blog-image Uncategorized

শ্বেত প্রদর কি - শ্বেত প্রদরের লক্ষণ সমূহ

শ্বেত প্রদর (Leucorrhoea) বিভিন্ন কারনে শ্বেত প্রদর রোগটি হয়ে থাকে। সাধারনত এটি কোন রোগ নয়, অন্য রোগের লক্ষন মাত্রআক্রান্ত রোগীর সাধারনত যে সমস্ত লক্ষণ দেখা যায়-* গোপনাঙ্গ থেকে অতিরিক্ত সাদা বা হলুদ স্রাব হয়ে থাকে। * কাপড়ে বাদামী হলুদ বর্ণের দাগ পড়ে। * গোপঙ্গের বাহিরে ব্যথা বা জ্বালা-পোড়া হয়।* তল পেটে ব্যথা বা অসস্থি অনুভব হয়। * দুর্গন্ধ যুক্ত স্রাব হয়। * গোপনাঙ্গ ফুলে যায়। * গোপনাঙ্গ চুলকানীও থাকতে পারেডাক্তারের পরামর্শঃ* মাসিক চলাকালীন সময়ে জীবানু মুক্ত স্যানিটারী ন্যাপকিন ব্যবহার করতে হবে। * অতিরিক্ত দুঃচিন্তা পরিহার করতে হবে। * অপুষ্টি ও কোষ্টকাঠিন্য থাকলে দুর করতে হবে। * প্রতি তিন মাস অন্তর অন্তর বাড়ীর সবাই এক সাথে একই দিনে ক্রিমির ঔষধ খেতে হবে। শ্বেত প্রদরের চিকিৎসা পেতে রাজশাহীর সেরা স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার,ডাঃ নাহিদ সুলতানাএমবিবিএস, এফসিপিএস (প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ)স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জনবন্ধ্যাত্ব বিষয়ে বিশেষায়িত প্রশিক্ষিতসহকারী অধ্যাপকস্ত্রীরোগ বিভাগরাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালডাক্তারের পরামর্শ ও সিরিয়াল পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের☎হটলাইন নম্বরে-- ০১৭২৩-০২৫৫১৪

27 Apr,2025

blog-image Uncategorized

হাম কি - হামের লক্ষণ ও প্রতিকার

‘হাম’ (Measles) একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে ভাইরাসজনিত রোগ, যা মূলত শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। এটি Measles virus দ্বারা হয়ে থাকে এবং শ্বাসনালি দিয়ে সংক্রমণ ছড়ায়।🕒 কখন হয়:হাম সাধারণত শীতকাল বা বসন্তকালে বেশি দেখা যায়। এটি একজন আক্রান্ত ব্যক্তি থেকে অন্য ব্যক্তিতে ছড়ায় হাঁচি-কাশির মাধ্যমে।⚠️ লক্ষণ (Symptoms):হামের লক্ষণগুলো সাধারণত ভাইরাসে সংক্রমণের ১০-১৪ দিনের মধ্যে প্রকাশ পায়:জ্বর – প্রথম দিকে মৃদু, পরে উচ্চ মাত্রায় (১০১-১০৪°F পর্যন্ত)কাশি – শুষ্ক এবং জ্বালাপোড়াযুক্তহাঁচি ও সর্দিচোখ লাল হওয়া (Conjunctivitis) – আলো সহ্য করতে না পারাকপলিক স্পটস – মুখের ভেতর, গালের ভিতরের অংশে ছোট সাদা দাগ লালচে র‍্যাশ (Rash) – মুখ থেকে শুরু হয়ে সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে🔍 কারণ (Causes):Measles virus নামক ভাইরাস দ্বারা সংক্রমণ ঘটে।আক্রান্ত ব্যক্তির হাঁচি-কাশি বা নিঃশ্বাসের মাধ্যমে অন্যদের মধ্যে সংক্রমণ ছড়ায়।যদি শিশুদের হাম টিকা না দেওয়া হয়, তাদের আক্রান্ত হওয়ার ঝুঁকি অনেক বেশি।🩺 প্রতিকার ( Prevention):হামের নির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ নেই, তবে লক্ষণ অনুযায়ী চিকিৎসা করা হয়। পরামর্শ নিন রাজশাহীর সেরা চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর। ✅ প্রতিকার:জ্বরের জন্য প্যারাসিটামলপর্যাপ্ত বিশ্রামতরল খাবার ও পানি বেশি করে খাওয়ানোচোখে ব্যথা থাকলে আলো থেকে দূরে রাখাচর্মের র‍্যাশ হলে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখারাজশাহীর সেরা চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর সাথে পরামর্শ করতে সিরিয়াল দিতে আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন ০১৭২৩০২৫৫১৪ এই নাম্বারে। 

26 Apr,2025

blog-image Uncategorized

রাজশাহীর ইএনটি (কান, নাক, গলা) বিশেষজ্ঞ এবং মাথার ঘাড় সার্জন

রাজশাহীর ইএনটি (কান, নাক, গলা) বিশেষজ্ঞ এবং মাথার ঘাড় সার্জনডাঃ মোঃ আব্দুল্লাহ আল-জোবায়েরএমবিবিএস, এফসিপিএস (ইএনটি)ইএনটি - কান, নাক, গলা, কান, গলা, রোগ বিশেষজ্ঞসহকারী অধ্যাপক ও প্রধান ওটোলারিঙ্গোলজি বিভাগবারিন্দ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালচেম্বার : পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড (ভবন-১) রাজশাহীডাঃ মোঃ আসাদুল ইসলাম রাজীবএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), ডিএলও (বিএসএমএমইউ)ইএনটি - নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞকনসালট্যান্ট, ইএনটিরাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালচেম্বার : পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড (ভবন-১) রাজশাহীডাঃ মোঃ আল মাহমুদএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), ডিএলও (বিএসএমএমইউ), এফসিপিএস (ইএনটি)ইএনটি - নাক-কান-গলা বিশেষজ্ঞকনসালটেন্ট, ইএনটিরাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালচেম্বার : পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড (ভবন-১) রাজশাহীডাক্তারের পরামর্শ ও সিরিয়াল পেতে যোগাযোগকরুন আমাদের ☎হটলাইন নম্বরে-- ০১৭২৩-০২৫৫১৪

