blog-image Uncategorized

মেডিসিন ও নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

মেডিসিন ও নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞডাঃ মোঃ ফজলুল কবির ভূঁইয়াএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), সিসিডি (বার্ডেম) এমপিএইচ, এমডি (নিউরো মেডিসিন) এমফিল (আইবিএসসি)মেডিসিন ও নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞপরামর্শদাতা (নিউরো মেডিসিন)রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালমেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাঃ মোঃ মজিবুল হক (সবুজ) এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) এমডি (ইন্টারনাল মেডিসিন) বিএসএমএমইউ মেডিসিন ও ডায়াবেটিস রোগ বিশেষজ্ঞবিএমডিসি রেজিঃ নং: এ-৫৭৪৮০ ডাঃ শাহ্ মোঃ রওশন কবির চৌধুরী এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) ,এফসিপিএস (মেডিসিন) এমএসিপি (আমেরিকা) মেডিসিন বিশেষজ্ঞরাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালডাক্তারের পরামর্শ ও সিরিয়াল পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের ☎হটলাইন নম্বরে-- ০১৭২৩-০২৫৫১৪

15 Apr,2025

blog-image Uncategorized

ডাঃ মোঃ ফজলুল কবীর ভুঁইয়া

মেডিসিন ও নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞডাঃ মোঃ ফজলুল কবীর ভুঁইয়াএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), সিসিডি (বার্ডেম) এমপিএইচ, এমডি (নিউরো মেডিসিন) এমফিল (আইবিএসসি)মেডিসিন ও নিউরো মেডিসিন বিশেষজ্ঞকন্সালটেন্ট (নিউরো মেডিসিন)রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালনিয়মিত রোগী দেখছেন ও সেবা দিচ্ছেন ও যেসব চিকিৎসা দিয়ে থাকেনঃ✳স্ট্রোক, মাথাব্যথা, ✳পিঠে ব্যথা, পেশী ব্যথা, ঘাড় ব্যথা, ✳মেরুদণ্ডের ব্যথা, ✳মাথা ঘোরা, মৃগীরোগ, ✳উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ডিমেনশিয়া, ✳পক্ষাঘাত, পার্কিনসন রোগ, ✳আলঝাইমার রোগ, পেরিফেরাল নিউরোপ্যাথি ইত্যাদিচেম্বার-১ঃমেডিপ্যাথ ডক্টরস চেম্বারসময়: শনি, রবি, সোম, বৃহস্পতিবার বিকাল ৪টা থেকে রাত ৮টা (মঙ্গল, বুধ ও শুক্রবার বন্ধ)চেম্বার-২ঃল্যাবাইড ডায়াগনস্টিক রাজশাহীসময়: শনি, রবি, সোম, বৃহস্পতিবার বিকাল ২টা থেকে ৪টা (মঙ্গল, বুধ ও শুক্রবার বন্ধ)ডাক্তারের পরামর্শ ও সিরিয়াল পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের ☎হটলাইন নম্বরে-- ০১৭২৩-০২৫৫১৪

15 Apr,2025

blog-image Uncategorized

হাত ও পায়ের চামড়া ওঠা রোগ নাকি অন্য কিছু?

হাত ও পায়ের চামড়া ওঠা রোগ নাকি অন্য কিছু?আপনিও কি হাত-পায়ের চামড়া উঠে যাওয়ায় বিরক্ত বোধ করছেন?হাত ও পায়ের চামড়া উঠার কারন ও প্রতিকারঃএই সময়ে অনেকের হাতের চামড়া ওঠে। একই সঙ্গে হাত বেশ খসখসে হয়ে যায়। হাত ও পায়ের চামড়া ওঠাকে চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় কেরাটোলাইসিস এক্সফোলিয়াটিচা বলা হয়। হাত ও পায়ের চামড়া ওঠার প্রথম কারণটি হচ্ছে জিনগত বা বংশগত। এর বাইরে পুষ্টিহীনতা ও ত্বকের পরিচর্যায় অবহেলা থেকেও চামড়া ওঠে। এই সময়ে বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ কম থাকে। এই আর্দ্রতার অভাবে চামড়া শুষ্ক হয়ে যায়। অনেকের আবার হাতের সঙ্গে পায়ের চামড়াও উঠতে দেখা যায়। হঠাৎ করে হাত-পা জুড়ে এভাবে চামড়া উঠতে থাকে তাহলে বাইরের সবার সামনেও অপ্রস্তুত হতে হয়।হাত-পায়ের চামড়া যাতে না উঠে সে ব্যাপারে কিছু ব্যবস্থা নিতে পারেন। যেমন-গোসলের আগে প্রতিদিন হাতে ভালোভাবে অলিভ অয়েল লাগানঅর্ধেক কাপ কাঁচা দুধ ও সম পরিমাণ‌ গরম পানি এক সঙ্গে মিশিয়ে নিন। এবার তুলা দিয়ে ভিজিয়ে ভালো করে হাতের চামড়া ওঠা অংশগুলিতে লাগিয়ে নিন। এতে ত্বক বেশ নরম থাকবে। নিয়মিত এটি করলে কিছুদিনের মধ্যে ভালো ফল পাবেন।গোলাপ জল, লেবুর রস ও কাঁচা দুধ, এই তিনটি উপাদান এক সঙ্গে ভাল করে মিশিয়ে নিন। এবার হাতের নির্দিষ্ট অংশে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে যাওয়ার পর হাত ধুয়ে নিন। দিনের মধ্যে দুবার এটি করলে হাত-পায়ের চামড়া ওঠার সমস্যা কমবে।বিভিন্ন ধরনের স্বাস্থ্য টিপস পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। রাজশাহীর সকল বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করতে আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন ০১৭২৩০২৫৫১৪ এই নাম্বারে।

14 Apr,2025

blog-image Uncategorized

ডাঃ মোঃ আসাদুল ইসলাম

আপনি কি বাত ব্যথায় ভুগছেন??রাজশাহীতে নিয়মিত রোগী দেখছেন,রিউমাটোলজি (রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, গেঁটে বাত, লুপাস, ব্যথা) বিশেষজ্ঞডাঃ মোঃ আসাদুল ইসলামএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (রিউমাটোলজি), ইসিআরডিরিউমাটোলজি (রিউমাটয়েড আর্থ্রাইটিস, গেঁটে বাত, লুপাস, ব্যথা) বিশেষজ্ঞ কনসালটেন্ট, রিউমাটোলজিরাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালচেম্বার : পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার লিমিটেড,  রাজশাহীডাক্তারের পরামর্ম ও সিরিয়াল পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের হটলাইন নম্বরে-- ০১৭২৩-০২৫৫১৪

14 Apr,2025

blog-image Uncategorized

দি অ্যাপোলো হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর বিশেষজ্ঞ ডাক্তার

