ ও সার্জন রাজশাহী

ডাঃ সাদিয়া তামান্না

স্ত্রী রোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জন রাজশাহীডাঃ সাদিয়া তামান্নাএমবিবিএস(এসএসএমসি),বিসিএস(স্বাস্থ্য)এমসিপিএস(অবস&গাইনী),এফসিপিএস(অবস&গাইনী)স্ত্রী রোগ ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জনসহকারী অধ্যাপক (অবস&গাইনী বিভাগ)রাজশাহী মেডিকেলে কলেজ হসপিটাল বিএমডিসি রেজি-A59629যেসকল রোগের চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকেনঃমাসিক (পিরিয়ড) সংক্রান্ত সমস্যাঅনিয়মিত মাসিকঅতিরিক্ত বা কম রক্তপাততীব্র পিরিয়ডের ব্যথাগর্ভাবস্থার যত্ন (Antenatal care)গর্ভাবস্থার নিয়মিত চেকআপআল্ট্রাসনোগ্রাফি পরামর্শমা ও বাচ্চার স্বাস্থ্য পর্যবেক্ষণডেলিভারি (প্রসব)নরমাল ডেলিভারিসিজারিয়ান অপারেশন (C-section)প্রসব পরবর্তী যত্নবন্ধ্যাত্ব (Infertility) চিকিৎসাবাচ্চা না হওয়ার কারণ নির্ণয়প্রয়োজনীয় টেস্ট ও চিকিৎসাওভুলেশন/হরমোন থেরাপি হরমোনজনিত সমস্যাPCOS/PCODথাইরয়েড সম্পর্কিত সমস্যাঅতিরিক্ত লোম, ওজন বৃদ্ধি ইত্যাদিনারী জননাঙ্গের সংক্রমণসাদা স্রাব (লিউকোরিয়া)ফাঙ্গাল বা ব্যাকটেরিয়াল ইনফেকশনযৌনবাহিত রোগ (STD)জরায়ু ও ডিম্বাশয়ের রোগফাইব্রয়েডওভারিয়ান সিস্টএন্ডোমেট্রিওসিসপরিবার পরিকল্পনা (Family planning)জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি (পিল, ইনজেকশন, IUCD)পরামর্শ ও ফলোআপক্যান্সার স্ক্রিনিংসার্ভিক্যাল ক্যান্সার স্ক্রিনিং (Pap smear)ব্রেস্ট পরীক্ষামেনোপজ সংক্রান্ত সমস্যামেনোপজের পর হরমোন পরিবর্তনহট ফ্ল্যাশ, মুড পরিবর্তনচেম্বারঃ আল-আমিন হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারসময়ঃ বিকাল ৩টা থেকে ৫টারাজশাহীর যেকোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ও সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন Doctor Service BD তেহটলাইন নম্বরঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪

24 May,2026

blog-image যৌনরোগ সমস্যা

প্রোস্টেট বড় হওয়া: লক্ষণ, প্রস্রাবের সমস্যা ও চিকিৎসা

প্রোস্টেট বড় হওয়ার লক্ষণ কী, ঘন ঘন প্রস্রাব, প্রস্রাব আটকে যাওয়া, রাতে বারবার প্রস্রাব, ব্যথা ও আধুনিক চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।প্রোস্টেট বড় হওয়াবয়স বাড়ার সঙ্গে পুরুষদের শরীরে বিভিন্ন পরিবর্তন দেখা দেয়। এর মধ্যে অন্যতম সাধারণ একটি সমস্যা হলো Benign Prostatic Hyperplasia বা প্রোস্টেট বড় হয়ে যাওয়া।অনেক পুরুষই বয়স বাড়ার পর ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া, রাতে বারবার বাথরুমে যেতে হওয়া, প্রস্রাব শুরু করতে দেরি হওয়া বা প্রস্রাব আটকে যাওয়ার মতো সমস্যায় ভোগেন। অনেকেই এটিকে বয়সজনিত স্বাভাবিক সমস্যা মনে করে অবহেলা করেন। কিন্তু দীর্ঘদিন চিকিৎসা না নিলে এটি মূত্রথলি, কিডনি ও দৈনন্দিন জীবনে বড় প্রভাব ফেলতে পারে।প্রোস্টেট হলো পুরুষদের একটি ছোট গ্রন্থি, যা মূত্রথলির নিচে থাকে এবং বীর্য তৈরিতে ভূমিকা রাখে। বয়সের সঙ্গে এই গ্রন্থি ধীরে ধীরে বড় হতে পারে। যখন এটি বড় হয়ে মূত্রনালির ওপর চাপ সৃষ্টি করে, তখন প্রস্রাবের বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়।বর্তমানে ওষুধ, জীবনযাপনে পরিবর্তন এবং আধুনিক সার্জারির মাধ্যমে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই প্রোস্টেট বড় হওয়ার সফল চিকিৎসা সম্ভব।প্রোস্টেট কী?প্রোস্টেট হলো পুরুষদের একটি গ্রন্থি যা মূত্রথলির নিচে অবস্থিত।