25 Apr,2025

blog-image Uncategorized

খাওয়ার পর বমি বমি ভাব হওয়ার কারণ

খাওয়ার পর বমি বমি ভাব বা বমি অনুভব হওয়া একটি অস্বস্তিকর অনুভূতি, যার পেছনে নানা কারণ থাকতে পারে। এটি সাময়িক হজম সমস্যার লক্ষণ হতে পারে, আবার কোনো অন্তর্নিহিত শারীরিক অসুস্থতার ইঙ্গিতও হতে পারে।খাওয়ার পর বমি বমি ভাব হওয়ার কিছু সাধারণ কারণ: অতিরিক্ত খাওয়া বা তাড়াহুড়ো করে খাওয়া: বেশি খাওয়া বা খুব দ্রুত খাওয়ার ফলে হজমে চাপ পড়ে, যার ফলে বমি বমি ভাব হতে পারে। গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিড রিফ্লাক্স: পাকস্থলীর অ্যাসিড খাদ্যনালীতে উঠে আসলে বুক জ্বালা ও বমি ভাব দেখা দিতে পারে। ফুড পয়জনিং বা দূষিত খাবার খাওয়া: জীবাণুযুক্ত বা পুরনো খাবার খেলে পাকস্থলীতে প্রদাহ সৃষ্টি হয়ে বমি হতে পারে। হরমোনের পরিবর্তন: বিশেষ করে গর্ভবতী নারীদের হরমোনজনিত কারণে খাওয়ার পর বমি ভাব হওয়া স্বাভাবিক। মানসিক চাপ বা উদ্বেগ: অতিরিক্ত মানসিক টেনশন বা দুশ্চিন্তা অনেক সময় পাকস্থলীতে প্রভাব ফেলে, যার ফলে বমি ভাব হয়। পিত্তথলি বা লিভারের সমস্যা: হজমে সহায়ক অঙ্গগুলো ঠিকভাবে কাজ না করলে খাওয়ার পর অস্বস্তি হয়। ওষুধের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: কিছু ওষুধ যেমন অ্যান্টিবায়োটিক, ব্যথানাশক ইত্যাদি খাওয়ার পর বমি ভাব হতে পারে।যদি খাওয়ার পর বারবার বমি বমি ভাব হয়, তবে তা উপেক্ষা না করে একজন গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। রাজশাহীর সেরা গ্যাস্ট্রোএন্টারলজি বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করার জন্য তাদের সিরিয়াল দিতে  আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন ০১৭২৩০২৫৫১৪ এই নাম্বারে। বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের তালিকা ও পরামর্শ পেতে ভিজিট করুন: www.doctorservicebd.com

25 Apr,2025

blog-image Uncategorized

ডাঃ মোঃ নুরুল ইসলাম

চক্ষু বিশেষজ্ঞ, কর্নিয়া, ফ্যাকো এবং ল্যাসিক সার্জনডাঃ মোঃ নুরুল ইসলামএমবিবিএস, ডিও, এফসিপিএসচক্ষু বিশেষজ্ঞসহযোগী অধ্যাপক ও প্রধান (চক্ষু)ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালরাজশাহীতে নিয়মিত রোগী দেখছেন ও সেবা দিচ্ছেনচেম্বার : ইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল রাজশাহীডাক্তারের পরামর্শ ও সিরিয়াল পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের  ☎হটলাইন নম্বরে-- ০১৭২৩০২৫৫১৪

25 Apr,2025

blog-image Uncategorized

ইউরোলজি বিশেষজ্ঞ ও সার্জন

ইউরোলজি (কিডনি, মূত্রনালী, মূত্রাশয়, মূত্রনালী) বিশেষজ্ঞ ও সার্জনডাঃ এ.বি.এম. গোলাম রব্বানীএমবিবিএস, এফসিপিএস (সার্জারি), এমএস (ইউরোলজি)ইউরোলজি বিশেষজ্ঞসহযোগী অধ্যাপক, ইউরোলজিবরিন্দ মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালচেম্বার : মাইক্রোপ্যাথ ডায়াগনস্টিক সেন্টার রাজশাহীডাঃ মোঃ তফিকুল ইসলাম তৌফিকএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (সার্জারি), এমএস (ইউরোলজি)ইউরোলজি বিশেষজ্ঞসহকারী অধ্যাপক, ইউরোলজিরাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালচেম্বার : পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড (ভবন-১) রাজশাহীডাঃ এস.এম. গোলাম মওলাএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (সার্জারি), এমএস (ইউরোলজি)ইউরোলজি বিশেষজ্ঞইউরোলজি, ল্যাপারোস্কোপিক এবং সার্জারি বিশেষজ্ঞরাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালচেম্বার : পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড (ভবন-১) রাজশাহীডাক্তারের পরামর্শ ও সিরিয়াল পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের ☎হটলাইন নম্বরে-- ০১৭২৩-০২৫৫১৪