দি অ্যাপোলো হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টার এর বিশেষজ্ঞ ডাক্তারমস্তিষ্ক, স্ট্রোক, স্নায়ু, মেডিসিন ও নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞডাঃ মোঃ আমজাদ হোসেন প্রামাণিকএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এমডি (নিউরোমেডিসিন)নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞসহকারী অধ্যাপক, (নিউরোমেডিসিন)রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালজেনারেল ও ল্যাপারস্কপিক সার্জনডা: মো: সফি উল্লাহএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস(সার্জারী)ফেলো মিনিমাল এক্সেস সার্জন অফ ইন্ডিয়াজেনারেল ও ল্যাপারস্কপিক সার্জনসহকারী অধ্যাপক (সার্জারী)রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, রাজশাহীনাক, ​​কান, গলা বিশেষজ্ঞ এবং মাথার ঘাড় সার্জনডাঃ সুব্রত রঞ্জন সরকারএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), ডিএলও (ইএনটি)ইএনটি - কান, নাক, গলা বিশেষজ্ঞইএনটি বিশেষজ্ঞ এবং মাথার ঘাড় সার্জনরাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালস্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞডাঃ মৌসুমী সরকারএমবিবিএস, এমএস (প্রসূতি স্ত্রীরোগ)স্ত্রীরোগ ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞরাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালডাক্তারের পরামর্ম ও সিরিয়াল পেতে যোগাযোগ করুন আমাদের হটলাইন নম্বরে--০১৭২৩-০২৫৫১৪

14 Apr,2025

blog-image Uncategorized

করোনারি হার্ট ডিজিজ

করোনারি হার্ট ডিজিজকরোনারি হার্ট ডিজিজ রোগীর এমন অবস্থাকে বোঝায় যেখানে করোনারি ধমনীর হৃৎপিণ্ডে অক্সিজেন সমৃদ্ধ রক্ত ​​বহন বাধাগ্রস্ত হয়লক্ষণঃবুকে ব্যথাশ্বাসকষ্টঘামদুর্বলতামাথা ঘোরাবমি বমি ভাবদ্রুত হৃদস্পন্দনবুক ধড়ফড়ঝুঁকির কারণঃউচ্চ রক্তচাপউচ্চ কলেস্টেরলধূমপানডায়াবেটিস আসীন জীবনধারাশারীরিক অক্ষমতাঅতিরিক্ত ত্তজনহৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, বাতজ্বর ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞডাঃ এ.এস.এম. সায়েমএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) ডি-কার্ড (এনআইসিভিডি)কার্ডিওলজি বিশেষজ্ঞকনসালট্যান্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।চেম্বার: মেডিল্যাব ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টার, লক্ষ্মীপুর রাজশাহীডাক্তারের পরামর্শ ও সিরিয়াল পেতে যোগাযোগ করুন আমাদেরহট লাইন নম্বরে-- 01723-025514

13 Apr,2025

blog-image Uncategorized

ডাঃ শাহ্ মোঃ রওশন কবির চৌধুরী

মেডিসিন বিশেষজ্ঞডাঃ শাহ্ মোঃ রওশন কবির চৌধুরীএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)এফসিপিএস (মেডিসিন)এমএসিপি (আমেরিকা)মেডিসিন বিশেষজ্ঞরাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালডাঃ শাহ মোঃ রওশন কবির চৌধুরী রাজশাহী বিভাগের একজন মেডিসিন বিশেষজ্ঞ ডাক্তার। তিনি এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (মেডিসিন), এমসিপিএ (আমেরিকা) ডিগ্রি অর্জন করেছেন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে তার পদমর্যাদা মেডিসিন বিশেষজ্ঞ। তিনি বাংলাদেশ মেডিকেল ও ডেন্টাল কাউন্সিলের নিবন্ধিত ডাক্তার। তিনি নিয়মিত তার রোগীদের পরামর্শ দেন। পরামর্শের সময় বিকাল ৪টা থেকে রাত ১০টা (শুক্রবার ছাড়া প্রতিদিন)।চেম্বার : দি পাল্স ডায়াগনস্টিক সেন্টারডাক্তারের পরামর্ম ও সিরিয়াল পেতে যোগাযোগ করুন আমাদেরহটলাইন নম্বরে-- ০১৭২৩-০২৫৫১৪

13 Apr,2025

blog-image Uncategorized

ডাঃ মোঃ এম. এ. হাসনাইন (রুমী)

ডাঃ মোঃ এম. এ. হাসনাইন (রুমী) – রাজশাহীর অন্যতম সেরা হৃদরোগ বিশেষজ্ঞডাঃ মোঃ এম. এ. হাসনাইন (রুমী) রাজশাহীর একজন খ্যাতনামা ও অভিজ্ঞ হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, যিনি দীর্ঘদিন ধরে রোগীদের হৃদরোগ সংক্রান্ত সমস্যার আধুনিক ও কার্যকর চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি অর্জনের পর বিসিএস (স্বাস্থ্য) পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন। পরবর্তীতে তিনি জাতীয় হৃদরোগ ইনস্টিটিউট ও হাসপাতাল (NICVD), ঢাকা থেকে এমডি-কার্ডিওলজি ডিগ্রি অর্জন করেন।বর্তমানে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালে একজন দক্ষ ক্লিনিক্যাল এবং ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিস্ট হিসেবে নিয়োজিত আছেন। হার্টের বিভিন্ন জটিল রোগ যেমন উচ্চ রক্তচাপ, করোনারি আর্টারি ডিজিজ, হার্ট ফেইলিউর, রিদম ডিজঅর্ডার ইত্যাদির চিকিৎসায় তিনি পারদর্শী। রোগীদের হৃদয়ের সুস্থতা নিশ্চিত করতে তিনি সর্বদা সর্বাধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি ও প্রযুক্তির ব্যবহার করে থাকেন।ডাঃ হাসনাইন রোগীদের প্রতি আন্তরিকতা, পেশাদারিত্ব এবং যত্নশীল ব্যবহারের জন্য ব্যাপক প্রশংসিত। তিনি নিয়মিতভাবে রাজশাহীর ল্যাবএইড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগীদের চিকিৎসা সেবা দিয়ে থাকেন। প্রতিদিন (মঙ্গলবার ও শুক্রবার ব্যতীত) দুপুর ২:৩০ থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত রোগীরা তার কাছ থেকে পরামর্শ নিতে পারেন।যেসব রোগের চিকিৎসা দিয়ে থাকেনঃকরোনারি আর্টারি ডিজিজ (CAD)হার্ট অ্যাটাক (Myocardial Infarction)অ্যাঞ্জাইনা (Angina Pectoris)হার্ট ফেইলিওর (Heart Failure)কার্ডিওমায়োপ্যাথি: হৃদপেশীর দুর্বলতা বা অস্বাভাবিকতা।ভালভের রোগ (Valvular Heart Disease)রক্তচাপ ও রক্তনালী সম্পর্কিত রোগহাইপারটেনশন (উচ্চ রক্তচাপ)হাইপোটেনশন (নিম্ন রক্তচাপ)অ্যাথেরোস্ক্লেরোসিস: ধমনীর দেয়ালে চর্বি জমে সংকীর্ণ হওয়া।অর্টিক অ্যানিউরিজম বা ডিসেকশন (Aorta ফেটে যাওয়ার ঝুঁকি)।হৃদস্পন্দন বা রিদমজনিত সমস্যাঅ্যারিদমিয়া (Arrhythmia)টাকিকার্ডিয়া: অস্বাভাবিক দ্রুত হার্টবিট।ব্রাডিকার্ডিয়া: অস্বাভাবিক ধীর হার্টবিট।হৃদকম্পন বা পালপিটেশন।জন্মগত ও অন্যান্য হৃদরোগজন্মগত হৃদরোগ (Congenital Heart Disease)।রিউম্যাটিক হার্ট ডিজিজ।তার আন্তরিক সেবা এবং উচ্চ মানের চিকিৎসা পদ্ধতির মাধ্যমে ডাঃ মোঃ এম. এ. হাসনাইন (রুমী) রাজশাহীতে হৃদরোগ চিকিৎসার অন্যতম নির্ভরযোগ্য নাম হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়ে উঠেছে।ডাক্তারের পরামর্শ ও সিরিয়াল পেতে যোগাযোগ করুনঃ০১৭২৩-০২৫৫১৪

