রাজশাহীর অভিজ্ঞ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাঃ আজিম আনোয়ার। বুকব্যথা, হার্ট ব্লক, হার্ট ফেইলিউর, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসজনিত হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য পরামর্শ নিন।ডাঃ আজিম আনোয়ারএমবিবিএস (ঢাকা), বিসিএস (স্বাস্থ্য)এমডি (কার্ডিওলজী), এমআরসিপি (লন্ডন)এমএসিসি (আমেরিকা), এমইএসসি (ফ্রান্স)ফেলোশীপ ট্রেনিং ইন স্ট্রেস ইকো (সিঙ্গাপুর)হৃদরোগ বিশেষজ্ঞবাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি (এক্স পিজি হাসপাতাল, ঢাকা)ডাঃ আজিম আনোয়ার — হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহীবুকব্যথা, বুক ধড়ফড়, শ্বাসকষ্ট, উচ্চ রক্তচাপ বা হার্টের জটিল সমস্যায় ভুগছেন? এ ধরনের লক্ষণ অবহেলা করলে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি হতে পারে। তাই সঠিক সময়ে একজন অভিজ্ঞ কার্ডিওলজি বিশেষজ্ঞ রাজশাহী-র কাছে পরামর্শ নেওয়া খুবই জরুরি।ডাঃ আজিম আনোয়ার রাজশাহীর একজন সুনামধন্য, অভিজ্ঞ ও বিশ্বস্ত হৃদরোগ ডাক্তার রাজশাহী। তিনি দেশের পাশাপাশি লন্ডন, আমেরিকা, ফ্রান্স ও সিঙ্গাপুরে উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেছেন এবং হৃদরোগের আধুনিক নির্ণয় ও চিকিৎসায় বিশেষ দক্ষতা রাখেন।ডাঃ আজিম আনোয়ার এর পরিচিতি ও যোগ্যতাডাঃ আজিম আনোয়ার একজন প্রশিক্ষিত হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, যিনি বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির সঙ্গে সংযুক্ত। তিনি কার্ডিওলজিতে এমডি ডিগ্রিধারী এবং স্ট্রেস ইকোকার্ডিওগ্রাফিতে সিঙ্গাপুর থেকে ফেলোশিপ ট্রেনিং সম্পন্ন করেছেন।তাঁর শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ্যতা:এমবিবিএস (ঢাকা)বিসিএস (স্বাস্থ্য)এমডি (কার্ডিওলজি)এমআরসিপি (লন্ডন)এমএসিসি (আমেরিকা)এমইএসসি (ফ্রান্স)ফেলোশিপ ট্রেনিং ইন স্ট্রেস ইকো, সিঙ্গাপুরহৃদরোগ বিশেষজ্ঞবাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি (সাবেক পিজি হাসপাতাল, ঢাকা)আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ, কার্ডিওলজিতে উচ্চতর ডিগ্রি এবং স্ট্রেস ইকোতে বিশেষ দক্ষতা তাঁকে রাজশাহীতে একজন নির্ভরযোগ্য হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।ডাঃ আজিম আনোয়ার কোন রোগের চিকিৎসা দেন?ডাঃ আজিম আনোয়ার হৃদরোগ ও কার্ডিওলজি বিষয়ে বিস্তৃত চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকেন। তাঁর চিকিৎসার প্রধান ক্ষেত্রগুলো হলো:বুকব্যথা ও বুকে চাপ লাগা: হার্টে রক্ত সরবরাহ কমে যাওয়া, এনজাইনা বা হার্ট অ্যাটাকের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হতে পারে।বুক ধড়ফড় করা: হৃদস্পন্দন দ্রুত, ধীর বা অনিয়মিত হওয়ার অনুভূতি; হার্টের রিদমের সমস্যা বা অন্য কারণে হতে পারে।শ্বাসকষ্ট: হার্ট ফেইলিউর, হার্টের ভাল্বের সমস্যা বা ফুসফুসজনিত রোগের কারণে হতে পারে।উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন: দীর্ঘদিন নিয়ন্ত্রণে না থাকলে হার্ট, কিডনি, স্ট্রোক ও চোখের জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।