25 Apr,2025

blog-image Uncategorized

বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস ২০২৫

প্রতিবছর এপ্রিল মাসের ২৫ তারিখে সমগ্র বিশ্বে পালন করা হয় বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবস। এর উদ্দেশ্য হলো জনগণের মধ্যে ম্যালেরিয়া সম্পর্কে সচেতনতা তৈরী এবং প্রতিরোধে কার্যকরী ব্যবস্থা গ্রহণ করা। বাংলাদেশের মোট ম্যালেরিয়া আক্রান্তের ৯৩ শতাংশই তিন পার্বত্য জেলায়। বাংলাদেশ সরকারের লক্ষ্য ২০২৭ সালের মধ্যে ম্যালেরিয়ায় মৃত্যুহার শূন্যে নামিয়ে আনা এবং ২০৩০ সালের মধ্যে দেশকে ম্যালেরিয়া মুক্ত করা হয়।বিশ্ব ম্যালেরিয়া দিবসে ম্যালেরিয়ার ভয়াবহতা ও এর প্রতিকার সম্পর্কে জানাচ্ছেন,ডাঃ মোঃ মজিবুল হক (সবুজ)এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)এমডি (ইন্টারনাল মেডিসিন) বিএসএমএমইউমেডিসিন ও ডায়াবেটিস রোগ বিশেষজ্ঞবিস্তারিত দেখুন, ডা: মো: মজিবুল হক সবুজ নিয়মিত রোগী দেখছেন ল্যাবএইড লি: (ডায়াগনস্টিক) রাজশাহী তে। ম্যালেরিয়া কিম্যালেরিয়া একটি সংক্রামক রোগ, যা মশার মাধ্যমে ছড়ায়। এটি মূলত Plasmodium নামক একধরনের পরজীবী দ্বারা হয়, এবং এটি opheles প্রজাতির স্ত্রী মশ জাতির স্ত্রী মশার কামড়ের মাধ্যমে মানুষের দেহে প্রবেশ করে।রোগের লক্ষণের ধরণ অনুসারে ম্যালেরিয়া রোগকে দুই ভাগে ভাগ করা হয়-১.সাধারণ ম্যালেরিয়া সাধারণ ম্যালেরিয়া অবস্থায় উপসর্গ দেখা যায়, কিন্তু গুরুতর সংক্রমণ দেখা যায় না। সাধারণ ম্যালেরিয়া গুরুতর হয়ে উঠতে পারে যদি চিকিত্সা না করা হয়। এই ধরনের ম্যালেরিয়ার লক্ষণ সাধারণত 6 থেকে 10 ঘন্টা স্থায়ী হয় এবং প্রতি দ্বিতীয় দিনে আবার দেখা দেয়।নির্দিষ্ট সময় পরপর কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা এ রোগের প্রধান লক্ষণ। একদিন পর পর জ্বর আসে এবং ৩-৪ ঘন্টা স্থায়ী হয় এরপর ঘাম দিয়ে জ্বর ছেড়ে যায়।মাঝারি থেকে তীব্র কাঁপুনি বা শীত শীত অনুভূত হয়, ঘুমের অভাব দেখা দেয়।শরীরের তাপমাত্রা কমে যাওয়ার ফলে অতিরিক্ত ঘাম হয় বেশী বেশী পানি পিপাসা লাগে। মাথাব্যথা, গায়ে প্রচণ্ড ব্যথা ও তলপেটে ব্যথা অনুভূত হয়।খিঁচুনি হতে পারে।ক্লান্তি বা অবসাদ অনুভব করা।হজমের গোলযোগ দেখা দেওয়া। বমি বমি ভাব অথবা বমি হওয়া।ডায়রিয়াও হতে পারে।২. মারাত্মক ম্যালেরিয়া ম্যালেরিয়া রোগের জটিল ধরণ হলো  মারাত্মক ম্যালেরিয়া। জরুরী চিকিৎসা না পেলে এসব রোগীর মৃত্যু হতে পারে। মারাত্মক ম্যালেরিয়া রোগে সাধারণতঃনিম্নলিখিত লক্ষণ ও উপসর্গসমূহ দেখা দেয়-পানিশূন্যতা।লোহিত রক্তকণিকা ধ্বংস হওয়ার কারণে অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতা।মাংসপেশি, প্লীহা ও যকৃত বড় হয়ে যাওয়া বা যকৃত বা লিভারের অকার্যকারিতা দেখা দেওয়া।শ্বাসকষ্ট হওয়া।কিডনির অকার্যকারিতা।খিঁচুনি।জন্ডিস।রক্তে গ্লুকোজ কমে যেতে পারে। এক্ষেত্রে রোগীর বারবার বমি হয়। নিজে বসতে, দাঁড়াতে বা হাঁটতে অসুবিধা হয় এবং কখনও কখনও রোগী অজ্ঞানও হয়ে যেতে পারে।চিকিৎসারোগের উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে। সংক্রমণের তীব্রতা আর ম্যালেরিয়ার ধরণের উপর এই রোগের চিকিৎসা নির্ভর করে। সাধারণতঃ তীব্রতা কম হলে ম্যালেরিয়া-প্রতিকারের জন্য মুখে খাওয়ার ঔষধ দেওয়া হয়। কিন্তু সেরিব্রাল ম্যালেরিয়ার (মারাত্মক ম্যালেরিয়া) ক্ষেত্রে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করে ইঞ্জেকশনের মাধ্যমে চিকিৎসা প্রদান করা হয়ম্যালেরিয়া প্রতিরোধে করনীয়মশার কামড় থেকে দূরে থাকাই এ রোগ প্রতিরোধের উপায়।দিনে বা রাতে ঘুমানোর সময় অবশ্যই মশারি বা কয়েল ব্যবহার করতে হবে। দরজা-জানালায় মশা প্রতিরোধক জাল, শরীরে প্রতিরোধক ক্রিম, ঘরে মশা মারা স্প্রে ব্যবহার করুন।ঘরের আশপাশে কোথাও পানি জমে যেন মশা বংশবিস্তার না করতে পারে; সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। মশা বংশবিমশাবহুল স্থানে কীটনাশক বা কেরোসিন ছিটিয়ে দেওয়া যেতে পারে।ম্যালেরিয়াপ্রবণ এলাকায় যাওয়ার প্রয়োজন হলে চিকিত্সকের পরামর্শ নিয়ে ম্যালেরিয়া প্রতিরোধী ঔষধ সঙ্গে রাখা উচিত।বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করতে ও তাদের সিরিয়াল দিতে আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন ০১৭২৩০২৫৫১৪ এই নাম্বারে।

25 Apr,2025

blog-image Uncategorized

মস্তিষ্ক, স্ট্রোক, স্নায়ু, মেডিসিন ও নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞ

মস্তিষ্ক, স্ট্রোক, স্নায়ু, মেডিসিন ও নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞডা: প্রসাদ কুমার সরকারএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য),এমডি (নিউরোলজী) বিএসএমএমইউনিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞসহকারী অধ্যাপকরাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালযেসব রোগের চিকিৎসা দিয়ে থাকেনঃ✅স্ট্রোক✅মাথা ব্যাথা✅প্যারালাইসিস✅গাঢ় ব্যাথা, কোমড় ব্যাথা✅হাতে পায়ে দুর্বলতা✅পিঠে ব্যাথা, হাঁটুতে ব্যাথা✅বাত ব্যাথা✅মাথায় পানি জমা✅মাথার রক্ত নালির সমস্যা✅মাথায় রক্তক্ষরন✅খিচুনি✅মাথা ঘোরাডাক্তারের পরামর্শ ও সিরিয়াল পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের ☎হটলাইন নম্বরে-- ০১৭২৩-০২৫৫১৪

24 Apr,2025

blog-image Uncategorized

ডাঃ ইসমত আরা জেমি / প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ সার্জন

প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ সার্জন রাজশাহীডাঃ ইসমত আরা জেমিএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ)প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞসহকারী অধ্যাপক, স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিবিদ্যারাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালরাজশাহীতে নিয়মিত রোগী দেখছেন ও সেবা দিচ্ছেন।তার দেয়া সেবা সমূহঃগর্ভধারণের আগে ও গর্ভাবস্থার পূর্ণ যত্ননিয়মিত আল্ট্রাসনো ও প্রেগন্যান্সি চেকআপউচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিসসহ জটিল গর্ভাবস্থাস্বাভাবিক প্রসব ও সিজারিয়ান অপারেশন (C-section)প্রসব পরবর্তী সমস্যা ও যত্নবন্ধ্যাত্ব বা ইনফার্টিলিটি চিকিৎসাদীর্ঘদিন বাচ্চা না হলে কারণ নির্ণয়ডিম্বাণু (Ovum) ও শুক্রাণু সম্পর্কিত সমস্যা চিহ্নিতকরণওভুলেশন ইনডাকশন ও হরমোন চিকিৎসাহরমোন ও মাসিকজনিত সমস্যাঅনিয়মিত মাসিক বা মাসিক বন্ধ থাকাঅতিরিক্ত বা কম রক্তপাতপলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (PCOS/PCOD)মেনোপজ-পরবর্তী শারীরিক পরিবর্তনজরায়ু, ডিম্বাশয় বা সার্ভিক্সে সংক্রমণসার্ভিকাল ক্যান্সার স্ক্রিনিং (Pap smear)জরায়ুর টিউমার বা ফাইব্রয়েডডিম্বাশয়ের সিস্ট বা টিউমারসিজারিয়ান অপারেশন (C-section)জরায়ু অপসারণ (Hysterectomy)চেম্বারঃপপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড (ভবন-১) রাজশাহীডাক্তারের পরামর্শ ও সিরিয়াল পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের  হটলাইন নম্বরে-- ০১৭২৩-০২৫৫১৪