12 Apr,2025

blog-image Uncategorized

ডাঃ মোঃ আহসানুজ্জামান পিংকু – রাজশাহীর সেরা অর্থোপেডিক সার্জন

ডাঃ মোঃ আহসানুজ্জামান পিংকু – রাজশাহীর সেরা অর্থোপেডিক সার্জনডাঃ মোঃ আহসানুজ্জামান পিংকু রাজশাহী বিভাগের অন্যতম সেরা এবং বিশ্বস্ত অর্থোপেডিক বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে সুপরিচিত। তিনি এমবিবিএস ও ডি-অর্থো ডিগ্রি অর্জনের মাধ্যমে অর্থোপেডিক চিকিৎসা ক্ষেত্রে তার গভীর জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা প্রমাণ করেছেন। তিনি একজন বাংলাদেশ মেডিকেল অ্যান্ড ডেন্টাল কাউন্সিল (BMDC)-এর স্বীকৃত সার্জন, যার রেজিস্ট্রেশন নম্বর A-45461।বর্তমানে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের অর্থোপেডিক সার্জারি বিভাগের পরামর্শদাতা (Consultant) হিসেবে কর্মরত। চিকিৎসা শিক্ষাদান ও জটিল হাড়ের সমস্যা সমাধানে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাচ্ছেন। বিশেষ করে হিপ, হাঁটু, কাঁধ ও হাতের জয়েন্ট এবং ট্রমা ইনজুরি বিষয়ক চিকিৎসায় তার দক্ষতা অসাধারণ। এছাড়াও তিনি অর্থোপেডিক আঘাত প্রতিরোধ এবং ব্যথা নিরসনের ক্ষেত্রেও সুনাম অর্জন করেছেন।রোগীদের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ আচরণ, সহজবোধ্য ব্যাখ্যা এবং উন্নত চিকিৎসা পরিকল্পনার কারণে ডাঃ আহসানুজ্জামান পিংকু রোগীদের কাছে অত্যন্ত প্রিয় একজন চিকিৎসক। তিনি নিয়মিত রাজশাহীর মেডিল্যাব ডায়াগনস্টিক অ্যান্ড কনসালটেশন সেন্টারে রোগীদের পরামর্শ প্রদান করে থাকেন। প্রতিদিন (শুক্রবার ছাড়া) দুপুর ২:৩০ থেকে রাত ১০টা পর্যন্ত রোগীরা তার সেবা নিতে পারেন।একজন মানবিক গুণে গুণান্বিত ও আধুনিক চিকিৎসাপদ্ধতিতে অভিজ্ঞ চিকিৎসক হিসেবে ডাঃ মোঃ আহসানুজ্জামান পিংকু রাজশাহীর অর্থোপেডিক চিকিৎসা ক্ষেত্রে এক নির্ভরযোগ্য নাম হয়ে উঠেছেন।

12 Apr,2025

blog-image Uncategorized

ডাঃ মোঃ আশরাফুল আলম

ডাঃ মোঃ আশরাফুল আলম – রাজশাহীর একজন অভিজ্ঞ জেনারেল ও ল্যাপারোস্কোপিক সার্জনডাঃ মোঃ আশরাফুল আলমএমবিবিএস, বিসিএস(স্বাস্থ্য), এফসিপিএস(সার্জারী)জেনারেল ও ল্যাপরোস্কোপিক সার্জনসহযোগী অধ্যাপক (সার্জারী বিভাগ)রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালচেম্বারঃমেডিল্যাব ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালস্টেশন সেন্টারডাক্তারের সিরিয়ালের জন্যঃ ০১৭২৩-০২৫৫১৪ডাঃ মোঃ আশরাফুল আলম রাজশাহী বিভাগের একজন সুপরিচিত ও অভিজ্ঞ জেনারেল এবং ল্যাপারোস্কোপিক সার্জন। তিনি এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য), এফসিপিএস (সার্জারি) ডিগ্রি অর্জন করে সার্জারি চিকিৎসা ক্ষেত্রে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। আধুনিক চিকিৎসা বিজ্ঞানের আলোকে তিনি জেনারেল সার্জারির পাশাপাশি ল্যাপারোস্কোপিক বা কী-হোল সার্জারিতেও দক্ষতা অর্জন করেছেন, যা রোগীদের জন্য কম কষ্টদায়ক এবং দ্রুত আরোগ্য লাভে সহায়ক।বর্তমানে তিনি রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের জেনারেল সার্জারি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত রয়েছেন। এখানে তিনি চিকিৎসা শিক্ষার্থীদের হাতে-কলমে শিক্ষা প্রদানের পাশাপাশি জটিল সার্জারিগুলোতেও সরাসরি অংশগ্রহণ করে থাকেন।চিকিৎসা সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে ডাঃ আশরাফুল আলম তার পেশাদারিত্ব, আন্তরিকতা এবং রোগীর প্রতি দায়িত্ববোধের জন্য প্রশংসিত। তিনি নিয়মিতভাবে রাজশাহীর দুটি সুপরিচিত স্বাস্থ্যসেবাকেন্দ্র—মেডিল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার এবং মডেল হাসপাতাল ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগীদের সেবা দিয়ে থাকেন। রোগীরা এখানে তার কাছ থেকে সঠিক পরামর্শ ও উন্নত চিকিৎসাসেবা লাভ করতে পারেন।একজন সার্জন হিসেবে তার অভিজ্ঞতা, জ্ঞান ও নিষ্ঠা রাজশাহীর স্বাস্থ্যসেবাকে আরও সমৃদ্ধ করেছে। যারা সাধারণ কিংবা জটিল সার্জারির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করছেন, তাদের জন্য ডাঃ মোঃ আশরাফুল আলম হতে পারেন একটি নির্ভরযোগ্য নাম।সিরিয়ালের জন্য আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন ০১৭২৩০২৫৫১৪ এই নাম্বারে।