নিম্ন রক্তচাপজনিত সমস্যা: মাথা ঘোরা, দুর্বলতা ও অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার প্রবণতা সৃষ্টি করতে পারে।হৃদপিণ্ডের ব্লক: হৃদপিণ্ডে রক্ত সরবরাহকারী ধমনিতে চর্বি বা প্লাক জমে রক্ত চলাচল কমে যাওয়া।হার্ট অ্যাটাক: হৃদপিণ্ডের রক্তনালী হঠাৎ বন্ধ হয়ে হৃদপেশিতে রক্ত সরবরাহ বন্ধ হওয়া; এটি একটি জরুরি অবস্থা।এনজাইনা: হার্টে পর্যাপ্ত রক্ত না পৌঁছানোর কারণে বুকে চাপ, ব্যথা বা অস্বস্তি হওয়া, বিশেষ করে পরিশ্রমের সময়।হার্ট ফেইলিউর: হৃদপিণ্ড পর্যাপ্ত রক্ত পাম্প করতে না পারা; এতে শ্বাসকষ্ট, ক্লান্তি ও পা ফুলে যেতে পারে।হার্ট বিটের অনিয়ম বা অ্যারিদমিয়া: হৃদস্পন্দন খুব দ্রুত, ধীর বা অনিয়মিত হওয়া।হার্টের ভাল্বের সমস্যা: হৃদপিণ্ডের ভাল্ব সঠিকভাবে খুলতে বা বন্ধ হতে না পারা, যা শ্বাসকষ্ট ও ক্লান্তি সৃষ্টি করতে পারে।জন্মগত হৃদরোগ: জন্মের সময় থেকেই হৃদপিণ্ডের গঠনগত সমস্যা থাকা।নিয়মিত বুকব্যথা: বারবার বুকব্যথা হলে হার্টের সমস্যা আছে কি না তা নির্ণয় করা প্রয়োজন।হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া: অস্বাভাবিক দ্রুত হৃদস্পন্দন, যা হার্টের রিদমজনিত সমস্যা নির্দেশ করতে পারে।দীর্ঘদিনের উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস: এই দুটি রোগ হার্ট, কিডনি, স্নায়ু ও চোখের জটিলতার প্রধান ঝুঁকি।শরীরে অজানা কারণে ক্লান্তি বা ফোলা ভাব: হার্ট ফেইলিউর, কিডনি বা অন্য অভ্যন্তরীণ রোগের লক্ষণ হতে পারে।হার্ট অ্যাটাকের পর সঠিক ওষুধ, নিয়মিত ফলোআপ, রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন খুবই জরুরি। একজন অভিজ্ঞ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শে পুনরায় হার্ট অ্যাটাক ও জটিলতার ঝুঁকি কমানো সম্ভব।কখন কার্ডিওলজি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখাবেন?সাময়িক ক্লান্তি বা অস্বস্তি সাধারণ কারণে হতে পারে। তবে নিচের উপসর্গগুলো থাকলে দেরি না করে একজন কার্ডিওলজি বিশেষজ্ঞ রাজশাহী-র কাছে যাওয়া উচিত:বারবার বুক ধড়ফড় বা হৃদস্পন্দন দ্রুত হওয়াবুকে চাপ, জ্বালাপোড়া বা ব্যথা, বিশেষ করে হাঁটাচলা বা পরিশ্রমের পরসামান্য পরিশ্রমেই শ্বাসকষ্ট হওয়াহাত, পা, গোড়ালি বা পেট ফুলে যাওয়াঅজানা কারণে দুর্বলতা, ক্লান্তি বা মাথা ঘোরাউচ্চ বা নিম্ন রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না থাকাদীর্ঘদিন ডায়াবেটিস থাকা এবং বুকব্যথা, শ্বাসকষ্ট বা পা ফুলে যাওয়াহার্ট অ্যাটাকের পর নিয়মিত ফলোআপ ও ওষুধ পরিচালনার প্রয়োজনপরিবারে হার্ট অ্যাটাক, হার্ট ব্লক বা হঠাৎ মৃত্যুর ইতিহাস থাকাইসিজি, ইকোকার্ডিওগ্রাফি বা অন্য পরীক্ষায় হার্টের সমস্যা ধরা পড়াজরুরি লক্ষণ—যেমন তীব্র বুকব্যথা, ঘাম হয়ে যাওয়া, হঠাৎ শ্বাসকষ্ট, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা বাম হাত-কাঁধে ব্যথা—দেখা দিলে দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি সেবা নিন।কেন ডাঃ আজিম আনোয়ার-কে দেখাবেন?রাজশাহীতে হৃদরোগের চিকিৎসার জন্য ডাঃ আজিম আনোয়ার-কে বেছে নেওয়ার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে:আন্তর্জাতিক মানের প্রশিক্ষণ: তিনি লন্ডন, আমেরিকা, ফ্রান্স ও সিঙ্গাপুরে উচ্চতর প্রশিক্ষণ নিয়েছেন।