24 Apr,2025

blog-image Uncategorized

ডাঃ রওশন আরা খাতুন

অনকোলজি/ক্যান্সার বিশেষজ্ঞডাঃ রওশন আরা খাতুনএমবিবিএস, এমফিল (অনকোলজি)অনকোলজি বিশেষজ্ঞসহকারী অধ্যাপক (রেডিওথেরাপি)রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।চেম্বার : মেডিল্যাব ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহীডাক্তারের পরামর্শ ও সিরিয়াল পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের ☎হটলাইন নম্বরে-- ০১৭২৩-০২৫৫১৪

24 Apr,2025

blog-image Uncategorized

পাইলস কেন হয় - পাইলস থেকে মুক্তির উপায়

পাইলস (Piles) বা হেমোরয়েডস (Hemorrhoids) হলো মলদ্বারের ভেতরে বা বাইরের দিকে ফোলাভাব বা রক্তনালির স্ফীত হয়ে যাওয়া। এটি একটি সাধারণ ও অস্বস্তিকর রোগ।পাইলস কেন হয়?পাইলস হওয়ার কারণগুলো হলো: কোষ্ঠকাঠিন্য – দীর্ঘ সময় ধরে মলত্যাগের সময় চাপ প্রয়োগ করলে। ডায়রিয়া বা পাতলা পায়খানা – দীর্ঘ সময় স্থায়ী হলে। গর্ভাবস্থা – এই সময় রক্তচাপ ও পেটের চাপ বাড়ে। অতিরিক্ত ওজন – শরীরের নিচের অংশে চাপ পড়ে। দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে বা বসে থাকা – বিশেষ করে টয়লেটে দীর্ঘ সময় কাটালে। কম ফাইবারযুক্ত খাবার খাওয়া – যার ফলে হজমে সমস্যা হয়। বংশগত কারণ – পরিবারের কারো হলে নিজের হওয়ার ঝুঁকি থাকে।পাইলস বা হেমোরয়েডসের চিকিৎসা মূলত করে থাকেন জেনারেল সার্জারি বা কলোরেক্টাল সার্জারি বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা। জেনারেল সার্জন (General Surgeon) কলোরেক্টাল সার্জন (Colorectal Surgeon) – তারা বিশেষভাবে মলদ্বার, পায়ুপথ এবং বৃহৎ অন্ত্রের রোগে অভিজ্ঞ। প্রাথমিক পর্যায়ে মেডিসিন বিশেষজ্ঞ (Medicine Specialist) কিছু ওষুধ দিয়ে উপশম করতে পারেন, তবে দীর্ঘস্থায়ী বা গুরুতর সমস্যা হলে সার্জনের পরামর্শ নেওয়া ভালো।পাইলস থেকে মুক্তির উপায়✅ফাইবার সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া✅বেশি বেশি পানি পান করা✅ইসবগুলে ভুসি খাওয়া✅খাঁটি ঘি খাওয়া✅টয়লেটে কম সময় ব্যয় করারাজশাহীর সেরা ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করতে ও তাদের সিরিয়াল দিতে আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন ০১৭২৩০২৫৫১৪ এই নাম্বারে।

24 Apr,2025

blog-image Uncategorized

ল্যাবএইড ডায়াগনস্টিক রাজশাহী এর ডাক্তার

ল্যাবএইড ডায়াগনস্টিক রাজশাহী তে নিয়মিত রোগী দেখছেন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারডাঃ মিলন হালদারএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য),এফসিপিএস (নাক, কান ও গলা)এমসিপিএস (নাক, কান ও গলা)নাক, কান ও গলা রোগ বিশেষজ্ঞ ও হেডনেক সার্জনরাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালডাঃ মোঃ আব্দুল করিমএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (অনকোলজি)ক্যান্সার বিশেষজ্ঞকনসালটেন্ট, অনকোলজিরাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালল্যাবএইড রাজশাহীর অন্যান্য সকল ডাক্তার এর তালিকা দেখুনডাঃ মোছাঃ রূপালী ইয়াসমিনএমবিবিএস, বিসিএস, এমডি-রিউমাটোলজি (বিএসএমএমইউ) ইসিআরডি (সুইজারল্যান্ড)রিউমাটোলজি বিশেষজ্ঞরাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালডাঃ নূর-ই-আতিয়া লাভলীএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ)সহকারী অধ্যাপক (প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ )রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালডাঃ নিশাত আনাম বর্ণাএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমসিপিএস (গাইনী), এফসিপিএস (প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ), এফএসিএস (মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র)পরামর্শদাতা, স্ত্রীরোগ ও প্রসূতিরাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালডাক্তারের পরামর্শ ও সিরিয়াল পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের☎হটলাইন নাম্বারে ০১৭২৩০২৫৫১৪

24 Apr,2025

blog-image Best Medicine Specialist Doctor in Rajshahi

ডাঃ আহমেদ মাসিহা জামিল অরূপ | মেডিসিন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ রাজশাহী