10 Apr,2025

blog-image Uncategorized

চোখের এলার্জির লক্ষণ ও প্রতিকার

চোখের অ্যালার্জি: লক্ষণ, করণীয় ও চিকিৎসা পরামর্শচোখের অ্যালার্জি (Allergic Conjunctivitis) একটি সাধারণ কিন্তু অস্বস্তিকর অবস্থা, যা চোখে অস্বাভাবিক প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে। ধুলাবালি, পরাগ, ধোঁয়া, প্রসাধনী, পশুর লোম, কিংবা বাতাসে থাকা অ্যালার্জেনের সংস্পর্শে এ সমস্যা হতে পারে। এটি শিশু ও প্রাপ্তবয়স্ক উভয়ের মধ্যেই দেখা যায় এবং উপসর্গগুলো কখনো কখনো দৈনন্দিন জীবনে সমস্যা সৃষ্টি করে।চোখের অ্যালার্জির সাধারণ লক্ষণসমূহ চোখ চুলকানো: এটি চোখের অ্যালার্জির সবচেয়ে সাধারণ ও বিরক্তিকর উপসর্গ। চোখ লাল হয়ে যাওয়া: অ্যালার্জির কারণে চোখের রক্তনালী ফুলে গিয়ে লাল হয়ে যায়। চোখে পানি পড়া: অতিরিক্ত অশ্রু নিঃসরণ হয়, যা চোখে অতিরিক্ত আর্দ্রতা তৈরি করে। চোখে জ্বালাপোড়া: বিশেষ করে বাতাসে ধুলাবালি বা দূষণ থাকলে এই উপসর্গ বাড়ে। চোখে ফোলাভাব ও ভারী অনুভব: চোখের পাতায় ফোলা ও অস্বস্তি দেখা দেয়। ঝাপসা দেখা ও পিচুটি জমা: অ্যালার্জি বেশি হলে দৃষ্টিশক্তি সাময়িকভাবে ঝাপসা লাগে এবং পাতলা সাদাটে পিচুটি জমে। চোখের অ্যালার্জিতে করণীয় চোখে ঠান্ডা পানি দিয়ে ধোয়ার অভ্যাস করুন। অ্যালার্জেন (যেমন ধুলাবালি বা পশুর লোম) এড়িয়ে চলুন। নিজে ও অন্যের ব্যবহৃত তোয়ালে বা চোখে লাগার জিনিস ভাগাভাগি করবেন না। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া চোখে ওষুধ বা ড্রপ ব্যবহার করবেন না। বাইরের ধুলোবালি এড়িয়ে চলতে সানগ্লাস ব্যবহার করুন। রাজশাহীর সেরা চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিনচোখের অ্যালার্জি অবহেলা করলে দীর্ঘমেয়াদে সমস্যা বাড়তে পারে। সঠিক চিকিৎসার জন্য একজন অভিজ্ঞ চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রাজশাহীতে এমন কিছু চক্ষু বিশেষজ্ঞ রয়েছেন যাঁদের কাছ থেকে আপনি নির্ভরযোগ্য চিকিৎসা পেতে পারেন: ডা. তানজিলা আলম MBBS, DO (DU), FRSH (UK), Training (Singapore) প্রাক্তন অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান, চক্ষু বিভাগ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ডা. মো. সাইফুর রহমান MBBS, DO প্রাক্তন সহকারী অধ্যাপক, চক্ষু বিভাগ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ডা. মো. সাইফুল ইসলাম (সাত্তার) MBBS (RU), DO (EYE), MS (EYE, DU) সহকারী অধ্যাপক, চক্ষু বিভাগ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল ডা. মো. নুরুল ইসলাম MBBS, DO, FCPS সহযোগী অধ্যাপক ও প্রধান, চক্ষু বিভাগ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।চোখের অ্যালার্জি এমন একটি সমস্যা যা সময়মতো যত্ন না নিলে দীর্ঘমেয়াদি অসুবিধা তৈরি করতে পারে। তাই উপসর্গ দেখা দিলেই চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। আরও তথ্য ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক খুঁজতে ভিজিট করুন: doctorservicebd.com.

06 Apr,2025

blog-image Uncategorized

চোখ ওঠার লক্ষণ ও প্রতিকার

চোখ ওঠা কী?চোখ ওঠা বা কনজাংকটিভাইটিস একটি সাধারণ চোখের প্রদাহ, যা ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, অ্যালার্জি বা দূষণের কারণে হতে পারে। এটি সাধারণত সংক্রামক এবং এক চোখ থেকে অন্য চোখে অথবা একজন থেকে আরেকজনে ছড়াতে পারে।চোখ ওঠার প্রধান লক্ষণ চোখ লাল হয়ে যাওয়া চোখে চুলকানি বা জ্বালা অনুভব চোখ থেকে পানি পড়া বা পুঁজ নিঃসরণ সকালে চোখে পিচুটি জমে চোখ আটকে যাওয়া চোখে অস্বস্তি বা কিছু একটা আটকে আছে মনে হওয়া কখনো হালকা ব্যথা বা চোখের পাতায় ফুলে যাওয়া চোখ ওঠার প্রতিকার চোখে পরিষ্কার ও ঠান্ডা পানি দিয়ে বারবার ধুয়ে ফেলুন। পরিষ্কার হাত দিয়ে চোখ স্পর্শ করুন, নখ ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। আক্রান্ত ব্যক্তির তোয়ালে, বালিশ বা অন্যান্য জিনিস ব্যবহার করা থেকে বিরত থাকুন। ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কোনো ধরনের ড্রপ বা ওষুধ ব্যবহার করবেন না। যদি পুঁজ হয় বা ব্যথা বাড়ে, তবে অ্যান্টিবায়োটিক আইড্রপ বা অয়েন্টমেন্ট লাগতে পারে—ডাক্তারের পরামর্শমতো। সানগ্লাস ব্যবহার করলে রোদের ঝাঁঝ কম লাগে এবং সংক্রমণও কিছুটা রোধ হয়। রাজশাহীর সেরা চক্ষু বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিনচোখ ওঠা হলে একজন চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। রাজশাহীর কিছু অভিজ্ঞ চক্ষু বিশেষজ্ঞ: ডা. তানজিলা আলম, MBBS, DO (DU), FRSH (UK), Training (Singapore), প্রাক্তন অধ্যাপক ও প্রধান, চক্ষু বিভাগ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। ডা. মো. সাইফুর রহমান, MBBS, DO, প্রাক্তন সহকারী অধ্যাপক, চক্ষু বিভাগ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। ডা. মো. সাইফুল ইসলাম (সাত্তার), MBBS (RU), DO (EYE), MS (EYE, DU), সহকারী অধ্যাপক, চক্ষু বিভাগ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। ডা. মো. নুরুল ইসলাম, MBBS, DO, FCPS, সহযোগী অধ্যাপক ও প্রধান, চক্ষু বিভাগ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। চোখ ওঠা একটি অস্বস্তিকর কিন্তু নিরাময়যোগ্য সমস্যা। শুরুতেই সঠিক যত্ন ও চিকিৎসা নিলে এটি সহজেই নিয়ন্ত্রণে আনা যায়। চোখের যেকোনো প্রদাহ বা চুলকানি অবহেলা না করে দ্রুত চক্ষু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। আরও তথ্য ও অভিজ্ঞ চিকিৎসকের সন্ধান পেতে ভিজিট করুন doctorservicebd.com।