এটি বীর্যের একটি অংশ তৈরি করে এবং প্রজনন প্রক্রিয়ায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।প্রোস্টেট বড় হওয়া কী?যখন প্রোস্টেট গ্রন্থি স্বাভাবিকের চেয়ে বড় হয়ে যায় এবং মূত্রনালির ওপর চাপ সৃষ্টি করে, তখন তাকে প্রোস্টেট বড় হওয়া বলা হয়।এটি সাধারণত ক্যানসার নয়।প্রোস্টেট বড় হওয়ার লক্ষণ কী কী?ঘন ঘন প্রস্রাবরাতে বারবার প্রস্রাবপ্রস্রাব শুরু করতে দেরি হওয়াপ্রস্রাবের ধারা দুর্বল হওয়াপ্রস্রাব শেষে ফোঁটা ফোঁটা পড়াপ্রস্রাব পুরোপুরি না হওয়া অনুভব করাহঠাৎ প্রস্রাবের চাপ অনুভব করাগুরুতর ক্ষেত্রে প্রস্রাব পুরোপুরি বন্ধও হয়ে যেতে পারে।প্রোস্টেট বড় হয় কেন হয়?বয়স বাড়ার সঙ্গে শরীরের হরমোনের পরিবর্তনের কারণে প্রোস্টেট ধীরে ধীরে বড় হতে পারে।৫০ বছরের পর এই সমস্যা বেশি দেখা যায়।কারা বেশি ঝুঁকিতে থাকেন?৫০ বছরের বেশি বয়সী পুরুষপরিবারে prostate সমস্যার ইতিহাস থাকলেস্থূলতাডায়াবেটিসশারীরিক পরিশ্রম কম করাএসব ঝুঁকি বাড়াতে পারে।প্রোস্টেট বড় হওয়া ও প্রোস্টেট ক্যানসার কি এক?না।প্রোস্টেট বড় হওয়া সাধারণত benign বা ক্যানসারবিহীন সমস্যা।অন্যদিকে Prostate Cancer হলো ক্যানসারজনিত রোগ।তবে দুই রোগের কিছু লক্ষণ একরকম হতে পারে।প্রোস্টেট বড় হওয়া কীভাবে নির্ণয় করা হয়?চিকিৎসকের শারীরিক পরীক্ষাচিকিৎসক prostate পরীক্ষা করতে পারেন।PSA TestProstate-Specific Antigen Test রক্ত পরীক্ষা prostate সমস্যার মূল্যায়নে সাহায্য করে।Ultrasoundপ্রোস্টেটের আকার ও মূত্রথলির অবস্থা দেখতে ultrasound করা হতে পারে।Urine Testসংক্রমণ আছে কিনা দেখতে urine পরীক্ষা করা হয়।প্রোস্টেট বড় হওয়ার চিকিৎসা কী?চিকিৎসা নির্ভর করে সমস্যার তীব্রতার ওপর।জীবনযাপনে পরিবর্তনরাতে কম পানি পানক্যাফেইন কম খাওয়াদীর্ঘসময় প্রস্রাব চেপে না রাখাএসব উপকারী হতে পারে।ওষুধচিকিৎসক prostate ছোট করতে বা প্রস্রাব সহজ করতে ওষুধ দিতে পারেন।অপারেশনযদি ওষুধে কাজ না হয় বা প্রস্রাব পুরোপুরি আটকে যায়, তাহলে surgery প্রয়োজন হতে পারে।TURP কী?Transurethral Resection of the Prostate হলো একটি সাধারণ prostate surgery, যেখানে মূত্রনালির মাধ্যমে অতিরিক্ত prostate অংশ অপসারণ করা হয়।ঘরোয়া উপায়ে কীভাবে সমস্যা কমানো যায়?নিয়মিত হাঁটাওজন নিয়ন্ত্রণঅতিরিক্ত চা-কফি কম খাওয়াধূমপান এড়িয়ে চলাস্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়াএসব উপকারী হতে পারে।কী খাবেন?টমেটোশাকসবজিফলমূলবাদামমাছএসব prostate স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে।কখন জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন?নিচের লক্ষণ থাকলে দ্রুত হাসপাতালে যেতে হবে:প্রস্রাব পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়াপ্রস্রাবে রক্ততীব্র তলপেট ব্যথাজ্বরসহ প্রস্রাবের সমস্যাকখন ডাক্তার দেখাবেন?যদি দীর্ঘদিন ঘন ঘন প্রস্রাব, রাতে বারবার প্রস্রাব বা প্রস্রাব আটকে যাওয়ার সমস্যা থাকে, তাহলে একজন Urologist এর পরামর্শ নেওয়া উচিত।প্রোস্টেট বড় হওয়া কি পুরোপুরি ভালো হয়?অনেক ক্ষেত্রে ওষুধ ও lifestyle পরিবর্তনে সমস্যা নিয়ন্ত্রণে থাকে।প্রয়োজনে surgery-এর মাধ্যমেও ভালো ফল পাওয়া যায়।শেষকথাপ্রোস্টেট বড় হওয়া বয়সজনিত সাধারণ সমস্যা হলেও এটি অবহেলা করা উচিত নয়। সময়মতো চিকিৎসা না নিলে প্রস্রাবের জটিলতা ও কিডনির সমস্যা হতে পারে। তাই ঘন ঘন প্রস্রাব বা প্রস্রাব আটকে যাওয়ার মতো সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