রাজশাহীর অভিজ্ঞ মেডিসিন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ ডাঃ আহমেদ মাসিহা জামিল অরূপ। ১৮ বছরের অভিজ্ঞতায় ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, উচ্চ রক্তচাপ, হাঁপানি, জ্বর ও হজমের সমস্যার চিকিৎসা।ডাঃ আহমেদ মাসিহা জামিল অরূপএমডি(ইনটারনাল মেডিসিন),এমবিবিএস, সিসিডি(বারডেম),এফএসিপি (আমেরিকা)মেডিসিন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞসহকারী অধ্যাপক (মেডিসিন বিভাগ)রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসাপাতালডাঃ আহমেদ মাসিহা জামিল অরূপ — মেডিসিন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহীদীর্ঘদিনের জ্বর, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, উচ্চ রক্তচাপ, হাঁপানি বা হজমের সমস্যায় ভুগছেন? এ ধরনের সমস্যায় সঠিক কারণ নির্ণয় ও পরিকল্পিত চিকিৎসা খুবই জরুরি। তাই সঠিক সময়ে একজন অভিজ্ঞ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ রাজশাহী-র কাছে পরামর্শ নেওয়া উচিত।ডাঃ আহমেদ মাসিহা জামিল অরূপ রাজশাহীর একজন সুনামধন্য, অভিজ্ঞ ও বিশ্বস্ত মেডিসিন ডাক্তার রাজশাহী। তিনি প্রায় ১৮ বছরের চিকিৎসা অভিজ্ঞতাসম্পন্ন একজন মেডিসিন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ। তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে সহকারী অধ্যাপক।ডাঃ আহমেদ মাসিহা জামিল অরূপ এর পরিচিতি ও যোগ্যতাডাঃ আহমেদ মাসিহা জামিল অরূপ ইন্টারনাল মেডিসিনে উচ্চতর ডিগ্রিধারী এবং ডায়াবেটিস ও হরমোনজনিত রোগে বিশেষজ্ঞ। তিনি বারডেম থেকে সিসিডি এবং আমেরিকান কলেজ অব ফিজিশিয়ানস (FACP)-এর ফেলো। তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে সহকারী অধ্যাপক।তাঁর শিক্ষাগত ও পেশাগত যোগ্যতা:এমবিবিএস (MBBS)সিসিডি (বারডেম)এমডি (ইন্টারনাল মেডিসিন)এফএসিপি (আমেরিকা)মেডিসিন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞসহকারী অধ্যাপক, মেডিসিন বিভাগরাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহীপ্রায় ১৮ বছরের চিকিৎসা অভিজ্ঞতাদীর্ঘদিনের সরকারি হাসপাতালভিত্তিক অভিজ্ঞতা, ইন্টারনাল মেডিসিনে উচ্চতর ডিগ্রি এবং ডায়াবেটিসে বিশেষজ্ঞতা তাঁকে রাজশাহীতে একজন নির্ভরযোগ্য মেডিসিন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে।ডাঃ আহমেদ মাসিহা জামিল অরূপকোন রোগের চিকিৎসা দেন?ডাঃ আহমেদ মাসিহা জামিল অরূপ মেডিসিন ও ডায়াবেটিস বিষয়ে বিস্তৃত চিকিৎসাসেবা দিয়ে থাকেন। তাঁর চিকিৎসার প্রধান ক্ষেত্রগুলো হলোঃডায়াবেটিস ও হরমোনজনিত রোগ: রক্তে শর্করা বেড়ে যাওয়া বা হরমোনের ভারসাম্যহীনতা; দীর্ঘমেয়াদে হার্ট, কিডনি, চোখ ও স্নায়ুর জটিলতা সৃষ্টি করতে পারে।ডায়াবেটিস টাইপ ১ ও টাইপ ২: টাইপ ১ ডায়াবেটিসে ইনসুলিন উৎপাদন কমে যায়, টাইপ ২-এ ইনসুলিনের কার্যকারিতা কমে যায়।গর্ভকালীন ডায়াবেটিস: গর্ভাবস্থায় রক্তে শর্করা বেড়ে যাওয়া; মা ও শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য নিয়ন্ত্রণ জরুরি।হরমোনের ভারসাম্যহীনতা: থাইরয়েড, অ্যাড্রিনাল বা পিটুইটারি গ্রন্থির সমস্যায় ওজন, ক্লান্তি, রক্তচাপ বা মাসিকের পরিবর্তন হতে পারে।ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স: শরীরে ইনসুলিন ঠিকমতো কাজ না করা; এটি টাইপ ২ ডায়াবেটিস ও ওজন বৃদ্ধির ঝুঁকি বাড়ায়।উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশন: রক্তচাপ বেশি থাকা; দীর্ঘদিন নিয়ন্ত্রণে না থাকলে হার্ট, স্ট্রোক ও কিডনির ঝুঁকি বাড়ে।নিম্ন রক্তচাপ বা হাইপোটেনশন: মাথা ঘোরা, দুর্বলতা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার প্রবণতা সৃষ্টি করতে পারে।হৃদযন্ত্রের সমস্যা: হার্ট ফেইলিউর, এনজাইনা বা হার্ট অ্যাটাক-পরবর্তী যত্ন ও ফলোআপ।গ্যাস্ট্রিক বা অ্যাসিডিটি: পেটে জ্বালাপোড়া, ব্যথা বা বুক জ্বালা; খাবার ও জীবনযাত্রার পরিবর্তনের পাশাপাশি চিকিৎসা প্রয়োজন।পেট ব্যথা, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য: হজমতন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যার নির্ণয় ও চিকিৎসা।আইবিএস বা Irritable Bowel Syndrome: পেটে ব্যথা, পাতলা বা শক্ত পায়খানা এবং পেট ফাঁপা; মানসিক চাপ বা খাবারের সঙ্গে সম্পর্কিত হতে পারে।অ্যাজমা বা হাঁপানি: শ্বাসনালী সংকুচিত হয়ে শ্বাসকষ্ট, কাশি ও বুকে চাপ লাগা।নিউমোনিয়া: ফুসফুসের ইনফেকশন; জ্বর, কাশি, বুকে ব্যথা ও শ্বাসকষ্ট হতে পারে।সংক্রমণ ও জ্বর: সাধারণ জ্বর, ভাইরাল জ্বর, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, টাইফয়েড বা অন্যান্য সংক্রমণের চিকিৎসা।টিউবারকুলোসিস বা যক্ষ্মা: যক্ষ্মা ব্যাকটেরিয়ার কারণে হওয়া সংক্রমণ; দীর্ঘদিন কাশি, রাতে ঘাম, ওজন কমা ও জ্বর হতে পারে।সেপসিস ও গুরুতর সংক্রমণ: শরীরে গুরুতর সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া; এটি জরুরি অবস্থা এবং দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন।কখন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার দেখাবেন?