05 Apr,2025

blog-image Uncategorized

স্ক্যাবিস: লক্ষণ ও প্রাথমিক চিকিৎসা

স্ক্যাবিস কী?স্ক্যাবিস একটি সংক্রামক চর্মরোগ, যা সারকপটেস স্ক্যাবেই (Sarcoptes scabiei) নামক পরজীবী দ্বারা হয়। এটি খুব দ্রুত ছড়ায় এবং মারাত্মক চুলকানি সৃষ্টি করে।স্ক্যাবিসের লক্ষণ তীব্র চুলকানি, যা রাতে বেশি হয়। ত্বকে ছোট ফুসকুড়ি বা লালচে দানা। হাতের আঙুলের ফাঁকে, কবজি, বগল, কোমর ও যৌনাঙ্গে চুলকানি। চামড়ায় সরু রেখার মতো দাগ, যা মাইটের চলাচলের কারণে হয়। অতিরিক্ত চুলকানোর ফলে ত্বকে ক্ষত ও ব্যাকটেরিয়াল সংক্রমণ। স্ক্যাবিস হলে করণীয় চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। নির্দিষ্ট ওষুধ (যেমন পারমেথ্রিন ক্রিম) ব্যবহার করতে হবে। ব্যবহৃত পোশাক, বিছানার চাদর ও তোয়ালে গরম পানিতে ধুয়ে রোদে শুকাতে হবে। সংক্রমিত ব্যক্তির ঘনিষ্ঠদেরও চিকিৎসা নেওয়া উচিত। রাজশাহীর সেরা চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিনস্ক্যাবিসের লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চর্মরোগ বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। আপনি নিচের বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিতে পারেন: ডা. শাহনাজ সুলতানা (বিথি), MBBS, BCS (Health), MCPS, FCPS (Skin & VD), Consultant (Aesthetic & Clinical Dermatology), রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। ডা. আবু শাহিন, MBBS, FCPS (Medicine), FACP (USA), MRCP (UK), অ্যাসোসিয়েট প্রফেসর, মেডিসিন, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। ডা. শওকত ইসলাম, MBBS, DDV (DU), চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। ডা. সেলিনা পারভীন, MBBS, MD (Dermatology), চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। স্ক্যাবিস একটি সংক্রামক ও অস্বস্তিকর চর্মরোগ হলেও এটি সম্পূর্ণ নিরাময়যোগ্য। দ্রুত চিকিৎসা গ্রহণ এবং ব্যক্তিগত স্বাস্থ্যবিধি মেনে চললে এই রোগের প্রভাব কমানো সম্ভব। চুলকানি ও ত্বকের সমস্যাকে অবহেলা না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। আরও তথ্য ও বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ পেতে ভিজিট করুন DoctorserviceBD অথবা আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন ০১৭২৩০২৫৫১৪ এই নাম্বারে।

03 Apr,2025

blog-image Uncategorized

এপিলেপসি রোগের লক্ষণ ও এর প্রাথমিক চিকিৎসা

এপিলেপসি বা খিচুনি কী?এপিলেপসি হলো মস্তিষ্কের একটি স্নায়বিক রোগ, যেখানে মস্তিষ্কের নিউরনগুলোর অস্বাভাবিক বৈদ্যুতিক কার্যকলাপের ফলে খিচুনি বা আঁকাবাঁকা নড়াচড়া হয়। এটি দীর্ঘমেয়াদি সমস্যা এবং বিভিন্ন বয়সের মানুষকে আক্রান্ত করতে পারে।এপিলেপসির সাধারণ লক্ষণএপিলেপসির লক্ষণ ব্যক্তিভেদে ভিন্ন হতে পারে, তবে সাধারণ লক্ষণগুলো হলো: আচমকা খিচুনি বা ঝাঁকি দেওয়া – শরীরের কোনো অংশ বা পুরো শরীর কাঁপতে পারে। অচেতন হয়ে যাওয়া – খিচুনির সময় ব্যক্তির জ্ঞান হারিয়ে যেতে পারে। চোখের পলক বা মুখমণ্ডলের খিঁচুনি – ছোট ছোট অঙ্গপ্রত্যঙ্গেও খিচুনি হতে পারে। হঠাৎ পড়ে যাওয়া – ব্যক্তি ভারসাম্য হারিয়ে হঠাৎ পড়ে যেতে পারে। স্বাভাবিক চিন্তাভাবনায় বিঘ্ন – কিছুক্ষণের জন্য ব্যক্তি বিভ্রান্ত বা অস্পষ্টভাবে কথা বলতে পারে। ঝাপসা দৃষ্টি বা অদ্ভুত গন্ধ অনুভব করা – কিছু রোগী খিচুনির আগে অদ্ভুত অনুভূতি পেতে পারে। খিচুনি হলে প্রাথমিক করণীয়এপিলেপসির খিচুনি দেখা দিলে দ্রুত ও সঠিক ব্যবস্থা নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। নিচে কিছু জরুরি পদক্ষেপ দেওয়া হলো: ব্যক্তিকে নিরাপদ জায়গায় রাখুন – তার চারপাশ থেকে ক্ষতিকারক বস্তু সরিয়ে ফেলুন। তার মাথা নরম কিছু দিয়ে সাপোর্ট দিন – আঘাত এড়ানোর জন্য মাথার নিচে বালিশ বা হাত রাখুন। শরীর ঢিলা করে দিন – কাপড় বা টাই বেশি টাইট থাকলে খুলে দিন। তার পাশে কাত করে দিন – যাতে শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক থাকে এবং লালা বা বমি বের হয়ে যেতে পারে। জোর করে কিছু খাওয়ানোর চেষ্টা করবেন না – মুখে কিছু দেওয়ার চেষ্টা করলে তা শ্বাসনালিতে আটকে যেতে পারে। সময় নোট করুন – খিচুনি সাধারণত ২-৩ মিনিটের বেশি স্থায়ী হয় না। তবে ৫ মিনিটের বেশি হলে দ্রুত চিকিৎসা নিতে হবে। খিচুনি শেষ হলে শান্ত রাখুন – ব্যক্তি জ্ঞান ফিরে পেলে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে সময় লাগতে পারে, তাই তাকে শান্ত করুন। কখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি? খিচুনি ৫ মিনিটের বেশি স্থায়ী হলে। একের পর এক খিচুনি হলে এবং মাঝখানে জ্ঞান না ফিরলে। খিচুনির সময় গুরুতর আঘাত পেলে। প্রথমবারের মতো খিচুনি হলে। রাজশাহীর সেরা নিউরোমেডিসিন বিশেষজ্ঞযদি কারও এপিলেপসির লক্ষণ দেখা দেয়, তবে দ্রুত নিউরোলজিস্টের পরামর্শ নেওয়া উচিত। আপনি doctorservicebd.com-এ তালিকাভুক্ত বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে পরামর্শ নিতে পারেন। নিচে রাজশাহীর কিছু নিউরোলজিস্টের তথ্য দেওয়া হলো: প্রফেসর ডা. মো. কফিল উদ্দিন – MBBS, MCPS (Medicine), MD (Neurology), NeuroMedicine বিভাগ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। ডা. মো. মঞ্জুর এলাহী – MBBS, MD (Neurology), NeuroMedicine বিভাগ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। ডা. এ বি এম মাহবুবুল হক লিমন – MBBS, MD (Neurology), NeuroMedicine বিভাগ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।এপিলেপসি একটি দীর্ঘমেয়াদি স্নায়বিক রোগ, যা সঠিক চিকিৎসা এবং জীবনধারা পরিবর্তনের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব। প্রাথমিক চিকিৎসা সম্পর্কে সচেতন থাকলে খিচুনির সময় বিপদ এড়ানো সম্ভব। doctorservicebd.com-এর বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ নিয়ে এপিলেপসির যথাযথ চিকিৎসা গ্রহণ করুন।