23 May,2026

blog-image ক্যান্সার রোগ

ত্বকের ক্যান্সার: লক্ষণ, চিকিৎসা ও প্রতিরোধের উপায়

ত্বকের ক্যান্সার কী, স্কিন ক্যান্সারের লক্ষণ, তিলের পরিবর্তন, চুলকানি, ক্ষত না শুকানো, রোদে থাকার ক্ষতি ও আধুনিক চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।ত্বকের ক্যান্সারমানবদেহের সবচেয়ে বড় অঙ্গ হলো ত্বক। এটি শরীরকে বাইরের বিভিন্ন ক্ষতিকর উপাদান থেকে রক্ষা করে। কিন্তু বিভিন্ন কারণে ত্বকের কোষে অস্বাভাবিক পরিবর্তন শুরু হলে তৈরি হতে পারে Skin Cancer বা ত্বকের ক্যান্সার।বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ত্বকের ক্যান্সারের সংখ্যা বাড়ছে। দীর্ঘসময় সূর্যের অতিবেগুনি রশ্মির সংস্পর্শে থাকা, ত্বকের ক্ষত অবহেলা করা, রাসায়নিকের সংস্পর্শ এবং কিছু জেনেটিক কারণ এ রোগের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।অনেক সময় ত্বকের ছোট তিল, দাগ বা ক্ষতকে মানুষ সাধারণ সমস্যা মনে করে অবহেলা করেন। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে এগুলোই ধীরে ধীরে ক্যান্সারে রূপ নিতে পারে। শুরুতেই লক্ষণ শনাক্ত করা গেলে অধিকাংশ ত্বকের ক্যান্সারের সফল চিকিৎসা সম্ভব।তাই ত্বকের যেকোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন সম্পর্কে সচেতন থাকা জরুরি।ত্বকের ক্যান্সার কী?ত্বকের কোষ অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে গেলে তাকে ত্বকের ক্যান্সার বলা হয়।এটি সাধারণত সূর্যের ultraviolet (UV) রশ্মির কারণে বেশি হয়ে থাকে।ত্বকের ক্যান্সারের প্রধান ধরন কী কী?Basal Cell Carcinomaএটি সবচেয়ে সাধারণ ধরনের skin cancer।ধীরে বাড়ে এবং সাধারণত শরীরের অন্য অংশে দ্রুত ছড়ায় না।Squamous Cell Carcinomaএটি তুলনামূলক বেশি আক্রমণাত্মক হতে পারে।MelanomaMelanoma সবচেয়ে ভয়ংকর ধরনের skin cancer।এটি দ্রুত শরীরের অন্য অংশে ছড়িয়ে যেতে পারে।ত্বকের ক্যান্সার কেন হয়?অতিরিক্ত রোদে থাকাসূর্যের UV radiation ত্বকের কোষের DNA ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।ফর্সা ত্বকযাদের ত্বক তুলনামূলক ফর্সা, তাদের ঝুঁকি বেশি হতে পারে।পুরোনো ক্ষত বা পোড়া দাগদীর্ঘদিনের ক্ষত বা পোড়া দাগ থেকেও cancer হতে পারে।পারিবারিক ইতিহাসপরিবারে skin cancer থাকলে ঝুঁকি বাড়তে পারে।রাসায়নিক পদার্থকিছু ক্ষতিকর রাসায়নিকের সংস্পর্শও ঝুঁকি বাড়ায়।ত্বকের ক্যান্সারের লক্ষণ কী কী?ত্বকে নতুন তিল বা দাগপুরোনো তিলের আকার বা রঙ পরিবর্তনক্ষত দীর্ঘদিন না শুকানোত্বক থেকে রক্ত পড়াচুলকানিত্বকে খসখসে অংশ তৈরি হওয়াঅনেক সময় ছোট ক্ষত ধীরে ধীরে বড় হতে থাকে।ত্বকের ক্যান্সারে কেমন হয়?প্রাথমিক অবস্থায় অনেক skin cancer-এ তেমন ব্যথা নাও থাকতে পারে।তবে সময়ের সঙ্গে আক্রান্ত স্থানে জ্বালাপোড়া, চুলকানি বা চাপধরা অস্বস্তি হতে পারে।কিছু রোগীর ত্বকে ক্ষত তৈরি হয় যা স্পর্শ করলে ব্যথা লাগে বা রক্ত পড়ে।Melanoma-এর ক্ষেত্রে তিলের আশপাশে জ্বালা, টান লাগা বা সংবেদনশীলতা বাড়তে পারে।যদি cancer গভীরে ছড়িয়ে যায়, তাহলে ত্বকের নিচে ব্যথা ও ফোলা তৈরি হতে পারে।কোন তিল বিপজ্জনক হতে পারে?নিচের পরিবর্তনগুলো গুরুত্বপূর্ণ:তিলের আকার দ্রুত বড় হওয়াঅসমান আকৃতিরঙ পরিবর্তনরক্ত পড়াচুলকানিএগুলো থাকলে দ্রুত পরীক্ষা করা জরুরি।ABCDE Rule কী?Melanoma শনাক্তে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি হলো ABCDE rule।A – Asymmetryতিলের দুই পাশ অসমান হওয়া।B – Borderতিলের কিনারা অসমান হওয়া।C – Colorএকাধিক রঙ থাকা।D – Diameterআকার বড় হওয়া।E – Evolvingসময় অনুযায়ী পরিবর্তন হওয়া।ত্বকের ক্যান্সার কীভাবে নির্ণয় করা হয়?Skin Examinationচিকিৎসক ত্বকের পরিবর্তন পরীক্ষা করেন।BiopsySkin Biopsy করে নিশ্চিত হওয়া যায় cancer আছে কিনা।Dermoscopyবিশেষ যন্ত্র দিয়ে ত্বকের তিল পরীক্ষা করা হয়।ত্বকের ক্যান্সারের চিকিৎসা কী?চিকিৎসা নির্ভর করে cancer-এর ধরন ও পর্যায়ের ওপর।অপারেশনঅনেক ক্ষেত্রে surgery করে আক্রান্ত অংশ কেটে ফেলা হয়।RadiotherapyRadiation ব্যবহার করে cancer কোষ ধ্বংস করা হয়।Chemotherapyকিছু advanced cancer-এ chemotherapy প্রয়োজন হতে পারে।ImmunotherapyImmunotherapy কিছু melanoma রোগীর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।ত্বকের ক্যান্সার প্রতিরোধের উপায়অতিরিক্ত রোদ এড়িয়ে চলুনদুপুরের তীব্র রোদে কম বের হওয়া ভালো।Sunscreen ব্যবহার করুনSPF সমৃদ্ধ sunscreen ত্বককে UV রশ্মি থেকে সুরক্ষা দিতে পারে।পুরো শরীর ঢেকে রাখুনরোদে বের হলে টুপি, ফুলহাতা কাপড় ও sunglasses ব্যবহার করা ভালো।ত্বকের পরিবর্তন নিয়মিত দেখুননতুন তিল বা ক্ষত হলে দ্রুত পরীক্ষা করান।কখন ডাক্তার দেখাবেন?যদি ত্বকে নতুন দাগ, তিলের পরিবর্তন, দীর্ঘদিন ক্ষত না শুকানো বা রক্ত পড়া দেখা যায়, তাহলে দ্রুত একজন Dermatologist এর পরামর্শ নেওয়া উচিত।ত্বকের ক্যান্সার কি পুরোপুরি ভালো হয়?প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে অধিকাংশ skin cancer সফলভাবে চিকিৎসা করা সম্ভব।তবে melanoma দেরিতে ধরা পড়লে জটিলতা বাড়তে পারে।শেষকথাত্বকের ক্যান্সার সম্পর্কে সচেতনতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ত্বকের ছোট পরিবর্তনও কখনও বড় রোগের ইঙ্গিত হতে পারে। তাই ত্বকে অস্বাভাবিক দাগ, তিল বা ক্ষত দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত পরীক্ষা করা উচিত। সময়মতো চিকিৎসা নিলে সুস্থ থাকার সম্ভাবনা অনেক বেড়ে যায়।ব্লগের উৎসঃ Mayo Clinic