কার্ডিওলজিতে উচ্চতর ডিগ্রি: তিনি এমডি (কার্ডিওলজি) ডিগ্রিধারী এবং স্ট্রেস ইকোতে ফেলোশিপ ট্রেনিং সম্পন্ন করেছেন।হৃদরোগের বিস্তৃত চিকিৎসা: হার্ট ব্লক, হার্ট অ্যাটাক, এনজাইনা, হার্ট ফেইলিউর, অ্যারিদমিয়া ও ভাল্বের সমস্যায় পরামর্শ দেন।ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের সমন্বিত চিকিৎসা: হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ানো এই রোগগুলো একসঙ্গে বিবেচনা করে চিকিৎসা দেন।রোগীবান্ধব পরামর্শ: রোগের কারণ, পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা, ওষুধ ব্যবহার এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন সহজভাবে বোঝান।রাজশাহীতে সহজলভ্য চেম্বার: রাজশাহীর সুবিধাজনক দুটি স্থানে রোগীরা পরামর্শ নিতে পারেন।ডাঃ আজিম আনোয়ার হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ এর চেম্বারের তথ্যচেম্বার ১ঃ পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড, রাজশাহীঠিকানা: ভবন-১ (নতুন ভবন), রুম নং ৭০৪, চৌধুরী টাওয়ার, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী।রোগী দেখার সময়: প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে রাত ১০টা (শুক্রবার ও মঙ্গলবার বন্ধ)সিরিয়ালের জন্য: ০৯৬৬৬-৭৮৭৮১১চেম্বার ২ঃ দি এ্যাপলো ডায়াগনস্টিক সেন্টার, রাজশাহীঠিকানা: বেলভিউ ডায়াগনস্টিকের বিপরীতে, শেরশাহ রোড, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী।সিরিয়াল বা বিস্তারিত তথ্যের জন্য: ০১৭২৩-০২৫৫১৪চেম্বারে যাওয়ার আগে সিরিয়াল বা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিশ্চিত করে নিন।হৃদরোগ প্রতিরোধে কী করবেন?হৃদ্যন্ত্র সুস্থ রাখতে চিকিৎসকের পরামর্শের পাশাপাশি দৈনন্দিন অভ্যাসেও গুরুত্ব দিতে হবে।১. নিয়মিত রক্তচাপ, রক্তে শর্করা ও কোলেস্টেরল পরীক্ষা করুন।২. শাকসবজি, ফল, ডাল, পূর্ণশস্য ও পরিমিত স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ করুন। অতিরিক্ত লবণ, ট্রান্স ফ্যাট এবং অতিরিক্ত চর্বিযুক্ত খাবার সীমিত রাখুন।৩. ধূমপান ও তামাকজাত পণ্য এড়িয়ে চলুন।৪. শারীরিক সক্ষমতা ও রোগের অবস্থা অনুযায়ী নিয়মিত ব্যায়াম বা হাঁটার অভ্যাস করুন। আগে থেকে হৃদ্রোগ থাকলে ব্যায়ামের ধরন চিকিৎসকের সঙ্গে আলোচনা করুন।৫. স্বাস্থ্যকর ওজন বজায় রাখুন এবং পর্যাপ্ত ঘুমের অভ্যাস গড়ে তুলুন।৬. চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ গ্রহণ করুন। নিজের সিদ্ধান্তে হৃদরোগ বা রক্তচাপের ওষুধ বন্ধ করবেন না।ডাক্তার সম্পর্কে সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন১. ডাঃ আজিম আনোয়ার কোন বিষয়ের বিশেষজ্ঞ?তিনি হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ বা কার্ডিওলজিস্ট। তিনি বুকব্যথা, বুক ধড়ফড়, হার্ট ব্লক, হার্ট অ্যাটাক, হার্ট ফেইলিউর, অ্যারিদমিয়া, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিসজনিত হৃদরোগের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।২. বুকব্যথা হলে কি সবসময় হার্টের সমস্যা?