03 Apr,2025

blog-image Uncategorized

পায়ের তলা জ্বালাপোড়া কেন হয়

পায়ের তলা জ্বালাপোড়া কেন হয়?পায়ের তলায় জ্বালাপোড়া বা বার্নিং ফুট সিনড্রোম একটি সাধারণ সমস্যা, যা বিভিন্ন কারণে হতে পারে। সাধারণত এটি স্নায়ুজনিত সমস্যা, রক্তসঞ্চালনের অসুবিধা বা কিছু নির্দিষ্ট রোগের লক্ষণ হতে পারে। এর প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে: নিউরোপ্যাথি: ডায়াবেটিস, ভিটামিন বি১২-এর ঘাটতি, কেমোথেরাপি বা অন্য কোনো স্নায়ুগত সমস্যার কারণে স্নায়ুগুলো ক্ষতিগ্রস্ত হলে পায়ের তলায় জ্বালাপোড়া অনুভূত হতে পারে। ডায়াবেটিক নিউরোপ্যাথি: দীর্ঘমেয়াদি ডায়াবেটিস রোগীদের মধ্যে এই সমস্যা বেশি দেখা যায়। পেরিফেরাল ভাসকুলার ডিজিজ (PVD): রক্তপ্রবাহ বাধাগ্রস্ত হলে পায়ে ব্যথা ও জ্বালাপোড়া হতে পারে। হার্টের সমস্যা বা উচ্চ রক্তচাপ: এসব সমস্যা রক্ত সঞ্চালন ব্যাহত করতে পারে, যার ফলে পায়ে জ্বালাপোড়া হয়। ফাঙ্গাল সংক্রমণ: অ্যাথলিটস ফুটের মতো সংক্রমণ থেকেও পায়ের তলায় জ্বালাপোড়া হতে পারে। কিডনি ও লিভারের সমস্যা: শরীরে টক্সিন জমলে স্নায়ু ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং পায়ে জ্বালাপোড়া দেখা দেয়। অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ: এটি স্নায়ু ক্ষতি করতে পারে, যা বার্নিং ফুট সিনড্রোমের কারণ হতে পারে। অতিরিক্ত চাপ ও মানসিক উদ্বেগ: দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ ও উদ্বেগ থেকেও এই সমস্যা দেখা দিতে পারে। কোন ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত?পায়ের তলা জ্বালাপোড়া হলে প্রধানত নিউরোলজিস্ট বা স্নায়ু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত। কিছু ক্ষেত্রে ভাসকুলার বিশেষজ্ঞ, চর্মরোগ বিশেষজ্ঞ বা ডায়াবেটোলজিস্ট-এর পরামর্শও প্রয়োজন হতে পারে।রাজশাহীর কিছু বিশেষজ্ঞ নিউরোলজিস্ট: প্রফেসর ডা. মো. কফিল উদ্দিন – MBBS, MCPS (Medicine), MD (Neurology), NeuroMedicine বিভাগ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। ডা. মো. মঞ্জুর এলাহী – MBBS, MD (Neurology), NeuroMedicine বিভাগ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। ডা. এ বি এম মাহবুবুল হক লিমন – MBBS, MD (Neurology), NeuroMedicine বিভাগ, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল। পায়ের তলা জ্বালাপোড়া কমানোর ঘরোয়া উপায়যদিও সঠিক চিকিৎসা নেওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ, তবে কিছু ঘরোয়া উপায় অবলম্বন করে সাময়িক আরাম পাওয়া যেতে পারে: ঠাণ্ডা পানিতে পা ভিজিয়ে রাখা – এতে সাময়িকভাবে জ্বালাপোড়া কমতে পারে। ভিটামিন বি কমপ্লেক্স গ্রহণ – নিউরোপ্যাথি প্রতিরোধে সহায়ক। আরামদায়ক জুতা পরিধান করা – পায়ের উপর চাপ কমায়। ম্যাসাজ ও ব্যায়াম করা – রক্ত সঞ্চালন বাড়াতে সাহায্য করে। অ্যালকোহল ও ধূমপান পরিহার করা – স্নায়ুর ক্ষতি রোধ করতে সহায়ক।পায়ের তলায় জ্বালাপোড়া অনেক কারণেই হতে পারে, তবে দীর্ঘস্থায়ী হলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। doctorservicebd.com-এ তালিকাভুক্ত বিশেষজ্ঞদের কাছ থেকে আপনি সঠিক পরামর্শ নিতে পারেন এবং আপনার সমস্যার যথাযথ চিকিৎসা নিশ্চিত করতে পারেন।