23 May,2026

blog-image অর্থোপেডিক রোগ

হাড় ক্ষয় প্রতিরোধে করণীয়

হাড় ক্ষয় কেন হয়, Osteoporosis প্রতিরোধে কী খাবেন, ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন D-এর গুরুত্ব, ব্যায়াম, জীবনযাপন ও হাড় সুস্থ রাখার উপায় জানুন বিস্তারিতভাবে।হাড় ক্ষয় প্রতিরোধে করণীয় মানবদেহের কাঠামোকে শক্ত ও সচল রাখতে হাড় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে অনেকের হাড় ধীরে ধীরে দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে যেতে থাকে। এই অবস্থাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানে Osteoporosis বা হাড় ক্ষয় রোগ বলা হয়।হাড় ক্ষয় হলে হাড়ের ঘনত্ব কমে যায় এবং হাড় সহজে ভেঙে যাওয়ার ঝুঁকি বাড়ে। বিশেষ করে কোমর, মেরুদণ্ড ও কব্জির হাড় বেশি আক্রান্ত হয়। অনেক সময় সামান্য আঘাত বা পড়ে গেলেও হাড় ভেঙে যেতে পারে। নারীদের মেনোপজের পর এবং বয়স্ক মানুষের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। তবে অস্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস, ক্যালসিয়ামের ঘাটতি, ভিটামিন D-এর অভাব, ধূমপান ও শারীরিক নিষ্ক্রিয়তার কারণেও কম বয়সে হাড় দুর্বল হতে পারে।সুখবর হলো—সঠিক জীবনযাপন ও সচেতনতার মাধ্যমে অনেক ক্ষেত্রেই হাড় ক্ষয় প্রতিরোধ করা সম্ভব।হাড় ক্ষয় কেন হয়? হাড় আমাদের শরীরে সারাজীবন তৈরি ও ক্ষয় হতে থাকে। কিন্তু বয়স বাড়ার সাথে সাথে নতুন হাড় তৈরির গতি কমে যায়। ফলে ধীরে ধীরে হাড় দুর্বল হয়ে পড়ে।নিচের কারণগুলো হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়াতে পারে—ক্যালসিয়ামের ঘাটতিভিটামিন D-এর অভাববয়স বৃদ্ধিমেনোপজধূমপান ও অ্যালকোহলশারীরিক পরিশ্রম কম করাঅপুষ্টিদীর্ঘদিন স্টেরয়েড ওষুধ খাওয়াহরমোনজনিত সমস্যাহাড় ক্ষয়ের লক্ষণ কী কী?শুরুর দিকে অনেক সময় কোনো লক্ষণ থাকে না। তবে রোগ বাড়লে নিচের সমস্যা দেখা দিতে পারে— ✔ কোমর ব্যথা ✔ মেরুদণ্ড বাঁকা হয়ে যাওয়া ✔ উচ্চতা কমে যাওয়া ✔ সামান্য আঘাতে হাড় ভেঙে যাওয়া ✔ হাঁটাচলায় সমস্যা ✔ দুর্বলতাহাড় ক্ষয় প্রতিরোধে যা করবেন১) ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খানহাড়ের প্রধান উপাদান হলো ক্যালসিয়াম। তাই প্রতিদিন পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার—দুধদইপনিরছোট মাছতিলডালশাকসবজিনিয়মিত এসব খাবার খেলে হাড় মজবুত থাকে।২) ভিটামিন D-এর ঘাটতি পূরণ করুনভিটামিন D শরীরে ক্যালসিয়াম শোষণে সাহায্য করে। এটি কম থাকলে ক্যালসিয়াম খেলেও হাড় ঠিকভাবে শক্ত হয় না।ভিটামিন D-এর উৎস—সকালের রোদডিমের কুসুমসামুদ্রিক মাছদুধপ্রতিদিন কিছু সময় রোদে থাকা উপকারী।৩) নিয়মিত ব্যায়াম করুনব্যায়াম হাড়কে শক্তিশালী রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। বিশেষ করে হাঁটা, সিঁড়ি ওঠা, হালকা দৌড়, যোগব্যায়াম ও strength training হাড়ের ঘনত্ব বাড়াতে সাহায্য করে।৪) ধূমপান ও অ্যালকোহল এড়িয়ে চলুনধূমপান হাড় দুর্বল করে এবং ক্যালসিয়াম শোষণ কমিয়ে দেয়। অতিরিক্ত অ্যালকোহলও হাড় ক্ষয়ের ঝুঁকি বাড়ায়।৫) স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুনঅতিরিক্ত কম ওজনের মানুষদের হাড় দ্রুত দুর্বল হতে পারে। আবার অতিরিক্ত ওজন জয়েন্টের ওপর চাপ বাড়ায়।৬) অতিরিক্ত কোমল পানীয় কমানঅতিরিক্ত সফট ড্রিংক বা কোমল পানীয় হাড়ের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।৭) পর্যাপ্ত প্রোটিন খানপ্রোটিন হাড় ও পেশি সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। মাছ, ডিম, দুধ, ডাল ও বাদাম ভালো প্রোটিনের উৎস।৮) মেনোপজের পর বিশেষ যত্ন নিনমেনোপজের পর নারীদের শরীরে ইস্ট্রোজেন কমে যায়, ফলে হাড় দ্রুত ক্ষয় হতে পারে। তাই এই সময়ে পুষ্টি ও ব্যায়ামের প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া প্রয়োজন।৯) পড়ে যাওয়ার ঝুঁকি কমানবয়স্কদের ক্ষেত্রে পড়ে গিয়ে হাড় ভাঙার ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই ঘরের মেঝে শুকনো রাখা, পর্যাপ্ত আলো ব্যবহার ও সঠিক জুতা পরা জরুরি।১০) নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করুনঝুঁকি থাকলে Bone Mineral Density (BMD) test করা যেতে পারে।কখন ডাক্তার দেখাবেন?যদি— ✔ বারবার হাড়ে ব্যথা হয় ✔ সামান্য আঘাতে হাড় ভেঙে যায় ✔ উচ্চতা কমে যায় ✔ দীর্ঘদিন কোমর ব্যথা থাকেতাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।কোন ডাক্তার দেখাবেন?হাড় ক্ষয়ের জন্য Orthopedics বিশেষজ্ঞ বা মেডিসিন বিশেষজ্ঞ দেখাতে পারেন।Osteoporosis নীরবে হাড় দুর্বল করে দিতে পারে, তাই আগে থেকেই সচেতন হওয়া জরুরি। সঠিক খাবার, নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত রোদ ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন দীর্ঘদিন হাড়কে শক্ত ও সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

23 May,2026

blog-image স্ত্রীরোগ, প্রসূতি বিশেষজ্ঞ ও সার্জন রাজশাহী

ডাঃ মোছাঃ শরীফা বেগম

স্ত্রী ও প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন রাজশাহীডাঃ মোছাঃ শরীফা বেগমএমবিবিএস, বিসিএস, এফসিপিএস (গাইনী এন্ড অবস)স্ত্রী ও প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জনসহকারী অধ্যাপক গাইনী এন্ড অবস বিভাগরাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহী।যেসকল রোগের চিকিৎসা দিয়ে থাকেনঃঅনিয়মিত মাসিকঅতিরিক্ত বা কম মাসিক হওয়াতলপেটে ব্যথাজরায়ুতে টিউমার বা ফাইব্রয়েডডিম্বাশয়ে সিস্ট (Ovarian cyst)সাদা স্রাব বা ইনফেকশনজরায়ু নিচে নেমে আসা (Prolapse)বন্ধ্যাত্ব বা সন্তান না হওয়া সমস্যাপলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS)গর্ভাবস্থার নিয়মিত চেকআপউচ্চ রক্তচাপ বা ডায়াবেটিসসহ ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থাবাচ্চার বৃদ্ধি ও অবস্থান পর্যবেক্ষণনরমাল ডেলিভারিসিজারিয়ান অপারেশন (C-Section)গর্ভপাতজনিত সমস্যাপ্রসব পরবর্তী জটিলতাজরায়ুর অপারেশনফাইব্রয়েড অপারেশনওভারিয়ান সিস্ট অপারেশনল্যাপারোস্কোপিক সার্জারিএক্টোপিক প্রেগন্যান্সির অপারেশনকখন স্ত্রী ও প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ দেখাবেন?মাসিক অনিয়মিত হলেদীর্ঘদিন সন্তান না হলেগর্ভাবস্থায় জটিলতা দেখা দিলেতলপেটে ব্যথা বা অস্বাভাবিক রক্তপাত হলেমেনোপজের পর রক্তপাত হলেডাঃ মোছাঃ শরীফা বেগম, স্ত্রী ও প্রসূতি রোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন নারীদের প্রজনন স্বাস্থ্য, গর্ভাবস্থা, সন্তান প্রসব এবং স্ত্রী রোগের চিকিৎসা ও অপারেশন করে থাকেন।চেম্বারঃপপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, রাজশাহী ভবন-১সময়ঃ বিকাল ৪ টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত (শুক্রবার ও সোমবার বন্ধ)সিরিয়ালের জন্যঃ 09666 787811রাজশাহীর যেকোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ও সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন Doctor Service BD তেহটলাইন নম্বরঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪

22 May,2026

blog-image সাধারণ স্বাস্থ্য বার্তা

অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারের ক্ষতি

অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার করলে কী ক্ষতি হয়, চোখ ব্যথা, মাথাব্যথা, ঘুমের সমস্যা, মানসিক চাপ, স্মৃতিশক্তি হ্রাস ও মোবাইল আসক্তি থেকে মুক্তির উপায় সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারের ক্ষতিবর্তমান প্রযুক্তিনির্ভর যুগে মোবাইল ফোন আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে। যোগাযোগ, পড়াশোনা, অফিসের কাজ, কেনাকাটা, বিনোদন থেকে শুরু করে ব্যাংকিং—সবকিছুতেই এখন স্মার্টফোনের ব্যবহার রয়েছে।তবে প্রয়োজনের অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার ধীরে ধীরে শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য বড় ঝুঁকি হয়ে দাঁড়াচ্ছে। অনেকেই দিনের বড় একটি সময় মোবাইল স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে কাটান। কেউ ঘণ্টার পর ঘণ্টা সামাজিক মাধ্যমে সময় দেন, আবার কেউ রাত জেগে ভিডিও দেখেন বা গেম খেলেন।এর ফলে চোখের সমস্যা, মাথাব্যথা, ঘুমের ব্যাঘাত, মানসিক চাপ, স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া, মনোযোগের সমস্যা এবং সামাজিক বিচ্ছিন্নতা বাড়ছে। শিশু-কিশোরদের ক্ষেত্রেও অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার পড়াশোনা ও মানসিক বিকাশে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।বিশেষজ্ঞদের মতে, মোবাইল ফোন নিজে ক্ষতিকর নয়; বরং অনিয়ন্ত্রিত ও অতিরিক্ত ব্যবহারই মূল সমস্যা। তাই মোবাইল ব্যবহারে সচেতনতা ও সঠিক অভ্যাস তৈরি করা অত্যন্ত জরুরি।অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার বলতে কী বোঝায়?যখন মোবাইল ফোন প্রয়োজনের চেয়ে অনেক বেশি সময় ব্যবহার করা হয় এবং এটি দৈনন্দিন জীবন, ঘুম, কাজ, পড়াশোনা বা সম্পর্কের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে, তখন সেটিকে অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহার বলা যায়।বর্তমানে অনেক মানুষ Behavioral Addiction ধরনের মোবাইল আসক্তিতে ভুগছেন।অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারের লক্ষণ কী কী?সবসময় মোবাইল চেক করার ইচ্ছামোবাইল ছাড়া অস্থির লাগারাতে দেরি করে ঘুমানোমনোযোগ কমে যাওয়াচোখে ব্যথা বা জ্বালাপোড়ামাথাব্যথাসামাজিকভাবে দূরে সরে যাওয়াকাজ বা পড়াশোনায় মন না বসাঅনেকের মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায়।মোবাইল ব্যবহারে চোখের সমস্যা কেন হয়?দীর্ঘসময় স্ক্রিনের দিকে তাকিয়ে থাকলে চোখের ওপর চাপ পড়ে।এতে Digital Eye Strain বা digital eye strain হতে পারে।কী কী সমস্যা হয়?চোখ শুকিয়ে যাওয়াঝাপসা দেখাচোখ জ্বালাপোড়াচোখ লাল হওয়ামাথাব্যথাঅনেকেই দীর্ঘসময় মোবাইল ব্যবহারের পর চোখে ভারী ভাব অনুভব করেন।মোবাইল ব্যবহারে মাথাব্যথা কেমন হয়?অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইমের কারণে অনেকের মাথায় চাপধরা বা ধুকপুক ধরনের ব্যথা হয়।বিশেষ করে দীর্ঘসময় গেম খেলা বা ভিডিও দেখার পর কপাল, চোখের চারপাশ বা মাথার পেছনে ব্যথা হতে পারে।অনেক রোগী বলেন, মাথা ভারী লাগে এবং চোখের ভেতরে চাপ অনুভূত হয়।ঘাড় নিচু করে দীর্ঘসময় মোবাইল ব্যবহার করলে ঘাড় ও কাঁধের পেশিতেও ব্যথা হতে পারে।ঘাড় ও কাঁধে ব্যথা কেন হয়?দীর্ঘসময় মাথা নিচু করে মোবাইল দেখলে ঘাড়ের পেশির ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ে।এটিকে অনেক সময় Text Neck Syndrome বলা হয়।ব্যথা কেমন হয়?ঘাড় শক্ত হয়ে যাওয়াকাঁধে টান ধরাপিঠে ব্যথাঘাড় ঘোরাতে কষ্ট হওয়াদীর্ঘদিন অবহেলা করলে cervical spine-এর সমস্যাও হতে পারে।অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারে ঘুমের সমস্যা কেন হয়?রাতে মোবাইল ব্যবহার করলে স্ক্রিনের blue light মস্তিষ্কে melatonin হরমোনের উৎপাদন কমিয়ে দেয়।ফলে ঘুম আসতে দেরি হয় এবং ঘুমের মান খারাপ হয়।দীর্ঘদিন এভাবে চললে অনিদ্রা ও মানসিক ক্লান্তি বাড়তে পারে।মোবাইল আসক্তি মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর কী প্রভাব ফেলে?অতিরিক্ত সামাজিক মাধ্যম ব্যবহার অনেক সময় উদ্বেগ, হতাশা ও একাকীত্ব বাড়াতে পারে।অনেকেই অন্যের জীবন দেখে নিজের প্রতি অসন্তুষ্ট হয়ে পড়েন।দীর্ঘসময় মোবাইল ব্যবহারে বাস্তব সামাজিক যোগাযোগ কমে যায়, যা মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর।স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগে কী প্রভাব পড়ে?সবসময় দ্রুত তথ্য ও ছোট ভিডিও দেখার অভ্যাস মস্তিষ্কের মনোযোগ ধরে রাখার ক্ষমতা কমাতে পারে।শিশু-কিশোরদের পড়াশোনায় মনোযোগ কমে যেতে পারে।শিশুদের জন্য মোবাইল কতটা ক্ষতিকর?অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারে শিশুদের:ভাষাগত বিকাশে সমস্যামনোযোগ কমে যাওয়াআচরণগত সমস্যাঘুমের সমস্যাস্থূলতাএসব ঝুঁকি বাড়তে পারে।অতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারের ক্ষতি থেকে বাঁচার উপায়Screen Time সীমিত করুনপ্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ের বেশি মোবাইল ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন।20-20-20 Rule অনুসরণ করুনপ্রতি ২০ মিনিট পর ২০ সেকেন্ডের জন্য ২০ ফুট দূরের দিকে তাকান।এটি চোখের চাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে।ঘুমের আগে মোবাইল ব্যবহার কমানঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে মোবাইল ব্যবহার বন্ধ করা ভালো।সঠিক ভঙ্গিতে মোবাইল ব্যবহার করুনঘাড় বেশি নিচু না করে চোখের সমতলে মোবাইল ধরার চেষ্টা করুন।বাস্তব জীবনে সময় দিনপরিবার, বন্ধু, বই পড়া বা শরীরচর্চার মতো কাজে সময় দিন।শিশুদের মোবাইল ব্যবহারে নিয়ন্ত্রণ জরুরিশিশুদের screen time সীমিত করা এবং বাইরে খেলাধুলায় উৎসাহ দেওয়া উচিত।কখন ডাক্তার দেখাবেন?যদি দীর্ঘদিন মাথাব্যথা, চোখে ঝাপসা দেখা, ঘুমের সমস্যা, ঘাড় ব্যথা বা মানসিক অস্থিরতা থাকে, তাহলে একজন Neurologist, চক্ষু বিশেষজ্ঞ বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।শেষকথাঅতিরিক্ত মোবাইল ব্যবহারের ক্ষতি শুধু চোখ বা ঘাড়ের সমস্যায় সীমাবদ্ধ নয়; এটি ঘুম, মানসিক স্বাস্থ্য, স্মৃতিশক্তি এবং সামাজিক জীবনেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাই প্রযুক্তির সুবিধা নেওয়ার পাশাপাশি সঠিক ব্যবহার ও নিয়ন্ত্রণ বজায় রাখা অত্যন্ত জরুরি।

