ল্যাকটোজেন ১ খাওয়ার ও বানানোর নিয়ম
ল্যাকটোজেন ১ • 03 Aug,2025 • 👁 16,744 Views
Category: Uncategorized
ল্যাকটোজেন ১ (Lactogen 1) হলো নেস্টলে কোম্পানির তৈরি একটি ইনফ্যান্ট মিল্ক ফর্মুলা, যা মূলত ০ থেকে ৬ মাস বয়সী শিশুদের জন্য তৈরি। এটি মায়ের দুধের বিকল্প নয়, তবে মায়ের দুধ না পাওয়া গেলে বা পরিপূরক হিসেবে ব্যবহার করা হয়।
ল্যাকটোজেন ১ খাওয়ার বয়স
ল্যাকটোজেন ১ খাওয়ানো হয় জন্মের পর থেকেই ৬ মাস পর্যন্ত বয়সী শিশুদের।
- জন্ম থেকে ৬ মাস: শুধুমাত্র ল্যাকটোজেন ১ (যদি বুকের দুধ না পাওয়া যায়)
- ৬ মাসের পর থেকে: শিশুর জন্য অন্য ফর্মুলা (যেমন: ল্যাকটোজেন ২) শুরু করতে হয়
ল্যাকটোজেন ১ খাওয়ানোর উপকারিতা
- সহজে হজম হয়: এতে আছে প্রোবায়োটিক এল. রিউটারি, যা হজমে সহায়তা করে।
- প্রয়োজনীয় পুষ্টি: এতে আয়রন, ক্যালসিয়াম, প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেল থাকে, যা শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে সাহায্য করে।
- ওজন বৃদ্ধি ও বৃদ্ধির হার উন্নত করে
- নিরাপদ ও মানসম্মত: বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশিকা অনুযায়ী প্রস্তুত।
ল্যাকটোজেন ১ বানানোর নিয়ম
ল্যাকটোজেন ১ সাধারণত প্যাকেট বা কৌটাজাত করা গুড়া দুধ। তাই এটিকে শিশুর খাওয়ার উপযোগী করার জন্য পানিতে মিশাতে হয়। সঠিক নিয়মে ল্যাকটোজেন ১ বানানোর নিয়ম নিচে ধাপে ধাপে উল্লেখ করা হলো:
- হাত ধুয়ে পরিষ্কারভাবে প্রস্তুতি নিন
- পরিষ্কার বোতলে ফুটানো ঠান্ডা গরম পানি দিন
- নির্ধারিত স্কুপ অনুযায়ী গুঁড়া দিন (প্রতি ৩০ মি.লি. পানিতে ১ স্কুপ)
- ভালোভাবে ঝাঁকিয়ে মিশিয়ে নিন
- খাওয়ানোর আগে বেশি গরম আছে কি না পরীক্ষা করুন
ল্যাকটোজেন ১ খাওয়ার নিয়ম
যখন কোনো শিশু তার মায়ের বুকের দুধ খেতে পারে না তখন তার দুধের পুষ্টি চাহিদা পূরণ করার লক্ষ্যে তাকে ল্যাকটোজেন ১ খাওয়ানো হয়। কিন্তু আমরা অনেকেই শিশুকে ল্যাকটোজেন ১ খাওয়ার নিয়ম সম্পর্কে জানি না। তাই আপনাদের সুবিধার্থে নিচে ল্যাকটোজেন ১ খাওয়ার নিয়ম উল্লেখ করা হলো:
- খাওয়ানোর সময় ও পরিমাণ শিশুর বয়স অনুযায়ী পরিবর্তিত হয়
- চিকিৎসকের পরামর্শে খাওয়ানোই সর্বোত্তম
- প্রতিবার খাওয়ানোর পর বোতল ভালোভাবে ধুয়ে ফেলতে হবে
ল্যাকটোজেন ১ এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
যদিও বেশিরভাগ শিশু ল্যাকটোজেন ১ সহ্য করে, তবুও কিছু শিশুতে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে। ল্যাকটোজেন ১ এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হলো :
- গ্যাস বা পেট ফাঁপা
- ডায়রিয়া বা কোষ্ঠকাঠিন্য
- চুলকানি বা অ্যালার্জির লক্ষণ (যদি দুধে অ্যালার্জি থাকে)
- বমি বা খাওয়াতে অনীহা
⚠️ এসব লক্ষণ দেখা দিলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।
৬ মাস বয়সের পর থেকে শিশুদের জন্য ল্যাকটোজেন ২ এবং অন্যান্য পরিপূরক খাবার যেমন ডাল-ভাত ছাঁকা জল, খিচুড়ি, কলা ইত্যাদি ধীরে ধীরে খাওয়ানো শুরু করতে হয়।
ল্যাকটোজেন ১ এমন এক বিকল্প পুষ্টি উৎস, যা মা যদি নিজের দুধ দিতে অপারগ হন, তখন শিশুর জন্য উপকারী হতে পারে। তবে মায়ের দুধই শিশুদের জন্য সর্বোত্তম খাবার। তাই ল্যাকটোজেন ১ খাওয়ানোর আগে অবশ্যই শিশু বিশেষজ্ঞ পরামর্শ নেওয়া উচিত। রাজশাহীতে নিয়মিত রোগী দেখছেন,
ডাঃ সঞ্চিতা সরকার তুলি
উক্ত ডাক্তারের পরামর্শ পেতে তাদের সিরিয়াল দিতে আমামদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন ০১৭২৩০২৫৫১৪ এই নাম্বারে।
Related Articles
Continue reading from our latest posts
Uncategorized
Uncategorized
ডায়াবিটিস রোগ