সাময়িক সর্দি-কাশি বা সামান্য ক্লান্তি সাধারণ কারণে হতে পারে। তবে নিচের উপসর্গগুলো থাকলে দেরি না করে একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ রাজশাহী-র কাছে যাওয়া উচিত:৭ দিনের বেশি জ্বর থাকা বা বারবার জ্বর ফিরে আসারক্তে শর্করা বা রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে না থাকাথাইরয়েডজনিত সমস্যা, যেমন ওজন বৃদ্ধি বা কমে যাওয়া, ঘাড় ফুলে যাওয়া, অস্থিরতা বা অতিরিক্ত ক্লান্তিপেটে ব্যথা, বুক জ্বালা, বমিভাব বা হজমের সমস্যাদীর্ঘদিন কাশি, শ্বাসকষ্ট, হাঁপানি বা বারবার ঠান্ডা-জ্বরদুর্বলতা, মাথা ঘোরা, শরীর ব্যথা বা অজানা কারণে ওজন কমে যাওয়াহার্টের সমস্যা, বুক ধড়ফড় বা হার্ট অ্যাটাকের পর ফলোআপের প্রয়োজনএকাধিক রোগ একসঙ্গে থাকা বা বহু পরীক্ষার পরও সঠিক কারণ না পাওয়াগর্ভাবস্থায় রক্তে শর্করা বেড়ে যাওয়া বা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি থাকাজরুরি অবস্থায়—যেমন হঠাৎ স্ট্রোকের লক্ষণ, তীব্র শ্বাসকষ্ট, বুকে তীব্র ব্যথা, অজ্ঞান হয়ে যাওয়া বা খিঁচুনি—দ্রুত নিকটস্থ হাসপাতালের ইমার্জেন্সি সেবা নিন।কেন ডাঃ আহমেদ মাসিহা জামিল অরূপ-কে দেখাবেন?রাজশাহীতে মেডিসিন ও ডায়াবেটিসের চিকিৎসার জন্য ডাঃ আহমেদ মাসিহা জামিল অরূপ-কে বেছে নেওয়ার কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কারণ রয়েছে:প্রায় ১৮ বছরের চিকিৎসা অভিজ্ঞতা: দীর্ঘদিনের হাসপাতালভিত্তিক অভিজ্ঞতা তাঁকে বিভিন্ন জটিল রোগীর চিকিৎসায় দক্ষ করে তুলেছে।উচ্চতর শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ: তিনি এমডি (ইন্টারনাল মেডিসিন), সিসিডি (বারডেম) এবং এফএসিপি (আমেরিকা) ডিগ্রিধারী।সরকারি হাসপাতালের অভিজ্ঞতা: তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে সহকারী অধ্যাপক।ডায়াবেটিসে বিশেষজ্ঞতা: টাইপ ১ ও টাইপ ২ ডায়াবেটিস, গর্ভকালীন ডায়াবেটিস, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ও ডায়াবেটিক জটিলতার চিকিৎসায় অভিজ্ঞ।বহুমুখী চিকিৎসা সেবা: থাইরয়েড, উচ্চ রক্তচাপ, হাঁপানি, জ্বর, হজমের সমস্যা ও সংক্রমণের চিকিৎসায় অভিজ্ঞ।রোগীবান্ধব পরামর্শ: রোগের কারণ, পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা, ওষুধ ব্যবহার এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন সহজভাবে বোঝান।রাজশাহীতে সহজলভ্য চেম্বার: দি ইউনাইটেড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নিয়মিত রোগী দেখেন।চেম্বারের তথ্যচেম্বার: দি ইউনাইটেড ডায়াগনস্টিক সেন্টারঠিকানা: শেরশাহ রোড, লক্ষ্মীপুর মোড় থেকে ১৫০ গজ পশ্চিমে, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী।দেখার সময়: দুপুর ২:৩০টা থেকে রাত ১০টাচেম্বারে যাওয়ার আগে সিরিয়াল বা অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিশ্চিত করে নিন।সচরাচর জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন১. ডাঃ আহমেদ মাসিহা জামিল অরূপ কোন বিষয়ের বিশেষজ্ঞ?তিনি মেডিসিন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ। তিনি ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, উচ্চ রক্তচাপ, হাঁপানি, জ্বর, হজমের সমস্যা ও সংক্রমণের চিকিৎসা দিয়ে থাকেন।২. ডাঃ আহমেদ মাসিহা জামিল অরূপের কত বছরের অভিজ্ঞতা রয়েছে?তাঁর প্রায় ২৮ বছরের চিকিৎসা অভিজ্ঞতা রয়েছে। তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মেডিসিন বিভাগে সহকারী অধ্যাপক।৩. গর্ভকালীন ডায়াবেটিস কী এবং কেন গুরুত্বপূর্ণ?গর্ভকালীন ডায়াবেটিস হলো গর্ভাবস্থায় রক্তে শর্করা বেড়ে যাওয়া। এটি মা ও শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকি তৈরি করতে পারে। তাই নিয়মিত রক্তে শর্করা পরীক্ষা ও ডাক্তারের পরামর্শ জরুরি।৪. থাইরয়েডের সমস্যা কখন ডাক্তার দেখাব?ওজন বৃদ্ধি বা কমে যাওয়া, ঘাড় ফুলে যাওয়া, অস্থিরতা, অতিরিক্ত ক্লান্তি, চুল পড়া বা মাসিক অনিয়ম থাকলে থাইরয়েড পরীক্ষা ও পরামর্শের জন্য ডাক্তারকে দেখান।৫. ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কী?ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স হলো শরীরে ইনসুলিন ঠিকমতো কাজ না করা। এতে রক্তে শর্করা বেড়ে যেতে পারে এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিস ও ওজন বৃদ্ধির ঝুঁকি বাড়ে।৬. হার্ট অ্যাটাকের পর কি নিয়মিত ফলোআপ দরকার?হ্যাঁ। হার্ট অ্যাটাকের পর ওষুধ, রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ, খাবার এবং জীবনযাত্রার পরিবর্তন খুবই জরুরি। নিয়মিত ফলোআপে পুনরায় হার্ট অ্যাটাক ও জটিলতার ঝুঁকি কমানো সম্ভব।৭. দীর্ঘদিন জ্বর থাকলে কী করব?৭ দিনের বেশি জ্বর থাকলে বা বারবার জ্বর ফিরে আসলে দেরি না করে মেডিসিন বিশেষজ্ঞের কাছে যান। টাইফয়েড, ডেঙ্গু, চিকুনগুনিয়া, টিবি বা অন্য সংক্রমণের কারণ নির্ণয়ের জন্য পরীক্ষা প্রয়োজন হতে পারে।৮. ডাঃ আহমেদ মাসিহা জামিল অরূপের চেম্বার কোথায়?তাঁর চেম্বার দি ইউনাইটেড ডায়াগনস্টিক সেন্টার, শেরশাহ রোড, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহী।৯. চেম্বারে দেখার সময় কী?তিনি দুপুর ২:৩০টা থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত রোগী দেখেন।শেষ কথারাজশাহীতে অভিজ্ঞ মেডিসিন বিশেষজ্ঞ রাজশাহী ও মেডিসিন ও ডায়াবেটিস বিশেষজ্ঞ ডাক্তার রাজশাহী খুঁজছেন তাহলে ডাঃ আহমেদ মাসিহা জামিল অরূপ একজন নির্ভরযোগ্য পছন্দ হতে পারেন। তাঁর প্রায় ১৮ বছরের অভিজ্ঞতা, উচ্চতর যোগ্যতা এবং ডায়াবেটিসে বিশেষজ্ঞতা রোগীদের জন্য আশ্বস্ত ও পরিকল্পিত চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করে।রাজশাহীতে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন Doctor Service BD এর মাধ্যমে।হটলাইন নম্বরঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪

22 Apr,2025

blog-image Uncategorized

পিরিয়ড চলাকালীন যেসকল নিয়ম মেনে চলতে হবে

পিরিয়ড (মাসিক) চলাকালীন সময়ে যা মেনে চলা অতীব জরুরী। ১. পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে ঠান্ডা পানি,বা  কোমল পানীয় এবং নারিকেল একদম খাবেন না।২. এসময় মাথায় শ্যাম্পু ব্যাবহার করবেন না। কারণ পিরিয়ডের সময় চুলের গোড়া আলগা হয় ফলে লোমকূপ উন্মুক্ত হয়ে পড়ে। শ্যাম্পু ব্যাবহার এসময় অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এবং দীর্ঘস্থায়ী মাথাব্যথার কারণ হতে পারে।৩. এসময় শশা খাবেন না। কারণ শশার মধ্যে থাকা রস পিরিয়ডের রক্তকে জরায়ু প্রাচীরে আটকে দিতে পারে। যার ফলে আপনার বন্ধ্যা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।রাজশাহীর সেরা স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর সাথে পরামর্শ করার জন্য তাদের সাথে সিরিয়াল দিতে আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন ০১৭২৩০২৫৫১৪ এই নাম্বারে।৪. এছাড়াও লক্ষ্য রাখবেন, পিরিয়ডের সময় যেন শরীরে শক্ত কিছুর আঘাত না লাগে, বিশেষত পেটে। পিরিয়ডের সময়টায় জরায়ু খুব নাজুক থাকে ফলে অল্প আঘাতেই মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হতে পারে। যার ফলে পরবর্তীতে জরায়ু ক্যান্সার, জরায়ুতে ঘাঁ কিংবা বন্ধ্যাত্যের ঝুঁকি থাকে।৫. গবেষণায় দেখা গিয়েছে, পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে ঠান্ডা পানি পান করার ফলে পিরিয়ডের রক্ত বের না হয়ে জরায়ু প্রাচীরে জমাট বাঁধতে পারে। যা পরবর্তী ৫ থেকে ১০ বছরের মধ্যে জরায়ু টিউমার বা ক্যান্সারের আকার ধারণ করতে পারে।

22 Apr,2025

blog-image Uncategorized

ত্বক, অ্যালার্জি, কুষ্ঠ, চুল ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ

ত্বক, অ্যালার্জি, কুষ্ঠ, চুল ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞরাজশাহীতে নিয়মিত রোগী দেখছেন,ডাঃ মোঃ আজরফ হোসেন খানএমবিবিএস, এমসিপিএস, ডিডিভি (ডিইউ)চর্মরোগ বিশেষজ্ঞসহযোগী অধ্যাপক ও প্রধান, চর্মরোগরাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালচেম্বার: শাপলা ডায়াগনস্টিক কমপ্লেক্স, রাজশাহীডা. মুহা. আলমগীর রেজাএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য),ডিডিভি (চর্ম ও যৌন রোগ),এমএসিপি (আমেরিকা)ফেলো ইন ডার্মাটো সার্জারীএ্যাডভান্স ট্রেনিং ইন সেক্সুয়াল মেডিসিন ( SAASM)মেম্বার সোরিয়াসিস এওয়ারনেস ক্লাবচর্ম ও যৌন বিভাগরাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালচেম্বার : রাজশাহী জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারডাঃ শাহনাজ সুলতানা (বিথি)এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমসিপিএস, এফসিপিএস (ত্বক ও ভিডি)ত্বক ভিডি বিশেষজ্ঞত্বক বিশেষজ্ঞপরামর্শদাতা (নান্দনিক ও ক্লাইমিক্যাল ডার্মাটোলজি), ত্বক ও ভিডিরাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালচেম্বার : পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড (ভবন-১) রাজশাহীডাক্তারের পরামর্শ ও সিরিয়াল পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের☎হটলাইন নম্বরে-- ০১৭২৩-০২৫৫১৪

22 Apr,2025

Uncategorized

হার্ট ভালো রাখার উপায়

হার্ট ভালো রাখার উপায়বর্তমান সময়ে হৃদরোগের ঝুকি দিন দিন বেড়েই চলেছে আর সেই সঙ্গে বাড়ছে হার্টের রোগ। আগে থেকেই সতর্ক না হলে হতে পারে জীবন ঝুকির কারন।আজকে হার্ট ভালো রাখার উপায় সম্পর্কে জানাচ্ছেন,  দেখুন আমাদের ফেসবুক পেজ Doctor Service BD তেহৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, বাতজ্বর ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞডাঃ এ.এস.এম. সায়েমএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) ডি-কার্ড (এনআইসিভিডি)কার্ডিওলজি বিশেষজ্ঞকনসালট্যান্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।চেম্বার: মেডিল্যাব ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার, লক্ষ্মীপুর রাজশাহীডাক্তারের পরামর্শ ও সিরিয়াল পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের হট লাইন নম্বরে-- 01723025514

21 Apr,2025

blog-image Uncategorized

উচ্চ রক্তচাপ কি - উচ্চ রক্তচাপ এর লক্ষণ

উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেসার যথাসময়ে নির্ণয় ও চিকিৎসা না করলে, হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোকের মত মারাত্মক স্বাস্থ্য সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।আক্রান্ত রোগীর সাধারনত যে সমস্ত লক্ষণ দেখা যায়-* মাথার পিছন দিকে তীব্র ব্যথা হয় এবং সকালের দিকে ব্যথার তীব্রতা বেশি থাকে। * অনিদ্রা, বুকে চাপ বোধ, বুক দরফর করে এবং চোখে ঝাপসা দেখা দেয়। * বুকের মাঝখানের হাড়ের মধ্যে কাঁটা ফোঁটার মত ব্যথা দেখ। * অনেক রোগীর অনিদ্রা দেখা দেয় এবং একাকি ঘুমাতে ভয় পায়। * বুকের ব্যথা কাঁধ থেকে পশেরুকার নিচ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়। মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর  পরামর্শঃ * ভাজা-পোড়া, তেল-ঝাল-মসলা ও চর্বিযুক্ত খাবার খাওয়া যাবে না। * নরম ও তরল খাবার বেশি বেশি খেতে হবে। * প্রচুর পরিমান আঁশযুক্ত খাবার খেতে হবে। * দুঃচিন্তা পরিহার করতে হবে। * নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। লক্ষন প্রকাশ পেলে দেরি না করে বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিন। রাজশাহীর সেরা মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সিরিয়াল দিতে আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন।ডা: মো: মাহিদুল আলমএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য),এমএসিপি (আমেরিকা),এফসিপিএস (মেডিসিন)মেডিসিন বিশেষজ্ঞসহকারী অধ্যাপকরাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহীডাক্তারের পরামর্শ ও সিরিয়াল পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের ☎হটলাইন নম্বরে-- ০১৭২৩০২৫৫১৪

21 Apr,2025

blog-image Uncategorized

স্থায়ী চুলকানি হওয়ার কারণ

স্থায়ী চুলকানি হওয়ার কারণসারা শরীরে চুলকানি অনুভব করা। মাঝে মাঝে চুলকানি স্বাভাবিক হলেও, ক্রমাগত বা তীব্র চুলকানি একটি অন্তর্নিহিত সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে। উদাহরণস্বরূপ, গর্ভবতী মহিলারা প্রায়শই হরমোনের পরিবর্তন এবং ত্বকের টানটানতার কারণে চুলকানি অনুভব করেন, তবে যদি এটি রাতে তীব্র হয়, তাহলে ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়।স্থায়ী চুলকানির অন্যান্য সম্ভাব্য কারণ:✅ত্বকের অবস্থা: শুষ্ক ত্বক, একজিমা, সোরিয়াসিস, পোকামাকড়ের কামড়, আমবাত।রাজশাহীর সেরা চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তার এর সাথে পরামর্শ করুন।✅আভ্যন্তরীণ অবস্থা: লিভার বা কিডনি রোগ, রক্তাল্পতা, ডায়াবেটিস, থাইরয়েড রোগ এবং এমনকি কিছু ক্যান্সার।✅স্নায়ু-সম্পর্কিত সমস্যা: মাল্টিপল স্ক্লেরোসিস, শিংগলস, অথবা চিমটি করা স্নায়ু।✅অ্যালার্জির প্রতিক্রিয়া: উল, রাসায়নিক, সাবান, অথবা নির্দিষ্ট ওষুধ।ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করার জন্য তাদের সিরিয়াল দিতে আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন ০১৭২৩০২৫৫১৪ এই নাম্বারে।