21 May,2026

blog-image চর্ম ও যৌান রোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার

ডাঃ তৌফিক আহমদ

চর্ম, চুল, নখ, অ্যালার্জি, যৌন (সেক্স) রোগ চিকিৎসক ও কসমেটিক সার্জনডাঃ তৌফিক আহমদএমবিবিএস (রামেক), বিসিএস (স্বাস্থ্য)এমডি (চর্ম ও যৌন রোগ),বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকাএমএসিপি (আমেরিকা)চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞরাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালযে সকল রোগের চিকিৎসা প্রদান করেনঃযৌন রোগপুরুষের বন্ধ্যাত্বধাতুক্ষয়স্বপ্নদোযহস্তমৈথুনইডি (E.D) (লিঙ্গ উত্থানজনিত সমস্যা)পি.এম.ই (P.E) দ্রুত বীর্যপাত।মিলনে সময় কম, মিলনে অনীহামিলনের সময় লিঙ্গ নিস্তেজ হয়ে যাওয়াচর্মের সকল রোগবিভিন্ন কসমেটিক সার্জারীঅ্যালার্জি রোগনখের সার্জারী ও নখের সকল রোগচুলের সকল রোগঅত্যাধুনিক পিআরপি চিকিৎসা ও (PRP) থেরাপিইলেক্ট্রো সার্জারীব্রন, ব্রন জনিত দাগ ও গর্ত।ছুলি, মুখে ছোপ ছোপ সাদা দাগ।চেম্বারঃপপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারভবন-২, রুম ৩০৮, শেরশাহ রোড, লক্ষীপুর, রাজশাহী।সময়ঃ প্রতিদিন দুপুর ২:৩০ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত (শুক্রবার ও মঙ্গলবার বন্ধ)রাজশাহীর যেকোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ও সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন Doctor Service BD তেহটলাইন নম্বরঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪

21 May,2026

blog-image স্নায়ুরোগ

ব্রেন টিউমারের লক্ষণ কী কী?