02 Apr,2025

blog-image Uncategorized

হৃদরোগ এর লক্ষণ কি - হৃদরোগ এর উপসর্গ কি কি

হৃদরোগের উপসর্গ ও প্রতিকারহৃদরোগ (কার্ডিওভাসকুলার ডিজিজ) বর্তমান সময়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ স্বাস্থ্য সমস্যা। এটি মূলত হৃদযন্ত্র এবং রক্তনালীর বিভিন্ন সমস্যাকে বোঝায়। অনেক ক্ষেত্রে হৃদরোগের লক্ষণগুলো স্পষ্টভাবে বোঝা যায় না, ফলে দ্রুত চিকিৎসা না নিলে জটিলতা বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই হৃদরোগের সাধারণ উপসর্গ সম্পর্কে জানা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।হৃদরোগের সাধারণ উপসর্গ:১. বুকের ব্যথা (অ্যাঞ্জাইনা): বুকের মাঝখানে বা বাম পাশে চাপ অনুভূত হওয়া, যা হাত, গলা বা চোয়ালে ছড়িয়ে পড়তে পারে। এটি সাধারণত শারীরিক পরিশ্রমের সময় দেখা দেয়। শ্বাসকষ্ট: স্বাভাবিক কাজ করার সময় বা বিশ্রামের অবস্থায়ও শ্বাসকষ্ট অনুভূত হতে পারে। এটি মূলত হৃদযন্ত্র পর্যাপ্ত রক্ত পাম্প করতে না পারার কারণে হয়ে থাকে। বুকে ভারী লাগা বা অস্বস্তি: বুকের ভেতর ভারী লাগা বা দম বন্ধ হওয়ার অনুভূতি হতে পারে, যা সাধারণত হৃদরোগের লক্ষণ হতে পারে। অতিরিক্ত ক্লান্তি: স্বাভাবিক কাজের পরেও যদি অস্বাভাবিক ক্লান্তি অনুভূত হয়, তবে এটি হৃদরোগের লক্ষণ হতে পারে। বিশেষ করে মহিলাদের ক্ষেত্রে এটি বেশি দেখা যায়। হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন: হঠাৎ করেই হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, কমে যাওয়া বা অনিয়মিত হৃদস্পন্দন অনুভূত হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। বমি বমি ভাব ও মাথা ঘোরা: হৃদরোগের ক্ষেত্রে অনেক সময় হালকা মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়ার মতো সমস্যাও হতে পারে। হাত, পা ও মুখ ফোলা: হৃদযন্ত্র যদি সঠিকভাবে কাজ না করে তবে শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে যেতে পারে, যা হাত-পা বা মুখ ফুলে যাওয়ার কারণ হতে পারে। হৃদরোগ কি ও হৃদরোগের উপসর্গ কি কি তা সম্পর্কে আমাদের ফেসবুক পেজ Doctor Service BD তে জানাচ্ছেন,হৃদরোগ, উচ্চ রক্তচাপ, বাতজ্বর ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞডাঃ এএসএম সায়েমএমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য) ডি-কার্ড (এনআইসিভিডি)হৃদরোগ বিশেষজ্ঞকন্সাল্টেন্ট হৃদরোগ বিশেষজ্ঞরাজশাহী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালকখন চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত?যদি উপরোক্ত উপসর্গগুলোর যেকোনো একটি দীর্ঘদিন ধরে অনুভূত হয় বা হঠাৎ করে তীব্র হয়ে ওঠে, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করতে আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন ০১৭২৩০২৫৫১৪ এই নাম্বারে।হৃদরোগ প্রতিরোধে করণীয়: স্বাস্থ্যকর খাবার গ্রহণ (কম চর্বিযুক্ত ও বেশি ফাইবারযুক্ত খাবার খাওয়া) নিয়মিত শরীরচর্চা করা ধূমপান ও অ্যালকোহল পরিহার করা রক্তচাপ ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখা মানসিক চাপ কমানো নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা আরও তথ্যের জন্য:হৃদরোগ সংক্রান্ত আরও তথ্য ও বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ পেতে ভিজিট করুন doctorservicebd.com। অথবা আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন ০১৭২৩০২৫৫১৪ এই নাম্বারে। এখানে আপনি বাংলাদেশে স্বনামধন্য হৃদরোগ বিশেষজ্ঞদের তালিকা ও তাদের পরামর্শ পেতে পারেন।সতর্ক থাকুন, সুস্থ থাকুন

01 Apr,2025

blog-image Uncategorized

শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে লেবুর সরবতের ভূমিকা

শরীরকে হাইড্রেটেড রাখতে লেবুর সরবতের ভূমিকাশরীরের পানি ও ইলেক্ট্রোলাইটের ভারসাম্য বজায় রাখতে হাইড্রেশন অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে গরমের দিনে বা দীর্ঘক্ষণ রোজা রাখার পর শরীর থেকে প্রচুর পানি বেরিয়ে যায়, যা ক্লান্তি, মাথা ব্যথা ও দুর্বলতার কারণ হতে পারে। এই পরিস্থিতিতে লেবুর সরবত একটি কার্যকর ও প্রাকৃতিক সমাধান।লেবুর সরবত কেন উপকারী?✅ প্রাকৃতিক ইলেক্ট্রোলাইট: লেবুর সরবতে থাকা পটাশিয়াম ও সোডিয়াম শরীরের ইলেক্ট্রোলাইট ব্যালেন্স ঠিক রাখতে সাহায্য করে। ✅ শরীরে পানি ধরে রাখতে সহায়ক: এটি শরীরের ডিহাইড্রেশন প্রতিরোধ করে এবং দীর্ঘক্ষণ তরল ধরে রাখতে সাহায্য করে। ✅ উত্তম ভিটামিন সি এর উৎস: লেবুতে প্রচুর ভিটামিন সি থাকে, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে এবং স্কিন হাইড্রেশন ঠিক রাখে।আরও পড়ুন:: রমজানে তরমুজ খাওয়ার উপকারিতা ✅ পরিপাকতন্ত্রের জন্য ভালো: এটি অ্যাসিডিটি কমায়, হজমে সাহায্য করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে। ✅ শরীরকে সতেজ রাখে: গরমে অতিরিক্ত ঘামের ফলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে, লেবুর সরবত দ্রুত শরীরকে চাঙ্গা করে তোলে। ✅ ডিটক্সিফাই করে: এটি কিডনির কার্যকারিতা উন্নত করে এবং শরীর থেকে টক্সিন বের করতে সাহায্য করে।প্রতিদিন এক গ্লাস লেবুর সরবত পান করলে শরীর হাইড্রেটেড, সতেজ ও সক্রিয় থাকে। এটি শুধু পানিশূন্যতা দূর করে না, বরং পরিপাকতন্ত্র, ত্বক ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার জন্যও দারুণ উপকারী। গরমের দিনে বা রোজার সময় এটি আদর্শ পানীয় হতে পারে। আরও স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শের জন্য ভিজিট করুন: www.doctorservicebd.com