21 Apr,2025

blog-image Uncategorized

নোভা ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর বিশেষজ্ঞ ডাক্তার

নোভা ডায়াগনস্টিক সেন্টার – বিশ্বস্ত রোগ নির্ণয়ের আধুনিক ঠিকানাস্বাস্থ্যই সম্পদ—এই বিশ্বাসকে সামনে রেখে নোভা ডায়াগনস্টিক সেন্টার শুরু থেকে নির্ভরযোগ্য ও সঠিক রোগ নির্ণয়ের মাধ্যমে সেবাদান করে আসছে। আধুনিক যন্ত্রপাতি, অভিজ্ঞ টেকনিশিয়ান এবং প্রশিক্ষিত প্যাথলজিস্ট দ্বারা পরিচালিত এই সেন্টারটি নানা ধরনের প্যাথলজিকাল ও ডায়াগনস্টিক টেস্টের সুব্যবস্থা রেখেছে।এখানে যেসব টেস্ট করা হয়ঃ১. ব্লাড টেস্ট সমূহ:CBC (Complete Blood Count)ESR (Erythrocyte Sedimentation Rate)Blood Sugar (Fasting/PP/RBS)HbA1c (Diabetes Control Test)Blood Grouping & Rh TypingLipid Profile (Cholesterol, Triglycerides ইত্যাদি)Liver Function Test (LFT)Kidney Function Test (KFT)Serum ElectrolytesThyroid Function Test (T3, T4, TSH)২. ইউরিন ও স্টুল টেস্ট:Urine R/M/EUrine CultureStool R/M/EStool Occult Blood৩. হরমোন ও স্পেশাল টেস্ট:HCG (Pregnancy Test)ProlactinTestosteroneInsulinVitamin D & B12PSA (Prostate Specific Antigen)CA-125, CA-19.9, CEA (Cancer Markers)৪. ইনফেকশন ও ভাইরাল মার্কার টেস্ট:Dengue NS1, IgM, IgGMalariaTyphoid (Widal, Typhi Dot)Hepatitis B, CHIVCOVID-19 (RT-PCR & Antigen)৫. সেরোলজিকাল ও ইমিউনোলজি টেস্ট:RA TestCRPANAASO TiterVDRL৬. অন্যান্য টেস্ট ও সুবিধাসমূহ:ECG (Electrocardiogram)X-RayUltrasonography (USG)EchocardiographyEndoscopy (যদি প্রযোজ্য হয়)Routine Health Checkup Packagesনোভা  ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর বিশেষজ্ঞ ডাক্তারলিভার ও পরিপাকতন্ত্র বিশেষজ্ঞডা: মনজুরুল চৌধুরীএমবিবিএস(ঢাকা), বিসিএস,এফসিপিএস(মেডিসিন)এমডি(গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজী)সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান গ্যাস্ট্রো এন্টারোলজী বিভাগরাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ,রাজশাহী।নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞসহঃ অধ্যাঃ ডাঃ মোঃ জাহিদুল ইসলামএমবিবিএস, (এমএসএমপি),বিসিএস (স্বাস্থ্য),সিসিডি (বারডেম) এমডি (নিউরোলজি)-বিএসএমএমইউ,উচ্চতর প্রশিক্ষণ: ইইজি (দ.আফ্রিকা) এনসিএস-ইএমজি, স্ট্রোক (আমেরিকা)সহকারী অধ্যাপক (নিউরোলজি)রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল প্রসূতি, স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ 👩‍⚕️ডাঃ নাসরিন বেগম ডটি এমবিবিএস, ডিজিও (গাইনি ও প্রসূতি)প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞসহকারী অধ্যাপক, গাইনিইসলামী ব্যাংক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালমেডিসিন এবং হৃদরোগ বিশেষজ্ঞডাঃ এস.এম সানজিদুল ইসলাম সিদ্দিকী (সবুজ)এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (মেডিসিন)ডি-কার্ড (বিএসএমএমইউ), এমসিপিএস (মেডিসিন) (মেডিসিন)মেডিসিন এবং হৃদরোগ বিশেষজ্ঞডায়াবেটিকস এবং রিউমেটালোজি উচ্চতর প্রশিক্ষণপ্রাপ্তরাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালপ্রসূতি, স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন👩‍⚕️ডাঃ মঞ্জিলা মাফরুহা খানম (কুইন)এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য),এফসিপিএস (গাইনী এন্ড অবস্)প্রসূতি, স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জনরাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালডাক্তারের পরামর্শ ও সিরিয়াল পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের☎হটলাইন নম্বরে-- ০১৭২৩-০২৫৫১৪

20 Apr,2025

blog-image Uncategorized

জেনারেল, কোলোরেক্টাল এবং ল্যাপারোস্কোপিক বিশেষজ্ঞ সার্জন

জেনারেল, কোলোরেক্টাল এবং ল্যাপারোস্কোপিক বিশেষজ্ঞ সার্জন👨‍⚕️ডা: মো: সফি উল্লাহএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস(সার্জারী)ফেলো মিনিমাল এক্সেস সার্জন অফ ইন্ডিয়াজেনারেল ও ল্যাপারস্কপিক সার্জনসহকারী অধ্যাপক (সার্জারী)রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহীচেম্বার: দি অ্যাপোলো হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারডাঃ মোঃ আশরাফুল আলমএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (সার্জারি), জেনারেল ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জনজেনারেল সার্জারি বিশেষজ্ঞসহকারী অধ্যাপক (সার্জারি)রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।চেম্বার: মেডিল্যাব ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহীডাঃ মোঃ জালাল উদ্দিনএমবিবিএস, এফসিপিএস (সার্জারি), পিএইচডি (ফেলো)জেনারেল সার্জারি বিশেষজ্ঞকনসালটেন্ট (সার্জারি)রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।চেম্বার: মেডিল্যাব ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার, লক্ষ্মীপুর, রাজশাহীডাক্তারের পরামর্ম ও সিরিয়াল পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের ☎হটলাইন নম্বরে-- ০১৭২৩-০২৫৫১৪

20 Apr,2025

Emergency Contact

Emergency Call +880 1723-025514

Emergency E-mail

24/7 Email Support [email protected]

- OR -