ব্রেন টিউমারের লক্ষণ কী, মাথাব্যথা কেন হয়, চোখে ঝাপসা দেখা, খিঁচুনি, বমি, দুর্বলতা ও ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন।ব্রেন টিউমারমাথাব্যথা, বারবার বমি, চোখে ঝাপসা দেখা, শরীরের একপাশ দুর্বল হয়ে যাওয়া বা হঠাৎ খিঁচুনি—এসব লক্ষণ অনেক সময় সাধারণ সমস্যার মতো মনে হলেও কিছু ক্ষেত্রে এগুলো গুরুতর মস্তিষ্কজনিত রোগের ইঙ্গিত হতে পারে। এর মধ্যে অন্যতম হলো Brain Tumor বা ব্রেন টিউমার।ব্রেন টিউমার বলতে মস্তিষ্কের ভেতরে অস্বাভাবিক কোষ বৃদ্ধিকে বোঝায়। এটি benign (অক্যানসারজনিত) অথবা malignant (ক্যানসারজনিত) হতে পারে। কিছু টিউমার ধীরে ধীরে বাড়ে, আবার কিছু দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে মস্তিষ্কের ওপর চাপ সৃষ্টি করে।মস্তিষ্ক শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ। তাই টিউমার মস্তিষ্কের কোন অংশে হয়েছে এবং কত বড় হয়েছে তার ওপর লক্ষণ নির্ভর করে। শুরুতে লক্ষণ হালকা হতে পারে, কিন্তু সময়ের সঙ্গে তা গুরুতর আকার নিতে পারে।বর্তমানে আধুনিক পরীক্ষা ও চিকিৎসার মাধ্যমে অনেক ব্রেন টিউমার দ্রুত শনাক্ত ও চিকিৎসা করা সম্ভব। তাই দীর্ঘদিন অস্বাভাবিক মাথাব্যথা বা স্নায়বিক সমস্যা থাকলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।ব্রেন টিউমার কী?ব্রেন টিউমার হলো মস্তিষ্কে অস্বাভাবিক কোষের বৃদ্ধি।এটি দুই ধরনের হতে পারে:Benign Brain Tumorএগুলো সাধারণত ধীরে বাড়ে এবং সবসময় ক্যানসার হয় না।Malignant Brain Tumorএগুলো দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং আশপাশের টিস্যু ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে।এর মধ্যে Glioblastoma অন্যতম ভয়ংকর।ব্রেন টিউমারের লক্ষণ কী কী?ব্রেন টিউমারের লক্ষণ নির্ভর করে টিউমারের আকার, অবস্থান ও বৃদ্ধির গতির ওপর।দীর্ঘদিন মাথাব্যথাএটি সবচেয়ে সাধারণ লক্ষণগুলোর একটি।বিশেষ করে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর মাথাব্যথা বেশি হতে পারে।বমি বা বমি বমি ভাবমস্তিষ্কে চাপ বাড়লে বমি হতে পারে।খিঁচুনিআগে কখনও খিঁচুনি না থাকা ব্যক্তির নতুন করে খিঁচুনি শুরু হওয়া গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হতে পারে।চোখে ঝাপসা দেখাদৃষ্টিশক্তি ঝাপসা হওয়া বা double vision হতে পারে।শরীর দুর্বল হয়ে যাওয়াশরীরের একপাশ অবশ বা দুর্বল লাগতে পারে।কথা বলতে সমস্যাকিছু রোগীর কথা জড়িয়ে যায় বা কথা বুঝতে সমস্যা হয়।স্মৃতিশক্তি ও আচরণের পরিবর্তনমনোযোগ কমে যাওয়া, আচরণ পরিবর্তন বা বিভ্রান্তি দেখা দিতে পারে।ব্রেন টিউমারের মাথাব্যথা কেমন হয়?ব্রেন টিউমারের মাথাব্যথা সাধারণ মাথাব্যথার মতো নাও হতে পারে।অনেক রোগী বলেন, মাথার ভেতরে চাপধরা বা ভারী ধরনের ব্যথা অনুভূত হয়।সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর ব্যথা বেশি হতে পারে এবং সময়ের সঙ্গে ধীরে ধীরে বাড়তে থাকে।কাশি, হাঁচি বা নিচু হলে ব্যথা বাড়তে পারে।কিছু রোগীর মাথার নির্দিষ্ট অংশে তীব্র চাপ বা ধুকপুক করা ব্যথা হয়।অনেক সময় মাথাব্যথার সঙ্গে বমি, চোখে ঝাপসা দেখা বা মাথা ঘোরাও থাকতে পারে।ব্রেন টিউমার কেন হয়?ব্রেন টিউমারের সঠিক কারণ সবসময় জানা যায় না।তবে কিছু ঝুঁকির কারণ রয়েছে:বংশগত কারণঅতিরিক্ত radiation exposureকিছু জেনেটিক রোগবয়স বৃদ্ধিকারা বেশি ঝুঁকিতে থাকেন?বয়স্ক ব্যক্তিপরিবারে brain tumor-এর ইতিহাস থাকলেradiation exposure থাকলেতবে শিশুদেরও কিছু ধরনের brain tumor হতে পারে।ব্রেন টিউমার কীভাবে নির্ণয় করা হয়?MRI BrainMagnetic Resonance Imaging ব্রেন টিউমার নির্ণয়ের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষা।CT Scanজরুরি পরিস্থিতিতে CT scan করা হতে পারে।Biopsyটিউমারের ধরন নিশ্চিত করতে biopsy প্রয়োজন হতে পারে।ব্রেন টিউমারের চিকিৎসা কী?চিকিৎসা নির্ভর করে টিউমারের ধরন, অবস্থান ও রোগীর অবস্থার ওপর।অপারেশনঅনেক ক্ষেত্রে Brain Surgery করে টিউমার অপসারণ করা হয়।RadiotherapyRadiation-এর মাধ্যমে টিউমারের কোষ ধ্বংস করার চেষ্টা করা হয়।Chemotherapyকিছু malignant tumor-এ chemotherapy প্রয়োজন হতে পারে।ওষুধখিঁচুনি নিয়ন্ত্রণ ও মস্তিষ্কের ফোলা কমাতে ওষুধ দেওয়া হতে পারে।ব্রেন টিউমার কি ক্যানসার?সব ব্রেন টিউমার ক্যানসার নয়। অনেক benign tumor ধীরে বাড়ে এবং সফলভাবে চিকিৎসা করা সম্ভব।কখন দ্রুত ডাক্তার দেখাবেন?নিচের লক্ষণ থাকলে দ্রুত একজন Neurosurgeon অথবা neurologist-এর পরামর্শ নেওয়া জরুরি:দীর্ঘদিন মাথাব্যথানতুন করে খিঁচুনিচোখে ঝাপসা দেখাশরীর অবশ হওয়াআচরণ পরিবর্তনবারবার বমিব্রেন টিউমার কি পুরোপুরি ভালো হয়?অনেক benign tumor পুরোপুরি ভালো হতে পারে।কিছু malignant tumor দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসা প্রয়োজন করে।প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে চিকিৎসার সফলতা বাড়ে।শেষকথাব্রেন টিউমারের লক্ষণ শুরুতে সাধারণ সমস্যার মতো মনে হলেও এগুলোকে অবহেলা করা উচিত নয়। দীর্ঘদিন অস্বাভাবিক মাথাব্যথা, খিঁচুনি, চোখে ঝাপসা দেখা বা শরীর দুর্বল হয়ে গেলে দ্রুত পরীক্ষা করা জরুরি। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা নিলে অনেক রোগী স্বাভাবিক জীবনে ফিরে যেতে পারেন।

20 May,2026

blog-image হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ রাজশাহী

ডাঃ শেখ মোঃ নাফিস কবির

 হৃদরোগ / কার্ডিওলজি  বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহীডাঃ শেখ মোঃ নাফিস কবির এমবিবিএস,বিসিএস ( স্বাস্থ্য ) ,সিসিডি (বারডেম )এমডি ( কার্ডিওলজি ) বিএমইউ, ঢাকা ।এফসিপিএস (মেডিসিন-এফপি ) এমআরসিপি ( লন্ডন ) ক্লিনিকাল এন্ড ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট ( মেডিসিন এবং হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ )কনসালটেন্ট ( কার্ডিওলজি )জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল ( প্রাক্তন )ডাঃ শেখ মোঃ নাফিস কবির যে সকল রোগের চিকিৎসা দিয়ে থাকেনঃ*হার্ট এ্যাটাক*হার্টব্লক *বুকে ব্যাথা*উচ্চ রক্ত চাপ (হাইপারটেনশন)*হাঁটতে হাপিয়ে যাওয়া*হার্ট ফেইলিওর*অ্যাঞ্জিওগ্রাম, রিংপ্রেসমেকারওবাইপাসরোগীরপরামর্শ।*বুক ধড়ফড় করা (প্যালপিটিশন)*বাতজ্বর জনিত হৃদরোগ*জন্মগত হৃদরোগ।*উচ্চ রক্তচাপ*নিম্ন রক্তচাপ*বুক ধড়ফড় করা*রক্তে অতিরিক্ত চর্বি (Hyperlipidemia)*ঘন ঘন জ্বর আসা*প্রেসার ওঠানামা*মেডিসিন জনিত সব ধরনের রোগের চিকিৎসা দেন ।চেম্বারঃল্যাবএইড ডায়াগনষ্টিক লিঃ রাজশাহীসময়ঃ দুপুর ৩ টা – রাত ৮:৩০ টাভিজিট ফ্রী-নতুন রোগীঃ ৭০০ টাকাপুরাতন রোগীঃ ৫০০ টাকা(দুই মাসের মধ্যে)রাজশাহীর যেকোনো বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ ও সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ করুন Doctor Service BD তেহটলাইন নম্বরঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪

20 May,2026

blog-image মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা

ডিপ্রেশন থেকে বের হওয়ার উপায়

ডিপ্রেশন কেন হয়, এর লক্ষণ কী, মানসিক অবসাদ থেকে বের হওয়ার উপায়, ঘরোয়া করণীয়, চিকিৎসা ও সুস্থ থাকার কার্যকর পরামর্শ জানুন বিস্তারিতভাবে।ডিপ্রেশন থেকে বের হওয়ার উপায় বর্তমান ব্যস্ত জীবন, মানসিক চাপ, সম্পর্কের সমস্যা, আর্থিক অনিশ্চয়তা, একাকীত্ব কিংবা ব্যক্তিগত ব্যর্থতার কারণে অনেক মানুষ আজ মানসিকভাবে ভেঙে পড়ছেন। দীর্ঘদিন ধরে মন খারাপ থাকা, কোনো কিছুতে আগ্রহ না পাওয়া, নিজেকে অসহায় মনে হওয়া বা জীবনের প্রতি হতাশা তৈরি হওয়াকে সাধারণভাবে আমরা ডিপ্রেশন বলে থাকি। চিকিৎসাবিজ্ঞানে একে Major Depressive Disorder বলা হয়।অনেকে মনে করেন ডিপ্রেশন শুধু “মন খারাপ” বা “দুর্বল মানসিকতা”। কিন্তু বাস্তবে এটি একটি গুরুতর মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা, যা মানুষের চিন্তা, অনুভূতি, আচরণ, ঘুম, খাওয়া-দাওয়া এবং দৈনন্দিন জীবনকে গভীরভাবে প্রভাবিত করতে পারে।সঠিক সময়ে সচেতনতা, পরিবার ও বন্ধুদের সহযোগিতা, জীবনযাপনের পরিবর্তন এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসা ডিপ্রেশন থেকে বের হতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।ডিপ্রেশনের সাধারণ লক্ষণ কী কী?ডিপ্রেশন শুধু মানসিক নয়, শারীরিক লক্ষণও তৈরি করতে পারে। যেমন—✔ দীর্ঘদিন মন খারাপ থাকা ✔ কোনো কাজে আগ্রহ না পাওয়া ✔ অতিরিক্ত ক্লান্তি ✔ ঘুম কম বা বেশি হওয়া ✔ ক্ষুধামন্দা বা অতিরিক্ত খাওয়া ✔ আত্মবিশ্বাস কমে যাওয়া ✔ নিজেকে মূল্যহীন মনে হওয়া ✔ মনোযোগ কমে যাওয়া ✔ একা থাকতে ইচ্ছা করা ✔ ভবিষ্যৎ নিয়ে হতাশাঅনেকের ক্ষেত্রে মাথাব্যথা, শরীর ব্যথা বা হজমের সমস্যাও দেখা দিতে পারে।ডিপ্রেশন থেকে বের হওয়ার কার্যকর উপায়১) নিজের অনুভূতি চেপে রাখবেন নাডিপ্রেশনে ভুগলে অনেকেই একা হয়ে যান এবং নিজের কষ্ট কারও সাথে শেয়ার করেন না। কিন্তু মনের কথা বিশ্বস্ত মানুষ, পরিবার বা বন্ধুর সাথে শেয়ার করলে মানসিক চাপ অনেক কমে।২) নিয়মিত ঘুমের অভ্যাস গড়ে তুলুনঘুম ও মানসিক স্বাস্থ্যের মধ্যে গভীর সম্পর্ক রয়েছে। প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময়ে ঘুমানো ও পর্যাপ্ত ঘুম ডিপ্রেশন কমাতে সাহায্য করতে পারে।৩) নিয়মিত ব্যায়াম করুনব্যায়াম শরীরে এন্ডোরফিন নামের “feel good hormone” বাড়াতে সাহায্য করে। হাঁটা, দৌড়ানো, সাইক্লিং বা যোগব্যায়াম মানসিক চাপ কমাতে কার্যকর।৪) স্বাস্থ্যকর খাবার খানপুষ্টিকর খাবার মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কাজ বজায় রাখতে সাহায্য করে। ফলমূল, শাকসবজি, মাছ, বাদাম ও পর্যাপ্ত পানি মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।৫) একাকীত্ব কমানপরিবারের সাথে সময় কাটানো, বন্ধুদের সাথে কথা বলা বা সামাজিক কর্মকাণ্ডে অংশ নেওয়া মানসিকভাবে শক্ত থাকতে সাহায্য করে।৬) অতিরিক্ত মোবাইল ও সোশ্যাল মিডিয়া ব্যবহার কমানঅতিরিক্ত সোশ্যাল মিডিয়া অনেক সময় উদ্বেগ, হতাশা ও আত্মতুলনার প্রবণতা বাড়াতে পারে।৭) নিজের পছন্দের কাজ করুনগান শোনা, বই পড়া, বাগান করা, ভ্রমণ বা শখের কাজ মানসিক প্রশান্তি এনে দিতে পারে।৮) ছোট ছোট লক্ষ্য নির্ধারণ করুনডিপ্রেশনে বড় কাজ কঠিন মনে হতে পারে। তাই ছোট ছোট কাজ দিয়ে শুরু করা আত্মবিশ্বাস বাড়াতে সাহায্য করে।৯) ধ্যান ও মানসিক প্রশান্তির চর্চা করুনধ্যান, প্রার্থনা, গভীর শ্বাস-প্রশ্বাস বা mindfulness মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক।১০) নিজেকে দোষারোপ করা বন্ধ করুনসব ব্যর্থতার জন্য নিজেকে দায়ী না করে বাস্তবতাকে মেনে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।১১) প্রয়োজন হলে কাউন্সেলিং নিনঅনেক সময় পেশাদার কাউন্সেলিং বা psychotherapy ডিপ্রেশন কাটিয়ে উঠতে খুব কার্যকর ভূমিকা রাখে।১২) চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করুনগুরুতর ডিপ্রেশনে চিকিৎসক antidepressant ওষুধ দিতে পারেন। নিজে নিজে ওষুধ শুরু বা বন্ধ করা উচিত নয়।ডিপ্রেশন কি পুরোপুরি ভালো হয়?হ্যাঁ, অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ডিপ্রেশন নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব এবং অনেক মানুষ সম্পূর্ণ সুস্থ জীবনে ফিরে যান। তবে এর জন্য সময়, ধৈর্য ও সঠিক চিকিৎসা প্রয়োজন।কখন দ্রুত চিকিৎসকের সাহায্য নেবেন?যদি— ✔ দীর্ঘদিন হতাশা থাকে ✔ দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হয় ✔ ঘুম ও খাওয়ার সমস্যা তীব্র হয় ✔ আত্মহানির চিন্তা আসে ✔ মানুষের সাথে যোগাযোগ কমে যায়তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের সাহায্য নেওয়া জরুরি।কোন ডাক্তার দেখাবেন?ডিপ্রেশনের জন্য Psychiatry বিশেষজ্ঞ বা মনোরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত।পরিবারের ভূমিকা কেন গুরুত্বপূর্ণ?ডিপ্রেশনে আক্রান্ত মানুষকে “দুর্বল”, “অলস” বা “নাটক করছে” বলা উচিত নয়। পরিবারের সহানুভূতি, ধৈর্য ও মানসিক সমর্থন সুস্থ হওয়ার পথে বড় ভূমিকা রাখে।Major Depressive Disorder একটি বাস্তব ও চিকিৎসাযোগ্য মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা। সময়মতো সাহায্য নেওয়া, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন এবং প্রিয়জনের সমর্থন একজন মানুষকে আবার স্বাভাবিক ও সুন্দর জীবনে ফিরিয়ে আনতে পারে।

19 May,2026

Emergency Contact

Emergency Call +880 1723-025514

Emergency E-mail

24/7 Email Support [email protected]

- OR -