30 Mar,2025

blog-image Uncategorized

রক্তে হিমোগ্লোবিন কমে গেলে করনীয়

রক্তে হিমোগ্লোবিন কমে গেলে (অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতা) ডাক্তাররা সাধারণত রোগীর কারণ ও অবস্থা অনুযায়ী নিম্নলিখিত পরামর্শ দিয়ে থাকেন:১. মেডিকেল  ট্রিটমেন্ট (ঔষধ):আয়রন সাপ্লিমেন্ট: ফেরাস সালফেট, ফেরাস ফিউমারেট (যদি আয়রনের ঘাটতি থাকে)।ভিটামিন বি১২ বা ফলিক অ্যাসিড: যদি মেগালোব্লাস্টিক অ্যানিমিয়া থাকে।ইরিথ্রোপয়েটিন (EPO) ইনজেকশন: কিডনি রোগ বা ক্যান্সার রোগীদের ক্ষেত্রে।রক্ত সঞ্চালন (Blood Transfusion): জরুরি অবস্থায় (হিমোগ্লোবিন

28 Mar,2025

blog-image Uncategorized

স্ক্যাবিস কি - স্ক্যাবিস থেকে মুক্তির উপায়

স্ক্যাবিস কী?স্ক্যাবিস হলো এক ধরনের চর্মরোগ, যা ক্ষুদ্র পরজীবী উকুনের (mite) কারণে হয়ে থাকে। এই পরজীবীগুলো ত্বকের নিচে ঢুকে ডিম পাড়ে, যার ফলে চুলকানি ও ফুসকুড়ি দেখা দেয়। এটি অত্যন্ত সংক্রামক এবং একজনের থেকে আরেকজনের শরীরে সহজেই ছড়িয়ে পড়তে পারে।Scabies বা খোস-পাঁচড়া রোগ সম্পর্কে জানাচ্ছেন,চর্ম ও যৌন রোগ বিশেষজ্ঞডা. মুহা. আলমগীর রেজামবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য),ডিডিভি (চর্ম ও যৌন রোগ),এমএসিপি (আমেরিকা)ফেলো ইন ডার্মাটো সার্জারীএ্যাডভান্স ট্রেনিং ইন সেক্সুয়াল মেডিসিন ( SAASM)মেম্বার সোরিয়াসিস এওয়ারনেস ক্লাবচর্ম ও যৌন বিভাগরাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালবিস্তারিত দেখুন আমাদের ফেসবুক পেজ Doctor Service BD তেস্ক্যাবিস কেন হয়?স্ক্যাবিস মূলত সংক্রমিত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসার ফলে হয়। এর প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে— ত্বকের সরাসরি সংস্পর্শ একই বিছানা, পোশাক বা তোয়ালে ব্যবহার অপরিচ্ছন্ন পরিবেশে বসবাস ভিড় বা ঘনবসতিপূর্ণ জায়গায় থাকা স্ক্যাবিস থেকে মুক্তির উপায়স্ক্যাবিস হলে দ্রুত চিকিৎসা নেওয়া জরুরি। কিছু কার্যকরী পদ্ধতি হলো—আরও পড়ুন :: সিজনাল অসুস্থতা থেকে নিজেকে সুস্থ রাখার উপায় বিশেষ ধরনের মলম বা লোশন ব্যবহার – শরীরের আক্রান্ত অংশে নির্দিষ্ট ওষুধ মাখতে হয়, যা পরজীবীগুলোকে মেরে ফেলে। পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা – আক্রান্ত ব্যক্তির পোশাক, বিছানার চাদর ও তোয়ালে ভালোভাবে ধুয়ে নিতে হবে। নখ ছোট করে কাটা – এতে ত্বকের ক্ষতি কম হবে এবং চুলকানি করার সময় ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ঝুঁকি কমবে। পরিবারের সবাইকে চিকিৎসা নেওয়া – একজন আক্রান্ত হলে পরিবারের অন্যান্য সদস্যদেরও চিকিৎসা নেওয়া উচিত, যাতে সংক্রমণ পুনরায় ছড়িয়ে না যায়।নিয়মিত বিভিন্ন রোগ সম্পর্কে জানতে ও স্বাস্থ্য টিপস পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। সেইসাথে রাজশাহীর সকল বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের সাথে পরামর্শ করার জন্য তাদের সিরিয়াল দিতে আমাদের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করুন ০১৭২৩০২৫৫১৪ এই নাম্বারে।

27 Mar,2025

blog-image Uncategorized

এনিমিয়া কোন ভিটামিনের অভাবে হয়

এনিমিয়া কী?এনিমিয়া (Anemia) হলো এক ধরনের রক্তস্বল্পতা, যা তখন ঘটে যখন রক্তে হিমোগ্লোবিনের মাত্রা কমে যায় বা লাল রক্তকণিকার সংখ্যা স্বাভাবিকের চেয়ে কমে যায়। এটি শরীরের বিভিন্ন অংশে পর্যাপ্ত অক্সিজেন সরবরাহে বাধা সৃষ্টি করে, ফলে দুর্বলতা, ক্লান্তি ও শ্বাসকষ্টের মতো সমস্যা দেখা দেয়।এনিমিয়া কোন ভিটামিনের অভাবে হয়?এনিমিয়া সাধারণত আয়রন, ভিটামিন বি১২ এবং ফোলিক অ্যাসিডের অভাবে হয়ে থাকে। আয়রন (Iron) অভাবজনিত এনিমিয়া আয়রন হিমোগ্লোবিন তৈরির জন্য প্রয়োজনীয়। আয়রনের অভাবে লোহিত রক্তকণিকার সংখ্যা কমে যায়। লক্ষণ: ক্লান্তি, মাথা ঘোরা, ফ্যাকাশে ত্বক, শ্বাসকষ্ট।আরও পড়ুন:: শরীরে রক্ত কম হাওয়ার লক্ষণ ভিটামিন বি১২ (Vitamin B12) অভাবজনিত এনিমিয়া বি১২ লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ। এটি মূলত প্রাণিজ উৎসের খাবারে পাওয়া যায়। লক্ষণ: হাত-পা ঝিনঝিন করা, স্মৃতিশক্তি দুর্বল হওয়া, দুর্বলতা। ফোলিক অ্যাসিড (Folic Acid) অভাবজনিত এনিমিয়া এটি লোহিত রক্তকণিকা তৈরিতে সাহায্য করে। গর্ভবতী নারীদের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। লক্ষণ: মাথা ব্যথা, মেজাজ খিটখিটে হওয়া, মুখের আলসার। এনিমিয়া প্রতিরোধে করণীয় আয়রন সমৃদ্ধ খাবার খান (মাংস, পালং শাক, ডাল, ডিম) ভিটামিন বি১২ ও ফোলিক অ্যাসিডযুক্ত খাবার খান (দুধ, কলিজা, সবুজ শাকসবজি)আরও পড়ুন:: রক্তে হিমোগ্লোবিন কমে যাওয়ার লক্ষণ পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করুন প্রয়োজনে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে আয়রন ও ভিটামিন সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করুন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের পরামর্শ নিতে ভিজিট করুন: www.doctorservicebd.com

26 Mar,2025

Emergency Contact

Emergency Call +880 1723-025514

Emergency E-mail

24/7 Email Support [email protected]

- OR -