না, সব বুকব্যথা হার্টের সমস্যা নয়। গ্যাস্ট্রিক, পেশির ব্যথা, উদ্বেগ বা ফুসফুসের সমস্যাতেও বুকব্যথা হতে পারে। তবে বুকে চাপ, ভার লাগা, ঘাম হওয়া, শ্বাসকষ্ট বা ব্যথা হাত-কাঁধ-চোয়ালে ছড়িয়ে পড়লে দ্রুত হাসপাতালে যাওয়া জরুরি।৩. হার্ট অ্যাটাকের প্রধান লক্ষণ কী কী?হার্ট অ্যাটাকের সাধারণ লক্ষণের মধ্যে রয়েছে বুকের মাঝে চাপ, চাপা বা ব্যথা; শ্বাসকষ্ট; হাত, কাঁধ, ঘাড়, চোয়াল বা পিঠে ব্যথা; ঠান্ডা ঘাম, বমিভাব, মাথা ঘোরা বা অস্বাভাবিক ক্লান্তি। এসব লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত ইমার্জেন্সি সেবা নিন।৪. উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায় কেন?উচ্চ রক্তচাপ হৃদপিণ্ড ও রক্তনালীর ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে, আর ডায়াবেটিস রক্তনালীর ক্ষতি করে। ফলে হার্ট ব্লক, হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক ও কিডনির জটিলতার ঝুঁকি বেড়ে যায়। তাই এ দুটি রোগ নিয়মিত পরীক্ষা ও নিয়ন্ত্রণে রাখা জরুরি।৫. হার্টের সমস্যা নির্ণয়ের জন্য কোন পরীক্ষা লাগতে পারে?রোগীর উপসর্গ অনুযায়ী ইসিজি (ECG), ইকোকার্ডিওগ্রাফি (Echo), এক্স-রে, রক্তে শর্করা, লিপিড প্রোফাইল, ক্রিয়েটিনিন, ট্রপোনিন বা প্রয়োজনে এনজিওগ্রামের পরামর্শ দেওয়া হতে পারে। পরীক্ষা শুধু ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী করানো উচিত।৬. স্ট্রেস ইকো পরীক্ষা কী?স্ট্রেস ইকো হলো একটি বিশেষ ইকোকার্ডিওগ্রাফি পরীক্ষা, যাতে ব্যায়াম বা ওষুধের মাধ্যমে হার্টের কাজের চাপ বাড়িয়ে দেখা হয় হৃদপেশিতে রক্ত সরবরাহ ঠিক আছে কি না। ডাঃ আজিম আনোয়ার এই বিষয়ে সিঙ্গাপুর থেকে ফেলোশিপ ট্রেনিং নিয়েছেন।৭. হার্ট অ্যাটাকের পর কি স্বাভাবিক জীবনযাপন করা সম্ভব?হ্যাঁ, সঠিক চিকিৎসা, নিয়মিত ওষুধ, রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, ধূমপান ত্যাগ, সুষম খাবার এবং ডাক্তারের পরামর্শে ব্যায়ামের মাধ্যমে অনেক রোগীই স্বাভাবিক ও সক্রিয় জীবনযাপন করতে পারেন। ধূমপান ত্যাগ, লবণ কম খাওয়া, শারীরিক কর্মকাণ্ড বাড়ানো এবং সবজি-ফল খাওয়া হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক।৮. ডাঃ আজিম আনোয়ারের চেম্বার কোথায়?তাঁর চেম্বার রাজশাহীর পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড, ভবন-১, রুম ৭০৪ এবং দি এ্যাপলো ডায়াগনস্টিক সেন্টার-এ। পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে তিনি প্রতিদিন বিকাল ৩টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত রোগী দেখেন; শুক্রবার ও মঙ্গলবার বন্ধ।রাজশাহীতে অভিজ্ঞ কার্ডিওলজি বিশেষজ্ঞ রাজশাহী খুঁজছেন হলে ডাঃ আজিম আনোয়ার একজন নির্ভরযোগ্য পছন্দ হতে পারেন। তাঁর আন্তর্জাতিক প্রশিক্ষণ, কার্ডিওলজিতে উচ্চতর ডিগ্রি এবং আধুনিক হৃদরোগ নির্ণয়ের দক্ষতা রোগীদের জন্য আশ্বস্ত ও পরিকল্পিত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করে।রাজশাহীতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন Doctor Service BD এর মাধ্যমে।হটলাইন নম্বরঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪
25 May,2026